#প্রিয়_অক্টোবর
#সাদিয়া_তাসনিম
২৬.
ফারাবীর রুমের জানালাটা খোলা। উন্মুক্ত জানালা দিয়ে ভোরের আলো আর শীতল বাতাস রুমে আসছে। বাহিরে রোদ উঠতে শুরু করেছে। ফারাবীর ভোরের দিকে শুতে আসার কারণে আজ তাড়াতাড়ি ওঠা হয়নি। মৃদু রোদের ফালিগুলো ফারাবীর রুমের মেঝেছে এসে মেঝেতে পড়ে ফালি ফালি ছাপ ফেলছে। দূর থেকে পাখিদের কলকাকলি ভেসে আসছে কিন্তু এসবের কিছুতেই মেয়েটার ধ্যান নেই। ফারাবী তখনও গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, মেয়েটার ভ্রু কুঁচকানো, মাঝে মাঝে ঠোঁট কাঁপছে।
ফারাবী এক অন্ধকার জায়গায় দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। চারপাশ কালো,কুয়াশাচ্ছন্ন। ফারাবী কোথায় যাচ্ছে বুঝতে পারছে না। সে যত সামনের দিকে যাচ্ছে তার সামনেটা তত বেশি অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। তার গায়ে সাদা একটা পোশাক৷ লম্বা, সাদা পোশাকটা তাকে কেমন করে জড়িয়ে আছে। সে সামনের দিকে এগাতেই তার পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে গেলো। সে বিদ্যুৎ গতিতে নিচে পড়ে যাচ্ছে, অনেক নিচে। সে চারপাশের কালো কুচকুচে মাটি আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করলো কিন্তু সে ব্যর্থ হলো। একটা প্রচণ্ড শব্দের সাথে সে নিচে আছড়ে পড়ল। কোথায় পড়লো সে জানে না। ভয়ে মেয়েটা নিজের চোখ বন্ধ করে নিল৷ আস্তে-আস্তে চোখ পিটপিট করে খুললো। চোখ খুলতেই সে হতভম্ব হয়ে গেল, তার চারপাশে আগুন। লাল, কমলা রঙের ভয়ংকর আগুনের শিখা তাকে ঘিরে রেখেছে।সেই আগুনে কী জঘন্য তাপ! সেই তাপে তার শরীর ঝলসে যাচ্ছে। ফারাবী চারপাশে চোখ বুলিয়ে বুঝতে পারল সে একটা বিশাল আগুনের গর্তের মধ্যে পড়ে আছে। ফারাবীর শরীর জ্বলছে। তার মুখ থেকে আপনাআপনি বেড়িয়ে আসছে,
' আব্বু, আব্বু। আব্বু বাঁচাও, আব্বু। '
ফারাবী চিৎকার করে-করে তার বাবাকে ডাকছে। এতো জোরে চিৎকার করছে যে তার গলা প্রায় ভেঙে যাওয়ার উপক্রম। আগুনের তীব্র তাপ তাকে গিলে নিচ্ছে,ধোঁয়া তার শ্বাসরুদ্ধ করে দিচ্ছে। এখান থেকে বাঁচার আশায় সে হাত বাড়িয়ে দিল উপরের দিকে। কোনোভাবে উঠতে হবে, এই আগুন থেকে বেরোতে হবে তাকে। সে যখন উপরের দিকে উঠতে লাগলো সেই সময়ে সে দেখল।এই বিশাল গর্তের একদম উপরে, যেখানে আগুনের শিখা পৌঁছায়নি, সেখানে তার বাবা দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি নিচের দিকে তাকিয়ে আছেন। বারবার ফারাবীর দিকে তাকাচ্ছেন। শূন্য দৃষ্টিতে তিনি নিজের মেয়েকে দেখছেন।
'আব্বু বাঁচাও আমাকে।'
ফারাবী তার বাবাকে দেখে আরো জোরে চিৎকার করে বললো এবার মেয়েটার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে কিন্তু সেই পানিও আগুনের তীব্র তাপে বাষ্প হয়ে উড়ে যাচ্ছে। সে তার পা উঁচু করে হাত দুটো আরও উঁচু করে বাড়াল বাবার দিকে কিন্তু ফরাবীর বাবা কিছুক্ষণ চুপচাপ মেয়েটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর ধীরে ধীরে ঘাড় ঘুরিয়ে ফেললেন। তারপর মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং হাঁটতে শুরু করলেন। তিনি অনেক দূরে চলে গেলেন। অনেক দূরে। ফারাবীর কাছ থেকে দূরে। ফারাবী কত করে ডাকলো কিন্তু তিনি শুনলেন কই? তিনি মেয়ের কথা শুনতেই পারলেন না।
' আব্বু, আব্বু আমাকে ছেড়ে কোথায় যাচ্ছো? বাঁচাও আমাকে।'
ফারাবীর তার বাবাকে ডাকতে লাগলো। তার গলা ফেটে যাচ্ছে কিন্তু তার বাবা থামলেন না। একবারও পেছনে ফিরেও তাকালেন না। সামনের দিকে চলতে লাগলেন এবং এক সময়ে তিনিও অন্ধকারে মিলিয়ে গেলেন,সেটা দেখে ফারাবী উদগ্র হয়ে উঠলো। সে তার বাবাকে আবারও ডাকতে লাগলো। এদিকে আগুনের শিখা বাড়ছে। শিখাগুলো তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে নিল। সে অসহায়ভাবে তার বাবাকে ডাকতে লাগলো কিন্তু কোনো সাড়া পাচ্ছে না। হুট করে ফারাবী হুড়মুড় করে উঠে বসল৷ তার ঘুম ভেঙে গেছে। সারা শরীর ঘামে ভেজা, বুক দুরদুর করে ধড়ফড় করছে। মুখে হাত রাখলো সে। তার চোখমুখ ঘেমে একাকার, শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। চোখ দিয়ে পানি পড়ছে,হাত কাঁপছে। ভয়ে আস্তে আস্তে চারিপাশে সে নিজের চোখ বোলালো। সে দেখল সে নিজের রুমে আছে। সকালের ফালি ফালি রোদগুলো এসে পড়েছে তার উপরে। ফারাবী উঠে দাঁড়াল। সে জানালার কাছে এগিয়ে আসল। জানালায় থাকা সাদা পর্দাটা টেনে খুলে ফেললো। বাহিরে তখন পাখিরা ডাকছে।বাসার সামনের রাস্তা দিয়ে গাড়িঘোড়া চলাচল করছে,সবকিছু স্বাভাবিক। ফারাবী কপালে হাত দিলো। মুখে আসা চুলগুলো সরিয়ে ফেললো।
ফারাবী নিজেকে শান্ত করে বোঝাতে চাইল এটা একটা স্বপ্ন ছিলো। সে কয়েকবার গভীর শ্বাস নিল। হাত দিয়ে মুখের সব ঘাম মুছল। ফারাবী পা ঘুরিয়ে বাথরুমে গেল। মুখে পানি দিল। আয়নায় নিজের মুখ দেখল।তার মুখটা কেমন ফ্যাকাশে হয়ে আছে, চোখের নিচেও কালো দাগ পড়েছে। স্বপ্নটা এত বাস্তব মনে হয়েছে যে সে এখনও কাঁপছে।
ফারাবী নিজেকে শান্ত করে একটা ঢিলা টি-শার্ট আর স্কার্ট পরে নিচে নামল। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে সকলের দৌড়াদৌড়ির মতো অবস্থা দেখলো। তার ভ্রু কুঁচকে গেল। এত সকালে এত দৌড়াদৌড়ি কেন?
সে নিচে নেমে দেখল তাদের বাড়ির বসার ঘর পরিষ্কার করার বেশ তৎপরতা চলছে। ফারাবী এসব দেখে বিভ্রান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। সোহেল জুসের গ্লাস হাতে নিয়ে এই দিক থেকেই যাচ্ছিলো। তার চোখ ফারাবীর দিকে পড়লো। সে চোখ ঘুরিয়ে নিল। সেই ঝগড়ার পর থেকে দুজন কম কথা বলে। একে-অপরকে দেখলেও না দেখার ভান করে পাশ কেটে চলে যায়। ফরাবীও সোহেলকে দেখে মুুখ ঘুরিয়ে নেয়৷ সেও পা ঘুরিয়ে রান্নাঘরে চলে আসে। ফারাবীর মা মেয়েকে দেখে বলে উঠেন,
'ওঠেছিস? যা নাস্তা করেনে।'
'আম্মা, এসব কী হচ্ছে?' ফারাবী মায়ে কথা কানে না নিয়ে উল্টো জিজ্ঞেস করে বসে।
' আগে খাওয়া দাওয়া করে নে, তারপর বলছি।'
ফারাবীর মা কাজ করতে করতে ব্যস্ত গলায় বললেন। ফারাবী ডাইনিং টেবিলের কাছে গেল, চেয়ার টেনে বসল। মিতুর মা তাকে খেতে দিলো। ফারাবীর মা রান্নাঘর থেকে চিৎকার করে বললেন,
' ফারাবী আজ তোকে কলেজে যেতে হবে না।'
'কেন?'
ফারাবী খেতে-খেতেই চোখ কুঁচকে জিজ্ঞেস করল। সে তার মায়ের এমন ধারার কথার মানে বুঝতে পারল না।
' তোর আপুকে দেখতে আসবে।'
ফারাবীর মা আনন্দিত গলায় কথাটা বলেও। ফারাবীর চোখ ছোট্ট হয়ে গেলো। তারপর যখন সে কথাটার মানে বুঝতে পারলো তখন সে নিজের চোখ বড় করে বলল,
'আপুকে দেখতে আসবে মানে? বিয়ের জন্য?'
' বিয়ে ছাড়া আর কী জন্য লোক দেখতে আসে?'
ফারাবীর মা একটু বিরক্ত হয়ে বলল।
' তুমি আমাকে এসব আগে বলোনি কেন?'
' কালই কথা হয়েছে, তোকে বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু তোরই তো সময় হয়নি শোনার। '
ফারাবী উঠল। মায়ের কথায় পাত্তা দিলো না। সে হাতে টোস্টটা নিয়ে রান্নাঘরে গেলো। আনন্দিত গলায় জিজ্ঞেস করল,
' আম্মু ছেলে কেমন?'
' ছেলে আর ছেলের পরিবার দু'টোই খুব ভালো। '
' ছেলের ছবি দেখেছো?'
' আমার ফোনে আছে। '
'ছেলে কী করে?' ফারাবী আবারও গোয়েন্দাদের মতো জিজ্ঞেস করল।
' ওদের পারিবারিক ব্যবসা। সেটাই সামলাই।'
ফারাবীর মা মুখে হাসি নিয়ে বললেন।
'আম্মু আপু কী বলেছে?'
ফারাবী টোস্টে কামড় দিয়ে জানতে চাইল।
'তোর আপুকে তো চিনিসই।আমাদের কথার উপরে সে কখনও না বলে না। বলেছে তোমরা যা ঠিক মনে করো।'
ফারাবী মাথা নাড়ল। আরাবী কখনোই নিজের ভালোলাগা খারাপ লাগা বাবা মায়ের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে প্রকাশ করে না। সবসময় বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তই মেনে নেয়।
' আপু বলে তোমরা পেরে গেলে। '
ফারাবী কাউন্টারের উপর বসে বলল। ফারাবীর মা মেয়ের পিঠে থাবা বসিয়ে বলে উঠলেন,
' তোকে নিয়ে আমি চিন্তাই আছি।আমার একটা কথা তুই কানে নিস না।'
ফরাবী তার মায়ের কথায় কান দিলো না। মুখ কুঁচকে নিলো। কিছু একটা চিন্তা করে ঠোঁট গোল করে জিজ্ঞাসা করল,
'তুমি আপুকে কখন বলেছিলে?'
'গতকাল রাতেই বলেছি। তোকেও বলবো ভেবেছিলাম কিন্তু তুই তো ঘুমিয়ে পড়েছিলি।'
ফারাবী নিজের টোস্ট শেষ করে কফি বানানোর জন্য নামলো। কফি বানাতে বানাতে জিজ্ঞাসা করল,
'ওরা কখন আসবে?'
'বিকেল চারটার দিকে।'
'আপু কী ইউনিভার্সিটিতে গিয়েছে?'
'না,পাগল।ও রুমেই আছে।'
ফারাবী আর কথা বাড়ালো না। কফিটা দুইটা কাপে ঢেলে নিলো। তারপর বড় বড় পা ফেলে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে আবার সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠল। দুই হাতে দুটো কাপ নিয়ে ফারাবী সাবধানে সিঁড়ি দিয়ে উঠল। করিডোর দিয়ে হেঁটে আরাবীর রুমের সামনে এসে দাঁড়াল। দরজায় নক করল।
'কে?।'
' আমি আপু।'
' আসো।' ভেতর থেকে আরাবীর শীতল কন্ঠস্বর ভেসে এল।
ফারাবী দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকল। আরাবীর রুমটা বেশ গোছানো। একপাশে বড় বই-খাতার তাক সাজানো। টেবিলের উপর ল্যাপটপ খোলা। আরাবী বিছানায় বসে কিছু একটা পড়ছিল। ফারাবীকে দেখে সে হাসল।
'কফি নিয়ে এসেছি।'
ফারাবী সামনের দিকে পা বাড়িয়ে বলল। সে বিছানার পাশে থাকা ছোট টেবিলের উপর কাপ দুটো রাখল।
'থ্যাংক ইউ।'
আরাবী কফির কাপটা হাতে নিল তারপর তাতে একটা চুমুক দিয়ে বলল।
ফারাবী বিছানায় আরাবীর পাশে বসল।আরাবী আবারও বলল,
' আজ কফি বানাইলি যে?'
ফারাবী কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইল। তারপর উত্তর দিলো,
' এমনি। '
আরাবীর ফারবাীর মুখটা দেখে বুঝলো ও তাকে কিছু বলতে এসেছে।
' কী বলবি বলে ফেলল।'
'আম্মু বলেছে আজ তোকে দেখতে আসবে।'
'হ্যাঁ জানি।'
'কেমন লাগছে?' ফারাবী অনেক কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞেস করল। সে তার বোনের চেহারা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলো। আরাবীর চেহারা শান্ত, নির্বিকার।
'স্বাভাবিক।'
আরাবী কাঁধ ঝাঁকিয়ে উত্তর দিল।
'স্বাভাবিক মানে?'
ফারাবী একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল।
'মানে,মেয়েদের তো একদিন বিয়ে শাদি করতেই হবে তাই এসব নিয়ে বেশি চিন্তা করে লাভ কী?'
আরাবী খুব সাধারণভাবেই জবাব দিল। তার চোখ মুখে এই বিষয়টা নিয়ে কোনো উচ্ছ্বাস নেই, আবার কোনো অনিচ্ছাও নেই।
'কিন্তু আপু তোর কোনো পছন্দ নেই?'
আরাবী কফিতে আরেকটা চুমুক দিয়ে বলল,
'দেখ, আম্মু-আব্বু তো আমার ভালোই চাইবেন। তারা যেখানে ভালো মনে করবেন, যেটা আমার জন্য ভালো হবে। আমি আলাদা করে কিছু চাই না,আর কখনো চাওনি। তারা যাকে পছন্দ করবেন, সে নিশ্চয়ই ভালো হবে।'
' কিন্তু আপু তুমি কেমন মানুষ চাও, কী ধরনের জীবন চাও, এসব নিয়ে তো তোমার ভাবা উচিত।'
ফারাবী তার বোনের দিকে শান্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। কীভাবে কেউ এত শান্ত থাকতে পারে এমন একটা বিষয়ে? বিয়ে তো জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে একটা কিন্তু তার বোনের কোনো হেলদোল নেই।
আরাবী একটু চুপ করে রইল। তারপর নরম গলায় বলল, 'ফারাবী, আমি জানি তুই আমার জন্য চিন্তা করছিস। কিন্তু দেখ, আমি তেমন উচ্চাভিলাষী মেয়ে না। আমি শুধু শান্তিপূর্ণ একটা জীবন চাই। একজন ভালো স্বামী, একটা সুন্দর সংসার। আমার এর থেকে বেশি কিছু চাওয়ার নেই।'
'কিন্তু তুমি কি জানো তুমি কেমন পরিবারের যাচ্ছ? কার সাথে তোমার বাকিটা জীবন কাটবে?'
'না, জানি না পাগল, তবে আমি বিশ্বাস করি আব্বু-আম্মু আমার জন্য কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না।'
ফারাবী বোনের দিকে চোখ ছোট্ট করে তাকিয়ে রইল। আরাবী কফির কাপটা টেবিলে রেখে বোনের হাত দুটো নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে বলতে লাগলো,
'তুই কী নিয়ে এতো চিন্তা করছিস পাগল? পারিবারিক ভাবে দেখাশোনা করে বিয়ে হলে স্বামী-স্ত্রী একসাথে থাকতে থাকতে একে অপরকে বুঝতে শেখে,ভালোবাসা তৈরি হয়। প্রেম করে বিয়ে করাই কী সবকিছুর সমাধান? তুই এতো চিন্তা করিস না পাগল।'
' তুই ছেলের ছবি দেখেছিস আপু?'
' না,এখনো দেখি নাই।'
বোনের এমন ভাবলেশহীন উত্তরে ফারাবী একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার বোন সত্যিই অন্যরকম। আরাবীর জায়গায় ফারাবী হলে তার মনে অনেক প্রশ্ন থাকত। ছেলেটা কেমন, তার স্বভাব কেমন, তার পছন্দ অপছন্দ কী ইত্যাদি ইত্যাদি কত কিছু কিন্তু আরাবী এসব কিছু নিয়ে ভাবছে বলে মনে হচ্ছে না।
চলবে..
[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ]