#Captive_In_The_Dark
#Translator_by_Abida_Sultana (১৮+এলার্ট)
#পর্বঃ০৮
⚠️সতর্কবার্তাঃ এখানে অনেক ডার্ক সিন রয়েছে, নিজ দায়িত্বে পড়ুন। যারা অতিরিক্ত রোমান্টিকতা পছন্দ করেন না তারা চাইলে এটি স্কিপ করতে পারেন। ❌
Chapter 7
Livvie
যদি আমি মনোযোগ দিতাম, তবে আমি টিপটো করে দাঁড়াতে পারতাম, যা আমার কাঁধ আর পিঠের অসহনীয় টানটাকে সামান্য হলেও কমিয়ে দিত। আমি তখন কেবল আমার যন্ত্রণা—যন্ত্রণা ছাড়া আর কিছুই নই। কোনো ভাবনা নেই, কোনো অনুভূতি নেই, কেবল এক দেহ, মুক্তির জন্য চিৎকার করছে। আমার পায়ের পেশি যন্ত্রণায় কাঁপছিল, হঠাৎ টান লেগে গেল। আমি পুরো শরীরের ওজন মেঝের দিকে ঠেলে দিলাম, যেন পায়ের জ্বলন্ত যন্ত্রণাটা একটু হলেও লাঘব হয়। আমি এদিকে-ওদিকে শরীর মোচড়াতে লাগলাম, আশা করছিলাম আগের অবস্থার চেয়ে সামান্য কম যন্ত্রণাদায়ক কোনো ভঙ্গি খুঁজে পাব। মিনিটগুলো টেনে নিয়ে যাচ্ছিল অনন্ত ঘণ্টায়। যন্ত্রণায় ভরে যাচ্ছিল আমার প্রতিটি পেশি, টানটান হয়ে টিকে থাকা শরীরের প্রতিটি শিরা-উপশিরা। আমি আস্তে আস্তে ককিয়ে উঠলাম, যা শ্বাসের সাথে সাথে আরও জোরালো হতে লাগল। ভেতরে-বাইরে আতঙ্কের ঢেউ বয়ে যাচ্ছিল। আমি ভয় পেয়েছিলাম প্রহৃত হওয়ার।
এখন আমি চাইতাম, সে যেন আমায় মারধরই করে, শুধু যদি আমাকে ছেড়ে দেয়।
একটি ভয়ঙ্কর চিন্তা আমার মাথার ভেতর ছিঁড়ে ঢুকে পড়ল। যদি সে এখানেই না থাকে? যদি সে অনেকক্ষণ পর্যন্ত না ফিরে আসে? আমি কিভাবে সহ্য করব এই ধরনের নির্যাতন আরেক ঘণ্টা, রাতভর তো দূরের কথা? যদি সত্যিই রাত হয়ে থাকে।
আমি চেষ্টা করলাম আর শুধু যন্ত্রণা হয়ে না থাকতে, বরং আমার মনকে দেহের উপর নিয়ন্ত্রণ নিতে দিতে। আমি মনোযোগ দিলাম আমার চামড়ায় বাঁধা কব্জির চামড়া কেমন কড়মড় শব্দ করছে বিছানার খুঁটির সাথে। আমার শ্বাসপ্রশ্বাসে। কিভাবে আমার দেহের উষ্ণতা পিঠের পেছনের লোহার খাটটিকে গরম করে তুলেছে। আমি চেষ্টা করছিলাম যন্ত্রণার বাইরে, দুঃখের বাইরে কোথাও শান্তি খুঁজতে। যেমন আমি চেষ্টা করেছিলাম, যখন সে আমাকে চাবুক মেরেছিল—কিন্তু এবার সেই কৌশল কোনো কাজেই এলো না।
প্রতিটি শ্বাসে মনে হচ্ছিল আমার বাঁধন আরও শক্ত হচ্ছে। আমি কেঁদে ফেললাম। প্রথমে চুপচাপ, তারপর ক্রমে উচ্চকণ্ঠে, কাতর গোঙানির মতো। আমার পেটে মোচড় দিল আর আমি হঠাৎ বুঝতে পারলাম কেন সে আমাকে মুখে কিছু দেয়নি… আমি বমি করতে যাচ্ছি। আমি প্রাণপণে চেষ্টা করছিলাম শ্বাস নিতে, শান্ত চিন্তা করতে, যেন পাকস্থলীর টান সামলানো যায়। এটাই আমার জীবনের গল্প—যেটা অনিবার্য, সেটা ঠেকিয়ে রাখার ব্যর্থ প্রচেষ্টা।
ঘামের ফোঁটা আমার স্তনের ফাঁক বেয়ে নেমে এসে জমা হচ্ছিল নাভিতে। এই চিটচিটে ঘামের অনুভূতিটা আমাকে ভীষণ অস্থির করছিল। চুলগুলো লেগে যাচ্ছিল আমার মুখে, পিঠে, পাশে। এটা আমাকে উন্মাদনার দিকে ঠেলে দিচ্ছিল। আমি ঝাঁকুনি খাচ্ছিলাম প্রচণ্ড হতাশায়, প্রতিটি পেশি আগুনের মতো জ্বলছিল। তারপর আমি শুনলাম এমন কিছু, যা শোনার আশা করিনি।
এক মুহূর্তের জন্য আমি ভেবেছিলাম কল্পনা করছি। আমি মনে করতে পারছিলাম না কতবার আগে এমন হয়েছে—অন্ধকারে হঠাৎ ঘুম ভেঙে ভেবেছি কিছু শুনেছি। আমি কল্পনা করছি। আমি একেবারে চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে চারপাশের শব্দে মনোযোগ দিলাম। কিছু না দেখতে পারার ফলে আমার শ্রবণশক্তি আরও প্রখর হয়ে উঠল, তবুও শব্দটার উৎস খুঁজে পেলাম না। মনে হচ্ছিল শব্দটা চারদিক থেকেই আসছে। আমি শ্বাসকে অগভীর করলাম, যাতে নিজের শ্বাসের শব্দ দিয়ে খোঁজার কাজে বাধা না হয়। আবার শুনলাম।
নিশ্চিতভাবেই একজন নারী। কাঁদছে? না, কিছু অন্যরকম। হ্যাঁ, কিছু চিৎকার আছে, যন্ত্রণার মতো শোনাচ্ছে, কিন্তু সেগুলো যেন আরও গভীর কোনো প্রাচীন, মৌলিক আবেগের ঢেউয়ে ভাসছে। ঘাম জমে ফুলে উঠছিল আমার অতিরিক্ত উত্তপ্ত ত্বকে, তারপর ছুটে যাচ্ছিল শরীরের বাঁক বেয়ে। আমি কান পেতে শুনছিলাম, কিন্তু অনুভূতি থেকে নিজেকে আলাদা করার চেষ্টা করছিলাম। মনোযোগ দিয়ে শুনতে গিয়ে স্পষ্ট শুনলাম জোরে ধপধপ শব্দ—যেন কিছু একটার সাথে, হয়তো দেয়ালের মতো কোনো শক্ত, অচল জিনিসের সাথে, বারবার আঘাত লেগে ধাক্কা খাচ্ছে।
আমি স্থির দাঁড়িয়ে রইলাম, দ্রুত শ্বাস নিতে নিতে চারপাশের সবকিছু বোঝার চেষ্টা করছিলাম।
কেউ একজন সেক্স করছিল।
ওটা কি… Caleb? ওই মহিলার সাথে? আমি প্রশ্নটা নিজের কাছে করতেই জানতাম উত্তরটা। অবশ্যই। Caleb সেক্স করছিল।
