ফন্ট সাইজ:
থিম:
শেষ নিঃশ্বাসেও তুমি

পর্ব 78

লেখক: Mafiya Queen

পর্ব ৭৮: এস. রহমানের পরিচয়

ঘড়িতে তখন রাত সাড়ে দশটা।

পুরোনো ট্রাস্ট অফিসের নিচতলার ঘরটিতে সবাই চুপচাপ বসে আছে। টেবিলের ওপর ছড়িয়ে আছে ১৮ অক্টোবর ২০০৮ সালের কয়েকটি পুরোনো কাগজ।

একটি নামই বারবার চোখে পড়ছে—

S. Rahman.

নীরা কাগজটির দিকে তাকিয়ে বলল,

—একটা নাম এতগুলো বছর ধরে কীভাবে সবার চোখের সামনে থেকেও অচেনা রয়ে গেল?

আরিয়ান চেয়ার থেকে উঠে জানালার কাছে গেল।

—কারণ আমরা এতদিন ধরে ভুল প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছি।

নীরা ভ্রু কুঁচকে তাকাল।

—কী বলতে চাইছ?

—আমরা জানতে চেয়েছি, কে C-14-এর দায়িত্ব নিয়েছিল। কিন্তু এখন বুঝতে পারছি, আমাদের জানতে হবে—কে এমন একটি কাগজ গ্রহণ করেছিল, যেখানে স্পষ্ট লেখা ছিল মূল কপি সঙ্গে নেই?

রাফি টেবিলের ওপরের রসিদটি তুলে নিল।

—স্যার, এখানে প্রাপকের নাম শুধু S. Rahman। প্রেরকের জায়গাটা ফাঁকা। আর নিচে লেখা, ‘The receiver knows where it is.’

নীরা ধীরে বলল,

—মানে, যে কাগজটি গ্রহণ করেছিল, সে জানত মূল C-14 কোথায় আছে।

আরিয়ান মাথা নাড়ল।

—অথবা কেউ তাকে বিশ্বাস করেছিল যে সে জানে।

ঠিক তখনই আরিয়ানের ফোনে একটি মেসেজ এল।

প্রেরক: মোস্তাফিজুর রহমান।

মেসেজে লেখা—

“আমি আমার ২০০৮ সালের অফিস ভিজিট রেকর্ড পাঠিয়েছি। ১৮ অক্টোবর সকাল দশটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত আমি ট্রাস্ট অফিসে ছিলাম না। আমার নাম যদি কোনো কাগজে সাক্ষী হিসেবে থাকে, সেটি আমার অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে।”

আরিয়ান মেসেজটি নীরাকে দেখাল।

নীরা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

—তাহলে M.R. নামটাও মিথ্যা হতে পারে।

—হতে পারে। তবে প্রমাণ ছাড়া কাউকে দায়ী করা যাবে না।

রাফি ল্যাপটপ খুলে পুরোনো রেকর্ডগুলো মিলিয়ে দেখতে লাগল।

কিছুক্ষণ পর সে বলল,

—একটা জিনিস পেয়েছি।

আরিয়ান এগিয়ে এল।

—কী?

—১৮ অক্টোবরের মূল ডেলিভারি রেজিস্টারের একটি ইনডেক্স নম্বর। এখানে S. Rahman-এর পাশে একটা আলাদা কোড আছে—R-18/04।

নীরা অবাক হয়ে বলল,

—এটা কীসের কোড?

—জানি না। তবে একই কোড আরেকটি কাগজেও আছে।

রাফি আরেকটি স্ক্যান করা পৃষ্ঠা খুলল।

সেখানে লেখা—

“Private Delivery Record — R-18/04
Receiver: S. Rahman
Subject: C-14 related document
Original: Not included.”

আর নিচে একটি ছোট্ট হাতে লেখা মন্তব্য—

“Do not attach to Trust Register.”

নীরা কাগজটির দিকে তাকিয়ে রইল।

—কেন ট্রাস্ট রেজিস্টারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি?

আরিয়ান বলল,

—হয়তো কেউ চায়নি এই রসিদটি মূল রেকর্ডের অংশ হোক।

—কিন্তু কেন?

আরিয়ান উত্তর দিল না।

পরদিন সকাল।

নীরা, আরিয়ান ও রাফি গেলেন মতিউর রহমানের কাছে। আগের দিন পাওয়া কোডটি তাঁকে দেখানো হলো।

মতিউর কাগজটি হাতে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।

—এই কোডটা আমি আগে দেখেছি।

আরিয়ান দ্রুত জিজ্ঞেস করল,

—কোথায়?

—পুরোনো ডেলিভারি ইনডেক্সে। তবে এটা সাধারণ কুরিয়ার নম্বর নয়। ব্যক্তিগতভাবে কোনো নথি পৌঁছে দিলে এই ধরনের কোড ব্যবহার করা হতো।

নীরা বলল,

—আপনি কি বলতে পারবেন S. Rahman কে?

মতিউর মাথা নাড়লেন।

—শুধু এই কোড দেখে বলা সম্ভব নয়। তবে একটা কথা মনে পড়ছে। ২০০৮ সালের শেষ দিকে একজন আমাকে বলেছিলেন, C-14 নিয়ে যেন আর কোনো প্রশ্ন না করি।

—কে বলেছিলেন?

মতিউর চোখ নামিয়ে ফেললেন।

—নামটা মনে নেই। তবে তিনি পরিবারের বাইরের কেউ ছিলেন না।

আরিয়ান একটু কঠিন স্বরে বলল,

—আপনি এতদিন এই কথাটা বলেননি কেন?

মতিউর দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

—কারণ তখন আমি ভেবেছিলাম, বিষয়টা পরিবারের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত। আমি জানতাম না, সেই সিদ্ধান্তের কারণে একজন নির্দোষ মানুষ এত বছর ধরে সন্দেহের মধ্যে থাকবে।

নীরা শান্ত গলায় বলল,

—আপনি কি রাশেদ রহমানের কথা বলছেন?

মতিউর এবার সরাসরি নীরার দিকে তাকালেন।

—হ্যাঁ। তোমার বাবার কথা।

নীরার চোখ স্থির হয়ে গেল।

—আমার বাবা তো দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছিলেন।

—সেটাই তো। কিন্তু তাঁর নামে এমন কিছু কাগজ তৈরি হয়েছিল, যেগুলো তিনি কখনো অনুমোদন করেননি।

আরিয়ান বলল,

—আপনি কি সেই ব্যক্তিকে চিনতেন?

মতিউর কিছুক্ষণ ভেবে বললেন,

—তাঁকে একবার দেখেছিলাম। তাঁর হাতে একটি বাদামি খাম ছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘যেটা খোঁজা হচ্ছে, সেটা সবার সামনে নেই।’

নীরা চমকে উঠল।

—তার মানে তিনি মূল কপির অবস্থান জানতেন?

—আমি নিশ্চিত নই। তবে তাঁর কথাটা আমার মনে আছে।

দুপুরে নীরা বাবার সঙ্গে দেখা করতে গেল।

রাশেদ রহমান বসার ঘরে পুরোনো সংবাদপত্র পড়ছিলেন। মেয়েকে দেখে পত্রিকাটি নামিয়ে রাখলেন।

—কী হয়েছে মা? তোমাকে খুব চিন্তিত দেখাচ্ছে।

নীরা বাবার পাশে বসে পড়ল।

—বাবা, ১৮ অক্টোবর ২০০৮ সালে S. Rahman নামে কেউ C-14 সম্পর্কিত একটা কাগজ গ্রহণ করেছিল। তুমি কি জানো সে কে?

রাশেদের মুখের অভিব্যক্তি বদলে গেল।

—কাগজটা কোথায় পেয়েছ?

—পুরোনো ট্রাস্ট অফিসে।

রাশেদ কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।

তারপর ধীরে বললেন,

—আমি ওই দিনের কথা ভুলিনি।

নীরা বাবার হাতের ওপর নিজের হাত রাখল।

—তাহলে তুমি জানো?

—আমি শুধু জানি, সেদিন আমাকে একটি রেজিস্টার গ্রহণ করতে বলা হয়েছিল। আমি রাজি হইনি। কারণ মূল C-14 আমার সামনে ছিল না।

—কিন্তু S. Rahman?

রাশেদ চোখ বন্ধ করলেন।

—সেদিন অফিসের বাইরে একজন অপেক্ষা করছিল। আমি তাকে আগে কখনো দেখিনি। তার হাতে একটা খাম ছিল। সে আমাকে বলেছিল, ‘আপনি দায়িত্ব না নিলেও কাগজ ঠিক জায়গায় পৌঁছে যাবে।’

নীরা দ্রুত জিজ্ঞেস করল,

—তার নাম?

—সে নিজের নাম বলেনি।

—চেহারা মনে আছে?

রাশেদ মাথা নাড়লেন।

—হ্যাঁ। কিন্তু তার চেয়েও বেশি মনে আছে, সে আমার বাবার পুরোনো একটি আংটির কথা বলেছিল।

নীরা অবাক হয়ে গেল।

—দাদুর আংটি?

—হ্যাঁ। সে বলেছিল, আংটিটা যার কাছে আছে, সে-ই জানে C-14-এর আসল অবস্থান।

নীরা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।

তারপর বলল,

—বাবা, দাদুর সেই আংটি এখন কোথায়?

রাশেদ উত্তর দেওয়ার আগে ঘরের ভেতর থেকে নীরার মা এসে দাঁড়ালেন।

—আংটিটা তো বহু বছর আগে হারিয়ে গেছে।

রাশেদ স্ত্রীর দিকে তাকালেন।

—না। হারায়নি।

নীরা বিস্মিত হয়ে বাবার দিকে তাকাল।

—তাহলে?

রাশেদ ধীরে বললেন,

—আমি শেষবার আংটিটা দেখেছিলাম তোমার জন্মের কয়েক দিন আগে। এরপর সেটা তোমার দাদার পুরোনো কাঠের বাক্সে রাখা হয়েছিল।

—সেই বাক্সটা কোথায়?

রাশেদ বললেন,

—পুরোনো বাড়িতে।

সন্ধ্যার দিকে নীরা আরিয়ানকে সব জানাল।

আরিয়ান মনোযোগ দিয়ে শুনে বলল,

—তাহলে আমাদের পরের গন্তব্য তোমাদের পুরোনো বাড়ি।

নীরা মাথা নাড়ল।

—কিন্তু দাদুর বাক্সে আংটি আছে কি না, আমি জানি না।

—সেটা গিয়ে দেখা যাবে।

ঠিক তখনই রাফির ফোনে একটি কল এল।

সে কথা বলার সময় তার মুখের ভাব বদলে গেল।

কল শেষ করে সে বলল,

—স্যার, একটা পুরোনো রেজিস্টার পাওয়া গেছে।

আরিয়ান জিজ্ঞেস করল,

—কোথায়?

—ট্রাস্ট অফিসের বাইরের ডেলিভারি আর্কাইভে। সেখানে ১৮ অক্টোবরের রসিদের সঙ্গে একটি সংযুক্তি থাকার কথা ছিল। কিন্তু মূল সংযুক্তিটি নেই। শুধু তার ইনডেক্স পৃষ্ঠা আছে।

নীরা বলল,

—সেখানে কী লেখা?

রাফি কাগজটি সামনে রাখল।

ইনডেক্সে তিনটি তথ্য ছিল—

Receiver: S. Rahman
Reference: R-18/04
Associated Item: A.R. Personal Seal

নীরা ফিসফিস করে বলল,

—A.R. মানে আজহার রহমান?

আরিয়ান কাগজটি হাতে নিয়ে বলল,

—সম্ভবত। কিন্তু ব্যক্তিগত সিলটি কেন C-14-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নীরা জানালার বাইরে তাকাল।

—তাহলে দাদুর আংটি আর সিল—দুটোর মধ্যেই কি কোনো সম্পর্ক আছে?

আরিয়ান বলল,

—হতে পারে। তবে আমাদের আগে বাক্সটা খুঁজে বের করতে হবে।

রাত এগারোটা।

সবাই যখন বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন নীরার ফোনে একটি অচেনা নম্বর থেকে মেসেজ এল।

“পুরোনো বাক্স খুঁজতে যাওয়ার আগে মনে রেখো, আজহার রহমানের সব জিনিস তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের কাছে থাকেনি।”

নীরা মেসেজটি আরিয়ানকে দেখাল।

আরিয়ান নম্বরটিতে কল করল। কিন্তু ফোন বন্ধ।

রাফি বলল,

—স্যার, নম্বরটা নতুন। পরিচয় বের করতে সময় লাগবে।

নীরা শান্ত গলায় বলল,

—এবারও কি কেউ আমাদের ভয় দেখাতে চাইছে?

আরিয়ান তার দিকে তাকাল।

—হতে পারে। কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার। আমরা যে পথে এগোচ্ছি, সেই পথ সম্পর্কে কেউ জানে।

নীরা মেসেজটি আবার পড়ল।

তারপর বলল,

—আমরা থামব না।

আরিয়ান মৃদু স্বরে উত্তর দিল,

—আমি জানি।

পরদিন ভোরে রাশেদ রহমান নিজেই পুরোনো বাড়ির চাবি বের করলেন।

চাবিটি মেয়ের হাতে দিয়ে বললেন,

—এই বাড়ির অনেক স্মৃতি আছে, নীরা। কিছু স্মৃতি ভালো, কিছু কষ্টের। কিন্তু সত্য জানার অধিকার তোমার আছে।

নীরা বাবাকে জড়িয়ে ধরল।

—আমি শুধু চাই, তোমার নামের ওপর থেকে সব মিথ্যা অভিযোগ মুছে যাক।

রাশেদ মেয়ের মাথায় হাত রাখলেন।

—সত্য কখনো কখনো দেরিতে আসে, মা। কিন্তু সত্যকে ধরে রাখার জন্য ধৈর্য লাগে।

পুরোনো বাড়ির দরজা খুলতেই ধুলোর গন্ধ ভেসে এল।

রাফি ঘরের আলো জ্বালাল। নীরা সোজা চলে গেল দাদুর পুরোনো ঘরে।

ঘরের এক পাশে কাঠের আলমারি। তার নিচের তাকে একটি ছোট্ট কাঠের বাক্স।

নীরা বাক্সটি টেনে বের করল।

বাক্সের ওপর খোদাই করা—

A.R. — Personal Belongings

আরিয়ান তালাটি পরীক্ষা করে বলল,

—চাবি আছে?

রাশেদ পকেট থেকে ছোট একটি চাবি বের করলেন।

—এটাই শেষবার ব্যবহার করেছিলাম।

চাবি ঘোরাতেই বাক্সটি খুলে গেল।

ভেতরে পুরোনো চিঠি, একটি কলম, কিছু ছবি এবং খালি মখমলের ছোট থলি।

নীরা থলিটি হাতে তুলে নিল।

—আংটিটা নেই!

রাশেদ অবাক হয়ে বললেন,

—এখানেই তো থাকার কথা ছিল।

আরিয়ান বাক্সের ভেতরের কাগজগুলো পরীক্ষা করতে লাগল। হঠাৎ একটি ছবির পেছনে ভাঁজ করা কাগজ পাওয়া গেল।

কাগজটি খুলতেই নীরা দেখতে পেল—

“যদি কখনো A.R.-এর ব্যক্তিগত সিল খুঁজতে হয়, তবে ঘড়ির ঘরটি পরীক্ষা করবে। বাক্সে যা নেই, তা হারিয়ে যায়নি।”

নীরা ধীরে বলল,

—ঘড়ির ঘর?

রাশেদ জানালেন,

—এই বাড়িতে একটা পুরোনো দেয়ালঘড়ি ছিল। তোমার দাদু নিজে সেটি তৈরি করিয়েছিলেন। বহু বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘড়িটা ওপরের ঘরে রাখা হয়।

আরিয়ান বলল,

—চলো, দেখে আসি।

তারা ওপরের ঘরে গেল।

এক কোণে কাপড়ে ঢাকা বিশাল দেয়ালঘড়ি।

রাফি কাপড় সরাতেই ঘড়ির কাঠের গায়ে ছোট্ট একটি চিহ্ন দেখা গেল।

A.R.

ঘড়ির নিচে একটি সরু ড্রয়ার।

নীরা ধীরে ড্রয়ারটি খুলল।

ভেতরে ছিল একটি ছোট ধাতব সিল, একটি পুরোনো চাবি এবং ভাঁজ করা একটি চিঠি।

চিঠির প্রথম লাইন পড়েই নীরার বুক কেঁপে উঠল—

“যে ব্যক্তি S. Rahman নামে কাগজ গ্রহণ করেছে, সে আমার পরিবারের সদস্য নয়—কিন্তু আমার পরিবারের সবচেয়ে গোপন বিশ্বাসের জায়গায় তার প্রবেশাধিকার ছিল।”

নীরা আরিয়ানের দিকে তাকাল।

আরিয়ান চিঠিটি হাতে নিয়ে পরের লাইন পড়ল।

“তার পরিচয় জানতে হলে ১৮ অক্টোবরের রসিদ নয়, তার আগের দিনের স্বাক্ষর খুঁজবে।”

নীরা ফিসফিস করে বলল,

—১৭ অক্টোবর?

আরিয়ান মাথা নাড়ল।

চিঠির একেবারে নিচে আরও একটি লাইন ছিল—

“সেই স্বাক্ষরটি যে হাতে করা, সেই হাত একসময় রাশেদ রহমানের পাশে বসে কাজ করত।”

ঘরের ভেতর নীরবতা নেমে এল।

রাশেদ রহমান ধীরে ধীরে দেয়ালে হাত রাখলেন।

—আমি বুঝতে পারছি না… আমার পাশে কাজ করত এমন মানুষ তো অনেক ছিল।

নীরা চিঠিটি শক্ত করে ধরে বলল,

—তাহলে আমাদের ১৭ অক্টোবরের স্বাক্ষর খুঁজতে হবে।

আরিয়ান সিলটি সাবধানে তুলে নিল।

—আর এই সিল প্রমাণ করবে, কেউ আজহার রহমানের ব্যক্তিগত পরিচয় ব্যবহার করেছিল কি না।

নীরা জানালার বাইরে তাকাল।

পুরোনো বাড়ির উঠানে সকালের আলো পড়েছে।

কিন্তু তাদের সামনে খুলে গেল আরও অন্ধকার এক ইতিহাসের দরজা।

কারণ S. Rahman হয়তো কোনো নাম নয়—একটি পরিচয়ের আড়ালে লুকানো মানুষ।

আর সেই মানুষটি রাশেদ রহমানের একসময়কার সহকর্মী।

চলবে…

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 78 শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন