নিষিদ্ধ প্রেমের রাজত্ব
লেখিকা: জান্নাত জাহান
তৃতীয় পর্ব — অচেনা মানুষ
জাপান | বিকেল ৪টা
ঘোড়ার খামার থেকে বেরিয়ে নিজের গাড়িতে বসেছে ইভেলিনা। আজকের বিকেলটা তার বেশ ভালোই কেটেছে। ঘোড়ায় চড়ার আনন্দটাই যেন তার কাছে পৃথিবীর সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দেওয়ার মতো।
গাড়ির জানালার পাশে বসে বাইরে তাকিয়ে আছে সে। বাতাসে তার দীর্ঘ সোনালি চুলগুলো হালকা দুলছে।
হঠাৎ ফোন বেজে উঠল।
স্ক্রিনে নাম ভেসে উঠল— Grandpa।
ইভেলিনা ফোন রিসিভ করল।
— Hello, Grandpa!
ওপাশ থেকে স্নেহমাখা কণ্ঠ ভেসে এল,
— কোথায় তুমি, আমার রাজকন্যা?
— আমি বাসায় ফিরছি। আজ ঘোড়ার সঙ্গে অনেকক্ষণ সময় কাটিয়েছি!
— আবার ঘোড়া! তুমি যে ঘোড়াটাকে আমার চেয়েও বেশি ভালোবাসো!
ইভেলিনা হেসে ফেলল।
— একদম না! তোমাকে সবার আগে ভালোবাসি।
— তাহলে তাড়াতাড়ি বাড়ি এসো। তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।
— Okay, Grandpa. See you soon!
ফোন রেখে আবার জানালার বাইরে তাকাল ইভেলিনা।
অন্যদিকে—
শহরের অন্য প্রান্তে একটি বিশাল বিলাসবহুল ভবনের ভেতরে চলছে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।
একটি বড় কনফারেন্স রুমের প্রধান চেয়ারে বসে আছে অ্যালিসিও ব্ল্যাকউড।
তার সামনে কয়েকটি ফাইল। পাশে দাঁড়িয়ে তার সহকর্মীরা।
একজন সহকর্মী বলল,
— স্যার, জাপানে আমাদের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অ্যালিসিও ফাইল থেকে চোখ না তুলেই বলল,
— ভালো। আমি কোনো ভুল চাই না।
— Don't worry, sir. Everything is under control.
অ্যালিসিও এবার চোখ তুলে তাকাল।
তার গাঢ় বাদামি চোখের দৃষ্টি এতটাই কঠিন যে সামনে দাঁড়ানো মানুষটিও আর কথা বাড়ানোর সাহস পেল না।
— I hope so.
কিছুক্ষণ পর বৈঠক শেষ হলো।
সবাই বেরিয়ে গেলেও অ্যালিসিও নিজের চেয়ারে বসে রইল। জানালার বাইরে তাকিয়ে একবার ঘড়ি দেখল।
তার কাছে প্রতিটি মিনিটের মূল্য আছে।
সন্ধ্যা ৬টা | ইভেলিনার বাড়ি
বিশাল সুন্দর একটি বাড়ি। বাড়ির সামনে ছোট্ট বাগান, নানা রঙের ফুল আর পাশে সাজানো গাছপালা।
গাড়ি এসে থামতেই ইভেলিনা নেমে পড়ল।
— I'm home!
ভেতর থেকে তার দাদুর কণ্ঠ ভেসে এল,
— Welcome back, sweetheart!
ইভেলিনা দাদুর কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরল।
— Grandpa, I'm so hungry!
দাদু হেসে বললেন,
— আগে হাত-মুখ ধুয়ে এসো। তারপর একসঙ্গে খাব।
ইভেলিনা মাথা নাড়ল।
কিন্তু সিঁড়ি দিয়ে ওপরে যাওয়ার আগে হঠাৎ থেমে দাদুকে বলল,
— Grandpa, আজ একটা অদ্ভুত হেলিকপ্টার দেখেছি।
— হেলিকপ্টার?
— হ্যাঁ! আমাদের ঘোড়ার মাঠের পাশের মাঠে নেমেছিল। কয়েকজন কালো পোশাকের মানুষও ছিল।
দাদু স্বাভাবিকভাবেই বললেন,
— হয়তো কোনো গুরুত্বপূর্ণ অতিথি এসেছিলেন।
ইভেলিনা কাঁধ ঝাঁকাল।
— হতে পারে!
এরপর সে নিজের ঘরের দিকে চলে গেল।
তার কাছে ঘটনাটি ছিল একেবারেই সাধারণ।
কিন্তু সেই বিকেলে যে মানুষটি দূর থেকে তার দিকে প্রখর দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল, তার সঙ্গে আবার দেখা হবে কি না—তা তখনও সে জানত না।
অন্যদিকে—
অ্যালিসিও নিজের হোটেলের বিশাল কাচের জানালার সামনে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছে।
— আগামীকাল সকালেই কাজ শুরু হবে।
ওপাশ থেকে উত্তর এল,
— Yes, sir.
অ্যালিসিও ফোন কেটে টেবিলের ওপর রেখে দিল।
তার চোখে তখনও সেই পরিচিত কঠোরতা।
জাপানে সে এসেছে নিজের কাজের জন্য।
অন্য কিছু নিয়ে ভাবার সময় তার নেই।
দৃশ্য ১: বিশ্ববিদ্যালয়, সকাল ১০টা
জাপানের একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়। চারদিকে শিক্ষার্থীদের ব্যস্ততা। কেউ ক্লাসে যাচ্ছে, কেউ লাইব্রেরিতে বসে পড়ছে, আবার কেউ বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল ভবনের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে ইভেলিনা রোমানো। পরনে সাদা রঙের সুন্দর পোশাক, কাঁধের ওপর দিয়ে নেমে এসেছে তার দীর্ঘ সোনালি চুল, যা প্রায় পা পর্যন্ত পৌঁছেছে। এক হাতে বই, অন্য হাতে ফোন।
ইভেলিনা ক্লাসরুমে ঢুকতেই দুজন মেয়ে তার দিকে এগিয়ে এল।
আয়ুমি: এই যে এলি! আজ এত দেরি কেন?
ইভেলিনা: দেরি কোথায়? ক্লাস তো এখনো শুরুই হয়নি।
নাওমি: ওকে কিছু বলিস না। নিশ্চয়ই আবার ঘোড়ার খামারে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল।
ইভেলিনা: (হেসে) তোমরা দুজন আমার ঘোড়া নিয়ে এত চিন্তা করো কেন?
আয়ুমি: কারণ আমার মনে হয়, একদিন তুই ঘোড়ার সঙ্গেই বিয়ে করে ফেলবি!
তিনজনই হেসে উঠল।
দৃশ্য ২: দুই বান্ধবীর পরিচয়
আয়ুমি তাকাহাশি। প্রাণবন্ত, হাসিখুশি এবং একটু দুষ্টু স্বভাবের মেয়ে। সব সময় বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে ভালোবাসে। তার চোখে-মুখে সব সময় একটা চঞ্চল ভাব।
আর নাওমি সাতো। শান্ত, মার্জিত ও বুদ্ধিমতী। খুব বেশি কথা বলে না, কিন্তু বন্ধুদের বিপদে সবার আগে পাশে দাঁড়ায়।
ইভেলিনা, আয়ুমি ও নাওমি—তিনজনের বন্ধুত্ব বেশ গভীর।
নাওমি: আচ্ছা এলি, আজকের অ্যাসাইনমেন্টটা শেষ করেছিস?
ইভেলিনা: হ্যাঁ। গত রাতেই শেষ করেছি।
আয়ুমি: কীভাবে পারিস বল তো? আমি তো বই খুললেই ঘুম পেয়ে যায়!
ইভেলিনা: কারণ তুই বইয়ের চেয়ে ফোনের দিকে বেশি তাকিয়ে থাকিস।
আয়ুমি: এই কথাটা একদম ব্যক্তিগত আক্রমণ!
আবারও তিনজন হেসে উঠল।
কিছুক্ষণ পর ক্লাস শুরু হলে তারা নিজেদের আসনে বসে পড়ল। ইভেলিনা মনোযোগ দিয়ে প্রফেসরের লেকচার শুনতে লাগল।
দৃশ্য ৩: অন্যদিকে, ভিয়ানের আগমন
একটি কালো বিলাসবহুল গাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের একটি ব্যবসায়িক ভবনের সামনে এসে থামল।
গাড়ি থেকে নামল অ্যালিসিও ব্ল্যাকউড—যাকে সবাই ভিয়ান লিও নামে চেনে।
কালো শার্ট, কালো ট্রাউজার, গম্ভীর মুখ। তার গাঢ় বাদামি চোখ, ঘন চোখের পাপড়ি এবং নিচের ঠোঁটের ঠিক নিচে থাকা ছোট্ট গাঢ় তিল তার চেহারাকে আরও স্বতন্ত্র করে তুলেছে।
তার সঙ্গে রয়েছে তিনজন বিশ্বস্ত সহকর্মী।
কিরিল এহসান : ঘন কালো চুল, উজ্জ্বল নীল চোখ, ফর্সা ত্বক ও গোলাপি ঠোঁট। দেখতে অত্যন্ত সুদর্শন। তবে ভিয়ানের ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্যের কাছে সে কিছুটা পিছিয়ে। স্বভাবে বুদ্ধিমান, বিশ্বস্ত এবং মাঝেমধ্যে রসিক।
মিখাইল পেত্রভ: গাঢ় বাদামি চুল, ধূসর চোখ ও গম্ভীর চেহারা। হিসেবি, বুদ্ধিমান এবং ভিয়ানের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সামলাতে দক্ষ।
আন্তন সোকোলভ: কালচে-সোনালি ছোট চুল, হ্যাজেল চোখ ও শক্তপোক্ত গড়ন। সাহসী, প্রাণবন্ত এবং দলের নিরাপত্তার দায়িত্বে দক্ষ।
তিনজনই ভিয়ানের বহুদিনের বিশ্বস্ত সহকর্মী।
মিখাইল: স্যার, প্রফেসরের সঙ্গে দেখা করার সময় হয়ে গেছে।
ভিয়ান: হুম। কাগজপত্রগুলো প্রস্তুত?
