⚠️সতর্কবার্তাঃ এখানে অনেক ডার্ক সিন রয়েছে, নিজ দায়িত্বে পড়ুন। যারা অতিরিক্ত রোমান্টিকতা পছন্দ করেন না তারা চাইলে এটি স্কিপ করতে পারেন। ❌
CHAPTER 17
The Shadow
ধুর Fuck, কেউ না দেখলে ও কত সুন্দর হয়।
আমার ছোট্ট ইঁদুরটা ধীরে ধীরে নিজের ঘরে ঢোকে, তার ছেঁড়া স্লিপার টেনে নিয়ে মসৃণ পাথরের মেঝের ওপর দিয়ে হেঁটে যায়। ও ক্লান্ত। চোখের নিচে কালি জমতে শুরু করেছে।
আমি সেই কালিটা মুছে দিতে চাই, আবার ফেরত আনতেও চাই। কিন্তু আমি চাই ওর শক্তি শেষ হয়ে যাক সারা রাত ধরে, আমার লিঙ্গ ওর শরীরে ঢুকিয়ে রাখার পর, যতক্ষণ না ও নিঃশেষ হয়ে যায়। তবুও, তখনও আমি ওকে চুদবো।
গতবার আমি নিজেকে বঞ্চিত করেছিলাম। নিজের হাতে ওকে স্পর্শ করার অনুমতি দিইনি, ও তখনও সেটা পাওয়ার যোগ্য ছিল না। কিন্তু সেই বন্দুকটাকে ওর ভেতরে ঢুকতে আর বের হতে দেখা আমার জন্যও একইরকম যন্ত্রণাদায়ক ছিল।
আমি গাড়িতে ওঠার আগেই নিজের হাতে ফিনিশ করে ফেলেছিলাম, মাথায় ওর ধোঁয়াটে কান্নার সুর বাজতে বাজতে।
ওর কণ্ঠস্বরই এমন, যে কোনো পুরুষকে হাঁটু গেড়ে বসাতে পারে।
এখন, ও পরেছে শুধু একটা সাদা টি-শার্ট, কোমরের খানিকটা ওপর পর্যন্ত নেমে এসেছে। পাতলা কাপড়ের আড়াল ভেদ করে ওর গোলাপি নিপল উঁকি দিচ্ছে, আর আমার মুখ ভিজে যাচ্ছে ওগুলোর স্বাদ নিতে চাইতে চাইতে।
আমি নিজের ঠোঁট চেটে নিই। শীঘ্রই।
ওর কোমল দুধের মত ত্বক পুরোপুরি প্রকাশিত, আর ও যখনই একটু নুয়ে যায়, লাল কটন প্যান্টির আভাস পাই। যেমন যখন ও বিছানার চাদর সরায় আর ছোট্ট মুষ্টি দিয়ে বালিশ পেটায়, ফোলানোর জন্য।
ও স্লিপার খুলে পায়ের কাছে রাখার সময় যখন নুয়ে যায়, তখন ওর পাছা পুরোপুরি দেখতে পাই। ওর গোল পাছা প্যান্টির ভেতর থেকে ফেটে বেরিয়ে আসছে। শুধু একটা পাতলা কাপড়ই ওকে আমার জিভ থেকে আলাদা করে রেখেছে।
আমি চোখ বন্ধ করি, নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে চেষ্টা করি।
আমাকে চুপচাপ থাকতে হবে।
ও জানে না আমি ওর ওয়ারড্রোবের ভেতর লুকিয়ে আছি। ও ঘুমিয়ে পড়ার অপেক্ষায় আছি, যেন শান্তিতে ওর সৌন্দর্য দেখতে পারি।
এই মুহূর্তে, ও আমাকে ভয় পায়। উচিতও।
আমি বিপজ্জনক একজন মানুষ, প্রতিদিন মানুষ মেরে ফেলি। শুধু তাই নয়, আমি এটা উপভোগও করি।
ওর উচিত আমাকে ভয় পাওয়া, কিন্তু শুধুমাত্র এই কারণে যে একবার ও আমার কাছে পুরোপুরি সমর্পণ করলে, ও কখনো আর পালাতে পারবে না।
ও ইতিমধ্যেই শুরু করেছে, সেটা বুঝতেই পারেনি।
আমি এর আগে কখনো কোনো কিছুর প্রেমে পড়িনি, শুধুমাত্র নিজের কাজ ছাড়া। বছরের পর বছর কোনো নারীকে ছুঁয়েও দেখিনি। আমার সময় নেই। ওরা সব সময় হতো এক রাতের জন্য, তারপর আমি চলে যেতাম, সেই রিলিজ কোনো চাপ কমাতো না।
প্রতিটি কান্না, আমাকে ধরে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা আমাকে ক্লান্ত করে তুলেছিল।
কিন্তু যেদিন প্রথম ওকে বুকস্টোরে বসে দেখি, নার্ভাস আর চিন্তায় ভেতরে ভেতরে কাঁপতে থাকা অবস্থায়, সেদিন আমি, একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ, প্রথম দর্শনেই ওর প্রেমে পড়েছিলাম।
এবং এখন, আমি নিজেকে পনেরো বছরের ছেলেদের মত মনে করি, যারা সদ্য পুসির স্বাদ পেয়েছে। যখনই ওকে দেখি, জিন্সের ভেতর নিজেকে ধরে রাখতে পারি না, শুধু তাকানোর জন্যই।
আমি ওকে ছুঁতে চাই, চুমু খেতে চাই, ওকে আমার করে নিতে চাই সম্পূর্ণভাবে। ওর শরীরে দাগ কেটে দেওয়া যথেষ্ট ছিল না। তবে আমার মনে হচ্ছে, আমি কোনোদিনও অ্যাডেলিন সেরাফিনা রেইলির কাছে তৃপ্ত হতে পারবো না। কাগজে-কলমে হলেও।
এবং আমি লজ্জিত নই। কোনোদিনও ভালো মানুষ হওয়ার ভান করিনি।
ও বিছানায় ঢুকে যায়, কম্বলের ভেতর গুটিয়ে যায়, আর একটা পুরোনো চামড়ার বাঁধাই বই হাতে নেয়।
ওর প্রপিতামহীর ডায়েরি।
অ্যাডি একদিন বাইরে যাওয়ার পর, আমি পৃষ্ঠাগুলো উল্টে দেখেছিলাম।
ওর প্রপিতামহীকেও একজন স্টকার তাড়া করতো। যখন বুঝলাম ইতিহাস নিজের পুনরাবৃত্তি করছে, আমি হাসলাম।
অ্যাডি ঘণ্টাখানেক ধরে সেই ডায়েরির পৃষ্ঠা উল্টায়, মুখে এক অজানা অনুভূতির ছাপ নিয়ে, যখন ও গিগির গোপন অন্ধকার সব কথা শোঁকে। মনে হচ্ছে ও কোনো উত্তর খুঁজছে, আর সেই উত্তর একমাত্র প্রপিতামহীর কথায় লুকানো।
ও হয়তো সেই ডায়েরিগুলোতে কিছুটা বিচলিত, কিন্তু ওর ভেতরে এক বড় অংশ সেটা দেখে মুগ্ধ। মোহিত। যেন ও কল্পনা করছে নিজের স্টকারের প্রেমে পড়া, আর সেই চিন্তা ওকে একইসাথে উত্তেজিত করছে আর অস্বস্তিতে ফেলছে।
আমি সেটা দেখে হাসতে চাই। কারণ সেটাই ঠিক হতে যাচ্ছে।
আমি ওকে নিজের অন্ধকার দিকগুলোর প্রেমে ফেলাবো। আমি চাই এই মেয়েটা আমার সবচেয়ে নোংরা দিকটা দেখুক। আমি চাই ও আমার আত্মার অন্ধকারটা অনুভব করুক।
যখন কেউ তোমার অন্ধকার দিকগুলোর প্রেমে পড়ে যায়, তখন আর কিছুই ওকে ভয় দেখাতে পারবে না।
তখন সে চিরকাল তোমার হবে, কারণ সে ইতিমধ্যেই তোমার ভেতরের সব নষ্ট, ছেঁড়াখোঁড়া অংশগুলোকে ভালোবেসে ফেলেছে।
ওর চোখ বুঁজে আসতে শুরু করে, মাথা ঢলে পড়ে, আর ডায়েরিটা ওর কালো নখরঙ করা আঙুল থেকে ফসকে যায়।
ও হঠাৎ চমকে ওঠে, চোখ বড় বড় করে, তারপর আবার শান্ত হয়। আমার বুক ভরে যায় অজানা অনুভূতিতে।
নাটক করার ভান ছেড়ে, ও ডায়েরিটা বন্ধ করে, পাশে রেখে লাইট নিভিয়ে দেয়। সাথে সাথে ঘর অন্ধকারে ঢেকে যায়। ব্যালকনির দরজার ফাঁক দিয়ে চাঁদের আলো ঢুকে ঘরের ছায়াগুলোকে দৈত্যের রূপ দেয়।
কিন্তু আসল দৈত্য এই ঘরে আমি।
ওর শ্বাসপ্রশ্বাস ধীর হলে, আমি আস্তে করে ওয়ারড্রোবের দরজা খুলে ছায়ার ভেতর দাঁড়াই, নিশ্চিত হই ও জেগে ওঠেনি।
ঠিক যখন পা ফেলতে যাই, হঠাৎ আমার ঘাড়ের পেছনে বরফের মত ঠান্ডা অনুভব হয়। গায়ে কাঁটা দেয়, দাঁত ঠক ঠক করে কাঁপতে চাইলেও আমি নিজেকে ধরে রাখি।
এই অস্বাভাবিক ঠান্ডা নতুন কিছু নয়। কিন্তু যাই হোক না কেন, এটা আমাকে দমাতে পারবে না। আমি টের পাই কেউ আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আমি চাই ওর চোখের দিকে তাকাতে, যেন ও বুঝতে পারে আমি মোটেও ভয় পাই না।
কিছু দেখতে না পেয়ে, আমি পা বাড়াই। ঘর পেরোতেই ঠান্ডাটা মিলিয়ে যায়। ওর বিছানার কাছে যাই। ইচ্ছে করে ওর চুল সরিয়ে মুখটা দেখি, কিন্তু জানি ওর ঘুম ভেঙে যাবে।
ও খুব সহজেই বিপদ টের পায়, আমি জানি খুব শিগগিরই ও আমাকে ধরে ফেলবে।
আমার ভেতরের এক অন্ধকার অংশ ওর ভয়ে চিৎকার শুনতে চায়। আমি দেখতে চাই ওর চিৎকার, কারণ আমি জানি, যখনই ও ভয় পায়, তখনই আমার ছোট্ট ইঁদুরটার শরীরও গরম হয়ে ওঠে। এটা আমার রক্তকে সরাসরি নিচে পাঠিয়ে দেয়, আর আমি চাই ওকে দেখাতে কতটা জোরে ওকে চিৎকার করাতে পারি।
কিন্তু আমার কোমল অংশ ওকে শান্তিতে ঘুমোতে দেখতে চায়। কারণ আমি জানি, যখন ও জেগে থাকবে, ওর সেই শান্তি খুব কমই থাকবে।
পকেট থেকে একটা গোলাপ বের করে ওর পাশে রাখি। সকালে এটা দেখে ও ভয় পাবে, আর আমি ভিডিওতে সেটা বারবার দেখে মজা নেবো।
ও নড়ে ওঠে, আর একটা অদ্ভুত শব্দ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘুমের মধ্যে শুঁ শুঁ আর শূকরের মত গোঙানোর মাঝামাঝি একটা শব্দ।
আমি হাত মুঠো করে মুখে চাপি, হেসে ফেলি যাতে শব্দ না হয়। সাথে সাথে ঘর থেকে বেরিয়ে যাই, হেসে ফেলা আটকাতে কষ্ট হয়।
আমি জীবনে অনেক মানুষকে অত্যাচার করে মেরেছি, কিন্তু এরকম শব্দ আগে কখনো শুনিনি, বিশেষ করে এমন কারো কাছ থেকে, যে দেখতে অ্যাডির মত মিষ্টি।
ঘর থেকে বেরিয়ে আসার পরেই আমি জোরে হেসে উঠি।
কিন্তু সেই হাসি থেমে যায়, যখন পকেটে থাকা ফোনটা কাঁপে। স্ক্রিনে Jay এর নাম ভেসে ওঠে।
“হ্যাঁ?” আমি রিসিভ করি, গাড়ির দিকে হেঁটে যাই।
Jay আমাকে কেবল কাজের জন্য ফোন করে। আর সাধারণত এর মানে এক বা এক ডজন মানুষ মারা পড়বে।
“মার্ক সাইনবার্গ শহরে এসেছে,” ও বলে, কোনো ভণিতা না করে। Jay-র এই গুণটাই আমার সবচেয়ে ভালো লাগে। ও সরাসরি মূল কথায় আসে। “ওর সাথে মিলার ফোরম্যান, জ্যাক বেয়ার্ড আর রবার্ট ফিশারও এসেছে।”
আমি গাড়ির দরজা খুলে চামড়ার সিটে বসি। গাড়ি চালু করি, কিন্তু বের হই না।
“এখন ওরা কোথায়?” আমি জিজ্ঞেস করি।
“ক্যাসিনো, কিছু হাই-স্কেল বার, আর প্রাইভেট জেন্টলমেনস ক্লাবে হিট পেয়েছি। সব জায়গায় কড়া নিরাপত্তা।”
“গার্ড থাকা মানে ওরা কিছু লুকাচ্ছে,” আমি বলি। “ওরা আমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।”
এটা দম্ভ নয়, এটাই বাস্তবতা। নিজের দক্ষতার ওপর আমার আত্মবিশ্বাসই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
তুমি সিংহের গুহায় হরিণের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ঢুকতে পারো না। ঢুকতে হবে এই জেনে, তুমি ওদের রক্তে ভিজে বের হবে আর ওদের মাথা গড়িয়ে যাবে মাটিতে।
এটাই বাঁচার একমাত্র উপায়।
“ওরা পারবেও না,” Jay সম্মত হয়। “তবে এখনই ওদের আস্তানায় হামলা করা যাবে না। আমি কিছু জেন্টলমেনস ক্লাবের অ্যাক্সেস পেয়েছি, যেখানে ওরা আসে। ওখানেই আমাদের সবচেয়ে ভালো তথ্য মিলবে। ওখানে যাও, ঘুরে দেখো, প্রায়ই যাতায়াত করো, ওদের আস্থা অর্জন করো। দেখো কোনো গড়বড় আছে কিনা।”
অ্যাডির হাসির স্মৃতি মিলিয়ে যায়। মনে হয় যেন কয়েক মিনিট আগে হাসির মত অনুভূতি অনুভব করিনি। শিশু পাচারের মতো জঘন্য বিষয় চিন্তা করলেই সেটা হয়।
“মাদারফাকার, Jay, আমাকে ধর্ষকদের সাথে মিশতে হবে? আমি ওদের ক্যামেরা হ্যাক করে ফেলি।”
“ক্যামেরা হ্যাক করলেই সব জানা যায় না।”
আমি কাঁধের টানটান পেশি চেপে ধরি। ও ঠিক বলেছে। ক্যামেরায় অডিও থাকবে না, আর কথাবার্তা শুনে অনেক কিছু বোঝা যায়।
“আর এখন আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই,” Jay বলে।
আমি মাথা নাড়ি, যদিও ও দেখতে পাচ্ছে না। ওদের সাথে মিশলে আমাকেও সেই নরকের ভেতরে ঢুকতে হবে। ভিডিওতে যা দেখেছি, সেটা খুবই গভীর আন্ডারগ্রাউন্ড। সেখানে ঢোকা কঠিন, কিন্তু আমার জন্য কিছুই অসম্ভব নয়।
আর এতে আমার রাডারে আরও কিছু মানুষ চলে আসবে।
এটা এক ধরনের পেডোফাইলের নেটওয়ার্ক, আর একবার একজনের সাথে মিশলে, একশো জনের খোঁজ পাওয়া যায়। এটা খুবই ক্লান্তিকর—অন্তহীন হত্যার তালিকা।
কিন্তু আমি একজন ধৈর্যশীল মানুষ।
“জানি,” আমি বলি। “প্রয়োজনীয় যোগাযোগ তৈরি করবো।”
আমি এই জায়গাটা খুঁজে বের করবো, আর একবার খুঁজে পেলে, এই নরকের সাথে যুক্ত সব মাদারফাকারকে মেরে ফেলবো।
আমার কাজ শেষ হওয়ার সময়, পুরো সরকারই ভেঙে যাবে।