ফন্ট সাইজ:
থিম:
নিষিদ্ধ প্রণয়

৩য় পর্ব

লেখক: সোনালিকা বিনতে আজিম

(🚫অতিরিক্ত রোমান্টিকতা এলার্ট। কঠোর ভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)

#নিষিদ্ধ_প্রণয়

#পর্বঃ০৩

#সোনালিকা_বিনতে_আইজা

রাত পোহানোর সাথে সাথেই ভুঁইয়া মঞ্জিলের শোকের ছায়া কেটে গেছে। বাড়ি জুড়ে আবারও ছড়িয়ে পড়েছে সাজ সাজ রব। নিয়ম অনুযায়ী আজ মৌমিতা এবং রাতুলের বৌভাতের অনুষ্ঠান। ছোটো বড় সকলেই সাজগোজে ব্যাস্ত। ইতিমধ্যে বড়রা তৈরি হয়ে একটা গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে। অন্য গাড়িটাতে করে বাচ্চারা পরে আসবে।

কৌশিক মাত্রই গোসল সেরে ওয়াশরুম থেকে বের হয়েছে। কোমরে একটা সাদা টাওয়াল পেঁচানো। আর একটা টাওয়াল ঘাড়ে ঝুলিয়ে মাথা মুছছে। এক হাতে মাথার পেছনের দিকের চুলগুলো ঝারতে ঝারতে ড্রেসিংটেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। এমন সময় নজর গেলো দড়জার দিকে। চাপিয়ে রাখা দড়জার ফাঁক গলিয়ে দেখা যাচ্ছে এক জোড়া ডাগর আঁখি। কাজলে লেপ্টানো চোখ দুটো কৃত্রিম আলোয় জ্বলজ্বল করছে।

কৌশিক আড়ালে মৃদু হাসলো। মাথা মোছার ভঙ্গিতে ধীরে সুস্থে দড়জার দিকে পা বাড়ালো। দড়জার কাছাকাছি এসে আচমকা একটানে দড়জা খুলে ফেললো। সেকেন্ডের ব্যবধানে তুবাকে হ্যাচকা টানে ভেতরে ঢুকিয়ে তড়িৎ দড়জা আটকে দিলো। হতভম্ব তুবা বুঝতেই পারলো না কি থেকে কি হলো।

যখন বুঝতে পারলো তখন সে কৌশিকের বাহুডোরে আবদ্ধ। তুবাকে দেয়ালের সাথে ঠেসে ধরে দুই পাশে হাত রেখে আটকে ধরেছে তুবাকে। মাথাটা সামান্য ঝুকিয়ে তুবার মুখোমুখি হয়ে আছে। পিটপিট করে একবার কৌশিকের চোখের দিকে তাকালো তুবা। কৌশিক ঘোর লাগা চোখে তাকিয়ে আছে। ওই গভীর চোখে তাকিয়ে থাকার সাহস হলো না তুবার। চোখ নামিয়ে নিলো। তৎক্ষনাৎ নজরে পড়লো কৌশিকের উন্মুক্ত প্রসস্ত বুক। ফর্সা বুকটা অল্প বিস্তর লোমে আবৃত। পানিতে ভিজে লোমগুলো দেহের সাথে লেপ্টে আছে। নিয়মিত জিম করার ফলে দেহের গঠন এতদম মানানসই। পেটের কাছের সিক্স প্যাক এ্যাবস ভাজে ভাজে ফুটে আছে। পুরো দেহজুড়ে ফোঁটায় ফোঁটায় চিকচিক করছে পানির বিন্দু। তুবার যেনো শ্বাস আটকে আসলো। কৌশিকের সুঠাম ভেজা শরীর তাকে বেসামাল করে তুললো। বেহায়ার মতো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলো কৌশিকের দেহের প্রতিটা ভাজ।

তুবার অবস্থা দেখে মনে মনে হাসলো কৌশিক। সন্তুষ্টও হলো। আজ মনে হচ্ছে তার দিনের পর দিন জিম করা সফল। তার প্রিয় মানুষ তার দেহের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তার দেহের ভাজে আটকে গেছে। কৌশিক দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁট কামড়ে হাসলো। তুবার কানের কাছে মুখ নামিয়ে ফিসফিস করে বললো,

"ওয়ানা টাচ ইট জান?"

কৌশিকের ফিসফিস কন্ঠ শুনে পুরো দেহ জুড়ে শিহরণ বয়ে গেলো তুবার। তড়িঘড়ি করে নজর সরিয়ে নিলো। ক্রমাগত মাথা ডানে বামে নেড়ে বললো,

"না না।"

"বাট আই ওয়ান্ট। আই ওয়ান্ট টু টাচ ইউ। এন্ড অলসো ফিল ইউ জান।"

মোহনীয় কন্ঠে কথাগুলো বলেই তুবার ঘাড়ে মুখ ডুবিয়ে দিলো কৌশিক। গাঢ় চুম্বনে ভরিয়ে দিলো তুবার ঘাড়, গলা। আবেশে চোখ বন্ধ করে দেয়াল খামচে ধরলো তুবা। বুকের গতি বেড়ে হলো তিনগুণ। কৌশিক সময় নিলো না গলা থেকে নিচে নামতে। তুবার পাতলা কোমর পেচিয়ে ধরে নিজের কাছে টেনে নিলো। গলা থেকে ঠোঁট নামিয়ে নিলো বক্ষ ভাঁজে। ভেজা চুমুতে ভরিয়ে দিলো বক্ষের উন্মুক্ত জায়গাটুকু। তুবা খামচে ধরলো কৌশিকের ভেজা চুল। ঘনঘন শ্বাস নিতে নিতে বললো,

"থামুন প্লিজ। কেউ এসে পড়বে।"

"উঁহু! আমি মুডে আছি।"

বলেই ঠোঁটের ছোঁয়া আরও গাঢ় করলো। বক্ষ ভাঁজের মাঝে উষ্ণ ঠোঁটের ছোঁয়া পাগল করে দিচ্ছে তুবাকে। হাত পা ভেঙে পড়ে যাবে যেনো। এই অসহ্য সুখ থেকে বাঁচতে তুবা টেনে টেনে বললো,

"প্লিজ কৌশিক ভাই। কেউ চলে আসবে।"

কৌশিক তৎক্ষনাৎ থেমে গেলো। কিন্তু তুবাকে ছাড়লো না। নিজের সাথে মিশিয়ে রেখেই মাথা তুলে তাকালো। বাঁকা হেসে বলল,

"বাচ্চা ভাবিস আমাকে? আর একটু পরিশ্রম করলে বাচ্চার বাপ হয়ে যাবো। আর তুই আমাকে বাচ্চা ভোলানোর ভয় দেখাস? বাড়িতে এখন আমি এবং আমার সাঙ্গপাঙ্গ ছাড়া কেউ নেই। বড়রা অনেক আগেই এবাড়িতে চলে গেছে। সো! এখন তোকে খেয়ে ফেললেও কেউ এগিয়ে আসবে না।"

তুবা মাথা নিচু করে জিভ কামড় দিলো। উত্তেজনায় সে ভুলেই বসেছিল এখন বাড়ি ফাঁকা। এই মুহুর্তে বাড়িতে যারা আছে, তারা সবাই ওদের দুজনের সম্পর্কের বিষয়ে জানে। এমনকি ওদের গোপন বিয়ের সাক্ষীও ভাইবোনেরা। তুবাকে চিন্তামগ্ন দেখে কৌশিক ডান গালে গাঢ় চুম্বন বসিয়ে দিলো। কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললো,

"বাড়ি ফাঁকা পেয়ে উঁকি ঝুঁকি কেনো মারছিস জান? কাছে পেতে মন চাইছে?"

"ন...না। আমি তো শুধু দেখতে এসেছিলাম।"

"আচ্ছা? দেখবি? তাহলে খুলবো?"

বলেই কোমরের কাছে টাওয়ালের গিটে হাত দিলো কৌশিক। তুবা তড়িঘড়ি করে খপ করে কৌশিকের হাত ধরে ফেললো। চোখ খিঁচে বন্ধ করে বলল,

"ছিহ্! আমি ওটা দেখার কথা বলিনি।"

"তাহলে?"

"আমি তো দেখতে এসেছিলাম আপনি কোন রঙের জামা পড়ছেন। ঘরে গিয়ে আমিও সেইম রঙের জামা পড়বো তাই।"

"আচ্ছা? ম্যাচিং ম্যাচিং?"

"হুম।"

"তাহলে চোখ খোল।"

তুবা চোখ বন্ধ রেখেই ডানে বামে মাথা নাড়লো। অথাৎ সে চোখ খুলবে না। কৌশিক জোর করে তুবার থুমনি ধরে নিচু করে রাখাটা উপরে তুললো। নাকের সাথে নাক ঘষে বললো,

"চোখ বন্ধ রাখার প্রয়োজন নেই। বিয়ে করা বউ তুই আমার। আমার সবকিছুই তুই দেখতে পারিস। অধিকার আছে তোর।"

তুবা ধীরে সুস্থে চোখ খুললো। কৌশিক তৎক্ষনাৎ দুষ্টুমি করে তুবার চোখে মুখে ফু দিলো। বাঁকা হেসে বিছানার কাছে চলে গেলো। ছাড়া পেয়ে তুবাও পেছন পেছন গেলো। বিছানার ওপর বিছিয়ে রাখা কালো রঙের শার্ট দেখিয়ে কৌশিক প্রশ্ন করলো,

"ইজ ইট ওকে জান?"

তুবা এবার একটু চিন্তায় পড়ে গেলো। কালো রঙের তার দুইটা জামা এবং একটা শাড়ি আছে। এখন সে জামা পড়বে নাকি শাড়ি? তুবাকে চিন্তামগ্ন দেখে কৌশিক প্রশ্ন করলো,

"কি সমস্যা?"

"আমার কালো রঙের গাউন ও আছে। শাড়িও আছে। কোনটা পড়বো? আচ্ছা শাড়ি পড়ি?"

"একদম না। খবরদার বলছি, শাড়ি পড়বি না।"

"কেনো?"

"আবার কেনো মানে? আমি যখন বারন করেছি তখন পড়বি না ব্যাস। শাড়ি পড়ে তোর অন্য ছেলেদের সামনে যাওয়া নিষেধ।"

তুবা মুখ ফুলালো। চোখ মুখ অন্ধকার করে বললো,

"ওকে ফাইন।"

বলেই নিজের ঘরে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালো। তৎক্ষনাৎ কৌশিক আবারও ডেকে উঠলো,

"শোন!"

তুবা থেমে গেলো। পেছন ঘুরে বললো,

"কি?"

কৌশিক জবাব দিলো না। এগিয়ে এসে আবারও তুবার কোমর পেচিয়ে ধরলো। ঠোঁটে শক্ত করে চুমু খেয়ে বললো,

"ঠোঁটে এগুলো কি লাগিয়েছিস?"

"লিপস্টিক।"

"এগুলো ঠোঁটে দিবি না। আমার নেশা ধরে যায়। পরে বেসামাল হয়ে পড়লে কিন্তু পস্তাবি।"

তুবা তর্কে জড়ালো না। বাধ্য মেয়ের মতো ছোট্ট করে বললো,

"আচ্ছা।"

"আর শোন! চোখে কাজলও দিবি না। কাজল দিলে তোকে অনেক সুন্দর লাগে। আমার দেহ, মন, হৃদপিণ্ড সবকিছু কাঁপে।"

"আচ্ছা ঠিক আছে। এবার তো যেতে দিবেন।"

কৌশিকের ইচ্ছে করছিল না ছাড়তে। মন চাচ্ছে এভাবেই তুবা সারাজীবন তার বাহুডোরে থেকে যাক। সময় এখানেই থমকে যাক। কিন্তু হায়! এটা তো সম্ভব নয়। তাই অনিচ্ছার স্বত্বেও ছেড়ে দিলো। ছাড়া পেয়ে তুবা আর দাঁড়ালো না। তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে গেলো। এখানে থাকলেই বিপদ। হুটহাট লোকটার মুড চেঞ্জ হয়ে যায়।

-

-

ভাই বোনেরা সব তৈরি হয়ে মৌমিতার শ্বশুর বাড়ি পৌঁছাতে পৌঁছাতে বেলা দশটা বেজে গেলো। আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে সবাই চলে এলো বাড়ির পেছনের ফাঁকা জায়গায়। ছোটোখাটো একটা আমের বাগান আছে এখানে। আমগাছের নিচে চেয়ার পেতে বসেছে সবাই আড্ডা দিতে। এবাড়িতে এসে কৌশিকদের সাথে যোগ দিয়েছে কৌশিকের মামাতো বোন রাইমা। সেই সাথে রাতুলের দুইজন বন্ধুও আছে সেলিম আর সিফাত। সিফাত সেই ছেলে, যে কাল থেকে তুবার পেছনে ঘুরঘুর করছে।

সিফাত তুবার মুখোমুখি হয়ে চেয়ার পেতে বসেছে। সে নানান ভাবে চেষ্টা করছে তুবার মনোযোগ পাওয়ার। কিন্তু বেখায়ালী তুবা সরু নজরে তাকিয়ে আছে কৌশিকের পাশে চেয়ার নিয়ে বসা রাইমার দিকে। রাইমা কৌশিককে পছন্দ করে। এমনকি বাড়ির বড়রা চায় ওদের দুজনের বিয়ে দিতে। রাইমাকে নিয়ে তুবার এই একটা জায়গাতেই সমস্যা। যদিও এটা শুধু মাত্র বাড়ির বড়দের চাওয়া। কৌশিক এখনও সম্মতি জানায়নি। তবুও তুবার ভয় হয়। মনে মনে কৌশিককে নিয়ে সে ইনসিকিউরড ফিল করে। তুবার মনের সংশয় দূর করতে কৌশিক গোপনে বিয়ে করে নেয় তুবাকে। যাতে তুবা তাকে হারানোর ভয়ে গুটিয়ে না থাকে। কিন্তু তবুও এই মেয়েকে দেখলে তুবার মুখের হাসি উড়ে যায়। রাইমা স্বভাবে ঠান্ডা চরিত্রের মেয়ে হলেও তুবা তাকে পছন্দ করে না। তুবার ভাবনার ছেদ ঘটে তার মেজো চাচার ছেলে নীরবের কথা শুনে।

"আমাদের বাপ চাচাদের ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ে একটু ভুল হয়ে গেছে।"

সেলিম ভ্রু কুচকে বলে,

"কেমন ভুল?"

"এই যে, বড় চাচ্চুর দুই ছেলে মেয়ে। মৌ আপু আর কৌশিক ভাই। যদিও ওরা জমজ। কিন্তু দুই ভাই বোন তো। আবার আমাদের দিকে আমি আর রিয়া দুই ভাই বোন। মাঝখান থেকে নিয়ম ভঙ্গ করলো ছোটো চাচ্চু। তুবা তার একমাত্র সন্তান। ছোটো চাচ্চুর উচিত ছিলো আরও একটা সন্তান নেয়ার। এবং সেটা ছেলে।কি বলো?"

মাঝখান থেকে জবাব দিলো সিফাত। সে তুবার দিকে তাকিয়ে বললো,

"তুমি, কৌশিক দুজন ভাই তো আছোই। তুবার নতুন করে ভাইয়ের কি প্রয়োজন?"

মাথা নিচু করে ফোনে কিছু একটা করছিল কৌশিক। আচমকা সিফাত তাকে তুবার ভাই বলে সম্বোধন করায় ভ্রু কুঁচকে মাথা তুলে তাকালো। মুখে কোনো জবাব না দিয়ে কপালে ভাজ ফেলে তাকিয়ে রইলো শুধু। কৌশিকের এমন এক্সপ্রেশনের মানে অন্যরা না বুঝলেও রিয়া এবং নীরব বেশ বুঝলো। প্রসঙ্গ পাল্টাতে রিয়া চেচিয়ে উঠলো নীরবের ওপর।

"তুই বেশি বুঝিস তাই না? আসছে, বাপ চাচাদের সমালোচনা করতে। অন্য কিছু বলার থাকলে বল বেয়াদব।"

বোনের ধমক শুনে নীরব তৎক্ষনাৎ চুপ হয়ে গেলো। কয়েক সেকেন্ডের জন্য চারিদিকে পিনপতন নীরবতা ছড়িয়ে পড়লো। কৌশিক নজর ঘুরাতে গিয়ে চোখে পড়লো তুবার ভারাক্রান্ত মুখ। চোখ দুটো কেমন ছলছল করছে। মনটাও বেজায় ভার। কৌশিক বুঝতে পারলো তুবার মন খারাপের কারণ। ওর মনে হঠাৎ দুষ্টু বুদ্ধি উঁকি দিলো। তুবাকে জ্বালাতে রাইমার দিকে ঘুরে বললো,

"কালকে আসলে না কেনো রাই মিস করেছি তোমাকে?"

রাইমা কৌশিকের দিকেই তাকিয়ে ছিলো। হঠাৎ কৌশিককে আগ বাড়িয়ে তাকে প্রশ্ন করতে দেখে খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেলো। লাজুক হেঁসে বললো,

"ওই, একটু অসুস্থ ছিলাম।"

ব্যাস, তুবার আর সহ্য হলো না। রেগে ধপ করে উঠে দাঁড়ালো। পা দিয়ে চেয়ার লাথি দিয়ে সরিয়ে রাগে গজগজ করতে করতে চলে গেলো সেখান থেকে। কৌশিক মনে মনে হাসলো। তার বোকা রানী ক্ষেপে গেছে। এখন তার রাগ ভাঙানোর ছুতোয় আরও একবার কাছে যাবে। ভরপুর আদর করবে। গভীর ভাবে ভালোবাসা দেখাবে। বোকাটা কি কৌশিকের এসব কৌশল বোঝে?

চলবে?

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন