ফন্ট সাইজ:
থিম:
অবশেষে তুমি..

পর্ব 10

লেখক: আইরিশা / Irisha

অবশেষে তুমি

পর্ব ১০: সম্পর্কের আড়ালে লুকানো সত্য

লেখিকা: আরফা আইরিশা

সকাল থেকেই খানবাড়িতে অদ্ভুত একটা পরিবেশ।

গত রাতের ঘটনার পর থেকে ইহান একদম চুপচাপ। ইনায়া কয়েকবার কথা বলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে আয়ান নিজের ঘরে বসে সেই পুরোনো ছবিটা বারবার দেখছে, যেটার পেছনে লেখা ছিল— “যদি কোনোদিন সত্যিটা প্রকাশ পায়, তাহলে আয়রাকে রক্ষা করবে।”

কিন্তু আয়রাকে কী থেকে রক্ষা করতে হবে?

আর সেই মৃত বলে বিশ্বাস করা মানুষটা আসলে কে?

প্রশ্নগুলো আয়ানের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

ঠিক তখনই দরজা না নক করেই রোদ ঘরে ঢুকে পড়ল।

— ভাইইইইই!

আয়ান বিরক্ত হয়ে তাকাল।

— কী হয়েছে? বাড়িতে আগুন লেগেছে?

— তার চেয়েও বড় বিপদ!

— কী?

রোদ গম্ভীর মুখে বলল,

— সামির আজকে নুহাকে দেখতে যাবে।

আয়ান কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বলল,

— এই খবরের সঙ্গে আমার ঘুম নষ্ট করার সম্পর্ক কী?

— সম্পর্ক আছে! ছেলেটা গত এক ঘণ্টা ধরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল ঠিক করছে। আমি ভয় পাচ্ছি, আজকে ও প্রেমে পড়ে গিয়ে আমাদের ভুলে যাবে!

আয়ান হেসে ফেলল।

— তুই এত চিন্তা করিস কেন? তোর নিজের প্রেমের কী খবর?

রোদের মুখ সঙ্গে সঙ্গে গম্ভীর হয়ে গেল।

— আমার প্রেম? আমি প্রেম-ট্রেম বুঝি না। আমি শুধু মানুষের মনের খবর বুঝি।

— তাহলে আমার মনের খবর বল তো।

রোদ আয়ানের দিকে তাকিয়ে বলল,

— তুমি বাইরে থেকে যতই শক্ত হও, ভেতরে ভেতরে এখনো আয়রাকে নিয়ে ভাবো।

আয়ানের মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।

রোদ এবার একটু নরম গলায় বলল,

— ভাই, অতীতকে ধরে রেখে নিজের জীবনটা নষ্ট কোরো না। আয়রা যাকে ভালোবাসে, তাকে পাওয়ার অধিকার তার আছে। আর তোমারও সুখী হওয়ার অধিকার আছে।

আয়ান জানালার দিকে তাকাল।

— সব ভালোবাসা পাওয়ার জন্য হয় না, রোদ। কিছু ভালোবাসা দূর থেকে আগলে রাখার জন্যও হয়।

রোদ আর কিছু বলল না।

কিন্তু ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সে একবার ফিরে তাকাল।

আয়ানের ফোনের পর্দায় তখনও সেই পুরোনো ছবিটা খোলা।

আর ছবির পেছনে লেখা কথাগুলো যেন নতুন কোনো বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছিল।

ইনায়া ও ইহান

ইনায়া বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। হাতে এক কাপ কফি, কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে তাতে চুমুক দেওয়া হয়নি।

ইহানকে বারান্দায় আসতে দেখে সে মুখ ঘুরিয়ে নিল।

ইহান কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে বলল,

— আমার ওপর রাগ করেছ?

ইনায়া হালকা হেসে বলল,

— রাগ করার মতো সম্পর্ক আমাদের আছে নাকি?

কথাটা শুনে ইহান থমকে গেল।

— ইনায়া...

— কী? সত্যি কথাই তো বললাম। তুমি যখন ইচ্ছা কথা বলবে, যখন ইচ্ছা দূরে সরে যাবে। আর আমি কিছু জিজ্ঞেস করলেই বলবে, সবকিছু জানার দরকার নেই।

ইহান দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

— আমি তোকে কষ্ট দিতে চাইনি।

— কিন্তু দিয়েছ!

ইনায়ার চোখে পানি জমে উঠল।

— জানো, সবচেয়ে বেশি কষ্ট কখন হয়? যখন প্রিয় মানুষটা নিজের কষ্টের কথা না বলে দূরে সরে যায়। তখন মনে হয়, আমি কি এতটাই পর হয়ে গেছি যে আমার সঙ্গে কথাটুকুও বলা যায় না?

ইহান কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর ধীরে বলল,

— তুই পর নোস, ইনায়া। কখনোই ছিলি না।

ইনায়ার বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল।

— তাহলে আমাকে বিশ্বাস করো।

ইহান চোখ নামিয়ে ফেলল।

— আমি চেষ্টা করছি।

— চেষ্টা নয়, ইহান। আমি চাই তুমি আমাকে বিশ্বাস করো।

ইহান এবার তার দিকে এগিয়ে এল।

— যদি এমন কিছু জানতে পারিস, যেটা জানার পর তুই আমাকে ঘৃণা করতে পারিস, তখনও কি আমার পাশে থাকবি?

ইনায়া অবাক হয়ে তাকাল।

— তুমি কী করেছ?

— এখনই বলতে পারব না।

ইনায়া কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল,

— আমি তোমাকে ঘৃণা করব কি না, সেটা সত্যিটা জানার পর ঠিক করব। কিন্তু সত্যি না জেনে তোমাকে দোষী ভাবতে চাই না।

ইহানের চোখে এক মুহূর্তের জন্য স্বস্তি ফুটে উঠল।

সে বলতে চেয়েছিল, “আমি তোকে ভালোবাসি।”

কিন্তু কথাটা গলায় আটকে গেল।

ইনায়াও বলতে চেয়েছিল, “আমি তোমাকে হারাতে চাই না।”

কিন্তু সেও চুপ করে রইল।

দুজনের মাঝখানে ভালোবাসা ছিল, শুধু স্বীকার করার সাহসটা ছিল না।

ঠিক তখন ইহানের ফোনে একটা বার্তা এল।

“আজ সন্ধ্যা সাতটায় পুরোনো বাড়িতে এসো। একা। তোমার পরিবারের অতীত সম্পর্কে সব জানতে পারবে। কাউকে সঙ্গে আনলে সত্যিটা চিরদিনের জন্য হারাবে।”

ইহানের মুখের ভাব বদলে গেল।

ইনায়া সেটা লক্ষ করল।

— আবার কে মেসেজ করেছে?

ইহান ফোনটা পকেটে রেখে বলল,

— অফিসের একটা কাজ।

ইনায়া এবার আর কিছু বলল না।

কিন্তু তার মনে হলো, ইহান আবারও কিছু লুকাচ্ছে।

আর এবার সে সত্যিটা না জেনে থামবে না।

সামিরের প্রেমের পরীক্ষা

অন্যদিকে সামির নিজের ঘরে দাঁড়িয়ে শার্টের বোতাম লাগাচ্ছিল।

আয়রা দরজায় এসে দাঁড়াতেই সে তাড়াতাড়ি চুল ঠিক করতে শুরু করল।

আয়রা হেসে বলল,

— বাহ! আজ তো দেখছি একেবারে নায়ক হয়ে গেছ!

সামির ভ্রু কুঁচকে বলল,

— কেন? আমি কি সব সময় খলনায়ক থাকি?

— না, তবে আজকে তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে বিয়ের আসরে যাচ্ছ।

— আমি নুহার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। একটু ভালোভাবে যাওয়া কি অপরাধ?

আয়রা নাটকীয়ভাবে বুকের ওপর হাত রেখে বলল,

— না, না! ভালোবাসার মানুষকে মুগ্ধ করার অধিকার সবার আছে।

সামির লজ্জা পেয়ে বলল,

— আপু, প্লিজ! তুমি আর শুরু কোরো না।

আয়রা হেসে তার কাঁধে হাত রাখল।

— আচ্ছা, একটা কথা বলি? নুহাকে সত্যিই ভালো লাগে তোমার?

সামিরের মুখের হাসি একটু ম্লান হয়ে গেল।

— জানি না। ওর সঙ্গে কথা বললে ভালো লাগে। ও হাসলে আমারও হাসি পায়। ও মন খারাপ করলে আমারও খারাপ লাগে। এটাকে ভালো লাগা বলে কি না, জানি না।

আয়রা এবার একটু চুপ করে রইল।

সামির বলল,

— তবে একটা কথা জানি। আমি ওকে কোনো মিথ্যা আশা দিতে চাই না। যদি কখনো ওকে ভালোবাসি, তাহলে সত্যি সত্যিই ভালোবাসব।

আয়রা মৃদু হাসল।

— তাহলে যাও। আর নিজের মনের কথাটা লুকিয়ে রেখো না।

সামির দরজার কাছে গিয়ে হঠাৎ ফিরে তাকাল।

— আপু, তুমি কি কখনো কাউকে ভালোবেসে তাকে না পাওয়ার কষ্ট অনুভব করেছ?

আয়রার মুখটা মুহূর্তেই বদলে গেল।

সে ইহানকে ভালোবাসে।

কিন্তু ইহানের চোখে যে মানুষটার জন্য আলাদা অনুভূতি আছে, সে ইনায়া।

আয়রা জোর করে হাসল।

— সব ভালোবাসা পাওয়ার জন্য হয় না, সামির।

সামির কিছু বলল না।

শুধু বোনের মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল, তার হাসির আড়ালেও একটা কষ্ট লুকিয়ে আছে।

ক্যাফেতে নতুন অতিথি

বিকেল পাঁচটা।

শহরের পরিচিত একটা ক্যাফেতে বসে আছে সামির। তার সামনে নুহা, আর পাশে আয়রা।

নুহা হেসে বলল,

— তুমি এত চুপচাপ কেন? আমাকে দেখে কি ভয় পেয়েছ?

সামির পানি খেতে গিয়ে প্রায় কাশতে শুরু করল।

আয়রা মুখ চেপে হাসল।

— আরে না! ও আসলে জন্ম থেকেই একটু অদ্ভুত।

সামির চোখ বড় করে বলল,

— আপু!

নুহা হেসে উঠল।

— তোমাদের ভাইবোনের ঝগড়া দেখতে বেশ ভালো লাগে।

কথাবার্তার মধ্যে সামির ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠল। নুহার সঙ্গে গল্প করতে করতে সে বুঝল, মেয়েটা শুধু সুন্দর নয়, তার মনটাও ভীষণ ভালো।

কিন্তু ঠিক তখনই সামিরের ফোন কেঁপে উঠল।

অজানা নম্বর থেকে একটা বার্তা।

“নুহার কাছ থেকে দূরে থাকো। ওর সঙ্গে তোমার সম্পর্ক তোমার পরিবারের জন্য বিপদ ডেকে আনবে।”

সামিরের মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।

নুহা জিজ্ঞেস করল,

— কী হয়েছে?

— কিছু না।

সে দ্রুত ফোনটা বন্ধ করে দিল।

কিন্তু কয়েক সেকেন্ড পর ক্যাফের কাচের বাইরে চোখ পড়তেই সে একজন কালো পোশাক পরা লোককে দেখতে পেল।

লোকটা সোজা সামিরের দিকে তাকিয়ে ছিল।

সামির উঠে দাঁড়াল।

— আমি একটু বাইরে থেকে আসছি।

আয়রা সন্দেহের চোখে তাকাল।

— কী হয়েছে?

— কিছু না, আপু। তোমরা বসো।

সামির বাইরে বেরিয়ে চারদিকে তাকাল।

লোকটা তখন আর সেখানে নেই।

শুধু ক্যাফের পাশের দেয়ালে একটা ছোট্ট খাম পড়ে আছে।

সামির খামটা তুলে খুলল।

ভেতরে একটা ছবি।

ছবিতে তার বাবা সাফওয়ান খান, পাশে একজন অচেনা পুরুষ।

ছবির পেছনে লেখা—

“তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করো, এই মানুষটাকে তিনি কেন নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলেছিলেন।”

সামিরের হাত ঠান্ডা হয়ে গেল।

সে ছবিটা পকেটে রেখে ক্যাফেতে ফিরে এল।

কিন্তু এবার নুহার দিকে তাকিয়েও তার মন বসছিল না।

কারণ প্রথমবারের মতো তার মনে হলো, তার পরিবারের অতীতের সঙ্গে এমন কিছু জড়িয়ে আছে, যা সে কখনো কল্পনাও করেনি।

আয়ানের ঘরে নতুন সূত্র

রাত আটটা।

আয়ান নিজের ঘরে বসে পুরোনো কাগজপত্র ঘাঁটছিল। হঠাৎ একটা বইয়ের ভেতর থেকে ছোট্ট একটা খাম মেঝেতে পড়ে গেল।

খামটা খুলতেই সে একটা চিঠি পেল।

চিঠিতে লেখা—

“আয়ান, তুমি যদি এই চিঠি পড়ে থাকো, তাহলে বুঝবে সময় এসে গেছে। তোমার বাবাকে সব প্রশ্ন কোরো না। কারণ সব প্রশ্নের উত্তর তিনি জানেন না। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো—আয়রাকে রক্ষা করবে। ওর জীবনের সঙ্গে সেই রাতের সম্পর্ক আছে।”

আয়ান চিঠিটা আবার পড়ল।

তারপর ফোন বের করে আয়রার নম্বরে কল করল।

— হ্যালো, আয়ান ভাই?

— আয়রা, তোমার সঙ্গে জরুরি কথা আছে। কাল দেখা করতে পারবে?

— কী হয়েছে?

আয়ান কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল,

— তোমার অতীত সম্পর্কে কিছু জানতে পেরেছি। কিন্তু ফোনে বলা ঠিক হবে না।

ওপাশে নীরবতা।

তারপর আয়রা ধীরে বলল,

— আয়ান ভাই, আপনি কি এমন কিছু জানেন, যা আমার বাবার সঙ্গে সম্পর্কিত?

আয়ান অবাক হয়ে গেল।

— তুমি কীভাবে বুঝলে?

আয়রা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

— কারণ গত কয়েক দিন ধরে বাবাও অদ্ভুত আচরণ করছেন। কাল রাতে তাঁকে ফোনে বলতে শুনেছি, “ওরা যদি ফিরে আসে, তাহলে আয়রাকে বাঁচানো যাবে না।”

আয়ানের বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল।

একই রহস্যের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে একের পর এক মানুষ।

কিন্তু কেন?

রাতের শেষ বার্তা

রাত সাড়ে দশটা।

ইহান নিজের ঘরে বসে পুরোনো ছবিটা দেখছিল, যেটা সে সেই গুদামঘরে পেয়েছিল।

ছবির এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটার মুখ সে আগে কোথাও দেখেছে।

কিন্তু কোথায়?

হঠাৎ তার ফোনে একটা নতুন বার্তা এল।

“তুমি যদি সত্যিটা জানতে চাও, তাহলে আজ রাতেই পুরোনো বাড়িতে এসো। তোমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মিথ্যেটা তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।”

ইহান ঘড়ির দিকে তাকাল।

রাত এগারোটা বাজতে আর মাত্র কয়েক মিনিট বাকি।

সে সিদ্ধান্ত নিল, এবার সে যাবে।

কিন্তু দরজা খোলার আগেই ইনায়ার কণ্ঠ শুনতে পেল।

— কোথায় যাচ্ছ?

ইহান চমকে ফিরে তাকাল।

ইনায়া দরজার সামনে দাঁড়িয়ে।

— তুমি আবার আমাকে না জানিয়ে কোথাও যাচ্ছ, তাই না?

ইহান চুপ করে রইল।

ইনায়া তার সামনে এসে দাঁড়াল।

— তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পারছ না, সমস্যা নেই। কিন্তু অন্তত আমাকে মিথ্যা বোলো না।

ইহান ধীরে বলল,

— আমি এমন একটা জায়গায় যাচ্ছি, যেখানে হয়তো আমার পরিবারের অতীতের সত্যিটা জানতে পারব।

— তাহলে আমিও যাব।

— না, ইনায়া। এটা বিপজ্জনক হতে পারে।

ইনায়া তার চোখের দিকে তাকাল।

— আর তুমি যদি বিপদে পড়ো, তাহলে আমি বাড়িতে বসে থাকব?

ইহান উত্তর দিতে পারল না।

শেষ পর্যন্ত সে বলল,

— ঠিক আছে। কিন্তু আমার কথা শুনতে হবে। কোনো ঝুঁকি নেবে না।

ইনায়া মাথা নাড়ল।

দুজনেই বেরিয়ে পড়ল।

কিন্তু তারা জানত না, বাড়ির অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে একজন তাদের চলে যেতে দেখছে।

লোকটা ফোন বের করে একটা নম্বরে কল করল।

— ওরা বের হয়েছে।

ওপাশ থেকে গম্ভীর কণ্ঠ শোনা গেল,

— ভালো। ওদের পুরোনো বাড়িতে পৌঁছাতে দাও।

— তারপর?

লোকটা জানালার বাইরে তাকিয়ে মৃদু হাসল।

— তারপর ওরা নিজেরাই এমন একটা সত্যি দেখবে, যা ওদের একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেবে।

কল কেটে গেল।

লোকটা ধীরে ধীরে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।

আর খানবাড়ির দেয়ালে ঝুলে থাকা পুরোনো ছবিটার পেছনে লুকানো কাগজটা বাতাসে একটু নড়ে উঠল।

সেখানে লেখা ছিল—

“এই পরিবারের সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক এখনো তাদের মাঝেই আছে।”

চলবে...!!

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 10 শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন