🖤 CRAZY LOVE
পর্ব ৫: তোমার প্রতি আমার অদ্ভুত আসক্তি
✍️ লেখক: Mafiya Queen 👑
১. কিছু কথা অসমাপ্ত থেকে যায়
রাত ১২টা ১৫ মিনিট।
এলোরিয়া বিছানায় শুয়ে ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে আছে।
স্যামের সঙ্গে তার শেষ কথোপকথনটা এখনো খোলা।
Eloria:
লুনা কি আপনার জীবনে এখনো গুরুত্বপূর্ণ?
Sam:
কিছু মানুষ অতীত হয়েও স্মৃতিতে থেকে যায়।
Eloria:
তাহলে আপনি এখনো তাকে ভালোবাসেন?
ওপাশ থেকে কোনো উত্তর এল না।
এলোরিয়া কয়েক মিনিট অপেক্ষা করল।
তারপর ফোনটা পাশে রেখে দিল।
নিজেকেই প্রশ্ন করল,
'আমি কেন এসব জানতে চাইছি? স্যামের জীবনে কে ছিল, কে আছে, তাতে আমার কী?'
কিন্তু মনকে বোঝানো এত সহজ নয়।
ঠিক তখন আবার ফোন বেজে উঠল।
Sam Calling...
এলোরিয়া কল রিসিভ করল।
— হ্যালো?
— ঘুমিয়ে পড়েছেন?
— না।
— আমার ওপর রাগ করেছেন?
— না তো।
— তাহলে এত চুপচাপ কেন?
এলোরিয়া একটু অভিমানী গলায় বলল,
— আপনার তো অনেক মানুষ আছে কথা বলার। আমার সঙ্গে কথা না বললেও চলবে।
স্যাম কয়েক সেকেন্ড নীরব রইল।
তারপর বলল,
— আমার অনেক পরিচিত মানুষ থাকতে পারে, এলোরিয়া। কিন্তু সবার সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করে না।
এলোরিয়া চুপ করে গেল।
স্যাম আবার বলল,
— আর আপনার সঙ্গে কথা বলতে আমার ভালো লাগে।
এলোরিয়ার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল।
— সত্যি?
— সব সময় কি মিথ্যা বলি?
— আপনি তো এমনিতেই রহস্যময় মানুষ।
স্যাম হালকা হাসল।
— শুভরাত্রি, এলোরিয়া।
— শুভরাত্রি, স্যাম।
কল কেটে যাওয়ার পর এলোরিয়া ফোনটা বুকে রেখে কিছুক্ষণ ছাদের দিকে তাকিয়ে রইল।
আজ তার ঘুম আসতে একটু দেরি হবে।
২. অন্য কারও সঙ্গে হাসতে দেখলে
পরদিন সকাল।
BLACKWOOD CORPORATION।
অফিসে ঢুকেই এলোরিয়া দেখতে পেল আরহাম তার ডেস্কের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
— গুড মর্নিং, এলোরিয়া!
— গুড মর্নিং!
— আজকে একটা ভালো খবর আছে।
— কী?
— আমাদের ডিপার্টমেন্টের সবাইকে নিয়ে একটা ছোট্ট পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যায়।
এলোরিয়া খুশি হয়ে বলল,
— সত্যি? কোথায়?
— একটা রুফটপ রেস্টুরেন্টে।
— বাহ! তাহলে তো বেশ মজা হবে।
আরহাম হেসে বলল,
— তুমি আসবে তো?
— অবশ্যই!
ঠিক তখনই করিডোর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল স্যাম।
তার চোখ পড়ল দুজনের দিকে।
এলোরিয়া হাসছে।
আরহামও হাসছে।
স্যাম কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে রইল।
তারপর রায়ানকে বলল,
— আজ সন্ধ্যার সব মিটিং বাতিল করো।
রায়ান অবাক হলো।
— জি, স্যার?
— শুনতে পাওনি?
— জি, স্যার।
স্যাম চলে গেল।
রায়ান মনে মনে ভাবল,
'স্যারের মেজাজ আবার কেন খারাপ হলো?'
৩. একটা ছোট্ট উপহার
দুপুর ১২টা।
এলোরিয়া নিজের ডেস্কে বসে কাজ করছিল।
হঠাৎ একজন কর্মচারী এসে বলল,
— ম্যাম, আপনার জন্য একটা পার্সেল।
— আমার জন্য?
— জি।
এলোরিয়া পার্সেল খুলে দেখল, ভেতরে একটি সুন্দর রুপালি ব্রেসলেট।
সঙ্গে একটি ছোট্ট কার্ড।
'For the girl who makes ordinary days beautiful.'
নিচে কোনো নাম নেই।
এলোরিয়া অবাক হয়ে চারদিকে তাকাল।
মিরা এসে বলল,
— ওয়াও! কে দিয়েছে?
— জানি না।
— নিশ্চয়ই কেউ তোকে পছন্দ করে।
এলোরিয়া হেসে বলল,
— এসব বাদ দে।
ঠিক তখন তার ফোনে মেসেজ এল।
Sam:
'উপহারটা পছন্দ হয়েছে?'
এলোরিয়া সঙ্গে সঙ্গে বুঝে গেল।
Eloria:
'আপনি দিয়েছেন?'
Sam:
'হ্যাঁ।'
Eloria:
'কিন্তু কেন?'
Sam:
'কারণ দিতে ইচ্ছে হয়েছে।'
এলোরিয়া কিছুক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল।
তারপর লিখল,
'আপনি দিন দিন অদ্ভুত হয়ে যাচ্ছেন।'
স্যামের উত্তর এল,
'আপনার সঙ্গে পরিচয়ের পর থেকেই।'
এলোরিয়া হাসতে হাসতে ফোনটা নামিয়ে রাখল।
৪. স্যামের অন্ধকার জগৎ
বিকেল ৩টা।
স্যামের কেবিনে রায়ান একটি ফাইল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
— স্যার, লুনা ব্ল্যাকউড আবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে।
স্যামের মুখ শক্ত হয়ে গেল।
— আমি কি বলিনি, তার ফোন আমার কাছে আসতে দেবে না?
— জি, স্যার। কিন্তু এবার সে নিজে এখানে আসতে চায়।
— আসতে দাও।
রায়ান অবাক হলো।
— স্যার?
— যা বলেছি করো।
কিছুক্ষণ পর স্যাম ড্রয়ার খুলে পুরোনো একটি চিঠি বের করল।
চিঠির প্রথম লাইন—
'স্যাম, তুমি হয়তো আমাকে কোনোদিন ক্ষমা করবে না।'
সে চিঠিটা পড়ল না।
আবার ড্রয়ারে রেখে দিল।
তারপর ফোন হাতে নিল।
স্ক্রিনে এলোরিয়ার ছবি।
কোম্পানির একটি অনুষ্ঠানে তোলা।
মেয়েটি হাসছে।
স্যাম ছবিটার দিকে তাকিয়ে খুব নিচু স্বরে বলল,
— তুমি জানো না, তোমার এই হাসিটা আমার কতটা ভালো লাগে।
৫. সন্ধ্যার পার্টি
রাত ৮টা।
শহরের একটি সুন্দর রুফটপ রেস্টুরেন্ট।
চারদিকে ছোট ছোট আলো, ফুলের সাজসজ্জা আর হালকা গান।
এলোরিয়া আজ মেরুন রঙের একটি সুন্দর পোশাক পরেছে। চুল খোলা। হাতে স্যামের দেওয়া ব্রেসলেট।
মিরা তাকে দেখে বলল,
— আজ তোকে অসম্ভব সুন্দর লাগছে!
এলোরিয়া হেসে বলল,
— থ্যাংক ইউ!
আরহাম এসে বলল,
— এলোরিয়া, একটা ছবি তুলব?
— হ্যাঁ, চলো।
দুজন ছবি তুলতে দাঁড়াল।
ঠিক তখনই রেস্টুরেন্টের প্রবেশপথে একটি কালো গাড়ি এসে থামল।
গাড়ি থেকে নামল স্যাম।
কালো স্যুট, সাদা শার্ট, হাতে রুপালি ঘড়ি।
তার উপস্থিতিতে আশপাশের মানুষগুলো একটু সরে দাঁড়াল।
এলোরিয়া তাকে দেখে অবাক।
— স্যাম!
স্যাম তার দিকে তাকাল।
তারপর চোখ নামিয়ে দেখল এলোরিয়ার হাতে সেই ব্রেসলেট।
তার ঠোঁটে মৃদু হাসি ফুটল।
— সুন্দর লাগছে।
এলোরিয়া বলল,
— ব্রেসলেটটা?
স্যাম তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,
— ব্রেসলেটটাও।
এলোরিয়া লজ্জা পেয়ে অন্যদিকে তাকাল।
৬. ঈর্ষার রাত
পার্টি চলতে থাকল।
আরহাম এলোরিয়ার পাশে এসে দাঁড়াল।
— এলোরিয়া, ড্যান্স করবে?
এলোরিয়া একটু ইতস্তত করল।
— আমি খুব ভালো নাচতে পারি না।
— সমস্যা নেই। আমিও পারি না।
দুজন হেসে উঠল।
ঠিক তখন স্যাম তাদের সামনে এসে দাঁড়াল।
— এলোরিয়া।
— জি?
— আমার সঙ্গে একটু আসবেন?
আরহাম বলল,
— স্যার, আমরা আসলে...
স্যাম তার দিকে তাকাল।
— আমি এলোরিয়ার সঙ্গে কথা বলছি।
এলোরিয়া স্যামের সঙ্গে একটু দূরে চলে গেল।
— কী হয়েছে?
স্যাম বলল,
— আপনি কি সব সময় ওই ছেলেটার সঙ্গেই থাকবেন?
এলোরিয়া অবাক।
— আরহামের কথা বলছেন?
— হ্যাঁ।
— সে আমার সহকর্মী।
— বুঝেছি।
এলোরিয়া এবার মুচকি হেসে বলল,
— আপনি কি ঈর্ষা করছেন?
স্যাম তার দিকে তাকিয়ে রইল।
— আপনি কী মনে করেন?
এলোরিয়া একটু লজ্জা পেল।
— জানি না।
স্যাম ধীরে বলল,
— তাহলে জেনে রাখুন, আপনাকে অন্য কারও সঙ্গে এত হাসতে দেখলে আমার ভালো লাগে না।
এলোরিয়া কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।
তারপর বলল,
— কিন্তু আমি তো আপনাকে এখনো কিছুই বলিনি, স্যাম।
স্যাম মাথা নাড়ল।
— জানি।
— তাহলে?
স্যাম মৃদু হেসে বলল,
— তাই তো অপেক্ষা করছি।
এলোরিয়া আর কোনো কথা খুঁজে পেল না।
৭. চাঁদের নিচে দুজন
রাত ১০টা।
রুফটপের এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে স্যাম ও এলোরিয়া।
শহরের আলো দূর থেকে ঝিকমিক করছে।
হালকা বাতাসে এলোরিয়ার চুল উড়ছে।
স্যাম বলল,
— ঠান্ডা লাগছে?
— একটু।
স্যাম নিজের জ্যাকেটটা খুলে তার দিকে বাড়িয়ে দিল।
— এটা নিন।
এলোরিয়া জ্যাকেটটা নিল।
— আপনি ঠান্ডা পাবেন না?
— আমি অভ্যস্ত।
এলোরিয়া হেসে বলল,
— আপনি সবকিছুতেই অভ্যস্ত। একা থাকা, গম্ভীর থাকা, মানুষকে দূরে রাখা।
স্যাম তার দিকে তাকাল।
— আর আপনি?
— আমি?
— আপনি কীসে অভ্যস্ত?
এলোরিয়া একটু ভেবে বলল,
— আমি মানুষের সঙ্গে হাসতে অভ্যস্ত। ছোট ছোট জিনিসে খুশি হতে অভ্যস্ত। আর কাউকে ভালোবাসলে মন থেকে ভালোবাসতে অভ্যস্ত।
স্যাম চুপ করে রইল।
তারপর জিজ্ঞেস করল,
— কাউকে ভালোবাসেন?
এলোরিয়া তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল।
— এখনো কাউকে পাইনি।
স্যামের চোখে অদ্ভুত এক আলো ফুটে উঠল।
— যদি কখনো পান?
এলোরিয়া বলল,
— তাহলে তাকে খুব যত্নে রাখব।
স্যাম ধীরে বলল,
— আর যদি সে মানুষটা আপনার মতো না হয়?
এলোরিয়া উত্তর দিল,
— ভালোবাসা মানে তো দুজনের একরকম হওয়া নয়। ভালোবাসা মানে একে অপরকে বোঝা।
স্যাম তার দিকে তাকিয়ে রইল।
কিছুক্ষণ পর বলল,
— আপনি জানেন, আপনি আমার জীবনে আসার পর অনেক কিছু বদলে গেছে?
এলোরিয়া অবাক হলো।
— কী বদলেছে?
স্যাম মৃদু হেসে বলল,
— আগে রাতে জানালা বন্ধ করে ঘুমাতাম। এখন মাঝে মাঝে জানালা খুলে রাখি।
এলোরিয়া হেসে ফেলল।
— শুধু জানালা?
স্যাম তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,
— না। হয়তো মনটাও একটু খুলতে শিখছি।
৮. লুনার প্রত্যাবর্তন
রাত ১১টা ২০ মিনিট।
স্যাম এলোরিয়াকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ফিরে এসেছে।
BLACKWOOD MANSION-এর দরজা খুলতেই সে থেমে গেল।
ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে আছে একজন নারী।
কালো পোশাক, লম্বা চুল, ঠোঁটে রহস্যময় হাসি।
লুনা।
স্যাম ঠান্ডা গলায় বলল,
— তুমি এখানে কেন?
লুনা উঠে দাঁড়াল।
— তোমার সঙ্গে দেখা করতে।
— আমি তোমাকে আসতে বলিনি।
— সবকিছুর জন্য কি তোমার অনুমতি নিতে হবে?
স্যাম কিছু বলল না।
লুনা তার দিকে তাকিয়ে বলল,
— শুনলাম তোমার জীবনে নতুন কেউ এসেছে।
স্যামের চোখ সরু হয়ে গেল।
— তোমার জানার দরকার নেই।
লুনা হেসে বলল,
— মেয়েটার নাম এলোরিয়া, তাই না?
স্যাম এবার এক পা এগিয়ে এল।
— তার নাম তোমার মুখে শুনতে চাই না।
লুনার হাসি মিলিয়ে গেল।
— তুমি কি তাকে সত্যিই ভালোবাসতে শুরু করেছ?
স্যাম উত্তর দিল না।
লুনা ধীরে বলল,
— সাবধান, স্যাম। তুমি আবার একই ভুল করতে যাচ্ছ।
স্যামের কণ্ঠ কঠিন হয়ে উঠল।
— আমার জীবনের সিদ্ধান্ত আমি নিজেই নেব।
লুনা দরজার দিকে এগিয়ে গেল।
যাওয়ার আগে একবার ফিরে তাকিয়ে বলল,
— তোমার অতীত তোমাকে ছাড়বে না। আর এলোরিয়াও একদিন সব জানতে পারবে।
দরজা বন্ধ হয়ে গেল।
স্যাম একা দাঁড়িয়ে রইল।
৯. একটা স্বীকারোক্তি
রাত ১২টা ১০ মিনিট।
এলোরিয়ার ফোনে একটি মেসেজ এল।
Sam:
'ঘুমিয়ে পড়েছেন?'
Eloria:
'না। আপনি?'
Sam:
'আজ আপনাকে একটা কথা বলতে ইচ্ছে করছে।'
Eloria:
'বলুন।'
কিছুক্ষণ কোনো উত্তর এল না।
তারপর—
Sam:
'আমি জানি না, আপনার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ঠিক কোন দিকে যাচ্ছে। কিন্তু একটা বিষয় জানি। সারাদিনের ব্যস্ততার পর আপনার সঙ্গে কথা বলতে আমার ভালো লাগে।'
এলোরিয়া মেসেজটা পড়ে মৃদু হাসল।
Eloria:
'আমারও আপনার সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগে।'
Sam:
'শুধু ভালো লাগে?'
Eloria:
'আর কী বলব?'
Sam:
'একটু বেশি কিছু বলুন।'
এলোরিয়া লজ্জা পেয়ে ফোনটা বালিশের পাশে রাখল।
তারপর আবার তুলে লিখল—
'আপনাকে আমার একটু একটু ভালো লাগতে শুরু করেছে, মিস্টার ব্ল্যাকউড।'
ওপাশে মেসেজটা পড়ে স্যাম দীর্ঘক্ষণ চুপ করে রইল।
তারপর লিখল—
'আমার ক্ষেত্রে একটু একটু নয়, এলোরিয়া।'
এলোরিয়া অবাক হয়ে গেল।
'তাহলে কতটুকু?'
স্যাম উত্তর দিল—
'সেটা হয়তো একদিন নিজেই বুঝতে পারবেন।'
১০. অন্ধকারের নতুন চিঠি
রাত ১টা।
স্যাম নিজের ঘরে ঢুকতেই দরজার নিচে একটি খাম দেখতে পেল।
খামের ওপর তার নাম লেখা।
সে খাম খুলল।
ভেতরে একটি পুরোনো ছবি।
ছবির এক পাশে স্যাম, অন্য পাশে লুনা।
ছবির পেছনে লেখা—
'তুমি যতই নতুন জীবন শুরু করো না কেন, পুরোনো গল্পের শেষ এখনো লেখা হয়নি।'
তার নিচে আরও একটি লাইন।
'এলোরিয়াকে সত্যিটা জানাও, স্যাম। সময় খুব কম।'
স্যামের হাত স্থির হয়ে গেল।
সে ছবিটা টেবিলে রেখে জানালার দিকে তাকাল।
বাইরে কালো আকাশ।
দূরে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে।
তার ফোনে এলোরিয়ার একটি মেসেজ এল।
Eloria:
'Good night, Mr. Blackwood. সুন্দর স্বপ্ন দেখবেন।'
স্যাম মেসেজটা পড়ে মৃদু হাসল।
তারপর উত্তর দিল—
'Good night, my little mystery.'
কিন্তু সে জানত না, তার জীবনে নতুন করে শুরু হতে যাওয়া এই ভালোবাসার গল্পের পেছনে এমন কিছু সত্য লুকিয়ে আছে, যা একদিন সবকিছু বদলে দেবে।
চলবে...
🥀 পরবর্তী পর্বে
স্যাম প্রথমবার এলোরিয়ার সামনে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করবে।
লুনা ও এলোরিয়ার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
এলোরিয়া জানতে পারবে স্যামের জীবনে লুকিয়ে থাকা একটি পুরোনো প্রতিশ্রুতির কথা।
অচেনা চিঠির রহস্য আরও গভীর হবে।
CRAZY LOVE — Some hearts love beyond reason. 🖤