ফন্ট সাইজ:
থিম:
বনফুল

পর্ব 15

লেখক: নূপুর ইসলাম

#বনফুল
#নূপুর_ইসলাম
#পর্ব_১৫

নাবিলাদের পুরো বাড়িতে খুশির হাওয়া সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়তে লাগল। ড্রয়িংরুমে বসেছে ছেলেমেয়েদের আড্ডা, রোকেয়ার রুমে মুরব্বিদের। অবশ্য সবই মহিলা। ছেলেদের দল গেছে এশার নামাজ পড়তে। আর তার সাথে রান্নাঘরে রাতের আয়োজন চলছে আরও জোরেসোরে। আগেই অবশ্য সব ব্যবস্থা করা ছিল। এখন শুধু আসমানি বাকিগুলো সুন্দর মতো গুছিয়ে নিচ্ছে।

নাবিলার কোন কিছুতেই তার হেলাফেলা নেই। আর এখানে তো বিয়ের কারবার। তবে ছেলে আরেকটু লম্বা হলে ভালো হতো। ঐ আল্লাহর নামের খুদাই ষাঁড়ের সামনে তার বড়ই নস্যি লাগলো। অবশ্য আল্লাহ দিয়ে রেখেছে এমন আগুনরূপ, দুনিয়ায় সব কিছু তুচ্ছ। হুহ্!

তবে তুচ্ছ থাক আর যাই থাক, পাত্রের আচার ব্যবহার মাশাআল্লাহ। আসমানিকেই আলাদা করে সালাম দিল। আর কি সুন্দর মার্জিত সুরে কথা! আর এই যে আজান পড়তেই মুরব্বিদের সাথে নামাজ পড়তে গেল, এই ষাঁড় গিয়েছে? বানরের গলায় মুক্তার মালার মতো এক ক্যামেরা ঝুলাইছে, সেটা নিয়েই লাফিয়ে লাফিয়ে নাচছে। তার সাথে নাচছে পুরো বাড়ির মানুষ। সারা রাত নেচে কুদে, আবার এত এনার্জি যে কোথা থেকে আসে আল্লাহ'ই জানে।

নাচুক, নাবিলা আম্মার বিয়ায়, সাত খুন মাফ। তবে ব্যাটা ছেলেগো দুটো জিনিস ঠিক তো সব ঠিক। এক. চরিত্র, দুই. ব্যবহার। বিয়ের পরে এই দুটো ঠিক না হলে রূপ ধুয়ে পানি খাইব? তাই নাবিলার আম্মার জন্য আসমানির তরফ থেকে এই ছেলে কবুল, একেবারে তিন কবুল। ব্যস, কোনো গ্রহন না লাগলেই হলো।

গ্রহনের কথা মনে মনে বলতেই অপূর্ব উঁকি দিল। দিয়ে বলল, -- পুরো প্রোগামের ছবি নিচ্ছি খালা। রান্না সহ আপনার কয়েকটা ছবি নিতে পারি?

আসমানি অবশ্য ফিরেও তাকালো না। সাথে সাথে মাথায় আঁচল তুলে মুখ ঢাকল। তার চরিত্রে যে আঙুল তুলে, তার কোনো কারবারে আসমানি নাই। তাই আঁচল তুলেই বলল, -- খাবারের ইচ্ছে হলে তুলো। তবে এই সবে আমারে টানবা না।
অপূর্ব হাসলো! হেসে ঘোমটা মাথায় আসমানি খালাকে নিয়েই ছবি তুললো। তুলতে তুলতে বলল, -- দ্য মোস্ট বিউটিফুল সাইট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ আ ব্রাইডস ভেইল।

আসমানি কিছুই বুঝল না। মুখ ভেটকিয়ে তাকিয়ে বলল, -- কিসের ভইল?

অপূর্ব আবারো হেসে ফেলল! আসমানি খালা ফিরে তাকিয়েছে, সেই মুখের ছবিটাই টুপ করে নিয়ে নিলো।

নাবিলার গায়ে কালো সবুজ মিশেলের জামদানি শাড়ি। চুলগুলো গুছিয়ে সুন্দর করে খোপায় মোড়ানো, বিষণ্ন চোখ দুটিতে মোটা কাজলের প্রলেপ। কপালের মাঝ বরাবর ছোট্ট, না দেখার মতো সাদা পাথরের টিপ। ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক, মাথায় ঘোমটা।

রোকেয়ার দেখামাত্রই চোখে পানি চলে এলো। যারা সাজে না, তারা হঠাৎ সাজলে, সাজ যেন নিজ দায়িত্বেই তাদের ভেতরে মিশে যায়। নাবিলার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে। সাজটা যেন মেয়েটার মাঝেই মিলিয়ে গেছে।

নাবিলার অবশ্য তেমন ভাবাবেগ নেই। সে খুব স্বাভাবিকভাবে ড্রয়িংরুমে বসে আছে। গত এক বছরে এমন সাজ না সাজলেও, পরিপাটি সে অনেকবারই হয়েছে। খানেকবার অনেক পরিবারের সামনেও গেছে। কয়েকজনের সাথে এভাবেই প্রায় কথা পাকা হওয়া পর্যন্ত গিয়েছে।

তাই আজও তেমন মাথাব্যথা দেখা গেল না। তবে মাথা পুরো জ্যাম হয়ে আছে। কাল দুপুরে ঘুমিয়ে সারা রাত নির্ঘুম। ভেবেছিল আজও দুপুরে শুয়ে পড়বে। তবে এত ঝামেলায় আর সময় কই? তার মধ্যে মামাতো বোনেরা এসে আজ তার রুমে ঢুকেছে যে ঢুকেছেই। ছেলের বাড়ির মানুষ না আসা পর্যন্ত আর বেরিয়েই দেখেনি। তারাই তাকে সাজিয়ে গুছিয়ে পুরো প্রস্তুত করে ফেলেছে। করুক, সমস্যা সেটা না, সমস্যা হলো তাকে একবারের জন্যও একা ছাড়েনি এরা। একবার বারান্দায় গেলো, সাথে সাথেই তার এক মামাতো বোনও গিয়ে হাজির।

আরেকবার বাথরুমে যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালো। তার সাথে সাথে আরেক জনও দাঁড়িয়ে গেল। নাবিলা দেখে হাল ছেড়ে বলল, -- বাথরুমে যাব। যাবি?

তার মামাতো বোন থতমতো খেয়ে গেলো। কি ঝামেলায় যে পড়েছে, একমাত্র তারাই জানে। ফুপু তাদের কড়া করে বলেছে, নাবিলাকে একা ছাড়বে না। সে না বলা পর্যন্ত না। সে কি করে, না করে, সব পাই টু পাই জানাতে। কিন্তু কি জানাবে, সেটাই বুঝতে পারছে না। এসেছে পর থেকে থম মেরে বসে আছে যে আছে। যা বলা হচ্ছে তাই পতুলের মতো করছে।

নাবিলা তার মামাতো বোনদের থতমতো মুখ দেখে সবই বুঝতে পারল। না বোঝার কিছু নেই। মামাতো ভাই বোনদের সাথে তার সম্পর্ক সব সময়ই ভালো। তবে নানুর কাছে তার প্রাধান্য ছিল সব সময় প্রথমে, সবকিছুতে সবার আগে আগে। তাই মুখের ওপর কিছু না বললেও, এই বিষযটায় তারা খুবই জেলাস ফিল হতো। তাই
যতটুকু প্রয়োজন, সব সময় খাতির ততটুকুই। কখনও আগ বাড়িয়ে আহ্লাদ করেনি, আবার দূরেও সরিয়ে দেয়নি।

আর সেই বোনদের আজ এমন আদিখ্যেতা দেখে অবাক হওয়ারই কথা। তবে নাবিলা এসব নিয়ে তেমন মাথা ঘামাল না। তার মা যে এবার পুরো আঁটসাঁটভাবে নেমেছে, সেটা ঠিক বুঝতে পারল।

তবুও এক ফাঁকে নোভা, নাবিল যাকেই সামনে পায়, তার সাথে দেখা করার জন্য বলল। অবশ্য জরুরি কোন কথা তা না, তার ফোনটা একটু দরকার। তবে কারো টিকিটাও দেখা গেল না। অবশ্য এদের দোষ দিয়ে আর লাভ কি? নাবিল বাড়িতে নেই, তার মা নাকি কি কেনার জন্য বাজারে পাঠিয়েছে। আর বেচারি নোভা, সে আছে মহা যন্ত্রণায়। মামিরা বাড়িতে আসার পর থেকে তার রুমে ঢোকার সুযোগই পাচ্ছে না। এই বেচারি কোনোদিনই খুব একটা কাজকামে নেই। বরং সব সময় গা বাঁচিয়ে চলে। কিন্তু আজ মা একটার পর একটা দায়িত্ব ধরিয়ে দিয়েছে।

সেই কাজ করতে গিয়ে সে বড়ই নাজেহাল। শুধু একবার উঁকি দিয়ে বলে গেল, -- আমার সব নেইল শেষ, আপা… সব শেষ!

নাবিলা মনে করেই হালকা হাসল। হেসে মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল, -- আমার মোবাইলটা তুমি নিয়েছ, তাই না?

রোকেয়া উত্তর দিল না। সে এসেছিল কিচেনরুমের আয়োজন দেখতে। মেয়েটাকে দেখে থমকে দাঁড়ালেন। চুপচাপ পুতুলের মতো বসে আছে। এই যে সবাই এত হাসি তামাশা করছে, কোনো রা নেই। উঠে ভেতরে যাবে তাও না। নিজেকে শাস্তি দিতে কোনো সুযোগই এই মেয়ে ছেড়ে দেবে না।

তাই চোখের পানি মুছেই কিচেনরুমের দিকে গেল। তবে অকারণে মেয়েটার উপর সন্দেহের তীর তুলেছে। নিজেকে শাস্তি দিক আর যাই দিক। দায়িত্বের ক্ষেত্রে কখনও পিছ পা হয় না। সবকিছু সামলে নিয়েছে সুন্দর করে! ছেলেটার সাথেও তো কী স্বাভাবিকভাবে কথার বলেছে, সবার কথার উত্তর দিয়েছে। কাজকর্মে তো গুণের শেষ নেই। যত্ন করে সবাইকে এগিয়ে গুছিয়ে দিয়ে। আর এই সব দেখেই সবাই মুগ্ধ। তাই তো ডিসিশন নিতে তাদের সময় লাগেনি।

রোকেয়া যেতেই নাবিলা চোখটা বন্ধ করল। কেউ কানের পাশে ফিসফিস করে বলল, -- যে পৃথিবীর বুকে তুমি আমাকে ঘৃণা করবে, সেই একই পৃথিবীতে আমি কী করে বাঁচব, বলো তো নাবিলা?

-- হেই বিউটিফুল, ক্যান আই টেক এ পিকচার, প্লিজ?

নাবিলা চমকে সামনে তাকাল। তার সামনে হাঁটু মুড়ে অপূর্ব বসে আছে। অনুমতি তো চেয়েছে, তবে উত্তরের কোনো অপেক্ষা তার মধ্যে দেখা গেল না। বরং তার চোখ খোলার আগেই কয়েক ক্লিক হয়ে গেছে। নাবিলা কিছু বলল না। চুপচাপ তাকিয়ে রইল।

অপূর্ব ছবি নিতে নিতেই সব সময়ের মতো বলল, -- কোনো হেল্প লাগবে, নাবিলা?

নাবিলারও সব সময়ের মতো সোজা জবাব, -- না।

-- ভেবে বলো।
-- ভাবার কিছু নেই।
-- কেন?
-- এমনিই।
-- তোমাকে কি কেউ বলেছে, তুমি ভীষণ অহংকারী একটা মেয়ে?

নাবিলা উত্তর দিল না। মাথা ফেটে যাচ্ছে তার। সে উঠে দাঁড়াল। অপূর্ব হেসে বলল, -- ফিল্মে অভিনয় করবে, নাবিলা?

নাবিলা ভ্রু কুঁচকে তাকাল। অপূর্ব সেই দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, -- আরে, দুষ্টুমি করছি না। কাল আমার যে বন্ধু এলো… সে যে ডিরেক্টরের আন্ডারে আছে, সে একটা ওয়েব সিরিজ বানাবে। নতুন মুখ লাগবে। তোমার অভিনয় সে দেখেছে। তাই তোমার কথা শুনেই যোগাযোগ করতে বলল।

নাবিলা সোজা তাকাল অপূর্বের দিকে। তাকিয়ে বলল, -- একটা কথা জিজ্ঞেস করব?

-- অফকোর্স! তুমি যে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারো, সেটাই তো জানতাম না। আমি তো ভেবেছি সব কথায় শুধু হেসে মাথা নাড়াতে পারো।

নাবিলার আর কথা জিজ্ঞেস করার ইচ্ছে রইল না। সে চলে যাবে, তখনই অপূর্ব বলল, -- পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর পোশাক হলো শাড়ি। অন্য সব কিছু, কিছু সময়ের জন্য নেশা লাগাতে পারে, তবে মাথা খারাপ করার ক্ষমতা শুধু এই আজব জিনিসেই আছে।

-- না, এর চেয়েও ভয়ংকর জিনিস আছে। যা আপনাকে পুরো এলোমেলো করে ফেলবে। শুনতে চান সেই জিনিসটা কী?

-- না।
-- কেন?
-- যেই জিনিস এলোমেলো করবে, সেটা জেনে কাজ কি?

-- কেউ কি বলেছে, আপনি খুবই ফালতু একটা ছেলে।
মাকাল ফলের মতো, উপরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট।

অপূর্ব হেসে ফেলল! হেসেই ফটাফট কয়েকটা আবার ক্লিক নিল। নাবিলা পলকও ফেলল না, এক পলকে তাকিয়ে রইল।

নাবিলা রেগে গেছে। রেগে তার শান্ত, শীতল চোখ আগুন হয়ে গেছে। সেটা নাবিলা বুঝতেই পারেনি। তাই অপূর্ব আর কিছু বলল না। তাছাড়া রাগের সাথে চোখ দুটো ধীরে ধীরে সিদূরে মেঘের মতো লাল হয়ে আসছে। মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে কি না কে জানে? কপালের পাশের রগও ফুলে আছে।

তাই হাল ছেড়ে বলল, -- কি যেন জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিলে?

নাবিলা উত্তর দিল না। সোজা রুমে চলে এলো। এসে বাথরুমে ঢুকে গেল। ঝরনা ছেড়ে চুপচাপ নিচে দাঁড়িয়ে রইল। চোখের কাজলগুলো গড়িয়ে ধুয়ে পুরো মাখিয়ে গেলো।

এশার নামাজ শেষ হতেই সবাই বেরিয়ে এলো। তাদের বাড়ির মেহমান এসেছে মাগরিবের নামাজের কিছুক্ষণ পরে। আসতে না আসতেই বাড়ির প্রতিটা সদস্য খুব আন্তরিকতার সাথে সবাইকে আপ্যায়ন করল। মুখ ফুটে রোকেয়া ছাড়া কেউ বুঝতে দিক আর না দিক, বাড়ির প্রতিটা সদস্যই চায়, নাবিলার জীবনটা গুছিয়ে যাক।

তাই কারো তরফ থেকেই কোনো কমতি রইল না। বরং সবাই খুশিমনে নিজেদের মতো সব আগলে নিয়ে নিল। নিয়ে হালকা নাস্তার পরেই নাবিলাকে নিয়ে আসা হলো।

ফর্সা না হোক, তবে এই মায়াবতী মেয়েটাকে উপেক্ষা করা সহজ কথা না। তাই তো পাত্রপক্ষের ও মনে ধরতে
সময় লাগে নি। সব দেখে বুঝেশুনে কিছুক্ষণের মধ্যেই বলল, -- মাশাল্লাহ, মেয়ে আমাদের খুব পছন্দ হয়েছে। আপনাদেরও যদি কোন আপত্তি না থাকে, আজই বাকি ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

এমন হবে তারা জানত। নাবিলার বড় মামি এভাবেই কথা বলে তাদের এনেছে। ছেলের দ্বিতীয বিয়ে, মেয়েকে যদি ভালো লাগে, তবে বিয়েটা আজই হোক। বাদবাকি যা করার, যদি ইচ্ছে থাকে পরে করা যাবে। তাই সবাই সাথে সাথেই সেই আয়োজনে লেগে গেছে। বাদ এশা বিয়ে পড়ানো হবে। তাই সবাই এসেছে নামাজ পড়তে। নামাজ শেষে ইমামকে একেবারে সাথে করে নিয়ে যাবে।

হলোও তাই। তারা মেহমানদের এগুতে বলে, ইমামের সাথে কথা বলতে গেল। মেহমানরা দাঁড়ালো মোড়ের চায়ের দোকানে। আর সেই দোকানেই খালিদ তার বাইকে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে। হাতে গরম চায়ের কাপ। সেই কাপে বড় আমুদে নিয়ে চুমুক দিতে দিতে ঐ যে কাপসুল সাইজের ছেলে, সেই ছেলের দিকে তাকালো। তাকিয়ে মাথা দুপাশে নাড়িয়ে, বড় এক শ্বাস ফেলল।

তার বেশ কিছুক্ষণ পরে নাবিলার বাথরুমের দরজায় ধরাম ধরাম করে কয়েকটা পড়ল। এমন পড়া একজনই ফেলে। নোভা! অন্য সময় হলে দরজা খোলা তো ভালোই, কথাই বলত না। তবে আজ কাঁপুনি উঠে গেছে। তাই সাথে সাথে কাঁপা-কাঁপা হাতে দরজা খুলল। খুলতেই দেখল।,নোভা মুখ অন্ধকার করে দাঁড়িয়ে। চোখে চিকচিক পানি। যেন এক্ষুনি কেঁদে ফেলবে।

নাবিলা প্রথমে কিছুই বুঝতে পারল না। বুঝতে পারল বেশ কিছুক্ষণ পরে। তার বিয়ে আবারও ভেঙেছে। মসজিদে নামাজ পড়তে তো গেছে সবাই ভদ্রভাবেই। তবে এসে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানালো, আজ বিয়েটা থাক। তাদের বাড়ি থেকে ফোন এসেছে, ধীরে-সুস্থে কাল-পরশু দেওয়া যাবে। আমরাও সবার সাথে বাড়িতে বসে, ফোনে বাকিটা জানাচ্ছি।

এটা বাহানা। ফোনে কী বলবে, এই বাড়ির প্রতিটা মানুষেরই জানা। তাই মেহমান বিদায় নিল খুব স্বাভাবিক ভাবে। বড় মামা, বড় চাচা রাতের খাবারটা খেয়ে যাওয়ার অনেক অনুরোধ করল। তবুও তারা অতি বিনয়ের সাথে প্রত্যক্ষান করে চলে গেল।

নাবিলা সব শুনে কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়েই তাকিয়ে রইল। না বিয়ে ভাঙা নিয়ে তার ম্যথা ব্যথা নেই। তবে স্তব্ধ হল,
এবার তো সে কিছু করেইনি। না খালিদ ভাইকে কিছু জানানোর সুযোগ পেয়েছে। তাহলে?

চলবে.....

আমার গ্রুপের লিংক আর ইবুকের লিংক কমেন্ট বক্সে
https://www.facebook.com/groups/2626455844207369/?ref=share&mibextid=NSMWBT

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 15 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন