ফন্ট সাইজ:
থিম:
বৃষ্টিভেজা প্রথম দেখা

পর্ব 1

লেখক: : মেঘলা আক্তার সুমাইয়া

🌧️ বৃষ্টিভেজা প্রথম দেখা

✍️ লেখিকা: মেঘলা আক্তার সুমাইয়া

🌸 পরিচয় পর্ব 🌸

দুটি পরিবার, কিছু প্রিয় মানুষ আর এক অজানা ভালোবাসার গল্প।

━━━━━━━━━━━━━━━━

১. মেহের রহমান (নায়িকা)

বয়স: ২০ বছর।

বাবা: মাহমুদ রহমান।
মা: নুসরাত জাহান।
বড় ভাই: মেহেদী রহমান।
ছোট বোন: মিম রহমান।

মেহের পরিবারের সবার আদরের রাজকন্যা। দেখতে মিষ্টি, স্বভাবে চঞ্চল, একটু জেদি এবং ভীষণ অভিমানী। তার হাসির আড়ালে অনেক না বলা গল্প লুকিয়ে থাকে।

সে খুব সহজে কাউকে বিশ্বাস করে না। কিন্তু কাউকে একবার আপন করে নিলে তাকে মন থেকে ভালোবাসে। কেউ একটু অবহেলা করলেই তার মন খারাপ হয়ে যায়।

তার পছন্দের কাজ হলো বই পড়া, ডায়েরি লেখা, গান শোনা এবং বৃষ্টির দিনে জানালার পাশে বসে আকাশ দেখা।

তার জীবনে পরিবারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে বাবার কাছে সে এখনো ছোট্ট রাজকন্যা।

ধ২. মাহমুদ রহমান (মেহেরের বাবা)

বয়স: ৫০ বছর।
পেশা: প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।

তিনি একজন ব্যক্তিত্ববান, পরিশ্রমী এবং দায়িত্বশীল মানুষ। পরিবারের সুখের জন্য সারাজীবন পরিশ্রম করেছেন।

মেয়েদের প্রতি তার ভালোবাসা একটু বেশিই। মেহেরের কোনো আবদার সহজে ফিরিয়ে দিতে পারেন না। তবে সন্তানদের ভুল দেখলে শাসন করতেও দ্বিধা করেন না।

৩. নুসরাত জাহান (মেহেরের মা)

বয়স: ৪৫ বছর।
পেশা: গৃহিণী।

তিনি শান্ত, মায়াবী এবং স্নেহশীল একজন নারী। পরিবারের প্রত্যেককে ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন।

মেহেরের মনের কথা মুখে বলার আগেই বুঝে ফেলেন। মেয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কটা মা-মেয়ের পাশাপাশি বন্ধুর মতোও।

৪. মেহেদী রহমান (মেহেরের বড় ভাই)

বয়স: ২৬ বছর।
পেশা: চিকিৎসক।

মেহেদী গম্ভীর, দায়িত্বশীল এবং কিছুটা রাগী। পরিবারের প্রতি তার দায়িত্ববোধ অনেক বেশি।

ছোট বোন মেহেরকে প্রচণ্ড ভালোবাসে। তবে মেহেরের সঙ্গে তার ঝগড়া লেগেই থাকে। বোনের কোনো বিপদ হলে সবার আগে সে পাশে দাঁড়ায়।

৫. মিম রহমান (মেহেরের ছোট বোন)

বয়স: ১৬ বছর।
শ্রেণি: দশম।

মিম পরিবারের সবচেয়ে দুষ্টু সদস্য। সারাক্ষণ হাসি-ঠাট্টা আর দুষ্টুমি করে বেড়ায়।

বড় বোনকে বিরক্ত করা তার প্রিয় কাজ। কিন্তু মেহেরের মন খারাপ হলে সবার আগে সে-ই বোনের পাশে বসে।

━━━━━━━━━━━━━━━━

৬. নিশাত ইসলাম (মেহেরের সবচেয়ে কাছের বান্ধবী)

বয়স: ২০ বছর।
পেশা: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

নিশাত ভীষণ চঞ্চল, হাসিখুশি এবং দুষ্টু স্বভাবের মেয়ে। তার মুখে সবসময় হাসি লেগে থাকে।

মেহেরের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব অনেক দিনের। দুজনের মধ্যে কোনো কিছুই গোপন থাকে না।

মেহেরের মন খারাপ হলে নিশাত তাকে হাসানোর চেষ্টা করে। আর মেহের কোনো ভুল করলে সরাসরি মুখের ওপর বলে দেয়।

তানিয়া

বয়স: ২১ বছর।

তানিয়া একটু শান্ত স্বভাবের। বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে বুদ্ধিমতী। যেকোনো সমস্যায় সবাই তার পরামর্শ নিতে পছন্দ করে।

নিশাত ও মেহেরের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব খুব গভীর।

━━━━━━━━━━━━━━━━
চৌধুরী পরিবার

৮. আরহাম চৌধুরী (নায়ক)

বয়স: ২৫ বছর।
পেশা: ব্যবসায়ী।

বাবা: কামরুল চৌধুরী।
মা: শায়লা চৌধুরী।
ছোট বোন: আনিকা চৌধুরী।

আরহাম চৌধুরী একজন ব্যক্তিত্ববান, সুদর্শন, গম্ভীর এবং আত্মসম্মানী যুবক। সে খুব একটা কথা বলতে পছন্দ করে না।

বাইরে থেকে তাকে যতটা কঠিন মনে হয়, ভেতরে সে ঠিক ততটাই আবেগপ্রবণ। নিজের অনুভূতি সহজে প্রকাশ করতে পারে না।

পরিবারের প্রতি তার ভালোবাসা অপরিসীম। ছোট বোনের প্রতি তার দুর্বলতা অনেক বেশি।

সে বই পড়তে, গাড়ি চালাতে এবং নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটাতে পছন্দ করে।

তার জীবনে ভালোবাসা নিয়ে কখনো বিশেষ কোনো স্বপ্ন ছিল না। কিন্তু ভাগ্য যে তার জন্য অন্যরকম একটি গল্প লিখে রেখেছে, তা সে নিজেও জানে না।

৯. কামরুল চৌধুরী (আরহামের বাবা)

বয়স: ৫২ বছর।
পেশা: প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।

তিনি একজন গম্ভীর, বিচক্ষণ এবং সম্মানিত ব্যক্তি। নিজের ব্যবসা ও পরিবারের দায়িত্ব খুব সুন্দরভাবে সামলান।

ছেলের ওপর তার অনেক ভরসা। তিনি চান আরহাম জীবনে একজন সফল মানুষ হয়ে উঠুক।

১০. শায়লা চৌধুরী (আরহামের মা)

বয়স: ৪৭ বছর।
পেশা: গৃহিণী।

শায়লা একজন মায়াবী, ধৈর্যশীল এবং স্নেহশীল নারী। পরিবারের সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে ভালোবাসেন।

ছেলে আরহামকে খুব ভালোবাসেন। তবে ছেলের গম্ভীর স্বভাব নিয়ে মাঝেমধ্যে চিন্তাও করেন।

১১. আনিকা চৌধুরী (আরহামের ছোট বোন)

বয়স: ১৮ বছর।
শ্রেণি: দ্বাদশ।

আনিকা মিষ্টি স্বভাবের, চঞ্চল এবং হাসিখুশি মেয়ে। ভাইয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক বন্ধুর মতো।

আরহামকে বিরক্ত করা তার অন্যতম শখ। ভাইয়ের জীবনে কোনো পরিবর্তন এলে সে সবার আগে সেটা বুঝতে পারবে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━

১২. রাফি হাসান (আরহামের সবচেয়ে কাছের বন্ধু)
দ
বয়স: ২৫ বছর।
পেশা: ব্যবসায়ী।

রাফি ভীষণ দুষ্টু, হাসিখুশি এবং মজার মানুষ। সবসময় হাসি-ঠাট্টা করতে ভালোবাসে।

আরহামের ছোটবেলার বন্ধু। আরহাম মুখে কিছু না বললেও তার মনের অবস্থা রাফি বুঝে যায়।

আরহামকে খেপানো তার সবচেয়ে প্রিয় কাজ।

১৩. আদনান রহমান (বন্ধু)

বয়স: ২৬ বছর।
পেশা: সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।

আদনান শান্ত, বুদ্ধিমান এবং বাস্তববাদী। বন্ধুদের মধ্যে সে সবচেয়ে ধীরস্থির।

কোনো সমস্যা হলে আবেগের পরিবর্তে বুদ্ধি দিয়ে সমাধান খোঁজে।

১৪. সায়েম আহমেদ (বন্ধু)

বয়স: ২৫ বছর।
পেশা: ব্যবসায়ী।

সায়েম একটু রসিক এবং মিশুক স্বভাবের। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করে।

রাফি ও সায়েম মিলে আরহামের গম্ভীর জীবনটাকে মাঝেমধ্যে বেশ হাস্যকর করে তোলে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🌹 গল্পের মূল আকর্ষণ

একদিকে মেহের রহমান—অভিমানী, চঞ্চল এবং আবেগপ্রবণ একটি মেয়ে।

অন্যদিকে আরহাম চৌধুরী—গম্ভীর, আত্মসম্মানী এবং নিজের অনুভূতি লুকিয়ে রাখা একজন যুবক।

দুটি পরিবার, দুটি আলাদা পৃথিবী।

তাদের কেউ জানে না, একটি বৃষ্টিভেজা বিকেল তাদের জীবনের গল্প বদলে দিতে চলেছে।

যেখানে থাকবে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, মিষ্টি ঝগড়া, অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি, পারিবারিক সম্পর্ক এবং অসংখ্য আবেগ।

শেষ পর্যন্ত কি মেহের আর আরহাম একে অপরের মনের ভাষা বুঝতে পারবে?

নাকি অভিমানের আড়ালেই হারিয়ে যাবে তাদের ভালোবাসা?

সেই উত্তর লুকিয়ে আছে গল্পের প্রতিটি পাতায়।

চলবে...

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

✍️ লেখিকা: মেঘলা আক্তার সুমাইয়া
🌸 উপন্যাস: বৃষ্টিভেজা প্রথম দেখা

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন