ফন্ট সাইজ:
থিম:
তুই আমার হার্টবিট

পর্ব 3

লেখক: রাইয়ানা

আধঘন্টা পর নৌরিন চৌধুরী তাদের রুমের দরজায় নক করে বললেন নিচে আয় আমি পকোড়া বানিয়েছি বলে নৌরিন আবার নিচে চলে গেলেন আরিয়ান ও আরিফ সিড়ি দিয়ে নিচে নেমে দেখে বাড়ির সবাই নিচে আসরাফুল চৌধুরী আরিয়ায়ান কে দেখে বললেন আরিয়ান এখানে এসে বসো সে বাধ্য ছেলের মতো সোফায় গিয়ে বসে পরে। আরিয়ানকে দেখে মেহরীন থমকে যায় তার বুক ধরফর করতে থাকে। আরিয়ান মেহরীনের দিকে থাকালো তখন মেহরীন তাকিয়ে ছিল তাদের চোখাচোখি হয় মেহরীন লজ্জা পেয়ে চোখ সরিয়ে,নেয় আরিয়ান মনে মনে রহস্যময় হাসি দেয়। আসরাফুল চৌধুরী বললেন আরিয়ান তুমার ডাক্তারি কেমন চলছে? আরিয়ান বলল আলহামদুলিল্লাহ ভালো চলছে আমি আমার কাজে সফল হয়েছি । আরাফাত চৌধুরী বললেন তাহলে তো আর আমাদের অন্য ডাক্তারদের কাছে যেতে হবে না আমি আমার আরিয়ানের কাছেই ডাক্তার দেখাবো। আরাফাত চৌধুরী বললেন শব্দ করে হেসে বললেন হ্যাঁ রাইমা বললেন হ্যাঁ ভাইয়া তুমি আমার ছেলের পেশেন্ট হয়ে অর হয়ে জাইও । মেহরীন তো পুরোই অবাক সে শুনে মনে মনে বললেন তিনি ডাক্তার হয়ে গেছেন তখন অহনা সবাইকে পকোরা এনে দিলেন খেরুমি খেয়ে বলল ছোট মামি তুমার হাতের পকোরা খুবি টেস্টি এর সাথে আরিয়ান ও বলল হুম।নৌরীন হেসে বললেন তাই বুঝি আরিয়ান বলল হ্যাঁ মামি। মেহরীন স্বরে রুহিকে বলল আমার খুব মাথা ব্যাথা করতেছে আমি রুমে যাচ্চি। অহনা মেহরীনকে বললেন কিরে মেহরীন চলে যাচ্ছিস কেন? পকোরা খাবি না? মেহরীন ছোট করে উত্তর দিল না মা মাথাব্যাথা করছে। মেহিরীনের মা বললেন কফি করে দেই মেহরীন বলল না মা লাগবে না আমি রুমে যাচ্ছি আমায় ডেকো না। অহনা বললেন ঠিক আছে। জেই না দুই তিন সিড়ি উঠছে অমনি পেছন থেকে শুনতে পায় আরাফাত বললেন আরিয়ান তো অনেক বড় হয়ে গেছ
বয়স ২৮হবে বিয়ে করবে কবে এটা শুনে তো মেহরীনের বুকের ভেতর চিন চিন ব্যাথা শুরু হয়ে গেল মেহরীন ভেবে পায় না তার একদিনে এমন কি হলো এটা শুনে তার এত কষ্ট হচ্ছে কেন?মেহরীন কোনো রকম উপরে গিয়ে দরজাটা লক করে নেয়।এসে ধরাম করে বিছানায় শুয়ে পরে তার হাত পা কাঁপছে সে নিজেকে বলছে কোনো ছেলেকে দেখে তো এমন হয়নি তাহলে আরিয়ান ভাইকে দেখে এমন কেন হচ্ছে আমার সাথে এই শব্দটা শুনে আমি কেন কষ্ট পাচ্ছি।আমার এরকম লাগছে কেন আমি কি প্রে না না তওবা তওবা সে নিজেই নিজেকে বলে প্রথম প্রথম তো তাই মনে হয় এরকম লাগছে তারপর ঠিক হয়ে যাবে।ঘড়ির টাইম দেখল ৬:৩০মেহরীন পড়তে বসল। পড়তে তার মন বসছে না সে জোড় করে নিজেকে পড়ার মধ্যে ডুবিয়ে রেখেছে। নিচে ত রাইমা খান ও দুই কর্তী গল্প করছেন আরিফ, আরিয়ান ও বাড়ির দুই কর্তা গল্প করছেন বাড়ির রহি, রুমান পড়তে গেছে রুমি রুহির সাথে।আগের যে আরাফাত একটি প্রশ্ন করছিলেন এই প্রশ্নে আরিফ কাশতে কাশতে শেষ আরিয়ান তার দিকে চোখ গরম করে থাকায়। উত্তরে আরিয়ান বলল সময় হোক বিয়ে করবো আরিয়ান রহস্যময় হাসি দিল রাইমা খান রিফাত খান মুচকি হাসলেন। আরাফাত আর কোনো প্রশ্ন করলেন না এ বিষয়ে। ঘড়ির টাইম ঘুরতে ঘুরতে ৮:৫০হয়ে যায় রুহি ও রুমি তখন মেহরীনের রুমে নক করল রুহি বলল আপ্পি আমরা কি তুমার রুমে আসতে পারি মেহরীন দরজা খুলে দিয়ে বলল আয়। তারপর তারা রুমে ডুকে গেল গিয়ে গল্প করল হাসতে আসতে তো একজন আরেকজনের কোলে পড়ে গিয়ে ছিল 🙃 আরিফ আরিয়ান একসাথে বসেছিল আরিফ বলল চলো ভাই আজকে আমরা একটু ফ্রি ফায়ার খেলি। আরিয়ান বলল ফ্রি ফায়ার খেলবি ঠিক আছে চল শুরু করি ফ্রি ফায়ার খেলতে গিয়ে তারা যেন পুরোই বাচ্চা হয়ে গেল একে অপরকে বলতে লাগল মার মার না না না মার মার একটুর জন্য বেচে গেলাম 🙂।অনদিকে কিছুক্ষণ পর রুমান দরকায় নক করলো বলল আপু আমি আসতে পারি। মেহরীন বলল আয়। তখনি রুহি বলল কি রে আধপাগল পড়া শেষ তখনি রিমু মেহরীন হেসে উঠে।তখন রুমান রেগে 😡বলে তুমি ত পুরোই পাগল রুহি বলে কীহহ 😡 দুজনের ঝগড়া লেগে গেছে তখনি মেহরীন ধমক দিয়ে বলে এই তোরা থামবি তারা দুজন থেমে যায় রুমি তো হাসতে হাসতে শেষ 🤣 নিজের হাসি দমিয়ে রাখে। এই রুমি বাইরের দেশ কেমন কেটেছে তুমার? রুমি বলল ভালো তুমরা যদি সেখানে থাকতে আমার কত ভালো লাগত আমি একা বাসাত থাকি। আমরা তো তুমার সাথে কথা বলি যদি জাওয়া যেতো তাহলে তো আমরা তুমার কাছে চলে যেতাম। রুহি বলল তুমার ভাইয়া যখন একটা বিয়ে করবে তখন তুমার ভাবি থাকবে কিছুটা বরিং হবে না তাই না রুমি'রুমি মেহরীনের দিকে তাকিয়ে রহস্যময় হেসে বলল হুম। রুমান তো রুমির দিকে তাকিয়ে আছে রুমি যখন তার দিকে তাকালো তাদের চোখাচোখি হয়ে জায় রুমান দ্রুত চোখ সরিয়ে আনে।আর একদিকে রুমি যে কথা বলছিল এটা শুনে মেহরীনের বুক ধক করে উঠে। তারা বলতেই পারে না কথা বলতে বলতে ঘড়ি ১০টা হয়ে গেছে নিচ। থেকে ডাক আসে মেহরীন তাদের নিয়ে খেতে আয়। মেহরীন তাদের নিয়ে দ্রুত চলে আসে।রাইমা খান মেহরীন ডেকে বললেন আরিয়ান গিয়ে বলবে খাবার খেতে আসবে মেহরীনের গলা শুকিয়ে কাট হয়ে গেল সে বাধ্য হয়ে গেল উপরের রুমে গিয়ে নক করলো আরিফ বললো এসো। মেহরীন রুমে গিয়ে সোজা চোখ যায় আরিয়ানের দিকে সে দ্রুত চোখ সরিয়ে বলল ভাইয়া তোমরা খেতে আসো। আরিয়ানের মুখ গম্ভির। আরিয়ান বলল ঠিক আছে আসছি মেহরীন তড়িঘড়ি বেরিয়ে গিয়ে রুহির পাশের চেয়ারে বসে পড়ল। আরিফ ও আরিয়ান লাস্টে আসলো আরিয়ান দোখে মেহরীন রুহির পাশে বসে খাবার খাচ্ছে। মেহরীনের দিকে তাকিয়ে আরিয়ান ঠোঁট কামরে হাসল। সবার খাওয়া শেষে কিছুক্ষণ কথা বলেন মেহরীন খেয়েই উপরে চলে গেছে এটা অবশ্য আরিয়ান খেয়াল করছে। ১০:৪০সবাই সবার ঘরে চলে গেলেন এদিকে আরিয়ান ঘরে এসে ১০মিনিট পর হাতে কিছু নিয়ে মেহরীনের ঘরের দিকে হাঁটা দিল

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 3 শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন