কলেজের মাঠে বসে আছে মিমি ও মুনতাহা। মিমির ক্লাস করতে ভালো লাগছিলো নাহ তাই এখানে আসছিলো পরে মুনতাহাও চলে আাসে। কিচ্ছুক্ষণ এবাবে নিরব তাকার পর মিমি মুনতাহাকে বললো
"হ্যারে মুন তোর পরিক্ষার প্রস্তুতি কেমন। "
মুনতাহা হালকা সরে বলে
"ভালোই কিন্তু তুই হঠাৎ এৃন প্রশ্ন করেছিস কেনো। "
"নাহ এমনি"
মুনতাহা আর কিছু বলে নাহ। তখন পিছন থেকে রায়হানা ডেকে উঠে।
" এই মুন "
মিমি ও মুনতাহা পিছনে ফিরে দেকে রায়হান ছোটতে ছোটতে আসছে সাথে ইসা, আদনান,রাফি। ইসা মিমি আার মুনতাহার কাছে এসে হাপাতে হাপাতে বলে
কিরে তোরা এখানে বসে আছিস কেনো কোখায় কোখায় খুজেছি তোদের। মুনতাহা কিছু বলার আগেই মিমি বলে
"ভাই আমার ভালো লাগছে নাহ তোরা থাক আমি আসি, বাই"
কাউকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে মিমি ওখান থেকে চলে আসে। ইসা মুনতাহাকে বললো
"কি হয়েছে "
মুনতাহা দু দিকে মাথা নেড়ে বললো
"জানি নাহ "
ওরা আর মাথা গামায় নাহ নিজেদের মতো আড্ডা দিতে চলে যায় কিন্তু মুনতাহার মিমিকে ছাড়া ভালো লাগছে নাহ।
মিমি নিজেই বুঝতে পারছে নাহ কাল থেকে ওর কি হয়েছে। কিছু ভালো লাগে নাহ। আবার এটাও ভাবছে যে মাহদি USA থেকে আসার সময় কি কীাও জন্য কিছু নিয়ে আসে নি নাকি তার জন্যই কিছু আনেনি,,,,,, মিমি নিজের মাথা নিজেই গাড্ডা মপরে বিরবির করে
" দূর আমি কেনো ওই বেটার কথা ভাবছি "
মিমি ড্রাইভার আঙ্কেলকে কল দেয়। ওনি আসছে বলেছেন। মিমি রাস্তা এক পাশে দাড়ি আছে। কিছুক্ষণ পড় গাড়ি আসলে চলে যায়।
************
মাহদি সবাইকে ড্রইং রুমে ডেকেছে। সবাই দুপুরের খাবার খেয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলো তখন মাহদি সবাইকে ডেকেছে। মাহদি সবাইকে একসাথে জরো করে
" আমি আপনাদের জন্য তেমন কিছু নিয়ে আসি নি যা এনেছি তাই এখন দিচ্ছি আসা করি আপনারা নিবে "
মাহবুবা সোফা ছেড়ে মাহদির সামনে এসে ওর মাথায় হাত রেখে বললেন
বাবা তুমি যে সুস্থ ভাবে আমাদের কাছে ফিরে এসেছো এটাই অনেক আমাদের আর কিছু চাই নাহ "
মুনা বেগম ও তার কথায় সায় দিয়ে বললেন
"মেজো একদম টিক বলেচে বাবা"
মাহদি এবার একটা ব্যাগ হাতে নিয়ে বললো
" আসলে মামুনি আমি এতো কিছু আনিনি এই শালা রাখ সামনে শীত আসতেচে কাজে লাগবে,,, আহা কোনো কথা নয় "
মাহবুবা বেগম হালকা হেসে ব্যাগটা নিলেন।মাহদি একে একে সবার জিনিস সবাইকে দিলো শেষে মাহদি চার পাচটা ব্যাগ কিছু কসমেটিকস,আর একটা নিু মডেলের ফোন নিয়ে সোফায় রাখে। তা দেকে জারা মিস্টি হাসি দিয়ে বললো
"এগুলো কার ভাইয়া "
মিমির ও আসলে ওরে দিয়ে দিস। জারা আচ্ছা বলে এগুলো মিমির রুমে নিয়ে যায়। এর প্রায় ১০ মিনিট পর মিমি আসে। সে তার রুমে যেয়ে কিছু জিনিস দেখতে পায় তারপর জারা এসে বলে এগুলো তার। তাই মিমি ফ্রেস হয়ে তাড়াতাড়ি করে প্যাকেট গুলা খুলে তখন একটা প্যাকেটে একটা চিরকুট দেখতে পায় সেখানে লেখাছিলো
" এই গিফ্ট গুল পেয়ে খুশি থাকলে ধন্যবাদ না থাকলেও ধন্যবাদ। আমি তোকে আরো উপহার দিবো সেদিন যেইদিন তর রেজাল্ট দিবে এবং তুই জিপিএ ৫ পেলে।এবার মন দিয়ে পরাশুনা কর "
মিমি মুচকি হেসে চিটিটা পাশে রেখে দেয়। তার পর প্রথম প্যাকেট টিতে দেখতে পায় একটা বক্স যার মধ্যে অনেক অনেক কাচের চুরি। মিমি তো অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। মিমি আর একটা প্যাকেট খুলে দেখে একটা খুব সুন্দর গাউন। সে কয়েকবার সেই গাউন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখলো। গাউনের রংটা কালো কালার মিমি ফর্সা শরিরে বেস মানাবে। এটা রেখে মিমি আর একটা প্যাকেট খুলতেই দেখে তিনটা থ্রি পিস। আর বাকি দুইটাতে কানের দুল আরো চুরি। আর একটাতে নিউ মডেলের একটা আইফোন। নিউ ফোন পেয়ে মিমিতো বেজায় খুশি। এতো গিফ্ট পয়েছে লোখটাকে তো ধন্যবাদ দিতেই হয়। যতটা খচ্ছুর ভেবে ছিলো ততটাও নাহ। মিমি সব গুছিয়ে নিচে আসে কিন্তু মাহদিকে পায় না মনে হয় রুমে এটা ভেবে মিমি মাহদি রুমের সামনে এসে দরজায় কড়া নারে ভিতর থেকে আওয়াজ আসে,,,
" খুলা আছে আসো "
মিমি মামা নিছু করে রুমে ডুকে মাহদি লেপটপে কাজ করতেছিলো মিমির দিকে একবার তাকিয়ে আবার কাজে মনোযোগ দিয়ে বলে
"কিছু বলবি"
মিমি ভয়ে ভয়ে বলে
"ধন্যবাদ ভাইয়া"
মাহদি রেগে কোনো কারনে রেগে যায় রেগে গিয়ে বলে
"এই আমি কি তোর মায়ের পেটের ভাই যে শুধু ভাইয়া ভাইয়া বলে ডাকিস মাহদি ভাই বলবি "
মিমি ভয় পেয়ে যায় শুধু কোনো রকমে "সরি" বলে চলে আসে। মিমি চলে গেলে মাহদির হুশ আসে। নিজে বিরক্ত হয়ে বলে
"দূর বুজালেওতো হতো ধ্যাত"
মিমি রুমে এসে ত মেরে বসে থাকে। ভাইয়াইতো বলেছে আর কিছু তো বলে নি তাহলে এমন রেগে গেলো কেনোরে বাবা। তখন মিমির ফোনে কল আসে স্ক্রিনে তাকাতেই দেকে সুইটহার্ট লিখা মানে মুনতাহার কল। সে কল রিসব করে বলে
" হ্যা বল "
মুনতাহা চিন্তিত সরে বলে
"কিরে কি হয়েছে তোর কলেজ থেকে ওভাবে চলে এলি যে "
মিমি শান্ত সরে বলে
"কিছু না রে মাথাটা একটু ধরে ছিলো "
"ও আচ্ছা "
মিমি তখন উৎেজিত কন্ঠে বলে
"জানিস কি হয়েচে "
"তুই না বললে আমি জানবো কিভাবে "
"ও হ্যা তাইতো আচ্শা শুন "
"বল "
"মাহদি ভাই আমার জন্য ওনেক গিফ্ট নিয়ে আসচেন সাথে আইফোন "
মুনতাহা প্রথমে অন্য মনষ্ক হয়ে বললো
"আচ্ছা"
যখন বুঝলো কি হয়েছে তখন চমকে গুয়ে বলে
" কি "
"হুম "
" বেইবি কাল কলেজে আসিস তো"
"হুম যাবো "
" হ্যা এখন পুরো কাহিনি শুনতে পারবো নাহ কাজ আছে কাল কলেজে শুনবো টিক আছে বেইবি। বাই"
মিমিও হালকা করে হেসে বলে
"ওকেহ বাই"
*************
#চলবে
( আপনাদের এই উপন্যাসটা ভালো লাগলে প্লিজ কমেন্ট করবেন। আর এ দুদিন দিতে পারি নাই কারন এখটু অসুস্থ ছিলাম। আপনারা জানাবেন কেমন হলো)