আন্তন: সব প্রস্তুত, স্যার।
ভিয়ান একবার ঘড়ির দিকে তাকাল।
ভিয়ান: কিরিল, তুমি প্রফেসরের কাছে যাও। প্রয়োজনীয় নথিগুলো দিয়ে আসবে। আর বিষয়টা ভালোভাবে বুঝিয়ে বলবে।
কিরিল: ঠিক আছে।
ভিয়ান: কোনো অপ্রয়োজনীয় কথা নয়। কাজ শেষ করে ফিরে আসবে।
কিরিল: বুঝেছি, স্যার।
কিরিল নথিপত্র নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের প্রশাসনিক ভবনের দিকে এগিয়ে গেল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের করিডোর।
কিরিল প্রফেসরের কক্ষ খুঁজতে খুঁজতে একটি দরজার সামনে এসে দাঁড়াল। ঠিক তখনই দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে এল আয়ুমি ও নাওমি।
আয়ুমি: নাওমি, আজকের ক্লাসটা কিন্তু বেশ কঠিন ছিল!
নাওমি: তুই যদি ক্লাসের সময় মনোযোগ দিতি, তাহলে কঠিন মনে হতো না।
আয়ুমি: আবার শুরু করলি!
কথা বলতে বলতে আয়ুমি সামনে তাকাল।
ঠিক তখনই তার চোখ পড়ল করিডোরে দাঁড়িয়ে থাকা কিরিলের দিকে।
কিরিলও এক মুহূর্তের জন্য তাকিয়ে রইল।
কালো পোশাকে দাঁড়িয়ে থাকা অচেনা ছেলেটির নীল চোখ দুটো বেশ আকর্ষণীয়। তার ঘন কালো চুল কপালের ওপর সামান্য নেমে এসেছে।
কিরিলের দৃষ্টি কয়েক মুহূর্তের জন্য আয়ুমির দিকে থেমে গেল।
কিন্তু সে দ্রুত নিজেকে সামলে নিল।
কিরিল: এক্সকিউজ মি, প্রফেসর হিরোশির কক্ষটা কোন দিকে?
নাওমি: ওই করিডোরের শেষের কক্ষ।
কিরিল: থ্যাংক ইউ।
কিরিল চলে গেল।
আয়ুমি কিছুক্ষণ তার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইল।
নাওমি: কী হলো? কার দিকে তাকিয়ে আছিস?
আয়ুমি: কিছু না। লোকটা একটু অদ্ভুত!
নাওমি: অদ্ভুত কেন?
আয়ুমি: জানি না। বাদ দে, চল।
অন্যদিকে কিরিল প্রফেসরের কক্ষে ঢুকে পড়ল। তার কাছে এখন কাজটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
দৃশ্য ৫: প্রফেসরের কক্ষ
প্রফেসর হিরোশি নিজের ডেস্কে বসে ছিলেন।
প্রফেসর: ওহ, আপনি মিস্টার ব্ল্যাকউডের পক্ষ থেকে এসেছেন?
কিরিল: জি। স্যার আপনাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পাঠিয়েছেন।
কিরিল নথিগুলো প্রফেসরের হাতে তুলে দিল।
প্রফেসর: মিস্টার ব্ল্যাকউড নিজে আসেননি?
কিরিল: তিনি অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে ব্যস্ত। তবে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
প্রফেসর নথিগুলো দেখতে শুরু করলেন।
কিরিল শান্তভাবে অপেক্ষা করতে লাগল।
দৃশ্য ৬: ঘোড়ার খামারে
দুপুরের দিকে ইভেলিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে তার প্রিয় ঘোড়ার খামারে গেল।
সাদা ঘোড়াটির কাছে গিয়ে সে মৃদু হেসে তার গলায় হাত বুলিয়ে দিল।
ইভেলিনা: কেমন আছো, আমার সুন্দর বন্ধু?
ঘোড়াটির পিঠে উঠে সে খোলা মাঠের দিকে এগিয়ে গেল।
চারপাশে সবুজ ঘাস, হালকা বাতাস আর দূরে পাহাড়ের সারি। ইভেলিনা ঘোড়ায় চড়তে খুব ভালোবাসে। পড়াশোনার ব্যস্ততার মাঝেও এই সময়টুকু তার কাছে বিশেষ।
অন্যদিকে প্রফেসরের সঙ্গে দেখা শেষ করে ভিয়ান ও তার সহকর্মীরা কাছের একটি ভবন থেকে বেরিয়ে এল।
ভিয়ান সামনে হাঁটছে। তার পেছনে মিখাইল ও আন্তন।
কিরিলও কিছুক্ষণ পর তাদের সঙ্গে যোগ দিল।
ভিয়ান: কাজ শেষ?
কিরিল: জি, স্যার। প্রফেসর নথিগুলো পেয়েছেন।
ভিয়ান: ভালো। এবার চলো।
তারা গাড়ির দিকে এগিয়ে যেতে লাগল।
ঘোড়ার খামার থেকে বেরিয়ে ইভেলিনা কাছের একটি ক্যাফের দিকে হাঁটছিল। তার ফোনে একটি মেসেজ এসেছে। সে ফোনের দিকে তাকিয়ে হাঁটছিল।
ঠিক সেই সময় বিপরীত দিক থেকে ভিয়ান তার তিন সহকর্মীকে নিয়ে আসছিল।
হঠাৎ—
ধাক্কা!
ইভেলিনার হাত থেকে ফোনটি পড়ে যাওয়ার উপক্রম হলো।
ইভেলিনা: ওহ! সামনে দেখে হাঁটতে পারেন না?
ভিয়ান বিরক্ত চোখে তার দিকে তাকাল।
ভিয়ান: নিজের পায়ের দিকে খেয়াল রাখুন।
ইভেলিনা: এক্সকিউজ মি? আপনিই তো আমার সঙ্গে ধাক্কা খেলেন!
কিরিল ও আন্তন একে অপরের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল।
আন্তন: আরে! এই মেয়েটাকে তো আগেও দেখেছি!
কিরিল: মনে আছে? ঘোড়ার পিঠে রাপুনজেল!
আন্তন: মনে হচ্ছে রাপুনজেল এবার আমাদের পিছু নিয়েছে!
ইভেলিনা: কী বললেন? রাপুনজেল?
কিরিল: মিস রাপুনজেল, আপনার চুলের দৈর্ঘ্য দেখে একটু অবাক হয়েছিলাম, এই আরকি!
ইভেলিনা: আপনারা কি সব সময় এমন অদ্ভুত কথা বলেন?
ভিয়ান বিরক্ত হয়ে তাদের দিকে তাকাল।
ভিয়ান: তোমাদের কাজ শেষ? নাকি রাস্তায় দাঁড়িয়ে চুলের দৈর্ঘ্য মাপবে?
তিনজনই চুপ হয়ে গেল।
ইভেলিনা ভিয়ানের দিকে তাকাল।
ইভেলিনা: আপনারা সবাই কি এমন অদ্ভুত?
ভিয়ান কোনো উত্তর দিল না। সে নিজের পথ ধরে হাঁটতে শুরু করল।
ইভেলিনা বিরক্ত হয়ে তার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে বলল—
ইভেলিনা: অদ্ভুত একটা মানুষ!
কিরিল পেছন ফিরে একবার ইভেলিনার দিকে তাকাল। তারপর ভিয়ানের সঙ্গে হাঁটতে শুরু করল।
আন্তন: স্যার, মেয়েটা কিন্তু বেশ সাহসী।
ভিয়ান: আই ডোন্ট কেয়ার।
মিখাইল: তাহলে হোটেলে ফিরে যাব, স্যার?
ভিয়ান: চলো।
ভিয়ান আর একবারও পেছনে তাকাল না।
আর ইভেলিনা মনে মনে ভাবল, লোকটার মধ্যে অহংকার ছাড়া আর কিছুই নেই!
কিন্তু এই ছোট্ট ঘটনাটিই যে ভবিষ্যতে তাদের জীবনে কত বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে, তা কেউই তখন জানত না।
চলবে…
পর্ব 2
পর্ব সম্পন্ন!
আপনি সফলভাবে পর্ব 2 শেষ করেছেন।
আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?
প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
Google Play থেকে অ্যাপ নামান