ফন্ট সাইজ:
থিম:
Cry EvennBetter IfbYou Beg

২য় পর্ব

লেখক: (সিজন ১)

#Cry_Even_Better_If_You_Beg

#Translator_by_গল্প

#পর্বঃ০২

⚠️সতর্কবার্তাঃ এখানে অনেক ডার্ক সিন রয়েছে, নিজ দায়িত্বে পড়ুন। যারা অতিরিক্ত রোমান্টিকতা পছন্দ করেন না তারা চাইলে এটি স্কিপ করতে পারেন। ❌

Chapter 2

আর্ভিসে গ্রীষ্মকাল কাটাতে আসা আত্মীয়স্বজনদের আগমন। সামাজিক অনুষ্ঠান। আগামী মাসে সমুদ্রযাত্রা করার জন্য বাণিজ্যিক জাহাজের বিমা সংক্রান্ত বিষয়াদি।

গাড়ির পিছনের আসনে বসে জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিল Matthias। এদিকে তার বাটলার Hessen পরিবারের অসমাপ্ত বিষয়গুলো জানাচ্ছিল। Matthias কখনও ছোট্ট উত্তর দিয়ে, আবার কখনও শুধু মাথা নেড়ে জবাব দিচ্ছিল। কোম্পানির পরিচালকরা ব্যবসা সামলাত, আর Matthias-এর মা ও দাদী দেখাশোনা করতেন পারিবারিক বিষয়গুলো। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ছিল Duke Herhardt-এর হাতে। আর বারো বছর বয়স থেকে সেই অবস্থানে আছে Matthias নিজেই।

Platanus রোড ধরে Herhardt অঞ্চলে ঢোকার সময় Hessen-এর প্রতিবেদন শেষ হলো।

একটু কাত হয়ে মাথা ঝুঁকিয়ে পরিচিত দৃশ্য দেখছিল Matthias। লম্বা গাছগুলো রাস্তার দু’পাশে সারি বেঁধে দাঁড়ানো, যেন তারা একে অপরের হাত ধরে আছে। দুলতে থাকা পাতার ফাঁক গলে ভাঙাচোরা রোদ মাটির ওপর সুন্দর নকশার মতো ছড়িয়ে পড়ছিল।

রাস্তাটা পার হয়ে যখন অঞ্চলে প্রবেশ করল, তখনই দেখা গেল নীলচে ছাদের ওপর সাদা এক প্রাসাদ। সামনের দরজায় পরিবারপ্রধানকে স্বাগত জানাতে মা আর দাদী দাঁড়িয়ে ছিলেন। নিজের গলায় থাকা সোজা টাইটা ঠিক করতে করতে Matthias-এর গাড়ির দরজা খুলে গেল।

“স্বাগতম, Matthias।”

Arvis-এর Dowager Duchess, Norma Catarina von Herhardt, উজ্জ্বল হাসি দিয়ে নাতিকে বরণ করলেন। মাথা নিচু করে দাদীর চুম্বন গ্রহণ করল Matthias। তার পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা Elysee von Herhardt এবার একটু সরল ভঙ্গিতে Matthias-এর কাছে এগিয়ে এলেন।

“তুমি আরও লম্বা হয়ে গেছ।”

তিনি উষ্ণ আলিঙ্গন দিয়ে হাসলেন। তার কালো চুল রোদের আলোয় উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল, ঠিক Matthias-এর বাবার মতো।

Matthiasও প্রতিউত্তরে হাসল। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা অন্যান্য চাকর-চাকরানিদের সঙ্গে করা অভ্যর্থনাও এর থেকে খুব একটা ভিন্ন ছিল না। পরিশীলিত ভদ্রতা আর সৌজন্যে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল, তিনি-ই এই পরিবারের প্রকৃত কর্তা—Duke Herhardt।

দাদী ও মায়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে Matthias প্রবেশপথ পার হয়ে লবি হল অতিক্রম করল। সিঁড়ি বেয়ে ওঠার আগে হঠাৎ সে মাথা উঁচু করে দিনের আলোয় জ্বলা বিশাল ঝাড়বাতিটার দিকে তাকাল। ঝাড়বাতির ওপরে ছাদের গায়ে আঁকা ছিল Herhardt পরিবারের প্রতীকচিহ্ন।

সে ছিল একজন Herhardt।

যার আরেক নাম—বুদ্ধিমত্তা, সৌন্দর্য আর অদম্য চরিত্র।

নিজের জীবনে Matthias-এর কোনো অভিযোগ বা সংশয় ছিল না। কোন জীবনযাপন তাকে মানায় সে খুব ভালোভাবেই জানত, আর সেটা মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল। জীবনের দায়িত্ব পালন তার কাছে শ্বাস নেওয়ার মতো সহজ ছিল।

নিচের দিকে চোখ নামিয়ে বড় পদক্ষেপে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে লাগল Matthias।

গৃহকর্তা নিরাপদে প্রাসাদে প্রবেশ করার পরই যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল চাকর-চাকরানিরা।

Arvis-এর মানুষজন বহু আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিল Duke Herhardt-কে অভ্যর্থনা জানাতে। তার আগমনের জন্য সবকিছু নিখুঁত হতে হবে। এমনকি যারা ওই অঞ্চলে বসবাস করছে, তাদেরও। তাই Arvis-এর অনাহূত অতিথি Miss Layla Llewellyn-ও এর ব্যতিক্রম ছিল না।

**********

“Duke কি ভেতরে চলে গেলেন? এত তাড়াতাড়ি?”

চাকরদের ভিড়ের এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে হতাশ কণ্ঠে ফিসফিস করে বলল Layla। Bill তার জন্য যে হাতির দাঁতের মতো সাদা পোশাক কিনেছিল, তা বাতাসে দুলছিল।

“তুমি Duke-কে বনে দেখতে পাবে। তখনই অনুমতি চাইতে হবে।”

শুষ্ক গলায় উত্তর দিল Bill Remmer, আর হাঁটতে শুরু করল বনের দিকে। পেছন পেছন দৌড়ে গেল Layla।

“Dukeও কি বন পছন্দ করেন?”

“হ্যাঁ, অবশ্যই। তিনি শিকার পছন্দ করেন।”

“শিকার? বনে?”

Layla-র চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল। নিচের দিকে তাকিয়ে শিশুটির দিকে এক ঝলক দেখল Bill, আর ঠোঁট দিয়ে হালকা শব্দ করল।

“এ তো স্বাভাবিক। বনটাই তো এই পরিবারের শিকারক্ষেত্র।”

“তাহলে… উনি কি পাখিও শিকার করেন?”

“Duke সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন পাখি শিকার।”

Bill-এর তুচ্ছ মন্তব্যে থমকে দাঁড়াল Layla। মুহূর্তেই কী বলে ফেলেছে বুঝতে পেরে গলা খাঁকারি দিল Bill।

মিথ্যে বলে তাকে সান্ত্বনা দিতে চাইলেও মনে পড়ল, কয়েক দিনের মধ্যেই Duke Herhardt শিকারক্ষেত্রে যাবেন। এখন মিথ্যে বললে পরে আরও বড় ধাক্কা খেতে পারে মেয়ে।

“Duke-র গুলি করার দক্ষতা দেখে তুমি অবাক হবে। বয়সে তরুণ, কিন্তু অসাধারণ শ্যুটার।”

Layla-কে আশ্বস্ত করার জন্য কিছু একটা বলার চেষ্টা করল Bill। কিন্তু ততক্ষণে মেয়েটির চোখে জল ভেসে উঠেছে।

“তিনি পাখি ধরতে এত পছন্দ করেন কেন? ওইরকম প্রাসাদে তো খাবারের অভাব নেই।”

“অভিজাতদের কাছে শিকার কেবলমাত্র এক ধরনের বিনোদন। পাখি সবচেয়ে আকর্ষণীয় লক্ষ্য, আর…”

আবারও কথার মাঝপথে থেমে গেল Bill। সামনে তাকাতেই Layla-র দুঃখী মুখ।

কেনই বা এত পাখি ভালোবাসতে হলো তোমার!

চিৎকার করে উঠতে চাইল Bill। কেনই বা তাকে মেয়েটির খেয়াল রেখে এত ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে, বুঝতে পারছিল না। শেষ পর্যন্ত চুপ থাকল সে, কারণ আর একটিও শব্দ বললে হয়তো সত্যিই কেঁদে ফেলবে Layla।

কাঁদতে থাকা Layla।

সে দৃশ্য Bill-এর একদমই ভালো লাগত না।

কিছুটা দ্বিধায় পড়ে আবার হাঁটা শুরু করল Bill। পেছনে ঝুলে পড়া কাঁধ নিয়ে ধীরে ধীরে অনুসরণ করল শিশুটি। কিছুক্ষণ আগেই যে সাদা পোশাকে খুশিতে লাফাচ্ছিল, সেই চঞ্চল মেয়েটি আর দেখা যাচ্ছিল না।

“আমি চাই Duke-র যেন শিকার ভালো না লাগে।”

দীর্ঘ নীরবতার পর সাবধানে বলল Layla।

“হয়তো তিনি শিকার করতে করতে একসময় বিরক্ত হয়ে যাবেন?”

আশায় ভরা চোখে Bill-এর দিকে তাকাল Layla। জবাবে কেবল বিব্রত ভঙ্গিতে মাথার পেছনে হাত চুলকাল Bill।

Layla বিশ্বাস করেছিল, তার প্রার্থনা হয়তো পূর্ণ হয়েছে।

ফেরার এক সপ্তাহ কেটে গেল, তবুও শিকারক্ষেত্রে দেখা গেল না Duke-কে। আসা অতিথিদের দেখভালে তিনি এতটাই ব্যস্ত ছিলেন।

প্রতিদিন প্রাসাদে হৈচৈপূর্ণ অনুষ্ঠান চললেও বন ছিল নীরব। গ্রীষ্ম প্রায় শেষের দিকে। ডিম ফেটে বেরিয়েছে ছোট্ট পাখির ছানারা, কুঁড়ি ফোটা বুনো গোলাপ এখন পূর্ণ প্রস্ফুটিত। বনজুড়ে এই ছোট ছোট পরিবর্তন আনন্দ নিয়ে দেখছিল Layla।

“খুব দূরে যেয়ো না, Layla!”

উচ্চস্বরে বলে উঠল Bill, যখন উচ্ছ্বসিত Layla কেবিন ছেড়ে বেরোল।

“আচ্ছা! আমি শুধু নদীর ধারে হাঁটতে যাচ্ছি! পরে দেখা হবে, আঙ্কেল!”

ঘুরে দাঁড়িয়ে দুই হাত মাথার ওপর নেড়ে ছুটে গেল Layla। কাঁধে ঝোলানো পুরোনো চামড়ার ব্যাগটিও তার সঙ্গে দুলছিল।

সবচেয়ে আগে পাখির ছানাদের দেখল Layla। গাছের ডালে বসে ক্ষুধার্ত ছানাগুলো অপেক্ষা করছিল তাদের মায়ের জন্য। দ্রুত গাছ থেকে নেমে ব্যাগ থেকে ছোট্ট নোটবই বের করে সে ছানাদের খসখসে ছবি আঁকল।

বনের সবকিছুই আঁকত আর লিখত Layla। এই ভূমি ছিল তার জীবনে দেখা সবচেয়ে সুন্দর জায়গা। সবকিছু লিপিবদ্ধ করতে চাইত, যাতে একদিন চলে যেতে হলে নোটবই দেখে অন্তত স্মৃতিগুলো মনে করতে পারে। চলে যাওয়ার কথা ভাবলেই মন খারাপ হয়ে যেত তার।

নদীর পথে হাঁটতে হাঁটতে ছোট ফুলের পাপড়ি নোটবইয়ে গুঁজে রাখল, আর পথে পাওয়া স্ট্রবেরিও কুড়িয়ে নিল। সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় সে পৌঁছাল ঝলমলে নদীর ধারে।

বড়সড় এক গাছে উঠল Layla—যেটা তার প্রিয় জায়গা ছিল। গাছের মোটা ডালটা ছিল যেন আরামদায়ক চেয়ারের মতো। নোটবই খুলতে যাচ্ছিল, হঠাৎ দূর থেকে ভেসে এল ঘোড়ার খুরের শব্দ।

তাড়াহুড়ো করে ব্যাগে নোটবই গুঁজে রাখল Layla। শব্দ আরও কাছে আসতে থাকল। আতঙ্কে নিঃশ্বাস বন্ধ করে গাছের ডালে লেগে রইল সে।

অল্প পরেই চকচকে গাঢ় বাদামি রঙের ঘোড়া এসে থামল। তার পিঠে বসে ছিল এক ব্যক্তি। চারপাশ ছেড়ে ঠিক Layla-র গাছটার নিচেই ঘোড়াটিকে বিশ্রাম দিল সে। ঘোড়া থেকে নামার ভঙ্গি ছিল হালকা ও সহজ।

নিচে নামার কথা ভেবেছিল Layla, কিন্তু ততক্ষণে লোকটি গাছের তলায় হেলান দিয়ে বসে গেছে। চোখ মেলে তাকাল লোকটির দিকে, যে টুপিটি খুলতে যাচ্ছিল। ঠিক তখনই তার কাঁধ থেকে পিছলে পড়ে গেল চামড়ার ব্যাগ, আর ধাক্কা খেল ডালটিতে।

তারপরের দৃশ্যটা ঝাপসা হয়ে গেল Layla-র কাছে।

লোকটি স্বভাবতই মাথা ঘুরিয়ে তাকাল ডালের দিকে, আর চোখাচোখি হলো Layla-র সঙ্গে। ঘন কালো চুলের ফাঁক গলে নীলচে কাঁচের মতো চোখ জ্বলজ্বল করছিল। কিছুটা হুঁশ ফেরার আগেই Layla দেখল—দীর্ঘ হুমকিদায়ক বন্দুক তাক করা লোকটির হাতে, সরাসরি তার মুখের দিকে।

গুলির আতঙ্কে ফ্যাকাশে হয়ে গেল Layla-র মুখ। গাছের ডাল শক্ত করে জড়িয়ে ধরল, কাঁপতে লাগল পুরো শরীর। অবশেষে নীরব দীর্ঘশ্বাস ফেলে বন্দুক নামিয়ে নিল লোকটি।

“কে তুমি?”

বাঁকা ঠোঁট ফাঁক করে বেরিয়ে এল নিচু কণ্ঠস্বর।

“…Layla।”

কাঁপা গলায় কোনো রকমে নাম বলতে পারল সে, যদিও চোখ ভিজে উঠেছিল। সোনালি চুল বাতাসে দুলছিল।

“কি বললে?”

আরও সরু হয়ে এলো লোকটির চোখ। গাছকে এত শক্ত করে আঁকড়ে ধরেছিল Layla যে আঙুলের ডগা ব্যথা হয়ে গিয়েছিল।

“Layla। Layla Lewellin।”

*********

"Uncle! Uncle Bill! Uncle!"

Layla-র কণ্ঠস্বর বনজঙ্গলে প্রতিধ্বনিত হলো।

Bill কেবিনের গুদামের সামনে বসে ছিল। Leyla-র আতঙ্কিত ডাকে সে বিস্ময়ে মাথা ঘুরিয়ে তাকালো। লাল হয়ে ওঠা মুখ নিয়ে Leyla ছুটে এলো তার দিকে।

"কী হয়েছে?"

"বনে—বনে একজন লোক ছিল! সে খুব লম্বা!"

হাঁপাতে হাঁপাতে Leyla অচেনা লোকটির সঙ্গে তার দেখা হওয়ার ঘটনা ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছিল।

"তুমি নিশ্চয়ই সেই Duke-এর সঙ্গে দেখা করেছ, যে শিকারে বেরিয়েছে।"

Bill গুদাম থেকে তার সরঞ্জাম তুলতে তুলতে উত্তর দিল।

"তার চুল ছিল কালো আর চোখ ছিল একেবারে নীল। তার কণ্ঠস্বর ছিল পালকের মতো হালকা।"

"ও Duke Herhardt ছাড়া আর কেউ না।"

Bill ব্যঙ্গমিশ্রিত হাসি দিয়ে বলল। Leyla অনেকক্ষণ Bill-এর সামনে দাঁড়িয়ে রইল, হাঁপ ধরা থামানোর চেষ্টা করতে করতে।

সেই সুন্দর কিন্তু ভীতিকর মানুষটি কিছুক্ষণ Leyla-র দিকে তাকিয়েছিল, তারপর একটি শব্দ না বলেই সরে গিয়েছিল। সে যখন ঘোড়ায় ফিরে চড়ল, তখন ঘন জঙ্গল থেকে আরও দুজন লোক বেরিয়ে এলো। লোকটি তার ঘোড়াকে ফিরিয়ে নিয়ে অন্য দুজনের সঙ্গে মিশে গেল এবং ধীরে ধীরে জঙ্গলের ভেতরে মিলিয়ে গেল। তারা আর চোখে দেখা না গেলে, Leyla গাছ থেকে নেমে কেবিনের দিকে দৌড়ে পালালো।

"তাহলে সেই Duke....."

Leyla কিছু বলতে যাচ্ছিল, হঠাৎ ঠাণ্ডা এক গুলির শব্দ বনের নীরবতা কাঁপিয়ে তুলল।

Leyla চমকে উঠল এবং শব্দের দিকের দিকে মাথা ঘুরিয়ে তাকাল। দূরের জঙ্গল থেকে বিস্মিত পাখিদের ঝাঁক উড়ে উঠল। তাদের মধ্য থেকে একটি আতঙ্কিত পাখি ডানা ঝুলিয়ে নিস্তেজভাবে গাছের ভেতর পড়ে গেল।

গুলির শব্দ আরও কয়েকবার বেজে উঠল। Bill ভীত মেয়েটিকে শান্ত করার জন্য তার কাঁধে হাত রাখল।

"Leyla।"

Leyla ধীরে ধীরে মাথা তুলল। চোখাচোখি হতেই Bill অজান্তে শ্বাস আটকে রাখল।

মেয়েটির চোখ ভিজে উঠেছে। সে কাঁদছে।

*********

সুন্দর পাখিদের হত্যাকারী।

এই নামটাই Leyla Lewellin তার জন্য ঠিক করেছিল।

এই এস্টেটের সব মানুষ, এমনকি Bill Remmer পর্যন্ত, তাকে নিখুঁত এক অভিজাত মানুষ বলে প্রশংসা করত। মানুষজন যেন Matthias von Herhardt-কে ভালোবাসত এবং যত্ন করত, যে ছিল এই জমিদারির যোগ্য মালিক।

কিন্তু Leyla একমত হয়নি।

সেদিন Duke শিকারে বেরোনোর পর থেকেই মা পাখিটি আর ফিরে আসেনি। সদ্য ফোটা ছোট্ট ছানাগুলোর খাওয়ার জন্য আর তাদের মা ছিল না। শুধু তাই নয়, অসংখ্য পাখিকেও আর দেখা যেত না।

কেন Duke বড় পাখি নয়, বরং ছোট, সুন্দর পাখিদের শিকার করত—যাদের খাওয়া হয় না?

গত এক মাস ধরে পর্যবেক্ষণ আর ভাবনায় ডুবে থেকে Leyla এবার কারণটা বুঝতে পারল।

তার কাছে পাখিরা ছিল কেবল নড়তে থাকা একটি লক্ষ্যবস্তু।

যত ছোট, লক্ষ্য করা ততই কঠিন এবং মজার। Duke তার শিকার করা পাখির দিকে তাকাতও না। কেবল গুলি করেই চলে যেত। যেদিন সে শিকারে যেত, সেদিন Leyla রক্তে ভেজা মৃত পাখিদের কবর দিত।

ব্যাং—

আবারও দূরে বন্দুকের শব্দ প্রতিধ্বনিত হলো।

চলবে......

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন