ইফরা কে আসতে দেখেই সবাই এগিয়ে এলো একে একে সবাই ইফরা কে উপহার দিলো সাথে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানালো,,
হ্যাঁ আজ তো ইফরার জন্মদিন তার মনেই ছিলো না,,
ধীরে ধীরে ইফরার দুটো হাতই গিফ্টে ভর্তি হয়ে গেলো ইসরাত তাকে সেসব রাখার জন্য পাশের একটা খালি জায়গা দেখিয়ে দিলো,,
ইফরা এখনো অবাক চোখে চেয়ে দেখছে সব তার চোখ গেল সামনে মেহরাব আসছে তার দিকে
হাতে তার বিশাল বড় এক ফুলের তোরা,,
আজ মেহরাব পড়েছে কালো রঙের শার্ট সাথে ফরমাল প্যান্ট আর ওভার কোট তাতে ভীষণ সুদর্শন লাগছে তাকে,,
ক্লিন সেভ করার কারণে তার চোয়াল বেশ তীক্ষ্ণ লাগছে মেহরাব শ্যামলা নয় ঠিক উজ্জ্বল শ্যামলা এক প্রকার ফর্সাই বলা চলে,,
Happy birthday miss ifra orthi
ইফরার ধ্যান ভাঙলো মেহরাবের কন্ঠে মেহরাব হালকা হেসে ফুলের বুকে টা এগিয়ে দিলো ইফরার দিকে ইফরাও হালকা হেসে সেটা হাতে নিলো,,
মেহরাব মাথা চুলকে বললো,,
-"আসলে আমি জানতাম না আজ তোমার জন্মদিন সিফাত আজ সকালেই বললো তাই তাড়াহুড়ো করে তেমন কোনো উপহার আনতে পারি নি,,, তবে তোমার যা ইচ্ছে চাইতে পারো আমি অবশ্যই সেটা দেবো,,।।"
ইফরাও হালকা হাসলো তারপর বললো -"ঠিক আছে আপাতত তাহলে গিফ্ট টা তোলা থাক পরে সময় মতো চেয়ে নেব,,,!!"
তখনই ইসরাত বলে উঠলো,,
-"আরে ওইতো সিফাত আর রাফিয়ান ভাই ও চলে এসেছে।।"
ইফরা দেখলো সিফাত আর রাফিয়ান তার দিকেই আসছে,,
সিফাত আজ পড়েছে হালকা নীল রঙের শার্ট আর ফরমাল প্যান্ট শার্টের উপর তার জিম করা বডি বেশ অনেকটাই স্পষ্ট যদিও সিফাত শ্যামলা তবে আজ যেন তাকে ভীষণ সুদর্শন লাগছে,, এসব ভেবে ইসরাত মনে মনে বেশ লজ্জা পেলো,,!!
তবে ইফরার দৃষ্টি রাফিয়ানের দিকে,,
রাফিয়ান সাদা শার্ট পড়েছে বুকের কাছে কয়েকটা বুতাম খুলে রাখা চুল গুলো হালকা আঁচড়ানো তবে বাতাসে তা মৃদু ভাবে উড়ছে,,
মুখে লেপ্টে আছে মুচকি হাসি,, চোখ দুটো একদম শান্ত,,
রাফিয়ান কে দেখেই বোঝা যায় সে কতটা সাস্থ্য সচেতন হয়তো জিমও করে বডি দেখে তাই মনে হয়,,
ইফরার দুষ্টু হেসে মনে মন বললো,,,,
-"এই রাফিয়ান মালটা তো জোস,, দেখে ক্রাশ খাবে যে কেউ!! এই মালটাকেই দুলাভাই বানাবো,,ওফ ইয়েরিনের সাথে মালটাকে যা লাগবে না তা আর বলতে হবে না,,।। "
এসব ভাবতে ভাবতেই ইফরা নিজের বুদ্ধির প্রশংসা করে নিজেই লজ্জা পেয়ে হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেললো,,
রাফিয়ান এগিয়ে এসে ইফরা কে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটা গিফট বক্স এগিয়ে দিলো ইফরা হেসে তা গ্রহণ করলো,,
রাফিয়ানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সিফাত তখন অন্য জগতে সে তাকিয়ে আছে ইসরাতের দিকে,,,
চারপাশ ইতিমধ্যেই অন্ধকারে ঢেকে গেছে আর মৃদু বাতাস বইছে তাতে ইসরাতের পড়নের ফ্রক আর ছেড়ে রাখা লম্বা কালো চুল গুলো উড়ছে,,
খুব বেশি সাজেনি ইসরাত তবুও যেন সিফাত চোখ ফেরাতে পারলো না,,
বিষয়টা ইফরার নজরে পড়তেই সে দুষ্টু হেসে সিফাত কে হালকা ধাক্কা দিয়ে বললো,,
-কি হে মশাই কোন জগতে ডুবলে??"
সিফাত দ্রুত কথা কাটিয়ে বললো,,
-"আরে না না কিছু না আরে রাফিয়ান চলো আমি তোমাকে বসার জায়গা দেখিয়ে দিচ্ছি।।"
বলেই সে প্রায় এক প্রকার পালালো,,
ইফরা এবার শব্দ করে হাসলো তবে হঠাৎ তার চোখ পড়লো নিজের দিকে সবাই কত সুন্দর সুন্দর ড্রেস পড়েছে অথচ তার গায়ে প্যালেসে পড়ে থাকা সেই কূর্তিটাই,,
সে এদিক ওদিক তাকালো তবে কোথাও কাঙ্ক্ষিত ব্যাক্তির দেখা মিললো না ইফরা কিছুটা আপসেট হলো,,
তবে ইসরাত তাকে বললো,,
-"এই রাই নিজের ড্রেস দেখেছিস? আয় আমার সাথে চেঞ্জ করবি আয়,,।"
-"ওরে কোলা ব্যাঙের মা চেঞ্জ করবো মানে কি আমি কি ড্রেস এনেছি নাকি আর ওই নাটের গুরু টা কই মানে তোদের লিডার যে আমাকে এখানে ডাকলো,,,??"
-"আরেহ্ চাপ নিস না ব্রো ওটাও আছে সময় মত ঠিক ডিমের ভেতর থেকে বের হবে তোকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্যই এতকিছু তাই ড্রেসও আছে,,।। "
ইফরা আর কথা বাড়ালো না ইসরাতের পিছু পিছু গেলো
Marina Beach Villas Resort টা আজ অন্য ভাবেই সাজানো ভেতরে যেতেই ইফরা আরো বেশি অবাক হলো,,,
ভিলার ভেতরে ঢুকেই চোখে পড়লো সুইমিং পুলটা,, সেটার চারপাশে লাইট লাগানো,,
সুতোয় বাঁধা ছোট ছোট তারা,, আর গুটি গুটি অক্ষরে লেখা Happy birthday dear Sheikh Ifra Orthi,,
ইফরা কেবল হা করে সব দেখতেই লাগলো ভিলার ভেতরে যেন এক টুকরো রুপকথার রাজ্য,,
হাঁটতে হাঁটতে ইফরা খেয়ালই করে নি কখন সে একটা রুমে চলে এসেছে,,
ইসরাত তাকে ডেকে বললো,,
-" এই রাই এদিকে তাকা দেখতো ড্রেসটা কেমন? অবশ্য সুন্দরই হবে কারণ এটা ইয়েরিনের চয়েস ব্রোহ্!!"
ইসরাতের ডাকে ইফরা ড্রেস টার দিকে তাকালো চরম বিস্ময়ে আপনা আপনি তার ঠোঁট কিছুটা ফাঁক হয়ে গেলো,,
তার সামনে একটা গাউন রাখা যা সম্পুর্ণ নীল রঙের,,
ছোট ছোট কারুকাজ গুলো সোনালি সুতোর,, ড্রেসের মাঝের ভাজ গুলো যেন জীবন্ত সমুদ্রের ঢেউ,,
চারপাশে ছড়ানো বিশাল প্রিন্সেস গাউনটা দেখে না চাইতেও ইফরার চোখের কোণে হালকা জল জমে উঠলো,,!!
ইসরাতের সাহায্যে ইফরা দ্রুত ড্রেস টা পড়ে নিলো কিছু মেকাপ আর্টিস্ট এসে ইফরা কে হালকা সাজিয়ে দিয়ে গেলো,,
বেশি সাজালো না কারণ ইয়েরিন তাদের বলে গিয়েছে ইফরার আসল সৌন্দর্য যেন মেকাপ এর আড়ালে চাপা না পড়ে শুধু যতটা ড্রেসের সাথে মানানসই ততটাই যেন সাজায়,,
ইফরা একবার বিশাল আয়নায় নিজেকে দেখে নিলো আজ তার মনে হচ্ছে সে যেন কোনো রুপকথার রাজকন্যা,,
তার সেই রাজকন্যা রুপটাকে আরও জীবন্ত করে তুলতে ইসরাত এগিয়ে এলো তার হাতে একটা সোনালী প্লেট তার উপর লাল মখমলের কাপড়,,
আর সেই কাপড়ের উপর রাখা একটা ক্রাউন,, একদম ড্রেসের সাথে মেলানো ব্লু ক্রিস্টালে তৈরি,,,
তবে মুকুট টা সে ইফরা কে পড়িয়ে দিলো না শুধু বললো এটা তোকে সে-ই পড়িয় দেবে যে আজ তোর জন্য এতকিছুর আয়োজন করেছে,,
ইফরাও বুঝলো যে সে কে,, তাই হালকা হেসে সে নিজের গাউন টা সামলে সামনে এগোলো,,
হঠাৎ করেই পুরো সমুদ্র পাড় টা অন্ধকারে ঢেকে গেলো সবার মাঝে চাপা গুঞ্জন শুরু হলো তবে দ্রুতই তা মিলিয়ে এলো,,
সামনের লাল কার্পেটে মৃদু আলো জ্বলে উঠলো সবাই বিস্ময় নিয়ে সেদিকে তাকালো ইফরা হেঁটে আসছে অভিজাত ভঙ্গিমায়,, তার দৃষ্টিতে নেই কোন ভয় কোন দ্বিধা আছে শুরু একরাশ মুগ্ধতা আর আনন্দের ঝিলিক,,
ইফরা ধীরে হেঁটে এসে দাঁড়ালো কেক রাখা টেবিলটার সামনে,,
এক মুহুর্তের জন্য সবার মনে হলো তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে রুপকথার কোনো রাজকন্যা,,
কেকের সামনে দাঁড়িয়ে ইফরা তখনও চারপাশটা দেখছিল।
এত কিছু তার জন্য—এটা এখনো যেন বিশ্বাস হচ্ছে না।
হঠাৎ কোথা থেকে একটা গিটারের নরম সুর ভেসে এলো।
ইফরা থেমে গেল।
চারপাশের কথাবার্তাও ধীরে ধীরে কমে এলো।
তারপর ভিড়ের মাঝখান থেকে একটা কণ্ঠ ভেসে এলো—
"Yaara tere sadke ishq sikha..."
"Main toh aayi jag tajh ke ishq sikha.."
ইফরার বুকটা কেমন করে উঠলো।
"Main toh yaara tere sadqe ishq sikha.."
"Main toh aayi jag tajh ke ishq sikha.."
এই কণ্ঠটা সে চিনে।
ধীরে ধীরে মানুষের মাঝখানটা ফাঁকা হয়ে গেল।
আর সেই ফাঁকা পথের একদম শুরুতে দাঁড়িয়ে আছে ইয়েরিন।
মেরুন রঙের একটা long fitted gown তার গায়ে। গলার কাছটা খুব সাধারণ, কিন্তু কোমরের একপাশ থেকে নেমে যাওয়া সূক্ষ্ম golden embroidery পুরো পোশাকটাকে অন্যরকম করে তুলেছে। নিচের অংশটা মাটিতে হালকা ছুঁয়ে যাচ্ছে, হাঁটার সঙ্গে সঙ্গে নরমভাবে দুলছে।
চুলগুলো খোলা। সমুদ্রের বাতাসে কয়েকটা চুল বারবার মুখের ওপর এসে পড়ছে।
কিন্তু ইয়েরিন সেদিকে তাকাচ্ছেও না।
তার চোখ শুধু একজনের দিকে। ইফরা,,
গিটার হাতে ধীরে ধীরে হাঁটতে হাঁটতে ইয়েরিন আবার গান ধরলো।
ইফরা চুপ করে তাকিয়ে রইলো।
চোখের কোণে কখন যে পানি জমেছে, সে নিজেও টের পায়নি।
ইয়েরিন কাছে এসে গান থামিয়ে হেসে বললো,
— "কী হলো? এমন করে তাকিয়ে আছিস কেন?"
ইফরা চোখ মুছে বললো,
— "তুই... এসব করেছিস?"
ইয়েরিন ভ্রু কুঁচকে খুব স্বাভাবিক গলায় বললো,
— "না। ভূত করেছে।"
ইফরা হেসে ফেললো, চোখের পানির মাঝেও।
— "রিন!"
— "হুম?"
— "আমি সত্যি জানতাম না।"
ইয়েরিন হালকা হেসে বললো,,
— "জানলে surprise থাকত?"
ইফরা মাথা নাড়লো।
— "কিন্তু এত কিছু করার কী দরকার ছিল?"
ইয়েরিন কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো।
তারপর খুব আস্তে বললো,
— "তুই আমার জন্য কত কিছু করেছিস, তার হিসাব রাখিস কখনো?" তুই শুধু আমার বেস্ট ফ্রেন্ড না তুই আমার বোন,,
"হয়তো তোর সাথে আমার রক্তের সম্পর্ক নেই তবুও তুই আমার আপন বোনের থেকে কখনো কম না.."
ইফরা কিছু বলতে পারলো না।
মাত্র কয়েকটা শব্দ।
কিন্তু ইফরার চোখ আবার ভিজে গেল।
সে আস্তে করে বললো,
— "তুই জানিস, তুই না থাকলে আমি..."
ইয়েরিন সঙ্গে সঙ্গে থামিয়ে দিলো।
— "জানি।"
— "কী জানিস?"
— "তুই বেশি emotional হয়ে গেলে কী কী বলতে শুরু করিস, সেটা জানি।"
ইফরা হেসে ফেললো।
— "সাইকো কোথাকার!"
— "হুম বলবিই তো বেয়াদ্দব,,।।
কথাটা বলেই ইয়েরিন সেই সোনালি প্লেটটার দিকে এগিয়ে গেল।
লাল মখমলের ওপর রাখা নীল ক্রিস্টালের মুকুটটা হাতে তুলে নিলো।
ইফরা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো।
— "এটা..."
ইয়েরিন মুকুটটা হাতে নিয়ে বললো,
— "এটা তোর জন্য,,"
ইফরা আর কিছু বললো না।
শুধু মাথাটা একটু নিচু করলো।
ইয়েরিন খুব যত্ন করে তার মাথায় মুকুটটা পরিয়ে দিলো।
নীল ক্রিস্টালগুলো আলোয় ঝিকমিক করে উঠলো।
ইয়েরিন কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে রইলো তার দিকে।
তারপর বললো,
— "এবার ঠিক আছে।"
ইফরা হেসে বললো,
— "কী ঠিক আছে?"
— "এখন তোকে দেখে সত্যিই রাজকন্যা মনে হচ্ছে।"
— "আর তুই?"
ইফরা মুচকি হেসে প্রশ্ন করলো।
ইয়েরিন উত্তর দেওয়ার আগেই ইফরা নিজেই বললো,
— "তুই তো রাণী।"
ইয়েরিন হেসে মাথা নাড়লো।
— "রাণী হওয়ার ইচ্ছে আমার কখনো ছিল না।"
ইফরা তার হাতটা ধরে বললো,
— "কিন্তু তুই না চাইলেও তুই রাণী।"
কথাটা শুনে ইয়েরিন কিছু বললো না।
বদলে মুচকি হাসলো,,
---
এই পুরো সময়টায় মেহরাবের চোখ ছিল ইফরার দিকেই।
নীল গাউন, মাথায় সেই ক্রিস্টালের মুকুট, চোখের কোণে আনন্দের জল—
ইফরাকে আজ অন্যরকম লাগছিল।
মেহরাবের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজন হালকা হেসে বললো,
— "কী দেখছিস এত?"
মেহরাব চোখ না সরিয়েই বললো,
— "কিছু না।"
— "কিছু না হলে এতক্ষণ ধরে তাকিয়ে আছিস কেন?"
মেহরাব এবার হালকা বিরক্ত হয়ে তার দিকে তাকালো।
— "তুই বেশি কথা বলিস।"
লোকটা হেসে সরে গেল।
মেহরাব আবার ইফরার দিকে তাকালো।
ইফরা তখন ইয়েরিনের সঙ্গে হাসছে।
অদ্ভুতভাবে সেই হাসিটাই তার চোখে আটকে রইলো।
---
অন্যদিকে সিফাত একটু দূরে দাঁড়িয়ে ইসরাতের দিকে তাকিয়ে ছিল।
ইসরাত সেটা কয়েকবার খেয়াল করেও কিছু বলছিল না।
শেষে নিজেই এগিয়ে এসে বললো,
— "কী?"
সিফাত একটু চমকে উঠলো।
— "কিছু না।"
— "এই 'কিছু না' কথাটা আজ সবাই খুব বেশি বলছে।"
সিফাত হেসে ফেললো।
— "তোমাকে আজ... ভালো লাগছে।"
ইসরাত কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বললো,
— "আজ?"
সিফাত বুঝতে পেরে তাড়াতাড়ি বললো,
— "মানে... সবসময়ই ভালো লাগে।"
ইসরাতের ঠোঁটের কোণে ছোট্ট একটা হাসি ফুটে উঠলো।
---
একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা রাফিয়ানও যেন আজ অন্য কোথাও হারিয়ে গেছে,,
ইয়েরিন।
গান গাওয়ার সময় তার চোখে যে শান্তিটা ছিল, সেটা রাফিয়ান আগে কখনো দেখেনি।
ইফরার সঙ্গে কথা বলার সময় মেয়েটার মুখে যে নরম হাসি ফুটে উঠেছিল, সেটাও যেন তার পরিচিত ইয়েরিনের থেকে আলাদা।
রাফিয়ান নিজের অজান্তেই দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে রইলো।
হঠাৎ—
ইয়েরিনও তাকালো।
দূরত্বটা খুব বেশি ছিল না।
কয়েক সেকেন্ডের জন্য তাদের চোখ আটকে গেল।
রাফিয়ান কিছু বললো না।
ইয়েরিনও না।
ইয়েরিনের চোখে শুধু এক মুহূর্তের কৌতূহল।
তারপর সে দৃষ্টি সরিয়ে নিলো।
কিন্তু রাফিয়ান সরাতে পারলো না।
সে শুধু মনে মনে ভাবলো—
কিছু মানুষকে প্রথমে শুধু চোখে দেখা যায়।
তারপর কোনো একসময়...
তাদের উপস্থিতিটাই চোখের অভ্যাস হয়ে যায়।
"এবার কেক কাটার পালা ইফরা চোখ বন্ধ করে কিছু উইশ করলো তারপর ফু দিয়ে মোমবাতি গুলো নিভিয়ে দিলো,, "
সবাই একসাথে হাপি বার্থডে উইশ করলো,,।
ইফরা হেসে সবাই কে কেক খাইয়ে দিলো নিজেও খেল,,