ভোর সকালে অ্যালার্মের ককর্শ শব্দে মেহরীন ঘুম ভাঙ্গে ঘুম থেকে উঠে এলার্ম বন্ধ করে দিয়ে তার ঘরের জানালা খুলে দিলে তখন মৃদ বাতাস প্রবেশ করে মেহেরিনের গায়ে লাগলে তার মন প্রশান্তিতে ভরে যায় সে ফ্রেশ হয়ে এসে নামাজ আদায় করে পড়তে বসে মেহরিন ভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশুনা করে তার মা ও অহনা চৌধুরী এবং তার বাবা আশরাফুল চৌধুরী তিনি একজন বিজনেসম্যান তার একমাত্র মেয়ে ও ছেলে ছেলে আরিফ চৌধুরি আরিফের এর দুই মাস হবে পড়াশুনা শেষ এখন সে তার বাবার বিজনেস দেখাশোনা করে। আর মেয়ে মেহরিন চৌধুরী। ছোট কর্তা আরাফাত চৌধুরী তিনি অফিস এর ম্যানেজার তার কর্তী নৌরিন চৌধুরী তার এক ছেলে এক মেয়ে ছেলের রোমান চৌধুরী সে নবম শ্রেণীতে পড়াশোনা করে মেয়ে রুহি চৌধুরি সে ভার্সিটির প্রথম বর্ষে পড়াশুনা করে। তাদের পরিবার খুবই ভালো। সবাই একসাথে মিলে মিশে থাকে। একজন আঘাত পেলে মনে হয় অন্যজন আঘাত পেয়েছে। ৮:৫০ এ নিচ থেকে ডাক পরল মেহরীন মা খেতে আয়। মেহরীন বলল আসছি মা। নিচে গিয়ে দেখে সবাই খাবার টেবিলে এসে পরেছে। রুহির দিকে তাকাতে রুহি মুচকি হাসি দেয় মেহরীন ও তার বদলে মুচকি হাসি উপহার দেয়। মেহরীনের মা বললেন আয় বস আমি নাস্তা বেড়ে দিচ্ছি। মেহরীন গিয়ে নাস্তা করতে লাগল অহনা চৌধুরী রুঅঅহিকে বললেন তোর কিছু লাগবে রহি বলল না মামুনি লাগলে বলব নে। তিনি জার জেটা লাগবে কি না জিজ্ঞেস করলে ন সবাই বলল লাগলে বলবনে। মেহরীনের আব্বু বললেন তিনজনের উদ্দেশে্য তুমাদের দিন কিভাবে কাটছে মা পড়াশুনা কিরকম কাটছে? তিনজনি বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো। মেহরীন রুহির উদ্দেশ্যে বলল আজ কি তুই ভার্সিটিতে যাবি না? রুহি বলল য়য়াব আপু তুমি কি নতুমি কি যাবে? হ্যা মেহরীন বলল রুমান তুই কি আমাদের সাথে আজ যাবি রুমান বলল ঠিক আছে আপ্পি। মেহরীন রুহি রেডি হয়ে আসলে একসাথে বেড়িয়ে পরে এসে গাড়ির ড্রাইবার কে দেখতে পায় না। তখনি দেখতে পায় আরিফ গাড়ির চাবি আঙুলে ঘুরাতে ঘুরাতে এগিয়ে তাদের দিকে আসছে। মেহরীন বলল ভাইয়া তুমি আমাদের নিয়ে যাবে ভার্সিটিতে আরিফ বলল হ্যাঁরে আজকে গাড়ির ড্রাইবারের ছুটি মেহরীন বলল অহ।আরিফ রুহির দিকে একপলক তাকিয়ে বলল তোরা গাড়িতে উঠ তারা তিনজন গিয়ে গাড়িতে উঠে বসলে আরিফ গাড়ি স্টার্ট দেয়। গাড়িতে পিনপিন নিরবতা। আরিফ তাদের সবার সাথে খুবই ফ্রেন্ডলি এবং বাড়ির সবার কাছে ও। তার ভাই বোনেরা জা কিছু আবদার করে সে নিয়ে আয় এবং সে নিজে ও প্রতিদিন এটা সেটা আনে। কয়েক সেকেন্ড পরে পরে আরিফ গাড়ির আয়নার দিকে তাকায় আয়নায় স্পষ্ট রুহিকে দেখা যাচ্ছে । রোমানের স্কুল একইদিকে তাই রোমানকে নামিয়ে দিয়ে আরিফ সাবধানে বাড়িতে যাস রোমান বলল ঠি ক আছে ভাইয়া। ভার্সিটির সামনে আসিলে আরিফ তাদের নামিয়ে দিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।তারা তাদের ক্লাসে চলে যায়। মেহরীন ক্লাসে গিয়ে তার দুই বান্ধবী কে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞেস করে কেমন আছিস তোরা দুজনি একসাথে উত্তর দিল আলহামদুলিল্লাহ ভালো তুই কেমন আছিস আলহামদুলিল্লাহ ভালো। তার দুই বান্ধবীর নাম রোজ, মারিয়া তারা তিনজন খুবই ভালো ফ্রেন্ড। ঘড়ির কাটা ঘুরতে ঘুরতে ১২টা হয়ে জায়।
চৌধুরী বাড়িতে আনন্দের সুরগল উঠল কারণ আজ তাদের একমাত্র বোন রাইমা খান ও বোন জামাই রিফাত খান ও তাদের একমাত্র ছেলে ' আরিয়ান খান' ও তাদের একমাত্র মেয়ে রুমি এসেছে তারা ১০বছর পর কানাডা থেকে বাংলাদেশে পা রেখেছে আরিয়ান পড়াশুনা শেষ করেছে ৬মাস হবে সে একজন বড় নামকরা ডাক্তার। তার বাবার একটা বিজন্যাস আছে এবং মা ও একজন কানাডার ভার্সিটির আদর্শ শিক্ষক। আজ তারা হঠাৎ চৌধুরী বাড়ি এসেছে। আসসালামু আলাইকুম আন্টি কেমন আছেন আপনারা? অহনা চৌধুরী বললেন আলহামদুলল্লাহ ভালো তুমি কেমন আছো বাবা আরিয়ান বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো।অহনা বলল আমাদের আগে জানাবেনা তোমরা আসবে আরিয়ান বলল জানালে কি আর সারপ্রাইজ পেতে তাদের কথা শুনে সকলে হাসল। একে একে সবার সাথে কথা বলা হলো এবং তাদের কে নাস্তা এনে দেওয়া হলো। বাকি মানুষ রা কাজে তারা আসলে সারপ্রাইজ হয়ে যাবে।বাড়ির সবাই আনন্দে মেতে উঠেছে।১:২০ মেহরীন তার বান্ধবীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রুহি কে দেখে বলল চলে জাবি এখন রুহি বলল হ্যাঁ আপু চল একসাথে যাই বাড়ির সামনে গিয়ে দেখে বাড়িতে হাসির শব্দ রুহি বলল কি রে আপ্পি বাড়িতে কে এসেছে মেহরীন বলল কী জানি? বাড়ির ভিতরে গিয়ে দেখে তো তারা অবাকের সপ্তম পর্যায়ে তারা ফুপ্পিকে দেখে খুব খুশি মেহরীন বলল আসসালামু আলাইকুম ফুপ্পি কেমন আছো? রাইমা খান তাদের দেখে খুব খুশি হয়ে গেলেন মাথায় হাত দিয়ে বললেন আলহামদুলিল্লাহ ভালো তুমি কেমন আছো মা? মেহরীন বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো। মেহরীন ও রুহি তার ফুপা ফুপ্পি দের সাথে কথা বলে উপরে চলে গেল। মেহরীন খেয়াল ই করল না তাকে যে একজন পর্যবেক্ষণ করছে ও ঠোঁটে মৃদ হাসির রেখা।উপরে গিয়ে দুইজন ফ্রেশ হলো এ রি মধ্যে রোমান বাড়িতে আসে সে তো পুরোই শকড সে খুশি হয়ে সবাইকে সালাম করে কথা বলল। তখন আরিয়ান ফ্রেশ হয়ে নিচে নেমে আসে তখনি রোমান তাকে জাড়িয়ে ধরে বলল আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া কেমন আছো? আলহামদুলিল্লাহ ভালো তুই কেমন আছিস রোমান? আলুহামদুলিল্লাহ ভালো।সে ও জায় ফ্রেশ হতে। সবাই আরিয়ানদের সাথে কথা বলত শুধু মেহরীন বাদে তাই সবাই আরিয়ানকে চিনে। আরিয়ানের এ নিয়ে খারাপ ও লেগেছে।মেহরীন যখন তার ঘর থেকে বেড় হয়ে আসে তখনি তার সামনে আরিয়ানে দেখা পায় তার হৃদয় ধুক ধুক করতেছে সে এটা নিজে ও জানে না কেন হচ্ছে আরিয়ান দেখতে হলদে ফর্সা গোলাপি ঠোঁট কালো টিশার্ট ও কালো ট্রাউজার পরনে। মেহরীনকে দেখে আরিয়ান নিজে ও যেন হৃদয় থমকে গেল।দেখতে উজ্জ্বল শ্যামলা কালো টু পিস চুল গুলো ভেজা কোমর পর্যন্ত কি স্নিগ্ধ লাগছে আরিয়ান ঢোক গিলল মেহরীন চোখ, সরিয়ে নিজেকে সামলে বলল আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া কেমন আছেন?আরিয়ানের ভাইয়া ডাকায় রাগ উঠলে ও নিজেকে সামলে বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো তুমি কেমন আছো? মেহরীন বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো।তারপর দ্রুত পাশ কাটিয়ে চলে গেল মেহরীন তখনি সামনে রুমি আসলো রুমি সালাম করল বলল কেমন আছো ভাইয়া আরিয়ান বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো তুই কেমন আছিস?মৃদ হেসে বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো।
পর্ব 1
পর্ব সম্পন্ন!
আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।
আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?
প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
Google Play থেকে অ্যাপ নামান