ফন্ট সাইজ:
থিম:
🌸🌸~ প্রেম প্রার্থনা ~🌸🌸

পর্ব 2

লেখক: ~🌸. তামসি তেহেরিন ~🌸

~ প্রেম প্রর্থনা ~🌸

সাথের গাড়িটিও তার একান্ত ব্যক্তিগত,আরশের নিজস্ববিজনেস আছে যার একান্ত মালিকানাই সে, পারিবারিক ব্যবসায়
হাত লাগাই নি আরশ, সেটা বাবা চাচা মিলে সামলান,
আরশকে দেখে নিজে কাছে ডাকলেন আজমল চৌধুরি।আরশ এদিকে এসো, দাদা মশাই এর ডাক শুনে পিছু ফিরে তাকায় আরশ, ঘুরে এসে দাড়াই দাদার কাছে কেমন আছো দাদা মশাই? আর রাতের বেলাই গাড়নে কি করছো?,
কিছু না এমনি একটু হাট ছিলাম, তা তুমি কখন ফিরেছ
আজ সকালে এসেই একটা ভনসভায় গেছিলাম, তা কেমনকাটলো আজকে জনসভা ? মুহুর্তেই আরশের খেয়াল শক্ত হলো
তা লক্ষ্য করলেন আজমল চৌধুরি, জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে আরশ একটু খুলে বলো তো, আরশ বলতে শুরু করল
সব শুনে আজমল চৌধুরি বলেন সেকি! তুমি মেয়েটিকে থ্রেট দিয়েছো ! আরশ রাজ থ্রেট দিয়েছে
হুম থ্রেট দিয়েছি😈

পরের বার তোকে সামনে পেলে খুন করবো পিচ্চি সাবধান ।
আরশের কথা শুনে আজমল চৌধুরি গা দুলিয়ে হেসে ওঠে এক রত্তি একটা মেয়ে থ্রেট দেওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না
ঝোঁকের বসে করে ফেলেছে মেয়েটা, ও মনে হয় তোমারসম্পর্কে জানে না, জানলেএটা করতো না,
কেন?
আমি কী, কসায় নাকি, মানুষ কাটি, যে আমার
ব্যাপারে জানলে ভয় পেত
, নাহ্ তা বলিনি যাক বাদ দাও এবার কত দিনের জন্য দেশে ফিরলে ইয়াং ম্যান
এই সপ্তাহখানেকের মতো থাকবো, তার পর লম্বা সফরে যেতে হবে আবার
, আজমল চৌধুরি বাড়ির দিকে এগোতে
এগোতে বলেন ভেতরে চলো, উত্তরে আরশ বলে হুম
চলো, তা বিয়ে সাদি কবে করবে শুনি, নাতির ঘরে পুতি নাদেখে তো মরতেও পারছি না, আরশের গা ঘাড়া জবাব
আমি আবার কষ্ট করে বিয়ে করতে যাব কেন তোমার বউ থাকতে খামোখা টাইম ওয়েস্ট

ওরে বেটার ছেলে আমার সুন্দরী বউয়ের উপর তোমার কুদৃষ্টি পড়েছে
, তাই তো বলি
আমার বউ এমন শুকিয়ে যাচ্ছে, নজর লেগেছে আমার
বউ এর,
আরে দাদা মশাই তুমি চিন্তা করো না আমি নজর
কাটিয়ে দেব,
চুপ থাক বেডার ছেলে বাড়িতে ঢুকবি না তুই
পারলে ওই ভিনদেশে গিয়ে থাক , বলেই গট গটিয়ে হেটে চললেন বাড়ির ভেতরে,
আর আরে আমাকে ফেলে যাচ্ছো যে, ওপাশ থেকে উত্তর এলো বাড়িতে ঢুকলে তোর সাত
গোষ্ঠী নামাজ পড়িয়ে ছাড়বো , আরশ গা ঝেড়ে হেসে উঠল
বাড়ির ভেতর ঢুকেই হাক ছাড়ে আরশ আম্মু আম্মু কোথাই তুমি, ছেলের ডাকে কিচেন থেকে এক প্রকার ছুটে
বের হলেন শোহারি জাহান চৌধুরি, দীর্ঘ তিনমাস পর ছেলে কে দেখে জড়িয়ে ধরে আবেগে, কেদে ফেললেন ভদ্র মহিলা,

আরশের মা শোহারিন জাহান চৌধুরি বাড়ির মমতা ময়ীগৃহিনী, অত্যন্ত নমনীয় স্বভাবের মানুষ তিনি, আরশ বলে কি হয়েছে আম্মু কাদছো কেন, আমি এসেছি তো ভদ্র
মহিলা নিজেকে সামলে বলে এত দিন পর তোমার আমার কথা মনে পড়ল আরশ, কী করবো বলো আম্মু
কাজের এত চাপ যে এর মাঝে আর দেশে ফেরার সময় পাইনি
আরশ এর কথা শুনে দৌড়ে এসে পেছন থেকে ঝাপটে ধরল রৌদ্র রাজ। কেমন আছো ভাইয়া, আরশ, রৌদ্রের
পিঠে চাপড় মেরে বলে বিন্দাস , তুই কেমন আছিস?
Yeah I am always fine ভাইয়া, বয়সের খানিকটা তফাৎ হলেও দুই ভায়ের বেশ বন্ধু পূর্ণ সম্পর্ক
রেহেনা চৌধুরি সিঁড়ির রেলিং ধরে , নামতে নামতে বলেছেন
আরশ আইসে নাকি শোহারিন তেমন গলা শুনছি মনে হলো, আরশের দাদি রেহেনা চৌধুরি পুরান ঢাকার খাটি
ঢাকাইয়া মেয়ে, তার ভাষা শুনলেই বোঝা যায়, ব
হাই সোসাইটির মানুষ হয়েও ভাষার পরিবর্তন হয়নি ভদ্র মহিলার, রেহেনা চৌধুরি আরশকে আলিঙ্গন করতে গেলে
বাধা দেয় আজমল চৌধুরি করকশ কন্ঠে বলে আমার বউ থেকে দূরে থাক বেটার ছেলে, আরশ বলছে দেখছে আমার বুড়ি বউ আমার সতিন তো তোমার কাছে ঘেসতে দেয় না আর বাড়িতে এসে কী করবো বলো, রেহেনা চৌধুরি
মুচকি হাসি দিয়ে বলে তোমার দাদুর বুড়ো বয়সে ভীমরতি হয়ছে বুঝলে, আর একটা বিয়ে করায়ে দাও, ঠিক হইয়া যাইবো। রৌদ্র বলছে বাহ্ ভাইয়া বাহ্ তুমি একাই বউ দখল করছ
আমাকে ভাগ দিবে না।
আজমল চৌধুরি খিটখিটে স্বরে
বলে দিলে তো গিন্নি আমার ইগোতে ধাক্কা ।
আজ থেকে আমি অন্যসানে যাবো
রৌদ্র বলে তো যাও । আমরাতো বাধা দিচ্ছি না, আরশও সাই মেলালো রৌদ্রের কথায়, রেহেনা চৌধুরি এবার
দুই ভাই এর কান টেনে ধরে বলে তোমরা আমায়
অসহায় সামীডারে পাইছো কি হুম?, সেই থেকে
খোঁচা দিয়ে যাচ্ছো, রৌদ্র মৃদু আর্তনাথ করে বলে
কী পালটিবাজ মহিলা রে বাবা ! মুহুর্তে কেমন
পালটি মারলো, রেহেনা চৌধুরিকান ছেড়ে বলে আমি পালটিবাজ !?
আরশ বলছে না গিরগিটি বলে হনহনিয়ে
হাটা ধরলো নিজের রুমের দিকে, দোতনার করিডোরে যেতেই আরশের বাবার সাথে দেখা। আরশ তেমন একটা পাত্তা না দিয়ে পুনরাই হাটা ধরলো, আরশের বাবা
রাইহান শাহারিয়ার চৌধুরি তিনিও কোন প্রতিক্রিয়া দেখালেন না শূন্য চোখে চেয়ে থাকলেন ব ছেলের যাওয়ার পানে।
এই বাবা ছেলের একে অপরের সাথে কথা হয় না বিগত চার বছর ধরে,
তার বাবার কারণে বাড়িতে থাকে না আরশ, নিজের বাড়ি, গাড়ি ব্যবসা সবকিছুই বাবার সাথে দন্দ করে তৈরি করেছে, শাহারিয়ার চৌধুরিও তেমন একটা প্রতিক্রিয়া দেখালো
না দু পাশে মাথা ঝাকিয়ে পুনরাই হাটতে শুরু করলেন।

খান বাড়ি,
ড্রয়িং রুমে সোফার এক পাশের হাতলের
উপর দিয়ে পা ঝুলিয়ে অলস ভঙ্গিতে শুয়ে আছে তূর্ফা
পাশেই বসা বাবা আবির মাহতার খান মেয়ে মাথাই হাত বুলাচ্ছে, আবির মাহতার খান হলেন উত্তরা জনের নতুন কমিশনার, সৎ ও কড়ামেজাজের একজন নিষ্ঠাবান মানুষ তবে পরিবারের কাছে তিনি অত্যন্ত সহজ।

চলব,,,,,, #####
গল্পটি কেমন লাগলো আপনারা সকলে মন্তব্য করে জানাবেন ধন্যবাদ🌸🌸

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 2 শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন