ফন্ট সাইজ:
থিম:
বর্ষা হিমেলের প্রেমের ছোঁয়া

পর্ব 1

লেখক: শিমলা সিমু

বর্ষা হিমেলের প্রেমের ছোঁয়া।
পর্ব :১

শ্রাবণের মেঘলা আকাশটা যেন সারাদিন ধরেই বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকে। কখনো গুমোট কালো মেঘে ঢেকে যায় চারপাশ, আবার কখনো হঠাৎ ঝুমঝুম করে নেমে আসে বৃষ্টি। টিনের চালে বৃষ্টির টুপটাপ শব্দে ঘুম ভেঙে গেল রাবেয়া বেগমের।

তড়িঘড়ি করে বিছানা ছেড়ে উঠে কাঠের দরজাটা খুলে বাইরে তাকালেন তিনি। আকাশের দিকে তাকিয়েই বুঝলেন, ফজরের আজান দেওয়ার বেশ কিছুক্ষণ হয়ে গেছে।

সারাদিন সংসারের কাজ, সেলাই মেশিনের কাজ, অসুস্থ শাশুড়ির দেখাশোনা—সবকিছুর পাশাপাশি বাবা-হারা একমাত্র ছেলের পড়াশোনার খরচও তাঁকেই বহন করতে হয়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করতে করতে কখন যে রাত গভীর হয়ে যায়, তা টেরই পান না। তাই মাঝেমধ্যে ফজরের নামাজও কাজা হয়ে যায়।

তবে আজ ভাগ্য ভালো—দেরিতে উঠলেও নামাজ কাজা হয়নি।

—হিমেল! এই হিমেল, উইঠা পড় বাবা। নামাজ পড়বি না?

মায়ের ডাক কানে যেতেই ধরফড় করে উঠে বসল হিমেল। চোখেমুখে ঘুমের ছাপ এখনো স্পষ্ট।

ছোট করে উত্তর দিল,

—উঠতেছি আম্মা।

হিমেলদের বাড়ির পেছন দিকে একটি গভিরকূপ খনন করা আছে। কূপটি অবশ্য হিমেলের বাবা আলতাফ সিকদার জীবিত থাকতেই খনন করে দিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর এই দূরদর্শিতার কারণেই বকুলতলী গ্রামে যখন খরা দেখা দেয়, তখনও হিমেলদের পানির তেমন একটা সমস্যা হয় না।

দড়িটা শক্ত করে টান দিতেই ছপছপ শব্দ তুলে টিনের বালতিতে পানি ভরে উঠল। প্রথমে মায়ের ওযুর পানি তুলে দিল হিমেল। এরপর নিজেও ওযু সেরে নিল।

বকুলতলী গ্রামে মসজিদ বলতে একটিই—দোতলা কাঠের তৈরি পুরোনো মসজিদ। গ্রামের সব মুসল্লিই সেখানেই নামাজ আদায় করেন। হিমেলও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে আজ ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হয়ে যাওয়ায় মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ পড়তে পারল না।

রাজধানী শহর থেকে বেশ অনেক দূরে বকুলতলী গ্রাম। ছবির মতো সুন্দর এই গ্রামটি তবে আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়া থেকে অনেকটাই দূরে। গ্রামের বেশির ভাগ ঘরই ছন, বাঁশ, কাঠ আর টিন দিয়ে তৈরি। চারপাশে সবুজের সমারোহ, কাঁচা রাস্তা, ধানক্ষেত আর দূরে দূরে ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট মাটির বাড়ি—সব মিলিয়ে গ্রামটির নিজস্ব এক সরল সৌন্দর্য আছে।

বকুলতলী গ্রামের পশ্চিম দিকে রয়েছে কয়েকটি কাঠ ও টিনের তৈরি দোতলা বাড়ি।
আর গ্রামের হর্তাকর্তা বলতে সবাই মাতব্বর হাফিজুল ইসলাম, তাঁর দুই ভাই জহিরুল ইসলাম ও নূরুল ইসলামকেই চেনে। অবশ্য এদের বাইরেও গ্রামের আরও কিছু প্রভাবশালী মানুষ আছে, যারা নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেড়ায়।

গ্রামের অধিকাংশ মানুষই সহজ-সরল। অভাব যেন তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। তবু অভাবের মধ্যেও তাদের হৃদয়ে রয়েছে একে অপরের প্রতি গভীর সম্প্রীতি। গ্রামের কেউ বিপদে পড়লে একা পড়ে থাকে না; সবাই মিলে তার পাশে দাঁড়ায়। তবে তাদের সরলতার সঙ্গে মিশে আছে নানা কুসংস্কার আর ভ্রান্ত ধারণাও, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশ। স্বাধীনতার প্রায় আঠারো বছর পেরিয়ে গেলেও বকুলতলীর মতো প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের জীবনে সেই স্বাধীনতার আলো পুরোপুরি পৌঁছায়নি। ব্রিটিশ আমলের জমিদারি মানসিকতার মতোই কিছু প্রভাবশালী মানুষ এখনো সাহায্য করার নাম করে গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে চলেছে।

নামাজ শেষে মায়ের ঘরে এসে হিমেল তার অসুস্থ, শয্যাশায়ী দাদি কমেলা ভানুকে কোলে তুলে বাড়ির বাইরের ছোট কাঠের চৌকিটায় শুইয়ে দিল। বৃদ্ধার শরীরটা দিন দিন যেন আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।

এদিকে ভাত চুলায় বসিয়ে উনুনে আগুন ধরাতে ধরাতে রাবেয়া বেগম ডাক দিলেন,

—হিমেল, সবজি গাছে পানি দেওয়া হইলে আসার সময় কয়ডা ডাটার শাক তুইলা আনিস তো বাবা।

—আনতেছি আম্মা।

হিমেল আর রাবেয়া বেগম মিলে তাদের বাড়ির পেছনে কূপের পাশে ছোট্ট একটুকরো জায়গায় সারা বছরই নানা রকম সবজি চাষ করেন। সেই সবজি দিয়েই তাদের সংসারের অনেকটা চাহিদা মিটে যায়। মাঝে মাঝে বাড়তি সবজি বাজারে নিয়ে বিক্রি করে হিমেল। আর আশপাশের কেউ সবজি চাইতে এলে রাবেয়া বেগম কখনোই খালি হাতে ফেরান না। অল্প হলেও নিজের বাগানের সবজি তাদের দিয়ে দেন।

সব চারায় পানি দিয়ে, কিছু তাজা ডাঁটার শাক তুলে এনে মায়ের হাতে দিল হিমেল।

—আর কিছু কি আনতে হইবো, আম্মা?

রাবেয়া বেগম একটু ভেবে বললেন,

—হ বাজান। ওই যে কালক্যা বিহানবেলায় জাল দিয়া ছোট কাকচি মাছ ধইরা আনলা না, হেডা এইহানে নিয়া আহো। তোমার দাদি মেলা দিন ধইরা ছোট মাছের চচ্চড়ি খাইবার চাচ্ছে। তাই ভাবছি আইজ ডাটা দিয়া রান্দুম।

—মাছগুলা কই রাখছো, আম্মা?

—দেহো, চৌকির নিচে। পাতিলে পানির মইধ্যে জিয়ায়া রাখছি।

মায়ের কথা শুনে হিমেল চৌকির নিচ থেকে মাছের পাতিলটা বের করে আনল।

মাকে রান্নার কাজে সাহায্য করার পাশাপাশি নিজের পড়াও রিভিশন দিচ্ছিল হিমেল। রাবেয়া বেগম সেলাই মেশিনের কাজ করে অতি কষ্টে সংসার চালান। তার ওপর সংসারের প্রয়োজন মেটাতে মাঝে মাঝে দু-এক বাড়িতে ঘরের কাজও করে দেন। সেখান থেকে যে সামান্য টাকা পান, তা দিয়েই ছেলের পড়াশোনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনেন, আবার অসুস্থ শাশুড়ির ওষুধও কিনে আনেন।

হিমেল এবার দশম শ্রেণির ছাত্র। পড়াশোনায় সে যেমন মেধাবী, তেমনই স্বভাব-চরিত্রেও সবার প্রিয়। মানুষের উপকার করতে তার যেন কোনো ক্লান্তি নেই।

এমনও হয়েছে, গ্রামের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ডাক্তারের কাছে নেওয়ার জন্য ভ্যান জোগাড় করে, নিজেই দুই ক্রোশ পথ ভ্যান চালিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছে। কারও জমিতে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হলে সেখানেও ছুটে গেছে। অথচ এসব কাজের বিনিময়ে কখনো কারও কাছ থেকে এক পয়সাও নেয়নি। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোটা যেন তার স্বভাবেরই একটা অংশ।

এই সুন্দর স্বভাব আর চরিত্রের কারণেই মাতব্বর হাফিজুল ইসলামসহ গ্রামের অনেকেই হিমেলকে ভীষণ পছন্দ করে।

রাবেয়া বেগমের একটাই স্বপ্ন—ছেলেকে একদিন মস্ত বড় ডাক্তার বানাবেন। অভাবের সংসারে কত কষ্টই না করতে হয় তাঁকে, তবু ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভাবলে সেই কষ্টগুলো যেন কিছুই মনে হয় না।

আর হিমেলও মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চায়। সংসারের সব কাজকর্ম শেষ করে যতটুকু সময় পায়, মন দিয়ে পড়াশোনা করে।

মায়ের বাধ্য সন্তান হিমেল কখনোই তাঁর মতের বাইরে যায়নি। দরিদ্রতা কী জিনিস, তা সে শুধু বইয়ে পড়েনি—নিজের চোখে দেখেছে, এখনো প্রতিদিন দেখছে। তাই মায়ের কষ্টটাও সে খুব ভালো করেই বোঝে।

একজন সন্তানের জীবনে মা-বাবার জায়গাটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটাও হিমেল ছোট বয়সেই বুঝে গেছে। যখন তার বয়স মাত্র ছয় বছর, তখন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তার বাবা, আলতাফ সিকদার।

বাবাকে হারানোর পর মায়ের কষ্টটা যেন আরও বেড়ে যায়। এত ছোট বয়সেই মাকে দিনের পর দিন পরিশ্রম করতে দেখে হিমেলের অনেক কষ্ট হয়। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি সেও মাকে সাহায্য করার চেষ্টা করে।

কখনো গ্রামের অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করে, আবার সময় পেলেই মাছ ধরতে চলে যায় বিলে। নিজের হাতে কিছুটা আয় করতে পারলে মায়ের কষ্টটা হয়তো একটু কমবে—এই চিন্তাটাই সবসময় তার মনে ঘুরপাক খায়।

হিমেলকে চাষ করার জন্য জমিটা অবশ্য গ্রামের মাতব্বর হাফিজুল ইসলামই দিয়েছে।

লোকটা ভীষণ ভালো মনের। গ্রামের কোনো মানুষ অভাব-অনটনে পড়লে নিজের সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করার চেষ্টা করেন। আর হিমেলকে তিনি অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই স্নেহ করেন।

এই যেমন, হিমেলের স্কুলে যাতায়াতের কষ্টের কথা ভেবে তিনিই তাকে একটি সাইকেল কিনে দিয়েছেন।

হিমেল যে স্কুলে পড়ে, সেটি বকুলতলী গ্রাম থেকে প্রায় এক ক্রোশ দূরে। প্রতিদিন হেঁটে যাতায়াত করা বেশ কষ্টকর। তার ওপর গ্রামের রাস্তা মানেই উঁচু-নিচু কাঁচা পথ; বৃষ্টি হলে সেই পথ কাদায় একেবারে পিচ্ছিল হয়ে যায়।

তবে এখন সাইকেল থাকায় হিমেলের যাতায়াতটা কিছুটা সহজ হয়েছে।

আর এই একই স্কুলে পড়ে মাতব্বর হাফিজুল ইসলামের একমাত্র আদরের মেয়ে—ছোঁয়া ইসলাম। ছোঁয়া এবার নবম শ্রেণিতে উঠেছে।

ছোঁয়াও হিমেলের সঙ্গে একই স্কুলে পড়াশোনা করে। হিমেলের ভালো স্বভাব, দায়িত্ববোধ আর মানুষের প্রতি তার আন্তরিকতা হাফিজুল ইসলামের মন জয় করে নিয়েছে। তাই নিজের একমাত্র আদরের মেয়েকে হিমেলের সঙ্গেই স্কুলে পাঠাতে তাঁর কোনো আপত্তি নেই।

হাফিজুল ইসলামের সবচেয়ে বড় ভালোবাসার জায়গা তার মেয়ে ছোঁয়া।

হিমেল প্রতিদিন সাইকেলে করে ছোঁয়াকে স্কুলে নিয়ে যায়, আবার ছুটির পর সঙ্গে করেই বাড়ি ফিরিয়ে আনে। ছোঁয়ার বসতে যেন কোনো অসুবিধা না হয়, সেজন্য হিমেল নিজের হাতে সাইকেলের পেছনে কাঠ দিয়ে ছোট্ট একটি বসার জায়গাও বানিয়ে নিয়েছে।

হাফিজুল ইসলামের টাকা-পয়সার কোনো অভাব নেই। রাজধানী শহরেও তাঁর ব্যবসা রয়েছে। সেই ব্যবসার দেখাশোনা করেন তাঁর ছোট দুই ভাই জহিরুল ইসলাম ও নূরুল ইসলাম।
_

হিমেল দেখতে বেশ সুদর্শন। বলিষ্ঠ গড়নের শরীর, গায়ের রং বেশ ফর্সা। মুখের সঙ্গে মানানসই খাড়া নাক। চোখ দুটো ধারালো, ধূসর-বাদামি রঙের। হাত-পাগুলোও বেশ লম্বা। ক্লাস টেনে পড়লেও ছেলেটার উচ্চতা প্রায় ছয় ফুট।

মাথার চুলগুলো ঘাড় ছুঁই ছুঁই। মুখে হালকা চাপ দাড়ি, আর ঠোঁটের কোণে সবসময় লেগে থাকে মিষ্টি একটা হাসি।

পকেট সেলাই করা সাদা শার্ট আর নেভি ব্লু রঙের প্যান্ট পরে সাইকেল নিয়ে ঝাঁকড়া তেঁতুল গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে আছে হিমেল। প্রতিদিনের মতো আজও সে অপেক্ষা করছে ছোঁয়ার জন্য।

ছোঁয়াকে প্রতিদিন স্কুলে নিয়ে যাওয়া-আসা করতে হিমেলের বেশ ভালোই লাগে। মেয়েটাকে তার ভীষণ ভালো মনে হয়। মনে কোনো অহংকার নেই। এত বড়লোকের মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও তার সঙ্গে কত সহজেই কথা বলে, কত ভালো ব্যবহার করে! অল্পতেই সবার সঙ্গে মিশে যায়। তার ওপর ভীষণ চঞ্চল একটা মেয়ে।

তেঁতুল গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে মুখ তুলে চোখ বন্ধ করে এসবই ভাবছিল হিমেল।

হঠাৎ চেনা অথচ মিষ্টি একটা ডাক কানে আসতেই চোখ মেলে তাকাল সে। সামনে ছোঁয়া দাঁড়িয়ে আছে।

—হিমেল ভাই, আজক্য মেলা দেরি হইয়্যা গেলো। চলো তাড়াতাড়ি স্কুলে যাই। না হইল্যে ক্লাশ পামু না।

হিমেল তাকিয়ে দেখল, প্রতিদিনের মতো আজও কালো বোরকা, হিজাব আর নিকাব পরে এসেছে ছোঁয়া।

হিমেল এখনো জানে না, ছোঁয়াকে দেখতে আসলে কেমন। জানবেই বা কী করে! মেয়েটা যে ভীষণ পরহেজগার। তার চেহারা হাতে গোনা কয়েকজন মাহরাম পুরুষ ছাড়া আর কেউ দেখেনি।

তবে হিমেল ছোঁয়ার সেই আকাশ-নীল, অদ্ভুত সুন্দর চোখ দুটো দেখেছে। আর দেখেছে তার দুধে-আলতা রঙের হাত-পা।

ছোঁয়ার মতো এমন অদ্ভুত সুন্দর চোখ সে আগে কখনো দেখেনি।
এই গ্রাম তো দূরের কথা, আশপাশের কোনো গ্রামেও হয়তো এমন চোখের অধিকারী আর একটাও মেয়ে নাই।

মাঝেমধ্যে হিমেল ভাবে, একটা মেয়ের চোখ যদি এতটা সুন্দর হয়, তাহলে না জানি মেয়েটা দেখতে কত সুন্দর!

তবে নিজের চোখে ছোঁয়াকে কখনো না দেখলেও তার মায়ের মুখে শুনেছে—ছোঁয়ার মতো ভুবনমোহিনী সুন্দরী মেয়ে নাকি বকুলতলী গ্রামের তল্লাটে আর একটাও নেই।

—কি ভাবতাছো হিমেল ভাই? স্কুলে যাইবা না?

ছোঁয়ার কণ্ঠ কানে আসতেই হিমেল হকচকিয়ে উঠল। তড়িঘড়ি করে ছোঁয়ার দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে নিয়ে বলল,

—হ, যামু তো। উইঠা বহো।

ছোঁয়াকে পেছনে বসিয়ে হিমেল সাইকেল চালিয়ে স্কুলের দিকে রওনা হলো। আজ অনেক দেরি হয়ে গেছে। তাই পথে আর তাদের মধ্যে কোনো কথা হলো না।

চলবে.............।
শিমলা সিমু।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন