ফন্ট সাইজ:
থিম:
দ্য ডার্ক প্রিন্স

পর্ব 2

লেখক: সামিয়া মির্জা

তোমাদের এখানে ডাকার কারণ অনেক বড় ছো তোমরা আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনো এটা অনেক ইমপোর্টেন একটা মিশন হতে চলেছে ।
কথাটা বলে সুপ্রিমু হাইড বোর্ডে চীনের পুরোনো একটা শহরের ভিডিও বের করেন যেখানে দেখা যাচ্ছে বাম পাশে শহর আর ডান পাশে সব জঙ্গল তবে শহরের উত্তর পাশে একটা বিশাল সমুদ্র যার নাম হেনান হেনান সমুদ্রের পাশ ঘেঁষে এক জঙ্গল যেখান থেকে দূরদূরান্ত পর্যন্ত শুধু জঙ্গল আর জঙ্গল তবে মাঝে দুই একটা নদী আছে আর এই জঙ্গলকে চীনের মানুষ এক নামে চেনে ভ্যালেরিয়ান শুধু এখানেই শেষ নয় জঙ্গলের পুর্ব পাশে অবস্থিত প্রায় বিশটারও বেশি উঁচু উঁচু পাহাড় যেগুলো থেকে নিচে তাকালে পুরো লুওয়াং শহরসহ হেনান সমুদ্র সবকিছু খুব ভালো করে দেখা যায় ।
:- তোমারা নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে খবর পেয়েছো চীনের প্রাচীন শহর গুলোর মধ্যে অন্যতম ঐতিহাসিক শহর হলো লুওয়াং হাজার বছরের ইতিহাস, পুরোনো রাজপ্রাসাদ আর রহস্যময় স্থাপত্য আর প্রাচীন ঐতিহ্যে ঘেরা ওই শহর লুওয়াং শহরের এক নির্জন পাহাড়ের পিছনে অবস্থিত বিশাল এক প্রাচীন প্রাসাদ যার নাম দ্য ডার্ক হাউজ শহরের সাধারণ মানুষ প্রাসাদটির নাম শুনলে তাদের চেহারা পাল্টে যায়
কারণ কথিত আছে সেই প্রাসাদে বসবাস করে এমন এক পরিবার যারা শত শত বছর ধরে মানুষের চোখের আড়ালে তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে প্রাসাদটির চারপাশে রয়েছে বিশাল ঘোনো বন যেই বনে প্রবেশ করার সাহস খুব কম মানুষেরই আছে যেখানে দিনের আলো ঠিক মতো পৌঁছাতে পারে না রাত নামলেই পুরো জঙ্গল কুয়াশায় ঢেকে যায় লোক মুখে শোনা যায় ওই জঙ্গললে যে যায় সে আর কখনো ফিরে আসে না তবে এটা কতটা সত্যি এটা আমি তুমি বা আমরা কেউই জানি না।
একাধারে সুপ্রিমু জিহান কথা গুলো বলছে আর হাইড বোর্ডের ভিডিও টা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সবাইকে দেখাচ্ছে কিছুক্ষণ থেমে সামনে ঘুরে আবার বলা শুরু করে ।
:- এটা সত্যি নাকি মিথ্যা আমরা কেউই জানি না তবে এটা মিথ্যা হলে শুধু কিছু মানুষ বলতো বাট চীনের তিন ভাগের দুই ভাগই এসব কথা বলে ছো আমরা চাচ্ছি আমাদের টিম নেক্সা মিশন হিসেবে চীনে যাবে এবং এটা কতটা সত্য এটা যাচাই করে নেক্সা পজিশন নিবে কেননা কোনো মতে যদি এই রহস্যটা বের করতে পারি এবং এর কোনো বিহিত করতে পারি তাহলে বাংলাদেশ উঠে যাবে পৃথিবীর উন্নত দেশের ভিতর একটি তার থেকে বড় কথা যদি আমরা কিছু করতে পারি তাহলে আমরা উচ্চ পদে সাথে দেশের প্রত্যেকটা মানুষের মুখে মুখে আমাদের নাম থাকবে আর আমরা এসব নিয়ে অনেক রিসার্চ করতে পারবো এই বনে কি আছে এসব নিয়ে গবেষণা সাথে বিভিন্ন স্যামপল নিয়ে বিভিন্ন রিসার্চ করতে পারবো তো তোমরা কি চাও । সবার দিকে তাকিয়ে সুপ্রিমু বলে সুপ্রিমুর কথা শুনে কারো অবিভক্তি কোনো কিছু পাল্টাইনি আর কেউ কিছু বলেওনি এটা দেখে সুপ্রিমু কিছু টা বিরক্ত হয়ে বলে
:- আমি এতোক্ষণ ধরে তোমাদের কিছু বলছি তা কি তোমরা শুনেছো দেখো এটা নিয়ে কোনো ফাজলামি করো না এটা অনেক ইমপোর্টেন তোমরা কি বুঝতে পারছো ।
সুপ্রিমুর কথা শুনে এবার লুনারা বিরক্ত হয়ে বলে
:- আমরা আপনার কথা শুনেছি এবং আমরা আপনার কথা বুঝার চেষ্টা করছি
লুনারার কথাই সবাই হ্যাঁ তে হ্যাঁ মেলাই
:- শাহরিয়ার সুপ্রিমুর কথা অনুযায়ী আমাদের এখন চীনে রিসার্চ এর জন্য যেতে হবে কেউ যেতে না চাইলেও যেতে হবে সে একবার যখন বলছে তখন যেতেই হবে সুপ্রিমু কে তোমরা তো ভালো ভাবেই চেনো তো তোমরা সবাই ভালো ভাবে প্রস্তুতি নেও আগামী 26 সে জুনে আমরা যাবো
সুপ্রিমের কথা শুনে স্মৃতি কিছুটা ইতস্ত নিয়ে বলে উঠে
:- কিন্তু স্যার আমাদের তো পাসপোর্ট আছে কিন্তু ভিসা নেই এখন কি করবো
:- সেটা তোমাদের ভাবতে হবে না তোমরা শুধু প্রস্তুতি নেও এতেই হবে
বলে সিনিয়র সপ্রিমু এখান থেকে চলে যান।
তিনি চলে যাওয়ার সাথে সাথে সবাই একটা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ফেলে
:- জীবনে প্রথম বাইরের দেশে রিসার্চ এর জন্য যাবো তাও আবার এমন জায়গায় যেখানে গেলে ফিরে আসতে পারবো কি না আল্লাহ যানে
রিহানের কথা শুনে সবার মনে পরে যায় যে সুপ্রিমু বলে ছিলো ওই জঙ্গলে গেলে কেউ আর ফিরে আসে না মূহুর্তেই সবাই চিন্তাই পরে গেলো এখন কি করবে না গেলেও হবে না।
:- আল্লাহ এখন কি করবো আমার এখনো বিয়ে হয়নি আমার বিয়ে হবে একটা সুন্দর সংসার হবে আমার বাচ্চা হবে কতো কি স্বপ্ন ছিলো আমার
লুনারার কথা শুনে সবাই চিন্তার মধ্যে হেসে দেই তখনি মেহজাবিন বলে
:- আমি শুনেছি ওখানে একটা ভ্যাম্পায়ার থাকে তবে এটা সত্যি কিনা জানিনা!
মেহজাবিন এর কথা শুনে সবাই একসঙ্গে বলে ওকে
:- আরে ভ্যাম্পায়ার বলতে কিছু হয় না
:- আচ্ছা যাই হোক যদি মারা যায় তহলে তো আর ঘুরতেও পারবো না খেতেও পারবো না সাজতেও পারবো না কিচ্ছু করতে পারবো না তাহলে চল মরার আগে কোথা থেকে ঘুরে আসি
স্মৃতির কথা শুনে সাগর সাথে সাথে হ্যাঁ মেলাই এটা দেখে রিশকা সাগরকে বলে
:- কিরে সাগর মুল্যা তোরে তো কেউ মেরে ফেললেও তুই কোথাও যাস না তাহলে স্মৃতির কথাই হ্যাঁ বললি কেন
সবাই সাগরের দিকে বিস্ময় দৃষ্টি নিক্ষেপ করে আছে সাগর বুঝতে পারেনি যে ওর আসে পাশে কিছু শিয়াল উত পেতে রয়েছে নিজের অভার রিঅ্যাকশন বুঝতে পেরে জিহ্বাই কামর দিয়ে কিছু হয়নি এমন ভাব নিয়ে বলে ‌।
:- আরে তেমন কিছু না আমিও ভাবছিলাম যে মারাই তো যাবো তার আগে কোথাও ঘুরে আসলে মন্দ হয় না তাই আর কি বললাম......!

চলবে ইনশাআল্লাহ

[ লেখাই কোনো ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক উপন্যাস বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই ]

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 2 শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন