নিচে গিয়ে আরিয়ান দেখে রুমিকে মেহরীন জড়িয়ে ধরে তার মার সাথে হেসে কথা বলছে। মেহরীনের হাসি দেখে আরিয়ান ত পুরো ঘায়েল হয়ে যায় । আরিয়ান মনে মনে বলে তুমি এমন কেন পাখি সবসময় আমাকে ঘায়েল করে দাও তুমি এত মায়াবী
কেন তুমি ত যান না তুমার হাসিতে আমি খুন হয়ে জাই,তখনি মেহরীন সিড়ির দিকে তাকালো আরিয়ান সেখানে দাঁড়িয়ে মেহরীনের দিকে তাকিয়েছিল তাই তাদের চোখাচোখি হয়ে জায়।রুমির আম্মু বললেন খেতে এসো আরিয়ান অহনা বললেন আরিয়ানের মাকে এসো আপু খেতে আসো একে একে সবাই খাবার টেবিলে আসলো রুহির মা বললেন এই মেহরীন খেতে আয় সাথে আরিয়ানের আম্মু ও বললেন আসো মেহরীন সবাই একসাথে ডিনার করি আসো এইখানে বসো। মেহরীনের চোখ যায় চেয়ারের দিকে সেখানে একটি চেয়ার ফাঁকা তা ও আবার আরিয়ানের পাশের চেয়ার মেহরীনের ইচ্ছা না থাকার শর্তে ও গিয়ে আরিয়ানে পাশের চেয়ারে বসে খাবার। খেতে লাগল আরিয়ান তার মা বাবার দিকে তাকায় তার মা বাবা মৃদ হাসি দিলেন আরিয়ান ও রহস্যময় হাসি দিল। খাবার খে তে বসে তার বার বার হাত পা কাঁপতেছে। সে আরচোখে আরিয়ানের দিকে তাকায় আরিয়ান মাথা নিচু করে খাবার খাচ্ছে সবার খাবার খাওয়া শেষে সবাই গল্পের ঝুড়ি নিয়ে বসল মেহরীন খাবার খেয়ে তার ঘর যেতে চেয়েছিল কিন্তু রুহি ও রুমি তাকে আটকে রেখেছে বলেছে আপু তুমি আমাদের সাথে গল্প কর তুমি এইখানে বসো তার বাধ্য হয়ে এখানে বসে থাকতে হয়েছে মেহরীন নিজে ও নিজ ইচ্ছায় বসে গল্প করবে অবশ্যই কিন্তু তার আরিয়ানকে দেখে কেন যেন তার বুক ধুক ধুক করতেছিল তাই সে নিজের ঘরে চলে যেতে চাইছিল। আরিয়ানকে ও তার মাকে একটার পর একটা প্রশ্ন করছিলেন বিদেশে দিন কেমন কাটছিল?বিদেশের পড়াশুনা কেমন ছিল আরিয়ান আড়চোখে মেহরীন কে দেখছিল মেহরীন ও আড়চোখে আরিয়ানকে দেখছিল এরিমধ্যে রুমান রুমির দিকে কয়েক সেকেন্ড পর পর তাকায় রুমি রুমানের দিকে একবার তাকিয়েছিল। গল্প করতে করতে করতে ৩:৩০হয়ে গেছে তখনি বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলেন আসরাফুল চৌধুরী, আরাফাত চৌধুরী, বাড়ির বড় ছেলে আরিফ চৌধুরী তারা যখন শুনছিলেন তাদের বোন এসেছে আরিফ যখন শুনছে তার ফুপ্পি ফুপা,বড় ভাই বোন এসেছে তখন তারা এগুলো শুনে অনেক খুশি হয়েছেন তাই তারা শুধু গুরুত্বপূর্ণ মিটিং শেষ করে চলে এসেছে। আরিয়ানের আম্মু বললেন আসসালামু আলাইকুম ভাইজান আপনারা কেমন আছেন? কতদিন পর তারা তাদের বোনকে দেখছে খুশিতে চোখ ভিজে উঠল তিনি উত্তর দিলেন আলহামদুলিল্লাহ ভালো তুই কেমন আছিস বোন বোন ডাক শুনে আরিয়ানের আম্মু কান্না করে দিলেন কতবছর পর ভাইদের দেখছেন তিনি বললেন আলহামদুলিল্লাহ ভালো। আরিয়ান বলল আসসালামু আলাইকুম মামা কেমন আছো? আলহামদুলিল্লাহ ভালো তুই কেমন আছিস বাবা? আরিয়ান বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো। আরাফাত চৌধুরি বললেন কত বড় হয়ে গেছ। আরিফ বলল আসসালামু আলাইকুম ফুপ্পি কেমন আছো? তিনি বললেন আলহামদুলিল্লাহ ভালো। তুই কেমন আছিস বাবা ?আরিফ বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো। তারপর আরিয়ানকে জড়িয়ে ধরে বলল কেমন আছো ভাইয়া? আলহামদুলিল্লাহ ভালো। তারপর তারা ফ্রেশ হতে নিজ নিজ ঘরে চলে যায় আহনা চৌধুরী বললেন আরিয়ান ঘরে যাও গিয়ে বিশ্রাম নাও রুমি ও আরিয়ানের আম্মুকে ও বললেন তাদের বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন লং জার্নি করে এসেছেন। রুমে গিয়ে আরিয়ান ভাবতে তাকে অবশেষে সে তার ভালোবাসার মানুষ পেয়ে যাবে এত অপেক্ষার পর। তখনি আরিফ রুমে নক করলো আরিয়ান বললো আয়।আরিফ এসে আরিয়ানের পাশে বসল বলল ভাইয়া অবশেষে অপেক্ষার ফল পাবে তুমি তুমার ভালোবাসার মানুষ নিজের করতে আর বেশি সময় নেই তারপর তুমি আমার বলে থামল আরিয়ান কপাল কুচকে বলল তারপর কী? আরিফ বলল ভাইয়া! আরিয়ান রহস্যময় হাসল সাথে আরিফ ও। আরিফ বলল লং জার্নি হয়েছে ভাইয়া এখন ঘুমাও ওকে। বলে চলে গেল ঘরে বসে মেহরীন ভাবছে আজ আমার সাথে এমন কেন হচ্ছে
আরিয়ান ভাইয়ের সামনে গেলে আমার এত ভয় হয় কেন? বুক ধক ধক করে কেন?নাকি প্রথম দেখছি তাই তাই হবে। আরিয়ান ভাইকে নিয়ে আমি ভাবতে চাই না তারপর কেন তিনি আমার ভাবনাতে আসেন। আমি আর ভাবতে চাই না বলে মেহরীন চোখ বন্ধ করল তারপর সে ঘুমিয়ে গেল।আরিয়ানের আব্বু বললেন মেহরীন মা খুবই ভালো একজন মেয়ে আরিয়ানের আম্মু ও সেটা বলেন এবং দুজনি বললেন আমার ছেলে হীরা পছন্দ করছে। আরাফাত চৌধুরী বললেন আরিয়ান কত বড় হয়ে গেছে বাইরের কালচারে থেকে কত ভালো মানুষ হয়ে উঠছে তারপর সবি বিশ্রাম নিয়ে ৫:৫০সবাই উঠছেন।
সন্ধ্যায় করিডোর দিয়ে মেহরীন যাচ্ছিল তখন আরিয়ান অ আসছিল তখন খেয়াল না করায় একে অপরের সাথে ধাক্কা লেগে জায় মেহরীন পরে যাচ্ছিল তখন রিয়ান মেহরীনের কোমর পেচিয়ে ধরে।মেহরীনের বুক ধক করে উঠল তার হাত পা কাপতেছে। সে একধ্যানে আরিয়ানের দিকে তাকিয়েছিল আরিয়ান ও তাকিয়েছিল হঠাৎ আরিয়ানের হুশ আসে আরিয়ান দেখল মেহরীন তার দিকে তাকিয়ে আছে আরিয়ান গলা খাকারি দিল তখন মেহরীনের হুশ আসে তারপর নিজেকে দ্রুত ছাড়িয়ে বলল সরি ভাইয়া তখনি আরিয়ান ধমকে উঠল Don't call me bhaiya মেহরীন বলল তাহলে কি বলব সে বলল আরিয়ান ডাকবে মেহরীন অবাক হয়ে বলল আপনি আমার বড় আমি আপনাকে কেন নাম ধরে ডাকবো? আরিয়ান দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে গম্ভির কন্ঠে বলল আরিয়ান ভাই ডেকো মেহরীন বলল ঠিক আছে। আরিয়ান নিজের ঘরে চলে গেল জেতে চেয়েছিলো নিচে। মেহরীন নিচে গিয়ে দেখে তার ফুপ্পি সোফাতে বসে আছেন আর গল্প করছেন তখনি মেহরীন গিয়ে তার ফুপ্পিকে জড়িয়ে ধরে বলল আহ্লাদি কন্ঠে ডাক দিল ফুপ্পি আরিয়ানের আম্মু বললেন কি হয়েছে মেহরীন সোনা মেহরীন বলল আমি তোমাকে অনেক মিস করেছি পাশ থেকে রুহি বলল আমি ও মিস করেছি ফুপ্পি তোমাকে। তিনি মৃদ হাসলেন বললেন তাই বুজি মেহরীন রুহির সাথে সবাই বলল আমরা সবাই তোমাকে অনেক মিস করেছি
পর্ব 2
পর্ব সম্পন্ন!
আপনি সফলভাবে পর্ব 2 শেষ করেছেন।
আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?
প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
Google Play থেকে অ্যাপ নামান