কিপ্টা সাবের শখের বউ 🤭❤️
লেখিকা: teha mony
পর্ব–৩: প্রেমের প্রথম ধাক্কা, খরচের প্রথম কান্না! 😂
সকাল আটটা।
সাদিক বাড়ির ডাইনিং রুমে সবাই নাশতা করতে বসেছে। টেবিলে পরোটা, ডিম ভাজি, সবজি, দুধ, কলা—কী নেই! শুধু একজনের মুখে হাসি নেই।
তিনি হলেন বাড়ির ছোট ছেলে আয়ান সাদিক।
কারণ, আজ সকালে তার মা ঘোষণা দিয়েছেন, রাতে বাড়িতে আত্মীয়স্বজন আসবে। তাই বাজার করতে হবে।
আর বাজারের কথা শুনে আয়ানের বুকের ভেতরটা ধক করে উঠেছে।
আয়ান পরোটার টুকরো মুখে দিয়ে বলল, “আম্মু, রাতে মেহমান আসবে ভালো কথা। কিন্তু মেহমান কি খালি মুখে আসতে পারে না?”
মা থমকে গেলেন।
মা: কী বললি?
আয়ান: না মানে, মানুষ তো আমাদের দেখতে আসবে। আমরা কি তাদের সামনে খাবারের দোকান খুলে বসব? চা-বিস্কুট দিলেই তো হয়!
বড় ভাই আদনান পানি খেতে খেতে হেসে ফেলল।
আদনান: মা, ওকে একটা দায়িত্ব দাও। বাজার থেকে সবকিছু কিনে আনবে।
আয়ান সঙ্গে সঙ্গে মাথা তুলল।
আয়ান: এই শালা! তুই আমার পিছনে লাগছিস কেন? নিজের বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া করার লোক পাস না?
আদনান: আমার বউ তো অন্তত আমাকে নিয়ে বাজারে যেতে ভয় পায় না।
আয়ান: কেন? তোর বউ কি বাজারের দোকানদারদের আত্মীয়?
আদনান: না। তবে তোর মতো এক টাকা বাঁচাতে তিন ঘণ্টা দরদাম করে না।
আয়ান পরোটা নামিয়ে রাখল।
আয়ান: দেখ, দরদাম করা একটা শিল্প। এই শিল্প সবাই পারে না। আমি চাইলে একশ টাকার জিনিস পঁচাত্তর টাকায় কিনতে পারি।
আদনান: আর পঁচিশ টাকা বাঁচাতে গিয়ে পঞ্চাশ টাকার পেট্রল পুড়িয়ে ফেলিস!
ডাইনিং রুমে হাসির রোল পড়ে গেল।
আয়ান বিরক্ত হয়ে বলল, “হাস, হাস! তোরা হাসতে থাক। একদিন আমার টাকার মূল্য বুঝবি।”
মা এবার গম্ভীর হয়ে বললেন, “আয়ান, আজ তুই বাজারে যাবি। যা যা লাগবে, তালিকা করে দিয়েছি। ভালো জিনিস কিনবি, দাম নিয়ে বেশি ঝামেলা করবি না।”
আয়ান তালিকাটা হাতে নিয়ে চোখ বুলাল।
চাল, ডাল, মুরগি, মাছ, সবজি, ফল, মিষ্টি, দই...
শেষের দিকে এসে তার চোখ বড় হয়ে গেল।
আয়ান: আম্মু! এই তালিকায় এত কিছু কেন?
মা: মেহমান আসবে বলে।
আয়ান: মেহমান আসবে, নাকি পুরো গ্রাম আসবে?
মা: আর একটা কথা। তোর বড় ভাইয়ের গাড়ি নিয়ে যাবি না। নিজের গাড়ি আছে, সেটা নিয়ে যা।
আয়ান দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
আয়ান: নিজের গাড়ি নিয়ে গেলে তেল আমার যাবে!
আদনান: তোর গাড়িতে তেল কে দেয়?
আয়ান: আমি।
আদনান: টাকা কোথা থেকে আসে?
আয়ান: আমার।
আদনান: তাহলে সমস্যা কী?
আয়ান: সমস্যা হলো, আমার টাকা আমার কাছেই থাকতে ভালো লাগে!
আদনান এবার আর হাসি থামাতে পারল না।
মা মাথা নেড়ে বললেন, “আল্লাহ, এই ছেলেকে একটা ভালো বউ দাও। যে এর সব হিসাব ঠিক করে দেবে।”
আয়ান মনে মনে বলল, বউ তো চাই আমিও। কিন্তু এমন বউ চাই, যে আমার টাকা খরচ না করেই আমাকে ভালোবাসবে!
তারপর হঠাৎ ঐশীর কথা মনে পড়তেই ঠোঁটে হাসি ফুটল।
আয়ান মনে মনে বলল, শখের বউ, তুই শুধু একবার আমার প্রেমে পড়ে দেখ। তোর জন্য আমি সব করতে পারি!
একটু ভেবে আবার নিজেই যোগ করল—
অবশ্য সব মানে সব না। অপ্রয়োজনীয় খরচগুলো বাদ দিয়ে!
### বাজারে কিপটা সাবের রাজত্ব
বাজারে পৌঁছেই আয়ান গাড়ি পার্ক করল। তারপর প্রথমে সবজির দোকানে গেল।
আয়ান: চাচা, আলুর কেজি কত?
দোকানি: চল্লিশ টাকা।
আয়ান: কী কও চাচা! আলু কি বিদেশ থেকে আমদানি করছ?
দোকানি: বাজারদর এইটাই।
আয়ান: আমারে দেখে কি বিদেশি মানুষ মনে হয়? ত্রিশ টাকা রাখেন।
দোকানি: না পারলে অন্য দোকানে যান।
আয়ান: এই যে! কাস্টমারের সঙ্গে এমন ব্যবহার করেন? ব্যবসা করতে আইছেন, নাকি আমারে অপমান করতে আইছেন?
দোকানি বিরক্ত হয়ে বলল, “আচ্ছা, যান। আপনার জন্য পঁয়ত্রিশ টাকা।”
আয়ান সঙ্গে সঙ্গে হাসল।
আয়ান: এই তো! ভালো মানুষের মতো কথা বলেন। এখন দুই কেজি দেন।
দোকানি আলু মেপে দিল।
আয়ান টাকা দেওয়ার আগে আবার বলল, “চাচা, পলিথিন লাগবে না। আমার গাড়িতে ব্যাগ আছে।”
দোকানি: ব্যাগের দাম তো নিচ্ছি না!
আয়ান: টাকা না নিলেও পলিথিন নষ্ট হবে। পরিবেশ বাঁচাতে হবে না?
দোকানি মুখ হাঁ করে তাকিয়ে রইল।
পাশের দোকানদার হেসে বলল, “আয়ান ভাই, পরিবেশের চিন্তা পরে কইরেন। আগে নিজেরে বাঁচান!”
আয়ান তাকে আঙুল দেখিয়ে বলল, “তুই চুপ থাক, শাওয়ার বাল!”
এরপর মাছের দোকানে গিয়ে একই কাণ্ড। মুরগির দোকানে গিয়ে আরেক কাণ্ড। মিষ্টির দোকানে গিয়ে তো দোকানদারের মাথাই গরম করে দিল।
মিষ্টিওয়ালা: এক কেজি মিষ্টি ছয়শ টাকা।
আয়ান: ছয়শ টাকা! মিষ্টির ভেতরে সোনা ভরছেন নাকি?
মিষ্টিওয়ালা: ভালো মিষ্টি, ভাই।
আয়ান: ভালো হলে কী হইছে? আমি কি মিষ্টি খেয়ে ডাক্তার হব?
মিষ্টিওয়ালা: ভাই, কিনবেন নাকি যাবেন?
আয়ান: কিনব। কিন্তু দাম কমান।
অনেক দরদামের পর আয়ান মিষ্টি কিনে বের হলো। মুখে এমন হাসি, যেন দোকান থেকে মিষ্টি নয়, একটা জমিদারি কিনে এনেছে।
ঠিক তখনই পেছন থেকে পরিচিত একটা কণ্ঠ শোনা গেল—
“এই যে কিপটা ভাই!”
আয়ান থমকে দাঁড়াল।
এই কণ্ঠ তার অচেনা নয়।
ধীরে ধীরে পেছনে ফিরে তাকাতেই দেখল—ঐশী দাঁড়িয়ে আছে। পাশে মিতু। দুজনের হাতেই বাজারের ব্যাগ।
আয়ানের মুখে সঙ্গে সঙ্গে রাজকীয় হাসি ফুটে উঠল।
আয়ান: আরে! আপনি এখানে?
ঐশী: না, আমি বাজারে আসিনি। আপনার স্বপ্নের মধ্যে এসেছি!
পাশে দাঁড়িয়ে মিতি খিলখিল করে হেসে উঠল।
আয়ান একটু অপ্রস্তুত হলেও সামলে নিল।
আয়ান: আপনি বেশ মজা করতে পারেন দেখছি।
ঐশী: আপনার সঙ্গে কথা বললে মজা না করে উপায় আছে?
আয়ান: কেন? আমি কি এত মজার?
ঐশী: না, আপনি এত কিপটা যে আপনাকে দেখলে হাসি পায়।
আয়ান নিজের হাতে থাকা মিষ্টির প্যাকেটটা একটু আড়াল করে ফেলল।
ঐশী সেটা লক্ষ করে ফেলল।
ঐশী: কী লুকাচ্ছেন?
আয়ান: কিছু না।
ঐশী: হাতে কী?
আয়ান: মিষ্টি।
ঐশী: বাহ! কিপটা মানুষ মিষ্টি কিনেছে!
আয়ান বুক ফুলিয়ে বলল, “আমি কি সব সময় কিপটামি করি? আমারও একটা মন আছে!”
ঐশী: মন আছে, কিন্তু মন খুলে খরচ করার সাহস নেই।
আয়ান: এই মেয়ে, আপনি আমারে চেনেন কত দিন?
ঐশী: আপনাকে চিনতে দিন লাগে না। আপনার মুখ দেখলেই বোঝা যায়, আপনি এক কাপ চা খাওয়ানোর আগে চায়ের পাতার হিসাব করবেন।
মিতু এবার হেসে বলল, “আপু, চল। এই ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বাজার শেষ হয়ে যাবে!”
আয়ান তাড়াতাড়ি বলে উঠল, “আরে দাঁড়ান! আপনি কি কিছু কিনেছেন?”
ঐশী: হ্যাঁ।
আয়ান: কী কিনেছেন?
ঐশী: আপনার বিয়ের জন্য একটা তালা।
আয়ান হতভম্ব।
আয়ান: আমার বিয়ের জন্য তালা কেন?
ঐশী: যাতে বিয়ের পর আপনার মানিব্যাগে তালা দিয়ে রাখতে পারি। তাহলে আপনি টাকা খরচ করতে পারবেন না, আমিও শান্তিতে থাকতে পারব!
মিতু এবার হাসতে হাসতে ঐশীর হাত ধরে টান দিল।
মিতু: চল, চল! ছেলেটার মাথা ঘুরে যাবে!
ঐশী চলে যেতে লাগল।
আয়ান পেছন থেকে বলল, “এই যে! আমার বউ হওয়ার আগেই আমার মানিব্যাগ নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছেন?”
ঐশী হাঁটতে হাঁটতেই ফিরে বলল, “আপনার বউ হব? স্বপ্ন দেখেন!”
আয়ান হাসিমুখে উত্তর দিল, “স্বপ্নই তো সত্যি হয়!”
ঐশী আর উত্তর দিল না।
কিন্তু তার ঠোঁটের কোণে ছোট্ট একটা হাসি লেগে রইল।
আর আয়ান সেই হাসি দেখে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিল—এই মেয়েকে পটাতেই হবে।
যেভাবেই হোক!
### প্রেমের জন্য আয়ানের মহাপরিকল্পনা
বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আয়ান তার বন্ধু রাফিকে ফোন করল।
আয়ান: দোস্ত, একটা সমস্যা হয়েছে।
রাফি: তোর সমস্যা তো জন্মের পর থেকেই চলছে। নতুন কী?
আয়ান: শখের বউয়ের সঙ্গে দেখা হয়েছে।
রাফি: বাহ! তারপর?
আয়ান: মেয়েটা আমারে কিপটা বলছে।
রাফি: ভুল তো বলে নাই।
আয়ান: শালা, তুই আমার বন্ধু না শত্রু?
রাফি: সত্যি কথা বলা কি অপরাধ?
আয়ান: তোরে দিয়ে কিছু হবে না। আমি নিজেই একটা পরিকল্পনা করছি।
রাফি: কী পরিকল্পনা?
আয়ান: আগামীকাল ওকে একটা সুন্দর উপহার দেব।
রাফি: ভালো তো! কী দিবি?
আয়ান: একটা গোলাপ ফুল।
রাফি: বাহ! ফুল কিনে দিবি?
আয়ান: কিনব কেন? আমাদের বাড়ির বাগানে গোলাপ গাছ আছে।
রাফি: তাহলে সেখান থেকে একটা ফুল নিয়ে দিবি?
আয়ান: না, ফুল ছিঁড়লে গাছের ক্ষতি হবে। আমি বরং নিচে পড়ে থাকা ফুল খুঁজে দেব।
রাফি কয়েক সেকেন্ড চুপ করে রইল।
তারপর বলল, “আয়ান, তুই প্রেম করবি না, তুই প্রেমের নামে গবেষণা করবি!”
আয়ান: বুদ্ধি থাকলে সব সম্ভব। ফুলের জন্য টাকা খরচ করার কী দরকার?
রাফি: ঠিক আছে। তারপর মেয়েকে কী খাওয়াবি?
আয়ান: আমাদের বাড়িতে খাবার আছে।
রাফি: বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যাবি?
আয়ান: অবশ্যই! ভালো খাবার ফেলে বাইরে টাকা খরচ করার কোনো মানে হয়?
রাফি: আরে হারামি! মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিবি, নাকি দাওয়াতের বেঁচে যাওয়া খাবার খাওয়াবি?
আয়ান: তুই সবকিছুর মধ্যে সমস্যা খুঁজিস কেন?
রাফি: কারণ তুই নিজেই একটা চলন্ত সমস্যা!
আয়ান ফোন কেটে দিল।
তারপর গাড়ি চালাতে চালাতে মনে মনে বলল—
শখের বউ, তোর জন্য আমি গোলাপ ফুল আনব, খাবার আনব, দরকার হলে নিজের হাতে চাও বানাব!
একটু পরই তার মাথায় নতুন চিন্তা এল।
তবে চা বানানোর সময় চিনি কম দেব। চিনি তো আর বিনা পয়সায় আসে না!
### বাড়িতে নতুন বিপদ
সন্ধ্যায় সাদিক বাড়িতে মেহমান আসার প্রস্তুতি চলছে। মা রান্নাঘরে ব্যস্ত, আদনান ঘর গোছাচ্ছে, আর আয়ান বাজারের ব্যাগ নিয়ে ঢুকেই ঘোষণা দিল—
আয়ান: আম্মু! দেখো, কত টাকা বাঁচাইছি!
মা: কত টাকা?
আয়ান গর্ব করে বলল, “কমপক্ষে তিনশ টাকা!”
মা: কীভাবে?
আয়ান: সবকিছুর দাম কমিয়ে কিনেছি।
মা ব্যাগ খুলে প্রথমেই মাছের প্যাকেট বের করলেন।
মা: এই মাছ এত ছোট কেন?
আয়ান: ছোট মাছের স্বাদ বেশি, আম্মু!
মা: মুরগি এত ছোট কেন?
আয়ান: ছোট মুরগি নরম হয়।
মা: ফল এত কম কেন?
আয়ান: বেশি ফল খেলে পেট খারাপ হতে পারে।
মা এবার মিষ্টির প্যাকেট খুলে দেখলেন।
মা: এখানে তো আধা কেজি মিষ্টিও নেই!
আয়ান: মেহমানদের ডায়াবেটিস থাকতে পারে। আমি তাদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করেছি।
আদনান পাশে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে বলল, “মা, ওকে একটা মেডেল দাও। নিজের কিপটামিকে মানুষের সেবায় কাজে লাগাচ্ছে!”
আয়ান: তুই একদম চুপ কর, বলদা!
মা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “যা, তুই নিজের ঘরে যা। তোর মুখ দেখলে আমার রান্নার আগ্রহ চলে যায়।”
আয়ান আহত গলায় বলল, “আম্মু, নিজের ছেলেকে কেউ এমন কথা বলে?”
মা: নিজের ছেলে বলেই বলছি!
আয়ান রাগ করে ঘরের দিকে চলে গেল।
কিন্তু ঘরে ঢুকেই তার মন ভালো হয়ে গেল। কারণ টেবিলের ওপর রাখা ফোনে ঐশীর একটা ছবি দেখা যাচ্ছে।
না, ছবিটা সে চুরি করে পায়নি। বাজারে রাফি তার ফোনে ঐশীর একটা ছবি তুলেছিল—দূর থেকে, যখন ঐশী মিতুর সঙ্গে কথা বলছিল। আয়ান সেই ছবি দেখেই মুগ্ধ হয়ে আছে।
ছবির দিকে তাকিয়ে সে আস্তে করে বলল—
“শোন শখের বউ, তুই যতই আমারে কিপটা বলিস, একদিন তোর মুখ দিয়েই বলাব—আয়ান, তুমি পৃথিবীর সেরা বর!”
তারপর একটু থেমে যোগ করল—
“তবে বিয়ের পর মাসিক খরচের হিসাবটা আগে থেকেই ঠিক করে নিতে হবে!”
ঠিক সেই সময় দরজার বাইরে থেকে আদনানের গলা শোনা গেল—
“আয়ান! মা বলেছে, কাল সকালে তোর জন্য মেয়ে দেখতে যাবে!”
আয়ান লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াল।
আয়ান: কীইইই!
আদনান দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে বলল, “হ্যাঁ রে! এবার তোর বিয়ে ঠিক হবে।”
আয়ান মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ল।
তার মনে এখন একটাই কথা—
এখন যদি অন্য মেয়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়ে যায়, তাহলে আমার শখের বউয়ের কী হবে?
আর তার চেয়েও বড় চিন্তা—
বিয়েতে যদি অনেক টাকা খরচ করতে হয়!
চলবে… ❤️😂
পাঠক-পাঠিকারা, আমার গল্পে তোমাদের কাছে কেমন লাগছে? ভালো লাগলে একটা লাইক দিও আর সুন্দর কমেন্ট করে জানিও। তোমাদের মন্তব্য আমাকে গল্প লিখতে অনুপ্রেরণা দেয়। কোন অংশটা বেশি মজার লেগেছে, আর কোথায় আরও হাসির কাণ্ড দেখতে চাও, সেটাও বলবে। তোমাদের ভালোবাসা নিয়েই গল্পটা এগিয়ে নিতে চাই। 💗