#প্রেম আমার
#পর্ব – ১৯
টিফিনের ঘণ্টাধ্বনি স্তব্ধ হয়েছে বেশ কিছুক্ষণ পূর্বেই। বিদ্যালয়ের দীর্ঘ করিডোরটি ক্রমশ জনশূন্য হয়ে পড়ছে। এদিক-ওদিক ছড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের কোলাহলও ধীরে ধীরে ক্ষীণ হয়ে এসেছে। দূরবর্তী জানালার ফাঁক গলে প্রবেশ করা অপরাহ্ণের রৌদ্ররেখা করিডোরের মেঝেতে দীর্ঘ ছায়ার অবয়ব এঁকে দিয়েছে।
নিজ শ্রেণিকক্ষের প্রবেশদ্বারের নিকট দাঁড়িয়ে ছিল ঈশিতা। হাতে ধরা বইটির পৃষ্ঠাগুলো অন্যমনস্কভাবে ওলটাচ্ছিল সে। অথচ তার দৃষ্টি বইয়ের অক্ষরগুলোর মধ্যে আবদ্ধ ছিল না; বরং অজ্ঞাত কোনো অপেক্ষা যেন তাকে বারবার করিডোরের অপর প্রান্তে দৃষ্টি নিক্ষেপ করতে বাধ্য করছিল।
অন্যদিকে দাঁড়িয়ে ছিল নীহাদ।
দুজনের শ্রেণিকক্ষ পৃথক হওয়ায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাদের সাক্ষাতের অবকাশ খুব একটা ঘটে না। তবুও আশ্চর্যজনকভাবে, অগণিত মুখের ভিড়েও একজন অপরজনকে খুঁজে নিতে কখনো ভুল করে না।
প্রথমে নীহাদের দৃষ্টিই গিয়ে স্থির হলো ঈশিতার ওপর।
অতঃপর ঈশিতাও তাকে দেখতে পেল।
চোখাচোখি হতেই মেয়েটির মধ্যে যেন আকস্মিক ব্যস্ততার সঞ্চার ঘটল। হাতে থাকা বইটি খুলে এমন নিবিষ্টচিত্তে পাঠে মনোনিবেশ করল, যেন সেই মুহূর্তে পৃথিবীর যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওই বইয়ের কয়েকটি পৃষ্ঠার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
নীহাদ মৃদু হাস্যরেখা ঠোঁটে ধারণ করে ধীর পায়ে তার নিকটবর্তী হলো।
—বইটা এত মনোযোগ দিয়ে পড়ছ?
ঈশিতা দৃষ্টিপাত না করেই উত্তর দিল,
—হুম।
—কী পড়ছ?
—জানি না।
নীহাদের অধরে এবার হাসির রেখাটি আরও প্রশস্ত হলো।
—জানো না, অথচ এমন নিবিষ্ট হয়ে পড়ছ?
ঈশিতা এবার মুখ তুলে তাকাল।
—আপনি কি আমাকে বিরক্ত করতেই এসেছেন?
—না।
—তাহলে?
কয়েক মুহূর্ত নীরব থেকে নীহাদ অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল,
—তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছিল।
কথাটি বলার সময় তার কণ্ঠে কোনো বিশেষ আবেগের আতিশয্য ছিল না। অথচ সামান্য কয়েকটি শব্দই ঈশিতার অন্তঃকরণে এক অদ্ভুত আলোড়নের সৃষ্টি করল।
সে লজ্জাবনত দৃষ্টিতে চোখ নামিয়ে নিল।
—এইসব কথা বিদ্যালয়ে এসে বলতে হয়?
—কেন? বিদ্যালয়ে এসে তোমাকে দেখতে পারব, অথচ মনের কথাটুকু বলতে পারব না?
ঈশিতা অধরযুগল সংকুচিত করে হাসি সংবরণের চেষ্টা করল।
—আপনি না...
—আমি কী?
—কিছু না।
নীহাদ সামান্য ঝুঁকে তার হাতে থাকা বইটির দিকে দৃষ্টিপাত করল।
—আজ আমাকে একবারও খুঁজছিলে?
ঈশিতা তৎক্ষণাৎ জবাব দিল,
—না।
—মিথ্যে বলছ।
—কেন?
—কারণ আমাকে দেখার পর থেকে অন্তত তিনবার চুল ঠিক করেছ।
কথাটি শুনে ঈশিতা বিস্মিত দৃষ্টিতে নিজের চুলের দিকে তাকাল।
—আপনি এসবও খেয়াল করেন?
নীহাদের কণ্ঠে এবার একপ্রকার স্নিগ্ধ দৃঢ়তা ফুটে উঠল।
—তোমার ব্যাপারে অনেক কিছুই খেয়াল করি, মেহু জান।
কথাটির প্রত্যুত্তরে ঈশিতা আর কিছু বলল না। কেবল তার চোখের কোণে একটুকরো প্রশান্ত হাসি ফুটে উঠল।
ঠিক সেই সময় শ্রেণিকক্ষের অভ্যন্তর থেকে সাদিয়ার কণ্ঠ ভেসে এল।
—ঈশিতা! স্যার আসছেন!
ঈশিতা চমকে উঠল।
—আমাকে যেতে হবে।
—হুম।
দু-পা অগ্রসর হয়েও সে পুনরায় পেছন ফিরে তাকাল। নীহাদ তখনও সেখানেই দাঁড়িয়ে। তার দৃষ্টিতে অদ্ভুত এক মুগ্ধতা।
বিদায়ের পূর্বে নীহাদ ঈশিতার হাতটি আলতো করে ধরে কয়েক মুহূর্ত নিজের কাছে রাখল। তার চোখের ভাষায় যেন অপ্রকাশিত অসংখ্য কথার সমাবেশ।
ঈশিতা মৃদু স্বরে বলল,
—ছাড়ুন আমাকে।
নীহাদ মৃদু হেসে প্রশ্ন করল,
—ছাড়ব কেন?
—আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে, ছাড়ুন বলছি।
—আচ্ছা, ছেড়ে দিলাম। তবে মনে রেখো, তোমার সঙ্গে আমার কথা এখনো শেষ হয়নি।
ঈশিতা মাথা অবনত করে শ্রেণিকক্ষের অভিমুখে পা বাড়াল।
দরজাটি অতিক্রম করার পূর্বে শেষবারের মতো দুজনের দৃষ্টি পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হলো। কেউ কোনো বাক্য উচ্চারণ করল না। অথচ সেই স্বল্পস্থায়ী নীরবতার অন্তরালে যেন বহু অনুচ্চারিত অনুভূতি নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়ে গেল।
নীহাদ ধীর পদক্ষেপে নিজের শ্রেণিকক্ষের দিকে অগ্রসর হলো।
অন্যদিকে, ঈশিতা নিজের নির্ধারিত আসনে উপবিষ্ট হয়ে বইটি খুললেও তার মনোযোগ আর অক্ষরগুলোর মধ্যে আবদ্ধ রইল না। মনের গভীরে বারবার প্রতিধ্বনিত হতে লাগল একটি প্রশ্ন—
'আপনি মানুষটা এত আবেগপ্রবণ কেন, প্রেম পুরুষ?'
---
শ্রেণিকক্ষের পাঠ সমাপ্ত হতে আর খুব বেশি সময় অবশিষ্ট ছিল না। সাদিয়া ও রুহি ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ঘণ্টা পড়ামাত্রই তারা করিডোরে কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করবে।
হঠাৎ পরিচিত একটি কণ্ঠ ঈশিতার কর্ণগোচর হলো।
—মিসেস নীহাদ চৌধুরী!
সম্বোধনটি শুনে মুহূর্তের জন্য ঈশিতার সমস্ত মনোযোগ যেন অন্যত্র সরে গেল। সে দ্রুত মুখ তুলে তাকাল।
সামনেই দাঁড়িয়ে তার প্রাণাধিক প্রিয় মানুষটি।
তবে আজ তার কণ্ঠস্বরের ভঙ্গিতে ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মাধুর্য। সেই পরিচিত সম্বোধনটিও যেন আজ নতুন কোনো অর্থ নিয়ে তার কানে ধ্বনিত হলো।
'মিসেস নীহাদ চৌধুরী!'
আহা! কী অদ্ভুত মিষ্টি এক সম্বোধন!
ঈশিতার অধরে অনিচ্ছাসত্ত্বেও হাসির আভাস ফুটে উঠল।
---
বিকেলের আলো ক্রমশ ম্লান হয়ে আসছিল। অস্তগামী সূর্যের সোনালি আভা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের চারপাশে এক স্নিগ্ধ বিষণ্নতার আবরণ বিস্তার করেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের অদূরে দাঁড়িয়ে ছিল ঈশিতা, রুহি ও সাদিয়া। সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে তিন বান্ধবীর মধ্যে তখনো কথোপকথনের বিরাম ঘটেনি।
সাদিয়া কাঁধে ব্যাগটি যথাযথভাবে স্থাপন করে বলল,
—আজ কিন্তু বেশ ভালোই আড্ডা হলো।
রুহি মৃদু হেসে প্রত্যুত্তর দিল,
—তুই আড্ডা বলছিস? তুই তো পুরো ক্যাফেটাকেই মাথায় তুলে রেখেছিলি!
—আরে চুপ! আমি না থাকলে তোদের আড্ডা জমত?
ঈশিতা তাদের বাক্যালাপ শ্রবণ করে মৃদু হাসল।
—তোদের দুজনকে নিয়ে কোথাও বেরোলে শান্তি বলে কিছু থাকে না।
সাদিয়া তৎক্ষণাৎ চোখ সরু করে বলল,
—এই যে! তুই আবার নিজেকে খুব শান্ত ভাবিস?
ঈশিতা আর কোনো প্রত্যুত্তর দিল না। কেবল হাসিমুখে নিজের ব্যাগটি কাঁধে তুলে নিল।
ঠিক সেই মুহূর্তে কিছুটা দূরে ইশানের উপস্থিতি তাদের দৃষ্টিগোচর হলো। রাস্তার এক পাশে দাঁড়িয়ে সে মুঠোফোনে ব্যস্ত ছিল। ঈশিতাকে দেখতে পেয়ে ফোনটি পকেটস্থ করে দ্রুত তাদের দিকে এগিয়ে এল।
—চল, বাড়ি যাবি?
ঈশিতা সম্মতিসূচক মাথা নাড়ল।
—হ্যাঁ, ভাইয়া।
সাদিয়া ও রুহিও বিদায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিল।
সাদিয়া বলল,
—কাল দেখা হবে।
রুহি মৃদু হেসে যোগ করল,
—সাবধানে যাস।
ঈশিতা হাত নেড়ে তাদের বিদায় জানিয়ে ইশানের সঙ্গে বাড়ির পথ ধরল।
কিছুটা পথ অতিক্রম করার পর ইশান প্রশ্ন করল,
—আজ এত দেরি হলো কেন?
—আমরা একটু বসেছিলাম।
—কোথায়?
—ক্যাফেতে।
ইশান একবার বোনের মুখের দিকে তাকাল।
—খেয়েছিস তো?
ঈশিতা হেসে বলল,
—ভাইয়া, তুমি সবসময় খাবারের কথা জিজ্ঞেস করো কেন?
—কারণ তুই একটা পাগলি।
—আমি খেয়েছি।
—কী খেয়েছিস?
ঈশিতা সামান্য চিন্তা করে উত্তর দিল,
—স্যান্ডউইচ।
ইশান ভ্রুকুটি করে বলল,
—এটাও আবার কোনো পরিপূর্ণ খাবার হলো?
—হ্যাঁ, আমার কাছে তো খাবারই।
—বাড়ি গিয়ে ভালো করে কিছু খাবি।
ঈশিতা বিরক্তির ভান করে বলল,
—উফ্! তুমি না একেবারে মায়ের মতো কথা বলো!
ইশান হেসে উঠল।
—আমাকে মা বলছিস কেন?
—রাগ করেছি।
—কিসের রাগ?
—জানি না।
—বাহ! কারণটুকুও জানিস না, অথচ রাগ করে বসে আছিস!
এবার ঈশিতা নিজেও হেসে ফেলল।
দুজনের এমন খুনসুটির মাঝেই হঠাৎ ইশানের মুঠোফোনটি বেজে উঠল। পর্দায় ভেসে ওঠা নামটির প্রতি দৃষ্টিপাত করতেই তার পদক্ষেপ ক্ষণিকের জন্য মন্থর হয়ে এল।
রুহি!
ইশান মুহূর্তের জন্য স্থির হয়ে গেল। তবে পরক্ষণেই নিজেকে স্বাভাবিক রেখে ফোনটি গ্রহণ করল।
ঈশিতা কৌতূহলী দৃষ্টিতে তাকিয়ে প্রশ্ন করল,
—রুহি?
ইশান যথাসম্ভব স্বাভাবিক কণ্ঠে বলল,
—হ্যাঁ।
—ধরো না।
—এখন?
—হ্যাঁ, ধরো।
ইশান কলটি গ্রহণ করল।
ওপাশ থেকে রুহির পরিচিত কণ্ঠ ভেসে এল।
—আপনারা কি বাড়ি পৌঁছেছেন?
ইশান শান্ত স্বরে উত্তর দিল,
—না, এখনো পথে আছি। তুমি?
—আমি বাড়ি চলে এসেছি।
—ভালো। সাবধানে থেকো।
কথোপকথনটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ছিল। কয়েকটি সাধারণ বাক্যের পরই ইশান কলটি বিচ্ছিন্ন করে দিল।
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ঈশিতার অধরে তখন রহস্যময় এক হাসির রেখা।
ইশান ভ্রু কুঁচকে প্রশ্ন করল,
—কী?
—কিছু না।
—এভাবে হাসছিস কেন?
—এমনিই।
ইশান আর কোনো প্রশ্ন করল না। তবে তার মুখমণ্ডলে ফুটে ওঠা ক্ষীণ হাসির রেখাটি ঈশিতার দৃষ্টির আড়াল হলো না।
অন্যদিকে, মুঠোফোনটি নামিয়ে রুহিও কিছুক্ষণ নির্বাক হয়ে বসে রইল। ইশানের সঙ্গে সামান্য কয়েক মুহূর্তের কথোপকথনেই তার মনোজগতে অজ্ঞাত এক প্রশান্তির সঞ্চার ঘটেছে।
কেন এমন হয়, তার কোনো ব্যাখ্যা সে নিজেও খুঁজে পেল না।
কিছু অনুভূতি থাকে, যাদের অস্তিত্ব মানুষ নিজের কাছেও স্বীকার করতে দ্বিধাবোধ করে। হৃদয়ের গভীরে তারা নিঃশব্দে শিকড় বিস্তার করে, অথচ প্রকাশের দ্বারপ্রান্তে এসে বারবার থমকে দাঁড়ায়।
ইশান ও রুহির মধ্যকার সম্পর্কটিও যেন ক্রমশ তেমনই এক অনুচ্চারিত অধ্যায়ের দিকে এগিয়ে চলেছে।
---
বাড়ির সন্নিকটে পৌঁছানোর পর ঈশিতা হঠাৎ ইশানের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিল,
—ভাইয়া?
—হুম?
—তুমি কি আজ আমাকে নিতে আসতেই?
প্রশ্নটি শুনে ইশান সামান্য বিস্মিত হলো।
—কেন?
—এমনিই জিজ্ঞেস করলাম।
উল্লেখ্য, আজ ইশান বিদ্যালয়ে যায়নি। তবুও বোনকে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে নিজেই উপস্থিত হয়েছে।
ইশান কয়েক মুহূর্ত নীরব থেকে বলল,
—হ্যাঁ। তোকে একা ফিরতে দিতে ইচ্ছে করছিল না।
উত্তরটি শুনে ঈশিতা আর কোনো কথা বলল না। কেবল মুখে একটুকরো প্রশান্ত হাসি নিয়ে সামনের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করল।
কিছু সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশের জন্য দীর্ঘ বাক্যের প্রয়োজন হয় না। কখনো কখনো সামান্য একটি প্রশ্নের উত্তরে উচ্চারিত কয়েকটি শব্দই আপনজনের প্রতি জমে থাকা সমস্ত স্নেহের পরিচয় বহন করে।
বাড়ির প্রবেশদ্বারের সম্মুখে এসে ইশান বলল,
—চল, আগে হাত-মুখ ধুয়ে নে।
ঈশিতা বিরক্তির ভঙ্গিতে বলল,
—আবার শুরু!
—হ্যাঁ, আবার শুরু।
—তুমি না সত্যিই অসহ্য!
—জানি।
ঈশিতা হেসে বাড়ির অভ্যন্তরে প্রবেশ করল।
তার পেছনে দাঁড়িয়ে ইশান একবার দৃষ্টিপাত করল আকাশের দিকে। দিনের শেষ আলোটুকু তখন ধীরে ধীরে অস্তমিত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
দিনটি আপাতদৃষ্টিতে ছিল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনা ঘটেনি, কারও জীবনে নতুন কোনো অধ্যায়ের সূচনাও হয়নি।
অথচ এই স্বাভাবিকতার অন্তরালেই কিছু অনুভূতি নীরবে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়ে গেল।
কেউ তার নাম উচ্চারণ করল না, কেউ তাকে স্বীকার করার সাহসও সঞ্চয় করতে পারল না।
তবুও তারা রয়ে গেল—কখনো একজোড়া দৃষ্টির আড়ালে, কখনো কয়েকটি সাধারণ কথার অন্তরালে, আবার কখনো নিঃশব্দ অপেক্ষার গভীরে।
কারণ, জীবনের সমস্ত অনুভূতির প্রকাশ শব্দের মাধ্যমে ঘটে না। কিছু অনুভূতি কেবল হৃদয়ের গভীরতম প্রকোষ্ঠেই আজীবন অপ্রকাশিত থেকে যায়।
চলবে ইনশাল্লাহ
পর্ব -২০