এক ঘরারই মোটর আমার,
তিন ইঞ্চি পাইপে
গড়গড়ায়া পড়ছে পানি
ত ঘুম আসে না রাতে
কোথায় রইলা সোনা বন্ধু
কোথায় রইলা সোনা বন্ধু
দেখো না আসিয়া রে পরছে গরগরাইয়া
আমার মটর থেকে উঠছে পানি পরছে
গরগরাইয়া ( নার্গিস গান আমার অনেক ভালো লাগে দেই খালি 🙂🌚)
বেব আমার তোহ ৩ ইঞ্চি না আমার ৮ ইঞ্চি আর তুমি তো মেয়ে তাহলে তোমার পাইপ কোথায় আমার পাইপ আছে পিছন থেকে শ্রাবণ এর গলায় এসব কথাশুনে সব লজ্জায় শেষ, আচ্ছা বাট দেও নূর একটু ঘরে আসো তোহ নূর: কেন, আসো তোহহহ বেশি কথা তারাতাড়ি আসো, আচ্ছা আসতাছি তারপর নূর ঘরে যায় নূর: কি ডাকছেন কেন, শ্রাবণ যেয়ে নূর কে কোলে নিয়ে বসলো তারপর কোনো কথা ছাড়ায় লিপ কিস 🌚 লিপ কিস করার সনয় শ্রাবণ এর হাত নূরের বুকেই ছিলো বুকে নিচে যাচ্ছে হাত নূর : বলল সরুন আমি বাহিরে যাবো ছাড়েননন হাত আনে নিচে চাপ দিতেই নূর চিল্লিয় ওঠলো তার হাতটা আরও একটু নিচে নেমে গেল। বুকের নিচে। নূরের পোশাকের ওপর দিয়েই। চাপ দিল—আস্তে, কিন্তু নিশ্চিতভাবে।
নূর চিৎকার করে উঠল।
“আহ—!”
চিৎকারটা লজ্জার। ভয়ের। আর একটুখানি… অনুভূতির।কিছুক্ষণ পর শ্রাবণ ধীরে ধীরে ঠোঁট সরিয়ে নিল। নূরের কপালে কপাল রেখে ফিসফিস করে বলল—
“এখনো বাইরে যেতে চাও?”
হ্যা আমি যাবোো
নূর চোখ খুলল। চোখে জলের মতো একটা আর্দ্রতা। ঠোঁট ফোলা। শ্বাস দ্রুত। তারপর নূর কে ছাড়ল নূর বাহিরে গিয়ে প্রথমে মেহেরের কাছে যা ওরা তখনো গল্প করছিল নূর এগিয়ে গেল।
মেহের প্রথমেই তাকে দেখতে পেল। হাসি মুখে বলল—
“এই যে! এতক্ষণ কোথায় ছিলে? আমরা তো ভেবেছিলাম তুমি ঘুমিয়ে পড়েছ।”মেহের একটু কৌতূহলী হয়ে তাকাল।
“কি হয়েছে? মুখটা এমন লাল কেন?”
নূর জোর করে হাসি দিল। খুব হালকা।
“কিছু না। গরম লাগছিল, তাই…”একটু পর মেহের তার কাঁধে হাত রাখল।
“ঠিক আছ তো?”
নূর মাথা নাড়ল।
“হ্যাঁ। একদম।”
একটু পর মেহের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে উঠে দাঁড়াল।
“এই যে, অনেক হয়ে গেছে। এখন খাওয়া দরকার। রান্না তো প্রায় রেডি। চলো সবাই মিলে খাই।”
সবাই সম্মতি জানাল। কেউ কেউ চেয়ার ছেড়ে উঠতে লাগল। মেহের নূরের দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি শ্রাবণকে ডেকে আনো তো। ও তো এখনো ঘরের ভেতরে। একা একা কী করছে কে জানে।”নূর দাঁড়িয়ে রইল দরজার কাছে। গলা একটু শুকিয়ে এসেছে। আস্তে করে বলল—
“মেহের বলছে… সবাই মিলে খাব। তোমাকেও ডাকতে বলেছে।”মেহের হাসতে হাসতে বলল—
“আজ সবাই একসঙ্গে। ভালো লাগছে।”টেবিলটা লম্বা, কাঠের। মাঝখানে একটা সাদা টেবিলক্লথ পাতা, কোণগুলো একটু ভাঁজ হয়ে আছে। চারদিকে ছয়টা চেয়ার। সবাই বসে গেছে। মাঝে মাঝে কেউ উঠে দাঁড়িয়ে অন্যের থালায় কিছু দিচ্ছে।
মাঝখানে বড় একটা স্টিলের পাতিলে গরম ভাত। সাদা, নরম, ভাপ উঠছে। পাশেই আরেকটা বাটিতে মুরগির ঝোল—লালচে-বাদামি রঙ, মসলার গন্ধে ঘর ভরে আছে। আলু-ফুলকপির তরকারি আলাদা বাটিতে, ওপরে ধনেপাতা ছড়ানো। ডানদিকে একটা ছোট থালায় ভাজা বেগুন আর আলুভাজা, কড়কড়ে সোনালি রঙ। বাঁদিকে ডাল—হলুদ, ঘন, একটু ঘিয়ের ছোঁয়া।
মাঝে একটা গ্লাসে আচার—আম আর জলপাইয়ের মিশ্রণ, লাল তেলের ওপর ভেসে আছে। পাশেই একটা প্লেটে লেবু কাটা, দু-তিন ফালি। কেউ কেউ নিজের থালায় এক ফালি চেপে দিচ্ছে। বসে আছেন তাসফিয়া ইশরাক রেহানা সুলতানা শ্রাবণ মেহের নাজিয়া রায়হান আর নূর টেবিলে সবাই ব্যস্ত। ভাতের বাটি আবার ভরছে, ঝোলের চামচ বাজছে, কেউ কেউ আচার নিচ্ছে। বাইরে বৃষ্টির শব্দ এখনো আছে, কিন্তু ভেতরে গরম খাবারের সুবাস আর মানুষের গল্পে ঘরটা ভরে উঠেছে টেবিল এখন পরিষ্কার। চেয়ারগুলো সোজা করা। ঘরে আবার চায়ের গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে। সবাই বসার ঘরে চলে গেছে। কেউ সোফায়, কেউ চেয়ারে। গল্প আবার শুরু হয়েছে।
নূর জানালার পাশে গিয়ে বসল। শ্রাবণ উল্টোদিকের চেয়ারে। দুজনের মধ্যে পুরো ঘরের দূরত্ব। কিন্তু নূরের কোমরে এখনো সেই হাতের ছোঁয়া লেগে আছে।
সে চায়ের কাপ হাতে নিল। গরম। আঙুল পুড়ে যাওয়ার মতো। তবুও ধরে রাখল। সবাই চা নিয়ে বসেছে। ঘরে একটা নরম আলো জ্বলছে। বৃষ্টি থেমে গেছে, জানালার বাইরে ভিজে পাতা ঝরছে। কথাবার্তা একটু থেমে এসেছে। সবাই একটু ক্লান্ত, একটু শান্ত।
হঠাৎ মেহের উঠে বসল।
“ইশরাক, ততুই একটা গান গা না। অনেকদিন শুনি না।”
ইশরাক সোফার কোণায় বসে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে হাসল। সে একটু লজ্জা পেল, কিন্তু সবাই চাইতে থাকলে সে কাপটা নামিয়ে রাখল। গলা পরিষ্কার করে নিল।
ঘরে একটা নীরবতা নেমে প্রেম তো বুঝিনি
আগে তো খুজিনি
আজ কি হল রে
,,,,, আমায়,তুইত
ছিলি বেশ
লুকিয়ে বিন্দেশ
ইচ্ছে নিয়ে পালাবার...
তুই ছাড়া না এই মন বাঁচে
তুই ছাড়া আর বল কি আর আছে
আয় চলে আয় আমার কাছে আয়
গান শেষ হলে একটা লম্বা নীরবতা রইল।
তারপর মেহের হাততালি দিল। সবাই হাততালি দিল। ইশরাক লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে হাসল।
“ভালো লাগল,” কেউ বলল।ঘরে গান শেষ হয়েছে। কথাবার্তা চলছে। কেউ কেউ হাসছে। কিন্তু নূর আর শ্রাবণের জগৎ এখন আলাদা। তারা একই ঘরে বসে আছে, অথচ দুজনের মন অন্য জায়গায়—যেখানে শুধু তারা দুজন, বৃষ্টির শব্দ, আর একটা অসমাপ্ত চুমু।
নূর চায়ের কাপটা নামিয়ে রাখল। হাত দুটো জড়ো করে বসল। শ্রাবণ উঠে দাঁড়াল, জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়াল—নূরের খুব কাছে। দুজনের কাঁধ প্রায় ছুঁয়ে যাচ্ছে। কেউ পেছন ফিরে তাকাচ্ছে না।
শ্রাবণ আস্তে করে ফিসফিস করল, শুধু নূরের জন্য—
“রাত হলে… কথা বলব।”
নূরের শরীর শক্ত হয়ে গেল। সে মাথা নাড়ল—না বলার মতো করে। কিন্তু চোখ বলল অন্য কথা।
শ্রাবণ আর কিছু বলল না। শুধু পাশ দিয়ে চলে গেল। নূরের কাঁধে তার শার্টের কাপড় একবার ছুঁয়ে গেল।
নূর চোখ বন্ধ করল।
ওর মনের ভেতর এখন শুধু একটাই কথা ঘুরপাক খাচ্ছে—
রাত হলে কী হবে?
পর্ব 5
পর্ব সম্পন্ন!
আপনি সফলভাবে পর্ব 5 শেষ করেছেন।
আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?
প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
Google Play থেকে অ্যাপ নামান