মাদার। ফাকার।
এক গরম ঢেউ আমার শরীর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল। আমি শ্বাস নিতে পারছিলাম না। চিৎকারও করতে পারছিলাম না। কিন্তু আবেগ আবার ফিরে এসেছিল। সে আমাকে— নগ্ন অবস্থায়—একটা খাটের খুঁটির সাথে বেঁধে রেখেছিল। কষ্ট ভোগ করার জন্য। আর সে ছিল বাড়ির কোথাও, কোনো বেশ্যার সাথে সেক্স করছে। আমার কথা ভাবেনি। আমি যে তার কারণেই এই যন্ত্রণায় জ্বলছি, সেটার কোনো পরোয়া তার নেই। সে একেবারেই। পরোয়া। করে না।
তপ্ত অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল আমার গাল বেয়ে।
আমি না ভেবে পারলাম না, সে কি তার সাথে কোমল হচ্ছে? তার মুখ কি ওই মহিলার পায়ের মাঝে ডুবে আছে, যেমনটা আমার সাথেও করেছিল? সেই ভাবনাটা আমার ভেতরে অদ্ভুত কিছু করে তুলল। আমি কোনোদিন অর্গাজম পাইনি।
কোনোদিনই না।
কিন্তু সে আমাকে জোর করে অর্গাজম করিয়েছিল। এর মানে কী? আতঙ্ক আমাকে গ্রাস করল, আমি মরিয়া হয়ে শেষ শক্তিটুকু দিয়ে ছটফট করলাম নিজেকে ছাড়াতে… কিছুই হলো না।
ওই মহিলার আর্তনাদ ক্রমশ আরও জোরালো হয়ে উঠছিল, আরও কণ্ঠভেদী। আসলে আমি মন দিয়ে শুনতে শুনতে বুঝলাম—ওর শব্দগুলো কখনো ছিল নরম, নিচু গুঞ্জন, আবার কখনো কর্কশ, তীক্ষ্ণ চিৎকার। নরম, তারপর জোরে, থামাহীন। কিছু সময়ের জন্য আমি নিজের যন্ত্রণার কথা ভুলে গেলাম, মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনতে লাগলাম মহিলার শব্দগুলো। যত বেশি মনোযোগ দিলাম, তত স্পষ্ট শোনাতে লাগল। মনে হচ্ছিল সে উপভোগ করছে। হঠাৎই নিচ থেকে ভারী, গভীর গোঙানির স্রোত ভেসে এলো।
আমি সেই গোঙানিগুলো চিনতে পারলাম—যেমনটা সে আমার শরীরে জিভ বোলানোর সময় করেছিল। স্মৃতির আঁচে আমার শরীর জ্বলে উঠল—আরও ঘাম, আরও মাথা ঘোরা, আরও গোঙানি। লজ্জা, সুখ আর অবিরাম ভাবনা। আমি চোখ বন্ধ করলাম। কেন আমি অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারছিলাম না? তার শব্দগুলো এবার বদলে গেল, আরও রাগী, আরও ক্লান্ত, যেন কোনো দৌড়বিদ শেষ সীমায় পৌঁছাচ্ছে। আমি দাঁত চেপে ধরলাম, সামনে ঝুঁকে পড়লাম, জানতাম না কেন। কাঁধে আগুন জ্বলছিল। ছটফট করে কোনো উপকার হয়নি।
মহিলাটা চিৎকার করছিল— কর্কশ, ভাঙা গলার চিৎকার, যা তার গলা গভীর থেকে উঠে আসছিল।
সে কিছু একটা চেঁচাচ্ছিল। আমি ভাবলাম সেটা হয়তো তার নামই। কোনো অদ্ভুত কারণে ভাবনাটা আমাকে প্রচণ্ড বিরক্ত করল। আমি এখানে, এই জায়গায়, একটা খাটের খুঁটির সাথে বাঁধা, জিনিসপত্রের মতো পড়ে আছি, আর অন্য এক নারী তার নাম চিৎকার করে বলছে। নিঃসন্দেহে অর্গাজমের চরম মুহূর্তে। অথচ আমাকে তাকে ডাকতে হয় Master বলে। আমি তার নাম বলারও অনুমতি পাইনি। এমনকি যখন আমি শীর্ষে পৌঁছাই, তখনও না। যদিও বলতাম না কখনো, ব্যাপারটা সেটি নয়।
সে আবার চেঁচাল, আর এবার আমি নিজের নামিয়ে আনতে পারলাম না— আমি গোঙাতে গোঙাতে তার নাম বের করে ফেললাম। তার মতো উল্লাসে নয়, যন্ত্রণায়। আমি আগে কোনোদিন তার নাম উচ্চারণ করিনি, আর এই প্রথম বুঝলাম সেটা। আসার পর থেকে প্রতিদিনই মনে মনে তাকে Caleb বলেছি, কিন্তু তার নাম আমার ঠোঁট দিয়ে বের হয়নি। আবার বললাম, সাহস করলাম তার নাম একটু জোরে উচ্চারণ করতে, নিজের মধ্যে প্রতিযোগিতার বোধ জাগল, তাকে টপকাতে চাইছিলাম। নতুন যন্ত্রণা আঘাত করল আমাকে—ভারী, উষ্ণ, ভিজে অনুভূতি জমল আমার দুই পায়ের মাঝখানে। আমি সেগুলো চেপে ধরলাম।
“Caleb…” আমি গোঙালাম।
“Caleb!” – সে চিৎকার করল।
আমি আমার বাঁধনের দিকে ঝুঁকে পড়লাম, যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে, পায়ের জ্বালা-যন্ত্রণা উপেক্ষা করে, যেকোনো কিছুকে উপেক্ষা করে যা আমাকে মনোযোগ থেকে সরাতে পারে। আমি ওকে শুনতে পাচ্ছিলাম।
“Caleb…” আমি আরও ঝুঁকলাম। সে হাঁপাচ্ছিল— নিচু, ভারী শ্বাস। তার শব্দ দ্রুততর হচ্ছিল, ঠিক যেমন অচেনা মহিলার গোঙানি দীর্ঘায়িত আর অদ্ভুত হয়ে উঠছিল। আতঙ্ক ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে পড়ল আমার ভেতরে। ঘাম। সেই অভিশপ্ত ঘাম, আমার সাথে লেগে আছে, আমায় খোঁচাচ্ছে, আমাকে এমন এক উন্মত্ততার দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা আমি কোনোদিন অনুভব করিনি। যদি একটুও সফল হওয়ার আশা করতাম, আমি হয়তো নেকড়ের মতো নিজের হাত কামড়ে ছিঁড়ে ফেলে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করতাম।
“আমাকে ছেড়ে দাও!” আমি চিৎকার করে উঠলাম।
“আমাকে ছেড়ে দাও!” আমি কাতর স্বরে কেঁদে উঠলাম, হাঁপাতে হাঁপাতে মরিয়া হয়ে যত জোরে পারি বাতাস গিলতে লাগলাম। আমি তার নাম ফিসফিস করে ডাকলাম। আমার পেশিগুলো হঠাৎ খিঁচকে উঠল। আমার চিৎকার মিশে গেল তার সাথে, তারও সাথে—আমরা সবাই মিলে যেন একসাথে আনন্দ আর যন্ত্রণার এক অদ্ভুত সিম্ফনি বাজাচ্ছিলাম। আমি শুনলাম সেই নারী চরমে পৌঁছাল এক ভয়ানক তীক্ষ্ণ আর্তনাদে—যেটা সামান্য হলেও আমার চিৎকারকে হার মানাল। আর তারপর আমি অচেতন হয়ে গেলাম। অবশেষে।
আমি জানি না কতক্ষণ ওইভাবে ঝুলে রইলাম, অসহায়, দুনিয়ার বাইরে চলে গিয়ে।
তবে যা মনে আছে, তা হলো—হঠাৎ জেগে উঠলাম উষ্ণ, ভারী এক চাপ অনুভব করে, যা আমার উরুর ওপর ছড়িয়ে ছিল।
অদ্ভুতভাবে কোনো আতঙ্কই জাগল না। আমার চুল ভিজে ছিল, কিন্তু পরিষ্কার, আর ভেসে আসছিল পরিচিত ল্যাভেন্ডারের গন্ধ।
শক্ত দুই হাত আমার কাঁধ চেপে ধরল নীচের নরম গদি’র সাথে, আর প্রতিরোধ করতে না পেরে আমি একইসাথে স্বস্তির গোঙানি ছাড়লাম আর যন্ত্রণার স্মৃতিতে কাতর সুর তুললাম। আমি জানতাম ওটা তার হাত। ভবিষ্যতে যে-ই আমাকে ছুঁক না কেন, আমি সবসময় তার হাত চিনতে পারব। যা জানতাম না, সেটা হলো—এর মানে আসলে কী।
তার বুড়ো আঙুল দুটো আমার কাঁধের মাঝ বরাবর মেরুদণ্ডের দুই পাশে চাপ দিল, তারপর মসৃণভাবে বেয়ে নামল ঘাড়ের গোড়ার দিকে। তার আঙুলগুলো ভিজে চুলের ভেতর দিয়ে ঢুকে আলতো করে টেনে ধরল। মাথার ত্বকে খচখচে শিহরণ বয়ে গেল, শরীর সেই ডাকে সাড়া দিল।
আমার মনে হচ্ছিল কিছু একটা বলা উচিত, কিছু করা উচিত। তাকে গালাগাল করা, ঘুষি মারা, লাথি মারা, চিৎকার করে ওঠা—কিছু একটা হিংস্র কাজ করে তার শরীরে অকল্পনীয় যন্ত্রণা ঢেলে দেওয়া। কিন্তু তার হাতগুলো এত ভালো লাগছিল, আর আমার ব্যথাক্লান্ত শরীরের সেগুলো এতটাই প্রয়োজন ছিল যে আমি কিছুই করতে পারলাম না। তাছাড়া, তার সাথে লড়াইয়ে আমি কোনোদিনই জিতিনি। তার বড় বড় হাত আমার দুই কাঁধে চাপ দিয়ে রাখল। আমি এক দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে দিলাম। না। না, তার সাথে আর কোনো লড়াই নয়।
তারপর, নিজের অজান্তেই জিজ্ঞেস করে ফেললাম,
“তুমি এটা কেন করছো? কেন আমি?”
সে হঠাৎ তীব্রভাবে শ্বাস টেনে নিল, তারপর ছেড়ে দিল। কিন্তু হাত থামাল না, আমায় ঘষতে থাকল, আর ভানও করল না যেন আমি আসলে কী জিজ্ঞেস করছি, তা সে বোঝেনি।
“কেন নয়, Kitten? তুমি কি চাইতে, অন্য কেউ তোমার জায়গাটা নিক?” কোমলতা ধীরে ধীরে রূপ নিল রূঢ়তায়। “যদি আমি রাজি হতাম তোমাকে ছেড়ে দিতে, আর তোমার জায়গায় অন্য কোনো মেয়েকে নিতাম, তাহলে কি সেটা ভালো হতো?” আমি চিৎকার করে ‘হ্যাঁ’ বলতে চাইছিলাম।
নীরবতা।
শুধু তার হাত, আমার মাংসপেশি মথে চলেছে।
“আমার কী হবে?” আমি আস্তে করে জিজ্ঞেস করলাম, প্রায় আশা করছিলাম সে যেন শোনেনি। আমি নিশ্চিত ছিলাম না আদৌ উত্তরটা জানতে চাই কি না।
কোনো উত্তর এল না— তারপর সে বলল,
“যা খুশি তাই।”
আমি আবার কিছু বলার আগেই তার আঙুলগুলো আবারও আমার চুলের ভেতর ঢুকে সেই কাজটা শুরু করল। তবে এবার সে আস্তে করে আমার মাথা কাত করে দিল, আর কানের পেছনের বাঁক বরাবর বুড়ো আঙুল বুলাল। আমার ঠোঁট আলগা হয়ে গেল। আমি চোখ বন্ধ করলাম, আর কিছু ভাবতে পারলাম না, শুধু শরীর বেয়ে বয়ে যাওয়া অনুভূতিটুকুই রইল। আমি কি সবসময় এতোটা স্পর্শ-অভাবী ছিলাম?
উত্তরটা ধরা দিল না।
“ওই নারীটা কে ছিল, যাকে তুমি সাথে নিয়েছিলে?”
তার আঙুল থেমে গেল আর আমি নিজেকেই অভিশাপ দিলাম এতটা… আমি হওয়ার জন্য। অথচ, তবুও, উত্তরের জন্য আমার বুক ধকধক করছিল, ব্যাকুল হয়ে অপেক্ষা করছিলাম।
আমি কষ্টেসৃষ্টে নিজেকে থামালাম, যাতে একেবারে বিড়ালের মতো গরগর শব্দ করে না উঠি কিংবা তার নিচে গুটিয়ে না যাই, যখন তার আঙুলগুলো আবারও আমার মাথার ত্বক আর কানের পেছন বেয়ে নামতে লাগল।
“My, my, Kitten, কী বড় কান তোমার।”
সে হেসে উঠল, আর তার সেই হাসির শব্দ আমার ভেতর অচেনা এক শিহরণ জাগিয়ে তুলল।
“এই!” আমি ক্ষুব্ধ হয়ে বললাম, “আমার কান বড় নয়। একটুও না।”
আসলে সত্যিই না!
তার হাসি আমাকে আরও সাহস দিল।
“তুমি যেমন চুপ থাকার ভান করছিলে না। ‘Caleb! ওহ Caleb!’”
তার হাসি হঠাৎ করেই থেমে গেল। আমার চুলে তার আঁকড়ে ধরা হাতটা হয়ে উঠল অস্বস্তিকর, যদিও সেটা যেন অজান্তেই হয়েছিল। আমি স্থির হয়ে গেলাম, নিজের ঠোঁট এমনভাবে কামড়ালাম যে রক্ত বেরোনোর উপক্রম। আমার এই বোকামি কি কোনোদিন শেষ হবে না?
“আমি দুঃখিত Master,” আমি ফিসফিস করে বললাম।
সবকিছু থেমে গেল খুব তাড়াতাড়ি। আর কোনো কথা হলো না। হঠাৎই সে বাথরুমে চলে গেল, ফিরে এল একটা বালতি পানি আর স্পঞ্জ নিয়ে, যেটা মেঝেতে রাখল। কোনো কথা না বলে সে আমাকে তুলে নিল। আমি-ও চুপ রইলাম, খুব ভয়ে ছিলাম, যদি আবার কোনো নতুন নির্যাতন শুরু হয়। সে আমাকে নামিয়ে রাখল মেঝেতে। এক বড় ভেজা দাগের পাশে।
“তুমি মেঝেতে মূত্র ত্যাগ করেছো,” সে বলল, তার অভিব্যক্তি নিস্তরঙ্গ, আবেগহীন। আমি মুখ ফিরিয়ে নিলাম—লজ্জায়, ভয়েও।
সে দরজার দিকে হাঁটল, হাত কড়ায় রেখে থামল। পিছন ফিরে না তাকিয়েই বলল,
“আমাকে আর কোনোদিন ওই নামে ডাকবে না Kitten। তুমি আমাকে চেনো না। ওইভাবে নয়।”
সে বেরিয়ে গেল, দরজা বন্ধ করল। আমি দাগটার দিকে তাকিয়ে রইলাম, আর স্পষ্ট শুনলাম দরজাটা তালা পড়ল। আমার মুখ লজ্জায় পুড়ছিল। কেন বুকটাও ব্যথা করছিল? আমি চোখের জল আটকে রাখতে মরিয়া হয়ে পলক ফেলতে লাগলাম।
আমি বুঝতে পারছিলাম না Caleb-কে আসলে কিভাবে দেখব—কখনো এতটা কোমল আর যত্নশীল, আবার কখনো এমন যে আমার আত্মার গভীর পর্যন্ত ভয় ঢুকে যায়। ওই নারীটা কে ছিল? কেন সে Caleb-কে নামে ডাকতে পারে?
***********
সময় গড়িয়ে যাচ্ছিল। আমি আর কখনো সেই নারীটিকে শুনিনি, কিন্তু প্রায়ই ভেবেছি তার কী হয়েছিল। আমার জীবন একঘেয়ে হয়ে উঠল, ভরে উঠল শুধু Caleb, তার দেওয়া শাস্তি, মাঝে মাঝে পাওয়া অর্গাজম, আর অন্তহীন অন্ধকারে। বহুদিন হয়ে গেছে আমি সূর্য কিংবা চাঁদ দেখিনি, কোনো আলো ও দেখিনি শুধু মোমবাতি কিংবা নাইটলাইট ছাড়া। আমি দিন গুনতে ভুলে গেলাম। একসময় খাবার দেখে বুঝতাম কোন সময়, কোন দিন চলছে। এখন আর না। এখন জানি, Caleb আমাকে খাওয়াত কেবল তখনই, যখন সে চাইত আমি খাই, আর যা সে চাইত আমি খাই। আমি ভেঙে পড়ছিলাম। যদি সময় বোঝার কোনো উপায় থাকত, তাহলে হয়তো আমি পারতাম… জানি না… কিছু একটা করতে।
অবশেষে আমি এতটাই রেগে গেলাম যে নাইটলাইটটা দেয়াল থেকে খুলে নিয়ে যত জোরে পারি ছুঁড়ে মারলাম, ভাঙার শব্দ শুনলাম। তারপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা মনে হলো আমি কেঁদে কাটালাম পিচকালো অন্ধকারে, ভয়ে বাথরুমের নাইটলাইটটাও খুলে অন্যত্র সরাতে সাহস পেলাম না, কারণ প্লাগ খুঁজে পাব না হয়তো। আমি দরজার নিচে চোখ লাগালাম, আশা করলাম কিছু একটা দেখতে পাবো, কিন্তু শুধু অন্ধকারই দেখলাম। আমি সমস্ত শক্তি দিয়ে দরজায় আঘাত করলাম, চিৎকার করলাম, কাঁদলাম—কেউ এলো না…কেউ পাত্তা দিল না। আমি অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলাম মৃত্যু কি এমন হয়? আমি পিঠের ওপর শুয়ে নিজেকে কফিনে কল্পনা করলাম—শূন্যতার দিকে তাকিয়ে আছি, একেবারে বিস্মৃত। মনে হলো আমি হয়তো চোখ খোলা রেখেই ঘুমিয়েছিলাম।
যদিও নিশ্চিতভাবে জানতাম না, আমার মনে হতো Caleb-এর আমার ঘরে আসা আরও কমে আসছে। এর মধ্যেই অদ্ভুতভাবে, আমি তার উপস্থিতিতে কম আতঙ্কিত হচ্ছিলাম—বরং, দিন দিন তার উপস্থিতি আমাকে শান্ত করছিল। কিন্তু সে, অন্যদিকে, আমার প্রতি ক্রমশ বিরক্ত হয়ে উঠছিল। আরও ভয়ের বিষয়, তার রাগই প্রায়ই হয়ে উঠছিল আমার শাস্তি, আর আমি পাগলের মতো চেষ্টা করতাম দুটোকেই এড়িয়ে চলতে। সে যখন আমায় ছুঁত, আমি প্রাণপণে স্থির থাকার চেষ্টা করতাম। সে যখন কথা বলত, আমি কোনো শব্দ করতাম না। আর যখন প্রতিরোধ আটকাতে পারতাম না, সাথে সাথেই ক্ষমা চাইতাম। কিন্তু যত বেশি আমি নিজেকে সমর্পণ করতাম, ততই সে নির্মম হয়ে উঠত। আমি বুঝতাম না কেন।
“সমর্পণ করো,” সে একদিন বলেছিল।
“আমি বুঝতে পারছি না তুমি কী বোঝাতে চাইছো,” আমি জিদ করেছিলাম।
আমি হালকা মাথা কাত করলাম, পরিচিত কোনো শব্দ কানে এলো। আমার শ্রবণশক্তি এতটা বেড়ে গিয়েছিল যে এক মুহূর্তেই বুঝলাম। বাসনপত্রের শব্দ। আমি তাড়াহুড়ো করে উঠে দরজায় আঘাত করলাম। কোনো সাড়া নেই। আমি পিঠের ওপর শুয়ে পায়ের তালু দিয়ে দরজায় ঠেস দিয়ে এমন কিছু করলাম যেটা যে বোকামি তা আমি জানতাম—দরজায় পাগলের মতো লাথি মারতে লাগলাম, চাইছিলাম সে যেন আমাকে খেয়াল করে।
আবারও কোনো সাড়া নেই। আমি সত্যিই আতঙ্কিত হয়ে পড়লাম।
“অনুগ্রহ করে!” আমি চিৎকার করলাম। “এখানে অন্ধকার, আমি বাইরে যেতে চাই!”
কেবল নীরবতা পেলাম। আমি হতাশায় কেঁদে উঠলাম।
“Caleb! Caleb…দয়া করে দরজা খোলো।”
কিছুই না। তারপর হঠাৎ কেউ দরজায় এমন জোরে লাথি মারল যে আমি চোখের সামনে এক ঝলক আলো দেখতে পেলাম। আমি তাড়াহুড়ো করে পিছিয়ে গেলাম, ভয়ে কাঁপতে লাগলাম। প্রথমবারের মতো স্বস্তি পেলাম দরজাটা যে এত ভারী, মজবুত আর তালাবদ্ধ।
এরপর যখন শুনলাম তালার ভেতরে চাবি ঘোরানোর শব্দ, তখনকার মতো অশনি-সঙ্কেত আগে কখনো পাইনি। জীবনে প্রথমবার, আমি অন্ধকারকেই মিত্র ভেবেছিলাম। আমি বিছানার নিচে গড়িয়ে ঢুকে পড়লাম। জায়গাটা এতটাই আঁটসাঁট ছিল যে একেবারে চেপে গেলাম, মাথা ঘোরানোও অসম্ভব হয়ে গেল। শ্বাস আটকে রাখলাম, আর দরজা খোলার শব্দ পেলাম। হৃদস্পন্দনের জোরে আমার শরীরই দুলছিল। আমি চোখ শক্ত করে বন্ধ করলাম, চাইছিলাম নিজেকে অন্য কোথাও ভাবতে। মাথার ভেতরে একটা কণ্ঠ ভর্ৎসনা করল—বিছানার নিচে? নির্বোধ। একেবারে নির্বোধ।
“হোয়াট দ্য ফাক?” আমি তাকে ফিসফিস করে বলতে শুনলাম। স্বস্তি মুহূর্তেই মিলিয়ে গেল, যখন বুঝলাম যে ঘরে ঢোকা Caleb-ই।
“Oh Kitten, এবার আমরা কী করলাম?”—সে কটাক্ষ করল।
“আমি দুঃখিত,” আমি বললাম, যদিও আমার মনে হয় সে শোনেনি। দরজা বন্ধ হলো। আমি শুনছিলাম… কেবল আমার হৃদস্পন্দন।
কিছু শব্দ হলো—ঝরঝরে আওয়াজ। আমি জানতাম সে ঘরে ঘুরছে, কিন্তু ঠিক কোথায় আছে তা বোঝা যাচ্ছিল না যতক্ষণ না আমি বাথরুমের টাইলের উপর তার জুতার শব্দ শুনি। আমি ঠোঁট কামড়ে ধরলাম এত শক্তি দিয়ে যে মুখে রক্তের স্বাদ পেলাম। তার কণ্ঠ ঘর ভরিয়ে দিল।
“কিছু বলো, Kitten…”
তার পা লাগছিল কাছে।
“কবে তুমি নিজেকে কল্পনা করেছিলে…? আমার প্রেমিকা হিসেবে?”
আমার হৃদস্পন্দন কপাল পর্যন্ত কম্পিত হলো।
“যখন প্রথমবার আমি আমার মুখ দিয়ে তোমাকে আনন্দ দিয়েছি? নাকি এর পর বহুবার, যখন আমি তোমাকে আমার হাঁটুর উপর বসিয়েছি? তুমি তো ভালোবাসো এমনটা।”
আমি অনুভব করলাম বিছানার ওপরে তার ওজন পড়ছে।
দুঃখজনকভাবে, সেটা এমন দিকে যা আমার দিক নয়। আমি এখন প্রকাশ্যে কেঁদে যাচ্ছিলাম। সে জানত আমি কোথায় আছি, আর আমার সাথে খেলছে।
“আমি দুঃখিত Master,” আমি ফিসফিস করে বললাম।
সে হেসে উলঙ্গ করল আমার দুর্বলতা—কোনো শব্দ ছাড়াই।
“যদি আমি তোমাকে বাইরে টানি, তা খুবই কষ্টকর হবে। ভালো হবে তুমি নিজেই বের হও।” সে ধীরে ধীরে বলল।
আমি কেঁদে বললাম, আমি বাইরে আসব, তার কাছে ভিক্ষা করলাম যেন আমাকে কষ্ট না দেয়। আমার অদ্ভুত মনে হচ্ছিল, পেটের ওপর গড়িয়ে, প্রাণীর মতো। কেঁদে, ভিক্ষা করে, শুধু ভয় দেখাতে পারছিলাম। আর হতাশা—কারণ আবারও সবটাই আমি নিজেই আমার উপর এনেছি।
বাইরে আসার পর সে আমাকে দাঁড় করালো, মাথা তার বুকে ঠেসে রেখে আস্তে করে দুলালো। আমি তাকে শক্ত করে ধরে রাখলাম, দুই হাত দিয়ে কোমর চেপে ধরলাম। তার বাহুতে আশ্রয় নেওয়া এখন আমার স্বাভাবিক হয়ে গেছে, এমনকি যখন সে শুধু আমাকে ধরে রাখার জন্য ব্যবহার করেছিল আমাকে মারতে। আমি বারবার বললাম, আমি আর তা করব না। আমি বললাম, আমি দুঃখিত। সে নিশ্বাস ছাড়ল, আমাকে আরও কাছে নিলো, কানের খোলের কাছে ঠোঁট রাখল,
“তুমি হবে Kitten।”
হঠাৎ সে আমাকে মুখ নিচু করে বিছানায় ঠেলল। আমি কাঁদলাম, কিন্তু লড়াই করিনি। আমি তাকে দেখাতে চাইছিলাম আমি কতটা আজ্ঞাবহ, কতটা আন্তরিক। আমি আর কখনো তার নাম বলব না। আমাদের মধ্যে সেই পর্যায়ের ঘনিষ্ঠতা অনুমানও করব না।
দক্ষ আঙুল দিয়ে সে আমার কব্জি হেডবোর্ডের রডের মধ্যে সেঁটে দিল।
আমার শরীর টান পেল, প্রস্তুত হয়ে উঠল। তার ওজন বিছানা ছেড়েছিল। তারপর আমি শুনলাম সে কাপড় খুলছে। এটা ভিন্ন ছিল। অনেক ভিন্ন।
আমি আমার বাঁধন টানলাম।
“অনুগ্রহ করে না।” বলতে পারলাম না।
সে প্রস্তুতিতে ধীরে চলল। আমি পুরো অন্ধকারে তাকালাম, চেষ্টা করলাম তাকে স্পষ্টভাবে দেখতে। আমার রক্ত কানে বাজছিল, ভীতি বাতাসে স্পষ্ট। তার ওজন বিছানা নড়াচড়া করল, আমি সঙ্গে সঙ্গে বুঝলাম—যা ঘটতে চলেছে তা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
সে তার নগ্ন বুক আমার নগ্ন পিঠের ওপর চাপালো, ওজন প্রায় আমার শরীর ক্রাশ করছে।
“তুমি চাও আমার প্রেমিকা হতে Kitten? তুমি কি তাই আমাকে নাম ধরে ডেকেছো?”
আমি হঠাৎ লাফ দিয়ে চেষ্টা করলাম আমার পিঠ থেকে তাকে সরাতে, কব্জি বাঁধন টেনে ধরলাম। কোনো কাজ হলো না। আমি অনুভব করলাম সে আমার উরুর মধ্যে শক্ত হয়ে উঠছে। আমি অচল শুয়ে রইলাম। সে সম্পূর্ণ নগ্ন। আগে কখনো এমন নগ্ন হয়নি। আমি চাদরে মুখ চাপিয়ে কেঁদে ফেললাম। সে একটুও হাঁপাচ্ছিল না, কানের কাছে কথা বলছিল—
“আমি বহুবার তোমাকে আনন্দ দিয়েছি, কিন্তু একবারও তুমি আমাকে ফিরিয়ে দাওনি। তোমাকে আমার নাম ডাকবার অধিকার উপার্জন করতে হবে।”
“Master, অনুগ্রহ করে।” আমি অন্ধকারে চিৎকার করলাম।
সে আমাকে চেপে ধরল, তার উদ্দীপনা আমার কাঁপা পায়ের মাঝে অসম্ভব গরম এবং কঠিন।
“না, আজকে আমাকে ওই নামে ডাকবে না। তুমি নাম ধরে ডাকো, কারণ তুমি তা অর্জন করতে যাচ্ছ।”
আমি কেবল আরও কাঁদলাম।
সে নিশ্বাস ছাড়ল, কঠোর, রাগী—অপসন্তুষ্ট?
সে আমার ওপর থেকে নামল, বিশাল দেহ বিছানা চেঁচাচ্ছে, পাশেই শুয়ে গেল। আমি কাঁদা থামাতে পারলাম না, যদিও স্বস্তি কিছুটা এল। কেন সে এটা করছিল!
সে দীর্ঘ সময় আমার চুলে আদর করল, আঙুলের উঁচু দিক দিয়ে আমার মুখ ছুঁল। যখন সে আমার পিঠ, হাত, পা—সব জায়গায় আস্তে আস্তে, ধীরভাবে, প্রশিক্ষিতভাবে—মালিশ করছিল, বিছানার কাঠ ভীষণভাবে চেঁচাচ্ছিল। আমি বিছানার ওপর নরম কন্ঠে কেঁদে উঠলাম, তারপর একেবারেই না, যখন সে আমাকে এক অযৌক্তিক নিরাপত্তার অনুভূতিতে প্রলুব্ধ করল। যখন সে আবার আমার ওপর শরীর রাখল, আমি পুরো দেহে টান অনুভব করলাম। সে বারবার আমাকে শিথিল হতে বলল। সে আমাকে সর্বত্র চুম্বন করল, আগের মতো নয়, রাগী নয়। এবং ঈশ্বর সাহায্য করুক, এটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়া উচিত ছিল না, কিন্তু somehow তা হলো।
আমি কখনো কোনো পুরুষের এত কাছাকাছি আসিনি। কখনো বুঝিনি তার নগ্ন শরীরের উষ্ণতা আমার শরীরের সাথে চাপ দিলে আমি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাব। আমি প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করলাম। আমার শরীর তার কাছে নিজেকে মুড়িয়ে রাখতে চেয়েছিল, আর মন বলছিল এটা একটি ভয়ঙ্কর ভুল হবে। আমার দিকে সে যেভাবে ছুঁয়েছিল, আমি কি ঠিক তেমনভাবে তাকে স্পর্শ করতে পারব? সে কি আমার মতো তার জাদুর প্রভাবের নিচে থাকবে?
আমার সাধ্যমতো চেষ্টা সত্ত্বেও আমি তার কোমল আদরে হারিয়ে গেলাম, আমার ঠোঁট থেকে আস্তে আস্তে নরম কর্কশ ধ্বনি বের হলো। তার হাত আমার পেছনের অংশে, কোমরে, চেপে ধরল, আস্তে ধীরে ভেতরে প্রবেশ করল। আমি লড়াই করিনি। এমনকি যখন তার আঙুল আমার ভাঁজ অনুসরণ করে আমার যৌ*না*ঙ্গের বাইরের অংশে স্পর্শ করল, তখনও লড়াই করিনি। ভয় ধরল, কিন্তু ইচ্ছা ফোটা দিয়ে উঠল যখন সে আমার সেই ছোট, বিশ্বাসঘাতক স্ফটিক অংশে পৌঁছাল। আমি এক মুহূর্ত থেমে গেলাম, কিন্তু নিজেকে তার স্পর্শে সামলালাম। সে আগে এটা করেছিল, সেই বিশ্বাসঘাতক অংশের আঙুল দিয়ে আমাকে উচ্চ তৃপ্তিতে পৌঁছে দিয়েছিল। এবং সে ঠিক বলেছিল; সে কখনো একইরকম কিছু আমার কাছে চায়নি। একবারও নয়। আমার এটা প্রয়োজন, আমি সবকিছু ভুলে যেতে চাইছিলাম, যদিও কেবল কয়েক মিনিটের জন্য। সে আমাকে ভালো লাগার অনুভূতি দিল, এতটা যে প্রতিরোধ করা কঠিন হয়ে গেল। সে আমাকে নিরন্তর ঘষল, আমার বুক থেকে কর্কশ ধ্বনি বের করল। এটা আসছিল—সেই চুলকানি, যা বিস্ফোরণে পৌঁছে।
“পা খুলো,” সে ফিসফিস করল, তার স্পন্দিত লিঙ্গ আমার উরুর বাইরে ঘষল।
এটি ভেবেই আমি আগের চেয়ে জোরে কর্কশ ধ্বনি দিলাম। আমি জানতাম না আমার সঙ্গে কী ঘটছে। শুধু জানতাম, আমাকে পা খুলতে হবে।
“আরও খুলো,” সে গর্জন করল, আমি মানলাম।
আমার অর্গাজম গভীর থেকে আমার দেহে ধাক্কা দিলে আমি অচল কাঁপতে লাগলাম। আমি কোমর টানালাম, তার আঙুল খুঁজতে লাগলাম, কোনো শব্দ ছাড়া দৃঢ় স্পর্শ চাইতে লাগলাম। সে আমাকে যা চাইছিলাম তা দিল, আর আমি আমার অর্গাজমকে যতটা সম্ভব ধরে রাখলাম। যখন সে হাঁটু গেড়ে উঠে আমার খোলা উরুর মধ্যে অবস্থান নিল, তখন আমি প্রায়ই না বুঝে গেলাম।
যখন কিছু আমার পশ্চাৎভাগে স্পর্শ করল, আমি লাফ দিয়ে উঠে গেলাম। তার হাত আমার কাঁধের মধ্যে চাপালো,
“মাথা নিচু করো।”
তার আঙুল আমার তৈরি করা আর্দ্রতা তুলে ধরে সেই সংকীর্ণ পেশির রিংয়ে দক্ষভাবে লাগাল। আমি অচল কাঁপতে লাগলাম। আমি খুব বিস্মিত হয়েছিলাম যে আমার ভয় এতটা এসেছে—অর্ধেক লজ্জা, অর্ধেক ব্যথা, কারণ এমন গোপন জায়গায় স্পর্শ পাওয়ার অভিজ্ঞতা। এটি আমার শরীরের সেই অংশ নয় যা দেখা হয়। আমি নিশ্চয়ই আগে কখনো দেখিনি। যখন তার আঙুল সেই গোপন অংশে প্রবেশ করল, তখন এটি একমাত্র অংশ মনে হলো যা আমি জানি। আমি লড়াই করলাম, কিন্তু খুব কম প্রভাব হলো। সে ধীরে ধীরে ঢুকল, আমাকে শিথিল হতে বলল, তারপর আবার বের করল, আবার ঢুকল। মনে হলো এটি অবিরাম চলতে থাকবে, পুরো সময় আমি নিজের লজ্জা আরও বাড়াতে চাইনি, তার যা করছে তা নিয়ে এতটা মনোযোগ দিলাম না। কিছু সময় পরে, আর ব্যথা লাগল না। যথেষ্ট সন্তুষ্ট হয়ে, সে আমাকে পিঠের ছোট অংশ ধরে স্থির রাখল।
কিছু অসম্ভব বড় কিছু আমার গোপন স্থানে চাপাল। আমি স্থবির হয়ে গেলাম। তার ভিতরে প্রবেশ করার কোনো উপায় নেই। আমি লাফালাফি করলাম। অনিবার্যতার বিরুদ্ধে লড়াই করলাম।
“শিথিল হও Kitten। শিথিল হও।
গভীর নিশ্বাস নাও…ভালো, এবার আরেকটা।”
আমি যেন দুইভাগে ছেঁড়া হয়ে যাচ্ছিলাম। আমার জগৎ উল্টো হয়ে গেল। সে আমাকে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখল, ভিতরে প্রবেশ করার সময় ধীরে ধীরে আমাকে নির্দেশ দিচ্ছিল। আমি মনোযোগ দিয়ে তার স্থির কণ্ঠ শুনলাম এবং চেষ্টা করলাম ঠিক যেটা সে চাইছে তা করি। ব্যথা আনন্দকে ছাপিয়ে গেলেও, আমি চেষ্টা করলাম চাদর মুখে ঠেস দিয়ে। অনেক সময় লাগল তার পুরোপুরি আমাকে ভরতে। সে স্থির হয়ে গেল, আমার মাথার ওপর মাথা রেখে, কোমলভাবে বলল,
“লড়াই করো না।”
সে আমার স্তন, পেট, কাঁধে চুম্বন করল, আবারও আমাকে আনন্দে কর্কশ ধ্বনি করতে বাধ্য করল। ইচ্ছার বিপরীতে? সত্যিই? আমার শরীর শিথিল হলো, এবং তার বিশালতা আমার ভিতরে স্থির হলো। তার নিশ্বাস ঘাড়ের পেছনে উষ্ণতা ছড়িয়ে দিল, এবং সে একটি গর্জন করল। এত পুরুষ, এত প্রাথমিক শব্দ, আমি বিস্মিত হয়ে গেলাম।
“অনুগ্রহ করে।” আমি ফিসফিস করলাম, কিন্তু জানতাম না কী চাচ্ছি। সে আমার ভিতরে, প্রতিটি কোষে। তার লিঙ্গ স্পন্দিত হচ্ছিল এবং আমি অনুভব করতে পারছিলাম। কিন্তু তার চেয়ে বেশি, আমি জানতাম সে আমাকে অনুভব করতে পারছে। শুধু কাঁপানো নয়। আমাকে।
প্রতিদিন আমি আগের চেয়ে বেশি ভঙ্গুর হয়ে উঠতাম। প্রতিদিন সে আমার নিজস্বতার আরও কিছু অংশ কেড়ে নিত। আর এখন সে শেষ অংশটা নিয়েছে, আমার শেষ অংশ। কিন্তু এর মানে আমি কে? তার একাংশ? নতুন কেউ? আমি জানতাম না। জানতেও চাইতাম না।
সে আমার ওপর ঝুঁকল, আমার মুখের পাশে চোখের জল চুম্বন করল। তারপরও সে নড়ল না। আমার শরীরকে যৌনভাবে ছাড়িয়ে, সে মনকেও প্রভাবিত করতে চাইল। এটা কাজ করল। আমি চাইলাম সে আমার প্রতি কোমল হোক। আমাকে চুম্বন করুক। আমার জন্য ভালো করুক। আমি ভীত ছিলাম যে ব্যথা হবে, এবং আবারও তার কাছে রক্ষা চেয়েছিলাম। কতটা বিপথগামী!
তারপর সে আমাকে ধীরে ধীরে ধরল।
আমার জীবনে এমন কিছু অনুভব করিনি। অনুভূতি আমাকে আক্রমণ করল, অচল করল, মনে হলো আমার মন কোনভাবে সাড়া দিতে পারবে না। পুরো শরীর কাঁপছিল, যখন সে বারবার আমাকে প্রভাবিত করছিল, তবুও সেখানে একটা ভয়ঙ্কর আনন্দও ছিল। এটা ভিতরে জমে ওঠল এবং মুক্তি চাইল। কি সবসময় এমন?
যদি সে আমার… এমনকি আমার চিন্তাও, তবে কি অনুভূতিটি একই হবে?
Caleb বলে, এটাকে বলে তোমার pussy।
আমি orgasm করলাম। শক্তভাবে। তার ভিতরে আমার স্পন্দন তাকে স্থির করল। সে ব্যথার আওয়াজ করল এবং কাঁধে চুম্বন দিল,
“ঈশ্বর…আমি জানতাম তুমি এমন হবে।”
আমি জিজ্ঞাসা করার আগেই সে ভিতরে চলল, এবং সমস্ত চিন্তা উধাও হলো।
যখন সে আমাকে ধরল, আমি আরও কয়েকবার orgasm করলাম। প্রতিবারই, আমি নিজেকে আরও কম চিনতাম। অবশেষে, সে আমার পশ্চাৎভাগ চেপে ধরল, টানল।
“তুমি কত ভালো লাগছ। আমি তোমার ছোট, সংকীর্ণ পশ্চাৎভাগকে ভালোবাসি।”
সে গর্জন করল এবং আমাকে ধাক্কা দিল। সে ভিতরে ফুলল, এবং আমি বিশ্বাস করতে পারলাম না এটা সত্যিই বড় হচ্ছে। সে জোরে কর্কশ ধ্বনি দিল,
“ওহ, Fuck!”
কিছু মুহূর্তের মধ্যে সে আমাকে নিজের স্রাব দিল।
যখন সে আর ভিতরে স্পন্দিত করল না, সে আমার ওপর ভেঙে পড়ল, কানে ফিসফিস করে শান্ত করল। আমি নরমভাবে কেঁদে উঠলাম, যখন সে আবার কোমলতা এবং সান্ত্বনা হয়ে গেল। সে কিছু বের করল এবং আমার নিচে রাখল। ধীরে ধীরে বের হলো, তার লিঙ্গ বের হতে হতে, প্রচণ্ড আতঙ্ক সৃষ্টি করল। তার স্রাব কি বের হয়ে যাবে! আমি অজান্তে শক্ত করে ধরলাম, এবং সে হিস করল। আবার, সে আমাকে লজ্জিত করার নতুন উপায় খুঁজে পেল।
চোখ থেকে চোখের জল গড়িয়ে পড়ল, আমার দগ্ধ গালে।
আমরা প্রথমবার একসাথে স্নান করলাম, টবের মধ্যে চেপে বসে, আমার শরীর তার উরুর মধ্যে, এমন এক অংশের সাথে লেগে যা আমি আগে দেখিনি। সে আমার মাথা নিজের বুকের ওপর রাখল। আমি কেঁদে উঠলাম, উদাসীন এবং ক্লান্ত, সমস্ত শক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। সে আমাকে স্পর্শ করল, ধৌত করল, কথা বলল।
“তোমার নাম কী?”
“Kitten,” আমি দুর্বলভাবে ফিসফিস করলাম।
“আর আমার?” সে আমার আঙুলের নিচে শক্ত হয়ে গেল।
“Master।”
স্নানের পর, সে চুপচাপ আমাকে তোয়ালে দিল। আমি কৃতজ্ঞ ছিলাম। আমি কোনো প্রতিবাদ ছাড়াই বিছানায় উঠলাম, ঘুমের অচেতনতা খুঁজতে চেষ্টা করে, যদিও প্রার্থনা করছিলাম যে আমি শুধু যে ঘটেছে তা স্বপ্নে দেখতে পাব না।
উলঙ্গতা, বিভ্রান্তি এবং আরও অনিশ্চয়তা। আরও অসহায়ত্ব। আমার প্রার্থনা, সবকটা, অব্যাহত রইল। সে আমার পাশে শুয়ে রইল, আর আমি জানতাম ঘুম কোনো বিকল্প নয়।
আমি চোখ খুলে অন্ধকারে তাকালাম। আমি স্থবির – হৃদয়ভাঙা। শুধু যে সে যা করল তা দেখে আমি স্তম্ভিত ছিলাম না, বরং আমি আরও বেশি স্তম্ভিত হয়েছিলাম যে সে কীভাবে আমার শরীরকেও আমার বিরুদ্ধে ঘুরিয়ে দিল। ব্যথা প্রচণ্ড ছিল, এবং তবুও কখনো কখনো মনে হয়েছিল, সেই একই ব্যথাই তখনকার হঠাৎ কাঁপুনি আরও জোরালো করেছিল যখন সে আমাকে orgasm-এ পৌঁছে দিয়েছিল। লজ্জা আমাকে অতিক্রম করল। আমার একাংশ এটি উপভোগ করেছে। কয়েকবার সে কেবল সেই কাঁপুনির ঠিক আগে আমাকে সামান্য মুক্তি দিয়েছে, তখন আমি আরও শক্তভাবে তাকে আঁকড়ে ধরেছিলাম। এখান থেকে আমি কোথায় যেতে পারব?
আমি সেখানে শুয়ে রইলাম, চোখ বড়, নিঃশ্বাস হালকা, আত্মা পরাজিত, এবং শূন্যের দিকে তাকালাম।
সে আমার পাশে শুয়ে ছিল, নগ্ন এবং আমার ত্বকের সঙ্গে উষ্ণ। আমি চেষ্টা করলাম না নড়াচড়া করতে, তার কথা ভাবতে, কিছু ভাবতে না, শুধুই এই অন্ধকার কক্ষটিকে ভাবতে যা দ্রুত আমার পুরো জীবন হয়ে উঠছিল। আমার চোখের জল আমার মুখের ওপর দিয়ে নেমে গেল, ডান চোখ দিয়ে, নাকের সেতু দিয়ে, বাম চোখে, এবং বালিশে পড়ল। আমার বালিশ, আমার একমাত্র বন্ধু। আমি কেঁদে উঠলাম, দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আমার চোখের জল গোপন রাখার জন্য।
সেগুলো আমার, তার নয়। আর সে তো তেমন কিছুই পাত্তা দেবে না। সে আমার কথারও পাত্তা দেয় না।
“Kitten, এভাবে আচরণ করা ঠিক নয়,” সে বলল, কণ্ঠে স্পষ্ট যে সে পুরোপুরি জাগ্রত এবং আমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। “আমি জানি, এটা পুরোপুরি খারাপ ছিল না, তুমি orgasm করেছ একাধিকবার।”
তার কথা আমাকে কেটেছে, এবং বুকের মধ্যে এক শক্ত লজ্জার অনুভূতি আমাকে আরও ভিতরে ঢেকে রাখল। আমি কিছু কড়া বলতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তা গিলে খেয়েছি। আমি মুখ খুলতে চাইনি, যদি খুলি, আমি কেবল কেঁদে ফেলব, আর আমি আর কাঁদতে চাইনি। কাঁদতে কষ্টের শেষ সীমা পেরিয়েছি।
সে আমার মাথায় চুম্বন করল, আর আমি তা পিছনে সরালাম।
আমি গভীরভাবে গিলে নিলাম এবং ধীরে ধীরে দীর্ঘ নিশ্বাস নিলাম।
“তুমি শুধু আমাকে আঘাত দিতে চাও,” আমি শান্তভাবে বললাম। আমার কথায় একটু ভয় লুকানো ছিল। আমি আরও হিংসার আশা করেছিলাম, কিন্তু তেমন কিছু পাত্তা দিলাম না। পরিবর্তে, সে আমাকে শান্ত করল।
“এসো এখানে,” সে বলল, খুব কোমলভাবে, এতটা নিরাপদ মনে হলো। “সব ঠিক হয়ে যাবে।”
সে আমাকে জোরে ধরে নিল এবং আমার মুখ নিজের বুকে ঘুরিয়ে দিল। কোনো চিন্তা করার আগেই, আমি আমার হাতগুলো তার চারপাশে বেঁধে ধরে ধরলাম যত শক্তি আমার ছিল। সে ছিল আমার কষ্টদাতা এবং আমার সান্ত্বনা; অন্ধকার ও আলো দুটোই তার সৃষ্টি। আমি কোনো মুহূর্তের জন্য ভাবিনি যে সে আমাকে আঘাত করবে; এখন আমি শুধু চাইছিলাম কেউ আমাকে ধরে রাখুক, কেউ আমার প্রতি দয়ালু হোক, কেউ আমাকে ঠিক এই কথাগুলো বলুক—সব ঠিক হয়ে যাবে।
নিশ্চয়ই ঠিক হবে না, আমি জানতাম। কিন্তু আমি পাত্তা দেইনি। আমি সেই মিথ্যা দরকার ছিল। আমার বই, সিনেমা, এবং এখন Caleb-এর বাহু।
সে আমাকে ধরে রাখল যেন একটি চিরস্থায়ী মুহূর্ত, ধীরে ধীরে দোলনা দিল, যতক্ষণ না সমস্ত কান্না স্তব্ধ হলো এবং আমি শুধু তার ওপর বিশ্রাম নিলাম।
“অনুগ্রহ করে আমাকে এখানে একা ফেলে যেও না। আমি এখানে থাকতে ঘৃণা করি।”
তার আঙুল আমার মুখের পাশে ছোঁয়াল, এবং এটি আমাকে আশা দিল। কিন্তু তারপর আমি অনুভব করলাম সে ধীরে ধীরে বিছানা থেকে সরে যাচ্ছে। কোনো আশ্বাস ছাড়াই, সে তার কাপড়গুলি তুলে নিয়ে চলে গেল।
হারা হয়ে, আমি আবার শুয়ে পড়লাম এবং বালিশগুলোকে আরও কাছে টেনে নিলাম। তারা তার মতোই গন্ধ ছড়িয়েছিল।
চলবে.......