নিজ ইচ্ছায় পড়ুন এখানে রোমান্টিক পার্ট আছে।
তোমাকে মারবো যতসব ঢং নূর ভেংচি কেটে বলল শ্রাবণ তোহ অবাক আর এদিকে মেহের বারবার ইশারা করছে তবে কে শুনে কার কথা তারপর নূর বলল : আমরা ফুচকা খেতে আসছি আপনার কি আপনার সমস্যা নাকি, Hey badass girl চুপ করো নূর ভয় পায় গেলো হঠাৎ কোনো কথা ছাড়া শ্রাবণ নূর এর হাত টেনে নিয়ে গেলো গাড়ির ওদিকে যাওয়ার আগে মেহেরকে বলল তুই আয় তারপর নূর আর মেহের গাড়িতে বসল শ্রাবণ : দারাও তোমরা আমি আসছি শ্রাবণ ফুচকারদোকানে এসে সব ফুচকা নিয়ে গেছে গাড়িতে এসে রাখল নূর আর মেহের অবাক নূর : আল্লাহ এত ফুচকা দিয়ে কি করবেন আপনি ব্যবসা করবেন নাকি শ্রাবণ : না তোমাদের দুজন কে আজ ইচ্ছে মত খাওয়াবো নূর আর মেহের বলল : কেন আমরা কি পেটুক শ্রাবণ কিঋু বলল না ড্রাইভিং ছিটে বসে গাড়ি চালিয়ে বাসায় গেল যেয়ে অর্ধেক মেহের কে দিলো আর অর্ধেক নূর কে নিয়ে ঘরে গেল যেয়ে দরজা বন্ধ করে বলল: এইগুলো সব খাবা নাহলে আমি তোমাকে খাবো নূর : কিহহ এতগুলা আমি খাইতে পারবো না, ok i will eat you now, না না খা খাচ্ছি, ওকে খাও তারাতাড়ি নূর মনে মনে বলল আল্লাহ এবার এই দরজাল থেকে বাইর হতে দেও আর জীবনেও এর কাছে আসবো না এখন আমি এইগুলো সব খাবো কি করে, কি হলো খাও না কেন, হ্যা হ্যা খাচ্ছি তারপর অল্প খেয়ে আর খেতে পারল না, ভাইই আমি আর পারব না মাফ করে দেন আবার পরে খাবো নে, আমি তোমার কোন জন্মের ভাই লাগি, তাহলে কি বলবো, কিছু না তো তাহলে খেতে পারলে না শ্রাবণ শাট খুলে নূরের কাছে আস্তে লাগলো নূর ভয়ে পুছে আগালো নূরের শরীল কাপছিলো শ্রাবণ নূর কে ধরে ওর কাছে যায় কোনো কথা ছাড়ায় লিপ কিস করে নূর অবাক হয় গেল ১০ মিনিট পর ছাড়ে দুজনেই হাঁপাচ্ছে শ্রাবণ বলল: নূর তুমি এখন যাও নাহলে অন্য কিছু করে ফেলব নূর ভয় পেয়ে যায় অবশ্য কান্না ও করছে তারপর নূর তারাতাড়ি বাইরায় যায় নূর মনে মনে বলে আল্লাহ এটা কি হলো।
পরেরদিন রাতে
নূর আর মেহের বসা ছিলো নূর বলল মেহের তোকে একটা গান শুনাই, আচ্ছা ভাবী শুনাও তোর মতন আর নেই তো বেইমান
আমায় গেলি ভুলে...!! মধু পান করে বেড়াশ
বসে ফুলে ফুলে.... উচকায় নিয়ে পুচকে দিলি...!! মধু খেয়ে ভুলে গেলি..!!
উচকায় নিয়ে পুচকে দিলি...!! মধু খেয়ে ভুলে গেলি..!! তোকে ধরতে পারলে..!! কোমরে দেবো দড়ি রে..!! মন যে আমার করলি তুই চুরি.... চুরি রে...হৃদয়ে মারলি প্রেমের ছুরি রে.. মন যে আমার করলি তুই চুরি..!! কে করল চুরি শুনি পিছ থেকে শ্রাবণের কন্ঠ পেয়ে বলল কই কেও নাতো হঠাৎ নূরের ফোন বেজে উঠল মেহের ফোনের রিংটোন শুনে হাসতেছে আর শ্রাবণ বাকবনে গেল এটাও মানুষ রিংটোনে দেয়,
ফোনের রিংটোন : Vaiyaaaa
kiya vhaiya
Ahhhhh
panipuri kaoungi chapar chapar
Vaiyaaa hmhuhhmmm Fuchka kila dujiye pachar pachar( বাকিটা শুনে নিয়ে এই গানটা আমার ভালা লাগে🌚) নূর বলল: আ আমি যাই তারাতাড়ি ঘরে গেল বাপরে বাপরে কি অবস্থা আমার প্রাণ যায় গো আল্লাহ। এদিকে শ্রাবণ মনে মনে বলল : আচ্ছা এটার জন্য পরে বুঝাবো বেবি 😁। রায়হান মির্জা আসছে সবাইকে ডাকলো তারপর এক এক করে সবাই নামলো প্রথমে মেহের তারপর শ্রাবণ শেষে নূর মেহের যেয়ে রায়হান মির্জার সাথে বসে আছে মেহের এর পাশে শ্রাবণ আর নূর এক কোনায় দেখছে মন খারাপ তার বাবা ও কোথাও থেকে আসলে সেও যেতো দূরে এমন সময় রায়হান মির্জা নূর কে মিন করে বললো একজন হয়ত আমাকে বাবা হিসেবে মানে না নাহলে আমার কাছে আসতো তারপর নূর বললো আমাকে বললেন বাবা রায়হান মির্জা বললেন হ্যা আমাকে তো বাবা মানো না নূর আমতা আমতা করে বললো : ছি ছি বাবা কি বলেন, তাহলে এদিকে আসো তারপর রায়হান মির্জা বললেন নূর কে : মা কেমন আছো নূরের চোখে পানি টলমল করছে তাকে মা বলে ডাকায় নূর: জী আলহামদুলিল্লাহ ভালো বাবা আপনি কেমন আছেন, আলহামদুলিল্লাহ ভালো মা তুমি কাদো কেন বাবার জন্য কস্ট লাগে বাবার জন্য আর কাদে লাগবে এইযে আমি বাবা নাজিয়ার দিকে হাত উঠিয়ে বলল ওইযে ওটা তোমার মা আমরা বাবা মা, আচ্ছা বাবা তারপর যে যার ঘরে গেল রায়হান ঘরে বসে আছে পাশে নাজিয়া চুল আচরাছে কি গো আমার পাখি তুমি কেমন আছেন নাজিয়া এই তো ভাল নাজিয়ার কপালে একটা চুমু দিলো। ওদিকে নূর ঘরে গিয়ে ওর বাবা মার সাথে ছবি বের করল তারপর ওনাদের উদ্দেশ্য বলল: মা বাবা আমার আরেকটা মা বাবা হইছে কিন্তু তোমাদের জন্য আমার পরাণ পুড়ে বাবার উদ্দেশ্য গান বলল নূর : তুমি আকাশ আমি পাখি
মেলেছি আকাশে ডানা
বাবা তোমায় ছাড়া
কেউ দেয় না সারা
আমি দিশেহারা
পলকেই।
ভাবী ও ভাবী নূর : আসছি দারা তারপর গেট খুলে দিলো মেহের বলল: ভাবী ভাইয়া ডাকে, কিহ আমাকে, হ্যা আচ্ছা তারপর নূর গেল শ্রাবণ এর কাছে নক দিয়ে বলল : আসবো, শ্রাবণ বাকা হেসে বলল হ্যা আসো নাকি কোলে নিয়ে আসবো, না না আসছি, আমাকে ডাকছেন, হ্যার ডাকছি শুনো আমি তোমাকে বউ হিসেবে মানি তবে আমার খালামুনিরা আসবে তারজন্য এইকয়দিন আমার ঘরে থাকবা, আচ্ছা এবার আমি বলি প্রথম ওতো আমি আপনাকে স্বামী হিসেবে মানি আর দ্বিয়তো আমি আপনার সাথে থাকবো না, আমি যা বলছি তাই করবা নাহলে এর ফল ভালো হবে না, আমি করব না কি করবেন শ্রাবণ বলল: রাগিও না আমায়, ওমা আপনাকে আমি রাগাবো কেন যেটা সত্যি সেটা বলছি সে আমি আপনার সা আর বলতে পারল না তারআগেই গালে শুক্তপক্ত থাপ্পড় খেলো নূরের গালে পাঁচটা আঙুলের ছাপ পরে গেছে, নূর বলল আমাকে মারেন টারেন যাই করে আমি আপনার সাথে থাকবো না তো নাই শেষ কথা, এবার শ্রাবণ বুজলো একে এভাবে হবে না তাই শার্টের বুতাম খুলতে খুলতে এগোতে থাকলো আর নূর পিছাতে পিছাতে একবারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে নূর আমতা আমতা করে বলে : ক ক কি করছে, শ্রাবণ : তোমাকে সোজা করছি, আমি সোজায় আছি, তারপর আর কোনো কথা ছাড়া ঠোঁটে একটা লাফ কিস দিলো, এখন থেকে এই ঘরে থাকবা নাহলে আরো অনেক কিছু করব কিন্তু যাও সব নিয়ে আসো, নূর ভয়ে দুরে গিয়ে সব নিয়ে আসে শ্রাবণ : good girl তারপর মনে মনে বলল: এবার আমার জালে ফেঁসেছো বেবি তোমাকে এত সহজে ছাড়ছি না একবারে বিছানার থেকে উঠতে দিবো না , নূর নিচে যায় শ্রাবণ মেহের সবাই যায় খাওয়ার জন্য হঠাৎ রায়হান মির্জা বললো নূর তোমার গালে থাপ্পড় এর ডাক কেন শ্রাবণ মেরেছে নূর মাথা নিচু করে আছে, রায়হান বলল : শ্রাবণ এটা ঠিক করোনি ওকে মারছো কেন, শ্রাবণ রেগে বলল: আমার বউ আমি মারছি টানসি নাকি ওকে খাবো তা আমার ইচ্ছে তুমি তোমা বউকে করো তাকে আমার কি আমার তো কিছু আসে যায় না আমার বউ কে করলে তোমার কি।