ফন্ট সাইজ:
থিম:
নিষিদ্ধ প্রণয়

১২তম পর্ব

লেখক: সোনালিকা বিনতে আজিম

#নিষিদ্ধ_প্রণয়

#পর্বঃ১২

#সোনালিকা_বিনতে_আইজা

"কৌশিক ভাইয়ের বিয়ের কথা হচ্ছে না তো? আমাদের মধ্যে ভাইয়াই সবার বড়ো।"

আচমকা নীরবে কথা শুনে অন্তরাত্মা কেঁপে উঠলো তুবার। বুক ফেটে চৌচির হয়ে গেলো যেনো। অবাধ কান্নার জোয়ার উপচে পড়তে চাইলো চোখ বেয়ে। কৌশিক ভাইয়ের বিয়ের কথা চলছে? তুবার কৌশিক ভাই অন্য কারোর হবে? যে বুকে তুবা পৃথিবীর সমস্ত সুখ খুঁজে পায়, সেই বুকে অন্য কারোর জায়গা হবে? কৌশিকের বাহুডোরে অন্য কোনো মেয়ে থাকবে। তারা ঘনিষ্ঠ হবে। যে নিষিদ্ধ সুখ কয়েক মুহুর্তের জন্য পাগল করেছিল তুবাকে, সেই সুখ এবার অন্য কেউ পাবে? ভাবতেই গায়ে কাটা দিয়ে উঠলো তুবার। সন্দেহের তীর সোজা তুবার হৃদপিণ্ডের মাধ্যিখানে ঢুকলো। অসহনীয় ব্যথায় হাসফাস করে উঠলো তুবা। দম আটকে আসছে যেনো। মুহুর্তের মধ্যে জোরে জোরে শ্বাস টানতে শুরু করলো। যেনো অদৃশ্য কোনো হাত তুবার গলা শক্ত চেপে ধরেছে।

আচমকা তুবার চেহারার রঙ পরিবর্তন হতে দেখে চমকে উঠলো রিয়া আর নীরব। তুবার ফর্সা মুখ লালচে রঙ ধারণ করেছে। জোরে জোরে শ্বাস টানছে। পুরো শরীর থরথরিয়ে কাঁপছে। তুবার এমন হঠাৎ পরিবর্তনে ব্যতিব্যাস্ত হয়ে উঠলো দুই ভাই বোন। রিয়া বেশ বুঝতে পারছে এটা প্যানিক এ্যটাক হওয়ার লক্ষ্মণ। তাই তুবাকে শান্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠলো রিয়া। নিচু কন্ঠে চেচিয়ে উঠলো,

"নীরব! গাধার বাচ্চা। কি বললি এটা? পানি আন তাড়াতাড়ি। তুবার প্যানিক এ্যট্যাক হয়েছে।"

নীরব হকচকিয়ে গেলো। দৌড়ে রান্নাঘর থেকে এক গ্লাস পানি এনে দিলো। রিয়া তুবার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছে। নীরব আসতেই পানির গ্লাসটা হাতে নিয়ে তুবার মুখের সামনে ধরলো। মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে শান্তনার স্বরে বললো,

"তুবা পানি খা। রিল্যাক্স! কৌশিক ভাইয়ের বিয়ের কথা হচ্ছে না পাগলী। নীরব এমনি এমনি বলেছে।"

নীরব বোনের কথায় সম্মতি জানালো। ঘনঘন উপর নিচ মাথা নেড়ে বললো,

"হ্যা হ্যা! রিয়া ঠিক। আমি ভুল। আমি মিথ্যে বলেছি।"

তবুও তুবার মন মানলো না। বহু কষ্টে এক ঢোক পানি খেলো। লম্বা লম্বা শ্বাস নিয়ে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করলো। রিয়া তখনও তুবার মাথায় ঘনঘন হাত চালাচ্ছে। তুবার শ্বাস প্রশ্বাস কিছুটা স্বাভাবিক হতেই রিয়া অভিযোগ করে বললো,

"তোর এতো ভয় নিয়ে কি করি বলতো তুবা? মালা গেঁথে কৌশিক ভাইয়ের গলায় ঝুলিয়ে দেই? তুই এমন কেনো করিস? দুই বছর আগেও বড়মার মুখে রাইমাকে বউ করার কথা শুনে এমন প্যানিক করেছিলি। বেচারা কৌশিক ভাই ইম্পরট্যান্ট ক্লাস ফেলে ছুটে এসেছিল তোর কাছে। তোর মনের ভয় দূর করতে সেদিনই রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে বিয়ে করলো। সাক্ষী হিসেবে আমাদেরকেও কান ধরে টেনে নিয়ে গেছিলো। তোর জন্য তো লোকটা সাধ্য মতো সব করে। কত সেক্রিফাইস করছে তোকে খুশি করতে। তোর মনের ইনসিকিউরিটি দূর করতে কত পাগলামি করে। তুই তবুও এমন বাচ্চামি করিস।"

তুবার শরীর তখনও মৃদু কাঁপছে। রিয়ার দুই হাত শক্ত করে চেপে ধরলো তুবা। কম্পিত গলায় বলল,

"আমার ভয় হয় আপু। খুব ভয় হয়। ওই মানুষটা আমার প্রতিটা লোমের সাথে মিশে গেছে। আমার পুরো দেহে ওনার স্পর্শ গেঁথে আছে। ঘুমের মাঝেও আমি ওনাকে অনুভব করি। উনি আমার একমাত্র শান্তি আপু। যদি পরিবার আমাদের আলাদা করে দেয়? আমি বাঁচবো কিভাবে?"

"তোর মনে হয় কৌশিক ভাই সেটা মেনে নেবে?"

"না মানুক। কিন্তু ঝড় তো উঠবে।"

রিয়া ফোঁস করে শ্বাস ছাড়লো। শান্ত চোখে তাকিয়ে বললো,

"তোরা দু'জনে কি জানতি না, এই পরিবারে নিজেদের মধ্যে প্রণয় ঘটানো নিষেধ? জেনে বুঝে নিষিদ্ধ প্রণয়ে জড়িয়েছিস দুজন। এখন একটু আকটু ঝড়ের মোকাবেলা তো করতেই হবে।"

মাঝখান থেকে নীরব ফোড়ন কেটে বললো,

"তুই একটু বেশিই ভাবছিস তুবা। আরে, আমি তো এমনিই বলেছিলাম কথাটা। শিওর হয়ে তো বলিনি। হতে পারে রিয়ার বিয়ের কথা হচ্ছে। মৌ আপুর পরে সিরিয়ালে রিয়া আছে। ঘরে বিয়ের উপযুক্ত মেয়ে রেখে কি কেউ ছেলের বিয়ের কথা ভাববে? তুই না আসলেই বুদ্ধু।"

নাকমুখ কুঁচকে কথাগুলো বললো নীরব। এই পর্যায়ে তুবা চিন্তায় পড়ে গেলো। আসলে কার বিয়ের কথা হচ্ছে? রিয়ার নাকি কৌশিকের? ভাবতে ভাবতে মাথাটা ঝিম মেরে আসলো। পেটের মধ্যে মুচড়ে উঠছে। অতিরিক্ত চিন্তায় প্রেসার নেমে গেছে হয়তো। পেট গুলিয়ে বমি পাচ্ছে। তুবা দুই হাতে মুখ চেপে ধরলো। অবস্থা বেগতিক দেখে কপাল চাপড়ালো রিয়া। তুবাকে ধরে উঠিয়ে দোতলার সিঁড়ি ধরলো। যেতে যেতে নীরবকে বলে গেলো,

"ছোটো মাকে দুটো ডিম সেদ্ধ আর গরম দুধ আনতে বল তো। তুবার মনে হয় প্রেশার ফল করেছে।"

-

-

রিয়ার প্রচেষ্টায় তখন তুবা খানিকটা সুস্থ হলেও মন থেকে সন্দেহ যাচ্ছে না। মনের সন্তুষ্টির জন্য সেই সকাল থেকেই নিজের মায়ের পেছন পেছন ঘুরছে। ঘ্যান ঘ্যান করে জানতে চাইছে কার বিয়ের আলোচনা হলো ঘরে। ময়না বেগম কয়েকবার চোখ রাঙিয়ে তাকালেন মেয়ের দিকে। বড়দের কথা আড়িপেতে শোনার জন্য মেয়েকে কয়েক দফা ধমকও দিলেন। জোর জবরদস্তি কলেজেও পাঠাতে চাইলেন। কিন্তু নাছোরবান্দা তুবা মায়ের পেছন থেকে এক পাও নড়লো না। সত্যিটা না জানা পর্যন্ত সে ঠিক মতো খেতেও পারছে না।

ঠিক এভাবেই ছটফট করতে করতে সকাল পেরিয়ে দুপুর গড়ালো। বাড়ির রমনীগণ রান্নাঘরে দুপুরের খাওয়ার আয়োজন করছেন। তুবা তখনও ময়না বেগমের পেছন পেছন ঘুরছে। ওকে বিড়ালছানার মতো আঁচল ধরে ঘুরতে দেখে আরও এক দফা ধমক দিলেন ময়না বেগম। এরপর তরকারির বাটি নিয়ে ডাইনিং টেবিলের দিকে চলে গেলেন। কনকচাঁপা বেগম চেয়ার ঠিক করছেন। রান্নাঘরে বর্তমানে আছেন শুধু মেজো চাচি নাইমা বেগম। তুবাকে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তিনি হাত ধরে টেনে তুবাকে কাছে নিলেন। তুবার থুতনিতে আলতো করে হাত রেখে প্রশ্ন করলেন,

"কি হয়েছে আমাদের চড়ুই পাখির? এতো তুড়ুৎ ফুরুৎ করছিস কেনো?"

তুবা যেনো মোক্ষম সুযোগ খুঁজে পেলো। খপ করে নাইমা বেগমের হাত ধরে ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বললো,

"ও মেজোমা। বলো না। কার বিয়ের কথা হচ্ছে বাড়িতে? মাকে তখন থেকে জিজ্ঞেস করছি কিন্তু বলছে না।"

"জানতে চাস?"

"হ্যা খুব চাই। বলো না প্লিজ।"

নাইমা বেগম ঘুরে দাঁড়ালেন। চাকু দিয়ে টমেটো কাটতে কাটতে জবাব দিলেন,

"বলতে পারি। কিন্তু লজ্জা পাবি না তো?"

"আমি কেনো লজ্জা পাবো?"

"ওমা! নিজের বিয়ের কথা শুনে মেয়েরা লজ্জা পায় না বুঝি? তোরই তো বিয়ের কথা চলছে। রামিম ভাইয়ের মেয়ের বিয়েতে গেছিলাম না? সেখানে একজন প্রস্তাব রেখেছে তোর জন্য। ছেলেটা খুব ভালো বুঝলি। তোর সাথে একদম মানানসই। কথাবার্তা মিলে গেলে তোদের আকদ করিয়ে রাখবে। রিয়ার বিয়ের পর তোকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে। এমনটাই কথা হচ্ছিল তখন। আর তোর......"

আচমকা ধুপ করে পাশে কিছু পড়ার শব্দে তিনি কাজ বাদ দিয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালেন। রান্নাঘরের মেঝেতে তুবার জ্ঞানহীন দেহটা লুটিয়ে পড়তে দেখে দুই হাতে মুখ চেপে চিৎকার করে উঠলেন। নাইমা বেগমের গলা ফাটানো চিৎকার শুনে বাড়ির ছোটো বড় সবাই ছুটে এলো রান্নাঘরে।

রান্নাঘরের মেঝেতে জ্ঞানহীন তুবাকে পড়ে থাকতে দেখে আঁকতে উঠলো সবাই। তাওহীদ সাহেব দৌড়ে এসে মেয়েকে টেনে তুললেন। মাথার পেছনে হাত রাখতেই চটচটে আঠালো র**ক্তে ভিজে উঠলো হাত। ইতিমধ্যে ময়না বেগম আহাজারি করে কাঁদতে শুরু করেছেন। কনকচাঁপা বেগম তাকে নিজের বাহুডে আগলে নিয়েছেন। মেয়ের মাথার পেছনে র**ক্ত দেখে তাওহীদ সাহেব দিশেহারা। কি করবেন না করবেন কোনো দিশা খুঁজে পাচ্ছেন না। পেছন থেকে জামাল সাহেব তাড়াহুড়ো কন্ঠে বললেন,

"ওকে ওঠা তাওহীদ। হাসাপাতালে নিতে হবে।"

বড় ভাইয়ের ডাকে যেনো সংবৎ ফিরে পেলেন তাওহীদ সাহেব। পাঞ্জাবির হাতায় চোখ মুছে মেয়েকে কোলে তুলে নিলেন। এরপর ছুটলেন গাড়ির দিকে। যত দ্রুত সম্ভব মেয়েকে হসপিটালে নেয়া চাই।

-

-

প্রায় আধা ঘন্টার ব্যাবধানে হসপিটালে পৌঁছেছে সকলে। পুরো রাস্তায় একেবারের জন্যও তুবার জ্ঞান ফেরেনি। হসপিটালে পৌঁছানোর পর নীরব কৌশিকের নাম্বারে ফোন লাগালো। দুইবার রিং বাজতেই ফোনটা রিসিভ করলো কৌশিক। তবে নীরবকে কিছু বলতে না দিয়ে কৌশিক ছোট্ট করে বললো,

"মিটিংয়ে আছি। পরে কথা বলছি।"

এটুকু বলেই ফোন কেটে দিলো। অসহায় নীরব আবারও ফোন লাগালো। বারে বারে ফোন করতে দেখে ফোনটা সাইলেন্ট করে রাখলো কৌশিক।

এদিকে ভেতরে তুবার ট্রিটমেন্ট চলছে। বাইরে পরিবারের সবাই অস্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নীরব আর রিয়া সমানতালে কৌশিকের নাম্বারে ডায়াল করছে।

গুরুত্বপূর্ণ মিটিং হওয়ায় ফোনের দিকে নজর দিলো না কৌশিক। কিন্তু মিনিট দশেক যাওয়ার পর টাইম দেখতে ফোনটা হাতে নিলো। এই দশ মিনিটে নীরবের নব্বই প্লাস এবং রিয়ার আশি প্লাস মিসড কল দেখে ভ্রুদ্বয় কুঁচকে গেলো কৌশিকের। এমন পাগলের মতো ফোন করার মানে কি? খটকা লাগলো কৌশিকের। সে এক মিনিটের বিরতি নিয়ে বাইরে এসে কল ব্যাক করলো। নীরব যেনো ফোন হাতে নিয়েই ছিলো। রিং বাজতেই সাথে সাথে রিসিভ করলো নীরব। গরম সুরে ঝারি মেরে উঠলো,

"ফোন কেনো উঠাচ্ছো না তুমি?"

"বললাম তো মিটিংয়ে আছি। এতো ফোন দিচ্ছিস কেনো?"

"থাকো তুমি তোমার মিটিং নিয়ে। এদিকে তুবা হসপিটালে। মাথা ফাটিয়ে ম*র*তে বসেছে।"

নীরবের কথা শুনে সহসা চমকে উঠলো কৌশিক। বুকের ভেতর কোনো ভারি বস্তু দ্বারা স্ব জোরে বাড়ি লাগলো যেনো। দিন দুনিয়ার জ্ঞান হারিয়ে ফেললো কৌশিক। কাঁপা কাঁপা কন্ঠে কোনোমতে বললো,

"কিহ্! আম... আমি আসছি।"

ব্যাস! এতটুকুই বলার শক্তি পেয়েছে কৌশিক। ফোনটা কোনোমতে পকেটে পুরে উদ্ভ্রান্তের মতো দৌড়ে বেরিয়ে গেলো অফিস থেকে। ভুলেই বসলো মিটিংয়ে কথা। চাকরি গেলে যাক। তাতে কৌশিকের কিচ্ছু যায় আসে না। তুবার আগে কোনোকিছু নয়। এমনকি কৌশিকের নিজের প্রাণও নয়।

-

-

নীরব ফোন কাটার পরপরই ভেতর থেকে ডক্টর বেরিয়ে এলেন। পরিবারের সবাই ছুটে গেলো ডাক্তারের কাছে। তাওহীদ সাহেব কাঁপা কাঁপা কন্ঠে জিজ্ঞেস করলেন,

"ডক্টর! আমার মেয়ে কেমন আছে? ওর বড় কোনো ক্ষতি হয়নি তো?"

ডক্টর মুখ থেকে টান দিয়ে মাস্কটা খুলে ফেললেন। এরপর দুই হাত নাড়িয়ে চাড়িয়ে বোঝানোর ভঙ্গিতে বললেন,

"পেসেন্ট এখন ঠিক আছেন। শক্ত কিছুর সাথে লেগে মাথার পেছনে একটু কেটে গেছে মাত্র। তবে ক্ষত খুব বেশি গভীর নয়। দুটো সেলাই দিতে হয়েছে। নাউ, শি ইজ আউট অফ ডেঞ্জার।"

ডাক্তারের সান্ত্বনা বাণী শুনে দেহে যেনো প্রাণ ফিরে পেলো সবাই। তুবা ঠিক আছে শুনে সকলে প্রাণ ভরে শ্বাস টানলো। মাথার ওপর থেকে দুশ্চিন্তার ছায়াও নেমে গেলো। সবাই একে একে যখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ছিল ঠিক তখনই সবার শ্বাস আটকে দিতে ডক্টর বলে উঠলেন,

"ও হ্যা! আরও একটা কথা। পেসেন্টের দিকে একটু খেয়াল রাখবেন। এমন ঘটনা যেনো দ্বিতীয়বার না ঘটে। আপনাদের মেয়ে প্রেগনেন্ট। সুতরাং এমন ঘটনা আবারও ঘটলে বাচ্চা মিসক্যারেজ হওয়ার সম্ভবনা আছে। ওয়েল, পেসেন্টের জ্ঞান ফিরেছে। আপনারা দেখা করতে পারেন।"

নিজ উদ্যোগে কথাগুলো বলেই চলে গেলেন ডক্টর। রেখে গেলেন পাথর বনে দাঁড়িয়ে থাকা পরিবারের সদস্য গুলোকে। প্রতিটা সদস্যই যেনো মোমোর মুর্তি বনে গেছে। তুবা প্রেগনেন্ট কথাটা শুনে সবার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। হতভম্ব পরিবারের সদস্যরা কথা বলতে ভুলে গেছে যেনো। অবিবাহিত মেয়ে প্রেগনেন্ট হলো কিভাবে? এটা কি আদৌ সম্ভব?

চলবে?

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১২তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন