ফন্ট সাইজ:
থিম:
অবশেষে তুমি..

পর্ব 8

লেখক: আইরিশা / Irisha

অবশেষে তুমি
পর্ব ৮: তুমি আমার দুর্বলতা নও!
লেখিকা: আরফা আইরিশা
সকাল ৮টা।
খানবাড়ির ডাইনিং রুমে আজও যথারীতি হইচই চলছে। তবে আজকের হইচইয়ের মূল কারণ সামির খান।
সে ডাইনিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে এক হাতে চিরুনি আর অন্য হাতে পারফিউম নিয়ে ব্যস্ত।
আয়রা অবাক হয়ে তাকিয়ে বলল,
— এই যে মিস্টার সামির খান, আজকে কি আপনার বিয়ে?
সামির চুল ঠিক করতে করতে বলল,
— বিয়ে না হলেও ভবিষ্যতের প্রস্তুতি নিতে দোষ কোথায়?
রোদ পাশে বসে পরোটা খেতে খেতে বলল,
— বুঝেছি! আজকে নুহার সঙ্গে দেখা করতে যাবি, তাই না?
সামিরের হাত থেমে গেল।
— তুই জানলি কীভাবে?
রোদ মুখভর্তি খাবার নিয়ে হাসল।
— তোর মতো একটা হাঁটাচলা করা লাউ যখন সকাল থেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে, তখন বুঝতে বাকি থাকে না!
আয়ান হেসে ফেলল।
সামির বিরক্ত হয়ে বলল,
— ভাইয়া, আপনি হাসছেন কেন? আপনার ছোট ভাইয়ের প্রেমের ব্যাপারে একটু সম্মান দেখান!
আয়ান চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বলল,
— সম্মান দেখাচ্ছি বলেই তো এখনো কাউকে ডেকে বলিনি, তুই গতকাল নুহার নাম লিখতে গিয়ে নিজের নামটাই তিনবার লিখেছিস।
— ভাইয়া!
পুরো টেবিল হাসিতে ফেটে পড়ল।
ঠিক তখনই ইনায়া ডাইনিং রুমে ঢুকল।
— কী হয়েছে? এত হাসাহাসি কেন?
আয়রা সঙ্গে সঙ্গে বলল,
— আপু, সামির আজ নুহাকে ইমপ্রেস করতে যাবে!
ইনায়া মুচকি হেসে বলল,
— বাহ! তাহলে তো ভালো কথা। তবে নুহাকে আগে থেকে সাবধান করে দিস।
সামির হতভম্ব হয়ে তাকাল।
— আপু, আপনিও!
ইনায়া হেসে বলল,
— আরে, মজা করছি! ভালোভাবে কথা বলবি। কাউকে ইমপ্রেস করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নিজের মতো থাকা।
সামির বুক ফুলিয়ে বলল,
— আমি তো এমনিতেই অসাধারণ!
রোদ ফিসফিস করে বলল,
— অসাধারণ না, অসহ্য!
আবারও হাসির রোল উঠল।
কিন্তু সবার হাসির মাঝেও ইনায়ার চোখ বারবার চলে যাচ্ছিল ইহানের দিকে।
ইহান আজও চুপচাপ বসে আছে। ফোনে কিছু একটা দেখছে, মুখটা গম্ভীর।
ইনায়া ধীরে জিজ্ঞেস করল,
— ইহান, তোমার কি শরীর খারাপ?
ইহান ফোনটা নামিয়ে বলল,
— না তো।
— তাহলে এত চুপচাপ কেন?
— কিছু কাজ আছে।
ইনায়া আর কিছু বলল না।
ইহানও চুপ করে রইল।
অথচ দুজনের মনেই কত কথা জমে আছে!
একটা মেসেজ, হাজারটা প্রশ্ন
নাশতার পর ইহান নিজের ঘরে চলে গেল।
ফোনটা হাতে নিয়ে আবার সেই অচেনা নম্বরের মেসেজগুলো খুলল।
“আপনি যাকে ভালোবাসেন, তার কাছেও একটা সত্যি লুকানো আছে।”
আর গত রাতের ফোনকল—
“যাকে বিশ্বাস করছেন, সে-ই হয়তো আপনার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।”
ইহান দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
ইনায়া কি সত্যিই কিছু লুকাচ্ছে?
কিন্তু মেয়েটাকে সে যতটুকু চেনে, ইনায়া কখনো ইচ্ছা করে কারও ক্ষতি করতে পারে না।
তাহলে এই মেসেজগুলো পাঠাচ্ছে কে?
হঠাৎ ফোনে নতুন মেসেজ এল।
“আজ বিকেল পাঁচটায় পুরোনো গুদামের সামনে আসুন। একা। আপনার পরিবারের অতীত সম্পর্কে এমন কিছু জানাব, যা আপনার জীবন বদলে দেবে।”
ইহান মেসেজটা কয়েকবার পড়ল।
তারপর একটা সিদ্ধান্ত নিল।
সে যাবে।
কিন্তু একা যাওয়ার কথা বললেও, অচেনা মানুষটাকে বিশ্বাস করার কোনো ইচ্ছা তার নেই।
ইনায়ার অভিমান
অন্যদিকে ইনায়া বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। হাতে একটা বই, কিন্তু মন বইয়ের পাতায় নেই।
সামির পাশ দিয়ে যেতে যেতে থামল।
— আপু, কী হয়েছে?
— কিছু না।
— এই বাড়িতে সবাই কিছু না বললেই বুঝতে হবে কিছু একটা হয়েছে!
ইনায়া মুচকি হাসল।
— তুই আবার কবে থেকে এত বুদ্ধিমান হলি?
সামির বুক ফুলিয়ে বলল,
— নুহার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। বুদ্ধি আপনা-আপনি বেড়ে যাচ্ছে।
ইনায়া হেসে ফেলল।
তারপর সামির একটু গম্ভীর হয়ে বলল,
— আপু, ইহান ভাইয়ার সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে?
ইনায়া চমকে তাকাল।
— না তো!
— তাহলে তোমাদের দুজনকে এত চুপচাপ লাগছে কেন? আগে তো ইহান ভাইয়া তোমার আশেপাশে ঘুরঘুর করতেন।
ইনায়া লজ্জা পেয়ে বলল,
— সামির!
— আচ্ছা আচ্ছা, আর বলছি না। তবে একটা কথা বলি?
— কী?
— যে মানুষটা তোমার মন খারাপের কারণ, সে যদি তোমার মন ভালো করার চেষ্টাও করে, তাহলে তাকে একটু সুযোগ দিও।
কথাটা বলেই সামির চলে গেল।
ইনায়া স্থির দাঁড়িয়ে রইল।
সামিরের কথাটা তার মনে গেঁথে গেল।
ইহান কি সত্যিই তাকে এড়িয়ে চলছে?
নাকি তার নিজেরই উচিত ইহানের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলা?
আয়ান ও আয়রার পুরোনো স্মৃতি
দুপুরের দিকে আয়রা বাড়ির বাগানে বসে ফোনে ইহানের একটা ছবি দেখছিল।
ছবিটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে তোলা। ইহান মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিচ্ছে।
আয়রা ছবিটার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল।
— ইহান, তুমি যদি একবারও বুঝতে…
— কী বুঝতে হবে?
আয়রা চমকে ফোনটা লুকিয়ে ফেলল।
সামনে আয়ান দাঁড়িয়ে।
— ভাইয়া! আপনি এখানে?
আয়ান পাশে বসে বলল,
— বাগানটা কি তোর নামে লিখে দিয়েছি? এখানে আসতে অনুমতি লাগবে?
আয়রা মুখ বাঁকিয়ে বলল,
— আপনি আজকাল আমার পেছনে গোয়েন্দাগিরি করছেন কেন?
— আমি গোয়েন্দাগিরি করছি না। তোর মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, তুই কারও কথা ভাবছিস।
আয়রা চুপ করে গেল।
আয়ান কিছুক্ষণ পর বলল,
— ইহানকে নিয়ে ভাবছিস?
আয়রা ধীরে মাথা নাড়ল।
— হ্যাঁ।
আয়ান চোখ নামিয়ে নিল।
কথাটা শুনতে তার এখনো কষ্ট হয়। কিন্তু সে নিজের অনুভূতি আয়রার ওপর চাপিয়ে দিতে চায় না।
আয়রা তার হাত ধরে বলল,
— ভাইয়া, আপনি রাগ করেননি তো?
আয়ান মৃদু হাসল।
— তোর ভালো লাগা নিয়ে আমি রাগ করব কেন?
— আপনি সব সময় আমার পাশে থাকবেন তো?
আয়ান এক মুহূর্ত থেমে বলল,
— সব সময়।
আয়রা খুশি হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরল।
কিন্তু আয়ান দূরের আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল।
কিছু অনুভূতি সত্যিই মানুষকে নীরব করে দেয়।
আর কিছু ভালোবাসা এমন থাকে, যা নিজের কাছে রেখেই অন্যের সুখ কামনা করতে হয়।
বিকেল পাঁচটা: পুরোনো গুদাম
বিকেল পাঁচটা।
শহরের নির্জন একটা এলাকায় পুরোনো গুদামের সামনে এসে দাঁড়াল ইহান।
চারপাশে লোকজন নেই বললেই চলে। গুদামের দেয়ালে পুরোনো রং উঠে গেছে। সামনে একটা ভাঙা লোহার গেট।
ইহান ফোন বের করে সময় দেখল।
পাঁচটা বেজে তিন মিনিট।
হঠাৎ গুদামের ভেতর থেকে একটা কণ্ঠ ভেসে এল।
— ভেতরে আসুন, মিস্টার ইহান।
ইহান সতর্কভাবে ভেতরে ঢুকল।
ঘরের মাঝখানে একটা টেবিল। তার ওপর কয়েকটি পুরোনো কাগজ আর একটা ছবি রাখা।
একজন মানুষ পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছে।
ইহান গম্ভীর গলায় বলল,
— আপনি কে? আর আমার পরিবারের পেছনে কেন লেগেছেন?
লোকটা ধীরে ঘুরে দাঁড়াল।
মুখের অর্ধেকটা ছায়ায় ঢাকা।
— আপনার পরিবার যা লুকিয়ে রেখেছে, সেটা জানার অধিকার আপনার আছে।
— কী লুকিয়েছে?
লোকটা টেবিলের ওপর একটা ছবি এগিয়ে দিল।
ছবিতে কয়েক বছর আগের একটা পারিবারিক অনুষ্ঠান। ইহানের বাবা-মা আছেন, আছেন আরও কয়েকজন আত্মীয়।
কিন্তু ছবির এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিকে দেখে ইহান থমকে গেল।
লোকটা তার পরিচিত।
খুব পরিচিত।
ইহান ছবিটা হাতে নিয়ে বলল,
— এটা কীভাবে সম্ভব?
অচেনা মানুষটি শান্ত গলায় বলল,
— আপনি যাকে এত দিন বিশ্বাস করে এসেছেন, তার অতীত সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না।
ইহানের চোখ কঠিন হয়ে উঠল।
— ঘুরিয়ে কথা বলবেন না। পরিষ্কার করে বলুন!
লোকটা একটা কাগজ এগিয়ে দিল।
— এটা পড়ুন। তারপর নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন, কাকে বিশ্বাস করবেন।
ইহান কাগজটা হাতে নিতেই বাইরে গাড়ির শব্দ হলো।
লোকটা দ্রুত পেছনের দরজার দিকে এগিয়ে গেল।
ইহান চিৎকার করে উঠল,
— দাঁড়ান! আপনি এখন কোথাও যাবেন না!
কিন্তু লোকটা পালিয়ে গেল।
ইহান তার পেছনে ছুটল। গুদামের বাইরে এসে দেখল, একটা কালো গাড়ি রাস্তার মোড় ঘুরে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে।
সে গাড়ির নম্বর দেখার চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না।
ইহান ফিরে এসে কাগজটা খুলল।
তার চোখের সামনে কয়েকটি লাইন ভেসে উঠল।
“এই পরিবারের সবচেয়ে বড় রহস্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এমন একজন, যাকে আপনি নিজের মানুষ বলে মনে করেন। সত্যিটা জানার আগে কাউকে বিশ্বাস করবেন না।”
নিচে একটা নাম লেখা ছিল।
ইহান নামটা পড়ে নিঃশব্দ হয়ে গেল।
তারপর কাগজটা ভাঁজ করে পকেটে রাখল।
এবার সে সত্যিটা খুঁজে বের করবেই।
রাতের ফোনকল
রাত আটটা।
ইনায়া নিজের ঘরে বসে ছিল। হঠাৎ ফোন বেজে উঠল।
অচেনা নম্বর।
সে কিছুক্ষণ দ্বিধা করে কল রিসিভ করল।
— হ্যালো?
ওপাশ থেকে একটা নারীকণ্ঠ শোনা গেল।
— ইনায়া রহমান?
— জি, কে বলছেন?
— তোমাকে একটা কথা জানাতে ফোন করেছি। ইহানকে বিশ্বাস করার আগে নিজের অতীতটা মনে করার চেষ্টা করো।
ইনায়া ভ্রু কুঁচকে বলল,
— আপনি কী বলতে চাইছেন?
— তোমার পরিবারে এমন একটা ঘটনা ঘটেছিল, যার কথা তোমাকে কেউ বলেনি।
ইনায়ার বুক ধক করে উঠল।
— কোন ঘটনা?
কিন্তু ওপাশের নারী উত্তর না দিয়ে কল কেটে দিলেন।
ইনায়া ফোনের দিকে তাকিয়ে রইল।
একই সময়ে ইহান বাড়ি ফিরেছে।
সে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল। পকেট থেকে কাগজটা বের করে আবার পড়ল।
তারপর ফোনে ইনায়ার নামটা দেখে থেমে গেল।
সে কি ইনায়াকে সব বলবে?
নাকি আগে সত্যিটা যাচাই করবে?
হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল।
— ইহান?
ইনায়ার কণ্ঠ।
ইহান কাগজটা ড্রয়ারে রেখে দরজা খুলল।
ইনায়া তার দিকে তাকিয়ে বলল,
— তোমার সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে।
ইহানও গম্ভীর হয়ে বলল,
— আমারও।
দুজনেই কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইল।
তারপর ইনায়া ধীরে বলল,
— তুমি কি আমাকে বিশ্বাস করো না?
ইহান চমকে তাকাল।
— এমন কথা বলছ কেন?
ইনায়ার চোখে জল চিকচিক করল।
— কারণ তুমি আমার কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছ। আমি জানি না কী হয়েছে, কিন্তু তোমার আচরণ আমাকে কষ্ট দিচ্ছে।
ইহান কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে রইল।
তারপর ধীরে বলল,
— ইনায়া, আমি তোমাকে একটা প্রশ্ন করব। তুমি সত্যি উত্তর দেবে?
ইনায়া মাথা নাড়ল।
ইহান তার চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল,
— তোমার অতীতের এমন কোনো ঘটনা আছে, যেটা তুমি আজও কাউকে বলোনি?
ইনায়ার মুখ মুহূর্তেই ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
তার ঠোঁট কাঁপল।
— ইহান… তুমি এসব কোথায় শুনেছ?
ইহান বুঝতে পারল, প্রশ্নটা তার মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছে।
কিন্তু কেন?
ইনায়া কি সত্যিই কিছু জানে?
নাকি সেও কারও ষড়যন্ত্রের শিকার?
ইহান উত্তর দেওয়ার আগেই ইনায়া ধীরে পিছিয়ে গেল।
— আমি এখন কথা বলতে পারব না।
সে চলে যেতে উদ্যত হতেই ইহান তার নাম ধরে ডাকল।
— ইনায়া!
ইনায়া থামল, কিন্তু ফিরে তাকাল না।
ইহান নিচু গলায় বলল,
— আমি তোমাকে হারাতে চাই না।
ইনায়ার চোখ বেয়ে এক ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল।
সে ধীরে উত্তর দিল,
— তাহলে আমাকে সন্দেহ করার আগে একবার আমার কথাও শুনো।
কথাটা বলে সে চলে গেল।
ইহান দরজার সামনে দাঁড়িয়ে রইল।
তার হাতে এখনো সেই পুরোনো ছবিটা।
আর মনে একটাই প্রশ্ন—
যদি ভালোবাসার মানুষটার অতীতই তার সবচেয়ে বড় রহস্য হয়, তাহলে সে কি ভালোবাসাকে বিশ্বাস করবে, নাকি সত্যিকে?
ঠিক তখনই ইহানের ফোনে নতুন মেসেজ এল।
“আজ যা দেখেছেন, তা কেবল শুরু। পরের সত্যিটা জানার পর আপনি নিজেই ইনায়ার কাছ থেকে দূরে সরে যাবেন।”
ইহান ফোনটা শক্ত করে ধরে রইল।
না।
সে কাউকে তার আর ইনায়ার সম্পর্ক নিয়ে খেলা করতে দেবে না।
যে-ই হোক, যে সত্যিই লুকিয়ে থাকুক—সবকিছু সামনে আনবেই।
কিন্তু সে জানত না, পরের দিন এমন একটা ঘটনা ঘটতে চলেছে, যা তার সব সিদ্ধান্তকে কঠিন পরীক্ষার সামনে দাঁড় করিয়ে দেবে।
চলবে…!!

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 8 শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন