ফন্ট সাইজ:
থিম:
Breakaway-2

৪২তম পর্ব

লেখক: সিজন - ২

#Breakaway

#Translator_by_গল্প (১৮+ এলার্ট)

#পর্বঃ৪০ (সিজন ২)

⚠️সতর্কবার্তাঃ এখানে অনেক ডার্ক সিন রয়েছে, নিজ দায়িত্বে পড়ুন। যারা অতিরিক্ত রোমান্টিকতা পছন্দ করেন না তারা চাইলে এটি স্কিপ করতে পারেন। ❌

Chapter 40

CADEN

আমরা দু’জনেই রক্ত আর cum-এ ভেজা— তারটা আর আমারটা এমনভাবে মিশে গেছে, যেন ওগুলো জন্ম থেকেই একসাথে থাকার কথা ছিল। আসলে তাই-ই তো।

আমি নিচে তাকাই— Kara-র ত্বকে আমি যে কাটগুলো কেটেছি, যেগুলো একদিন স্থায়ী দাগে পরিণত হবে,

সেগুলোর দিকে তাকিয়ে আমার বুকটা অদ্ভুতভাবে কেঁপে ওঠে। আর আমি ভাবি— আমি আসলে কীভাবে এতটা ভাগ্যবান হলাম?

এই অপরূপ, হিংস্র, অসাধারণ নারীটা একটু আগে আমার ছুরিটাকে নিজের ত্বকের ভেতর, নিজের cunt-এর গভীরে গ্রহণ করেছে। এই সত্যিটা—এই বাস্তব উপলব্ধিটা—

আমার শরীরের প্রতিটি হরমোন, প্রতিটি রক্তনালী, প্রতিটি স্নায়ুতে একটা উন্মত্ত, অজানা আগুন জ্বেলে দেয়।

আমি নিজেকে এক আদিম মানুষ বলে অনুভব করি—

একটা Neanderthal, যে তার নারীর প্রতিটি সম্ভাব্য উপায়ে দখল নিতে চায়, চিহ্ন রেখে যেতে চায়, তার শরীর, আত্মা, রক্ত—সবকিছুতে নিজের ছাপ বসাতে চায়।

আর সেই তীব্র, আদিম তাড়নার মাঝেই আমার চোখ যায় ঘরের কোণে রাখা ছোট্ট একটা বাক্সের দিকে—

যেটা আমি আজ নিয়ে এসেছিলাম।

ওটাই আসলে আমার পরিকল্পনার শুরু ছিল— যেটা দিয়ে আমি শুরু করার কথা ভেবেছিলাম, এর আগে যে Kara আমাকে সম্পূর্ণভাবে নিঃশ্বাসহীন করে দিয়েছিল আর স্বেচ্ছায় আমার ‘অধিকার’-এর সেই চিহ্ন মেনে নিয়েছিল, যেটা চাওয়ারও অধিকার ছিল না আমার।

এখন সেটা রয়ে গেছে— ছোট্ট এক বাক্স, একটা প্রতিশ্রুতি, আর সেই অদ্ভুত, গভীর অনুভূতি যে—আমরা এখন একে অপরের রক্তে বাঁধা।

“এটা, আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি,” আমি নিচু গলায় বলি, “আগেরটার মতো এতটা ভয়ংকর কিছু নয়।”

আমি ঠোঁটে হালকা হাসি টানি।

“তবে হ্যাঁ,” আমি যোগ করি, “এটা হয়তো একটু... হতাশাজনক লাগতে পারে।” বলেই আমি ওর কোমর ধরে টেনে নিই,ওকে টেনে আনি আমার ওপর,

যেন ও আমার পেটের উপর চেপে বসে থাকে, উরু দুটো আমার দুই পাশে।

“সব ওই ছুরি চালানো, রক্তের খেলা, আর ধারালো অস্ত্রটা তোমার cunt-এর ভেতরে নেওয়ার পর,”

আমি নিচু স্বরে ঠাট্টা করি,

“এর পর এটা হয়তো একটু শান্তই লাগবে।”

Kara খিলখিল করে হেসে ওঠে—

তার শরীর এখনও কাঁপছে orgasm আর edge play-এর অ্যাড্রেনালিনে মাতাল হয়ে।

“তুমি কি বলতে চাইছ,” সে ঠোঁট কামড়ে বলে,

“তুমি চাও আমি এবার তোমার গায়ে ছুরি চালিয়ে

তোমার শরীরে আমার নামের আদ্যক্ষর কেটে দিই?”

আমি হেসে ওকে নিচে টেনে নিই, তার মুখটা আমার ঠোঁটে মিশিয়ে দিই— তার ঠোঁট উষ্ণ, নেশাময়, এমন এক স্বাদে ভরা যেটার প্রতি আমি আসক্ত হয়ে গেছি।

“এই মূহর্তে না,” আমি ফিসফিস করে বলি,

তার গলার ওপর ঠোঁট বুলিয়ে নামতে নামতে।

“তবে তুমি যদি কখনও সত্যিই চাও, আমি কিন্তু চেষ্টা করার জন্য একদম প্রস্তুত।”

সে আবার হেসে ওঠে— আর আমি সত্যি চাই, ঈশ্বর জানেন— আমি যদি পারতাম, সেই হাসিটা বোতলে ভরে রাখতাম, দিনরাত শুনতাম বারবার, ক্লান্ত না হয়ে।

আমি তার মুখে আবার চুমু দিই, তার ঠোঁটের কোণে একচিলতে দুষ্টু হাসি রেখে বলি,

“না, এটা তোমার জন্য। একটা উপহার বলা যায় তবে একটা শর্ত আছে, একটা ভারী দায়িত্ব, যদি তুমি গ্রহণ করো।”

সে সামান্য কপাল কুঁচকে বসে ওঠে, এখনো আমার কোমরের চারপাশে তার উরুগুলো জড়িয়ে আছে।

“একটা present?” — সে জিজ্ঞেস করে, কণ্ঠে স্পষ্ট একরকম লুকোনো উত্তেজনা।

অবশ্য, ওর মনোযোগ যায় কেবল ওই দুটি শব্দেই।

“আমার পকেটটা দেখো,” আমি বলি, গলায় একটুখানি নার্ভাস ভাব লুকিয়ে রেখে।

তার আঙুলগুলো সঙ্গে সঙ্গে নড়ে ওঠে, আমার উরুর ওপর দিয়ে সরে আসে।

“Oh my God, তুমি কি আবার already hard?” —

ওর আঙুল যখন প্যাকেটটার ওপর পড়ে, যা আমি চাইনি ও এত তাড়াতাড়ি খুঁজে পাক, তখন সে বিস্ময়ে বলে ওঠে।

আমি চোখ ঘুরিয়ে নিঃশ্বাস ছাড়ি।

“তুমি একদম নগ্ন অবস্থায় আমার ওপর বসে আছো,

অবশ্যই আমি bloody hard থাকব।

আমি বলেছিলাম আমার pocket -এ দেখো,

আমার লিঙ্গের অবস্থা নয়।”

“Fine,” সে হালকা গজগজ করে বলে,

আমার উত্তেজিত অঙ্গটাকে অবহেলায় ফেলে রেখে

হাত ঢোকায় আমার পকেটে।

তার মুখের অভিব্যক্তি বদলে যায় যখন সে ছোট কালো বাক্সটা খুঁজে পায়,

এবং সেটি টেনে বের করে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে,

মাথায় যেন কিছুই ঢুকছে না।

“খুলো এটা,” আমি নির্দেশ দিই,

চামড়ার নিচে যেন টানটান এক বৈদ্যুতিক স্রোত বইছে— উত্তেজনা, উদ্বেগ, আর এক ধরনের কাঁচা আশঙ্কা মিশে।

বাক্সটা খোলার সঙ্গে সঙ্গে হালকা একটা pop শব্দ হয়, আর Kara নিঃশব্দে তাকিয়ে থাকে, চোখে বিস্ময়, ঠোঁট সামান্য ফাঁক— যেন পৃথিবী থমকে গেছে ঠিক সেই মুহূর্তে।

“ঠিক করে বললে, তোমার collar-এ একটা ruby কম আছে,” আমি বললাম, চোখ নামিয়ে ছোট কালো বাক্সটার দিকে তাকিয়ে। “তুমি যেদিন আবার আমার কাছে ফিরে এসেছিলে, তার পরের দিনই আমি আমার jeweler-কে এটা বানাতে বলেছিলাম।

সেই রাতটা—The Sanctuary-এর রাতটা—তখনই আমি বুঝেছিলাম, আমি তোমাকে আমার ‘চিরদিনের’ চাই।”

Kara আমার দিকে তাকিয়ে পলক ফেলে, কিন্তু কিছু বলে না। আমি তার কাঁপতে থাকা আঙুল থেকে বাক্সটা আলতো করে নিয়ে নিই এবং কালো সিল্কের কুশন থেকে আংটিটা বের করি।

ওভাল আকৃতির ruby-টা বিশাল। Emerson পরামর্শ দিয়েছিল, এটা নাকি একটু ছোট করে কাটা উচিত—Kara-র হাতের মাপ অনুযায়ী। কিন্তু আমি রাজি হইনি। আমি চেয়েছিলাম এটা এত বড় হোক, যেন যে কেউ তাকালেই দেখতে পায়— সে এখন কারো নেওয়া

এক কিলোমিটার দূর থেকেও যেন বোঝা যায়।

Edwardian-স্টাইলের সূক্ষ্ম নকশায় ruby-টার চারপাশে হিরের গুচ্ছ বসানো, আর পুরোটা ধরে আছে এক চমৎকার সোনার ব্যান্ড— যার ভেতরেও ঝিলমিল করছে ছোট ছোট হিরে। ওটা একদিকে কোমল, নারীত্বে ভরা, আবার অন্যদিকে চিরন্তন।

ঠিক ওর জন্যই তৈরি।

“আমি চাইলে হাঁটু গেড়ে বসতে পারি,” আমি হালকা ঠাট্টার স্বরে বললাম, “কিন্তু সেটা তোমার area of expertise, তাই না?”

বলতে বলতে আমি তার বাঁ হাত ধরতে যাই।

সে হাত সরিয়ে নেয়— আর আমার বুকের ভেতর কিছু একটা নিচে ধপ করে নেমে যায়।

“তুমি কি… proposing করছ?”

তার কণ্ঠে এমন এক টান, যা কোনোভাবেই আনন্দের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যায় না। শোনায় যেন আমি ওকে বিয়ের প্রস্তাব নয়—নিজের হাত কেটে দিতে বলেছি।

না, তার চেয়েও খারাপ শোনায় যেন সে বরং হাত কেটে ফেলার বিকল্পটাই বেছে নিতে চাইবে।

তার প্রশ্নের একেবারে অযৌক্তিকতা আমাকে থামিয়ে দেয়।

“আচ্ছা, সাধারণত কেউ যখন একটা আংটি বের করে forever নিয়ে কথা বলে, তখন সেটাই উদ্দেশ্য হয়, তাই না?”

আমি ঠান্ডা গলায় বলি। “আমাকে কি সত্যিই সেই ক্লাসিক বাক্যগুলো বলতে হবে?”

আমি Kara-র দুই হাত চেপে ধরি, এক ঝটকায় ওকে বিছানায় ফেলে দিই, তারপর এমনভাবে নিজের অবস্থান ঠিক করি যাতে আমি ওপরে—আর সে নিচে।

প্রযুক্তিগতভাবে, আমি হাঁটু গেড়ে আছি— যদিও এটা তেমন কোনো ‘রোমান্টিক ভঙ্গি’ নয়, কারণ সে তো আমার নিচেই শুয়ে আছে। তবুও, যতটা romance সম্ভব, আমার শক্ত, ধকধকে লিঙ্গটা যখন তার উন্মুক্ত pussy-র সঙ্গে ঘষে ঘষে মিশে যাচ্ছে, তাতে সেই ঘাটতি কিছুটা পূরণ হয়ে যায়।

আমি নাটকীয় ভঙ্গিতে তার বাঁ হাতটা আমার বুকে রাখি, আমার ধুকধুক করা হৃদয়ের ওপর, আর গভীর গলায় বলি—

“তুমি কি, Kara Caine, আমাকে সেই অসীম সম্মান দেবে, Whitford Hall এবং Ashford Manor-এর Lady Ashford হয়ে?”

সে কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলে,

“না।”

কিছু মুহূর্তের জন্য আমার মাথার ভেতর পুরো প্রক্রিয়াটা যেন বন্ধ হয়ে যায়— মনে হয়, আমি ভুল শুনেছি।

“দুঃখিত, কী বললে— না?”

সে এবার স্পষ্ট, দৃঢ় গলায় বলে,

“না। কখনোই না। হাজারবার না।”

আমি তার কালো চোখে তাকিয়ে বুঝে যাই—

সে সত্যি বলছে।

আমার মুখ হা হয়ে যায়,

অবিশ্বাসে জমে যাই।

“তুমি কোনো আপত্তি ছাড়াই তোমার চামড়ায় ছুরি বসিয়েছিলে— তুমি সারাজীবন আমার দাগ বয়ে বেড়াবে— কিন্তু বিয়ে তোমার কাছে সীমা লঙ্ঘন?”

আমি হেসে ফেলি—একটা তিক্ত, রাগে ভরা হাসি।

“তাহলে কী, Love?

এক টুকরো কাগজে একটা স্বাক্ষরই এখন তোমার কাছে অতিরিক্ত ‘commitment’ মনে হচ্ছে?”

“আমাকে উসকে দিলেই আমি মত বদলাব না, Caden। আমি বলেছি না।”

“আর জানতে পারি, কেন না?” আমার গলাটা কর্কশ হয়ে ওঠে—হতাশা ক্ষোভে রূপ নিচ্ছে মুহূর্তেই।

সে যদি আমাকে চিরস্থায়ীভাবে নিজের না করে নিতে না চায়, তাহলে এই সবের মানেটা কী?

“কারণ বিয়ে হচ্ছে একদম পুরুষতান্ত্রিক ধারণা,” সে বলে, ঠোঁটে তাচ্ছিল্যের বাঁক নিয়ে।

“যেটা কেবল পুরুষের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে আর বৈধ পুরুষ উত্তরাধিকার রীতি চালিয়ে যেতে সৃষ্টি করা হয়েছে।”

তার সুরে এমন একটা self-righteous ভাব,

যেন তার প্রত্যাখ্যানের কারণটা আমার কাছে একদম পরিষ্কার হওয়া উচিত। কিন্তু সেটা একেবারেই নয়—

কারণ এই যুক্তিটা পুরো পাগলামি ছাড়া কিছুই না।

“Christ, আমার বোঝা উচিত ছিল— তোমার হাস্যকর মতাদর্শগুলোর সঙ্গেই লড়তে হবে আমাকে,” আমি গর্জে উঠি, চুলে হাত চালিয়ে রাগ চেপে রাখার চেষ্টা করি, ভাবছি, ওর সঙ্গে এখন কী করা উচিত।

চাইলেই তো খাঁচাটা ব্যবহার করতে পারি…

“আমার মতাদর্শ ইতিহাস আর হাজার বছরের সত্যের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে,” সে পাল্টা চিৎকার করে ওঠে,

নিজেকে আমার নিচ থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

কিন্তু আমি হাঁটু আরও শক্ত করে চেপে ধরি, তার কোমর আমার নিচে বন্দি হয়ে যায় পুরোপুরি।

সে কোথাও যাচ্ছে না— যতক্ষণ না তার আঙুলে আমার আংটি পড়ছে।

“এটা একবিংশ শতাব্দী, ডার্লিং।” আমি নিচু হয়ে তার নিচের ঠোঁটে হালকা কামড় দিতেই Kara চিৎকার করে ওঠে। “যদি তুমি একটু সেই পুরোনো ধুলো-ধূসর বইগুলো থেকে মাথা তুলতে, তাহলে দেখতে—তোমার আপত্তিগুলো প্রায় একশো বছর আগের মতোই সেকেলে।” আমি আমার জিহ্বা নামিয়ে দিই তার গলার শিরা বরাবর, ধীরে, ইচ্ছাকৃতভাবে। “আমি তো তোমাকে তোমার পরিবার থেকে একখানা গরুর বদলে কিনে নিতে চাইছি না।”

“একই নীতি,” Kara উত্তর দেয়, তার নিঃশ্বাস এখন একটু কেঁপে উঠছে। “তুমি শুধু গবাদি পশুর বদলে হীরের আংটি এনেছ।”

আমি এক হাত দিয়ে তার চোয়াল চেপে ধরি, আঙুলের চাপ পড়ে যায় তার নরম ত্বকে। “Kara, ওই আংটিটা আমার তোমার প্রতি ভালোবাসার প্রতীক। এটা কোনো কনের দাম নয়।” আমি তার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকি, তাকে চোখ ফিরিয়ে নিতে দিই না।

“আমার উত্তর একই রইল,” Kara বলে, যদিও তার কণ্ঠে একটুখানি দ্বিধা জড়িয়ে যায়। আর সেই একটুখানি দ্বিধাই আমার জন্য যথেষ্ট।

“তোমার ওই উত্তর আমি মেনে নিচ্ছি না,” আমি নিষ্ঠুরভাবে ঘোষণা করি। এক ঝটকায় আমি তার দুটো কবজি একসাথে ধরে ফেলি, এক হাতে চেপে ধরি তার মাথার ওপর। আমার ওজন তার ওপর পড়ে, তার হাত দুটো আটকে যায়—এখন সে একদম নড়তে পারে না।

“Jesus, Caden! তুমি কাউকে Dom করে বিয়ে করতে বাধ্য করতে পারো না!” সে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে ওঠে। সে আমার হাত থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করে, যদিও সে জানে সেটা বৃথা। আমার সঙ্গে লড়ে জেতা অসম্ভব। তবুও সে লড়ে যায়, অকারণেই। তার উচিত এখনই সব ছেড়ে দিয়ে মেনে নেওয়া।

“আমি বিশ্বাস করি, আমি পারি,” আমি শান্ত, কিন্তু অটল কণ্ঠে বলি।

“এটা আমার submission-এর সীমা অনেক দূর ছাড়িয়ে গেছে,” Kara তীক্ষ্ণ চোখে তাকায় আমার দিকে, তার চোখে রাগ আর ঘৃণার মিশ্র ঝিলিক।

“তুমি বলেছিলে তুমি আমাকে ভালোবাসো,” আমি তাকে মনে করিয়ে দিই, আমার হাত তার গলার চারপাশে জড়িয়ে ধরে।

“ভালোবাসি,” সে স্বীকার করে, কিন্তু যেন জোর করে বলছে। “কিন্তু সেটা প্রমাণ করার জন্য আমাকে আইনি ভাবে দাসী-স্ত্রী হতে হবে বলে আমি মনে করি না।”

আমি নিচু স্বরে একটা গোঙানি তুলি—কামনার ঘূর্ণি মাথার ভেতর পাক খায়, আর শরীরের ভেতর আগুন ছড়িয়ে দেয়। “এখন তুমি শুধু আমাকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করছ,” আমি অভিযোগের সুরে বলি, কিন্তু কণ্ঠে আগুন মিশে যায়।

“Oh, তাহলে তুমি কি ঘরোয়া দমন বা শাসনকে যৌ*নভাবে উত্তেজনামূলক মনে করো?” সে এক ভ্রু তুলে, ঠোঁট বাঁকিয়ে বলে, যেন আমি তার কথায় অপমানিত হওয়া উচিত। অথচ বাস্তবে সে জানে—এটা আমাকে আরও পাগল করে তুলছে।

“অবশ্যই,” আমি উত্তর দিই, কোমর তুলে তার শরীরের সঙ্গে ধাক্কা খাই, যাতে সে স্পষ্ট বুঝতে পারে—তার ‘wife’ হওয়ার চিন্তায় আমি কতটা শক্ত হয়ে আছি।

“তুমি সত্যিই এক অসুস্থ বদমাশ,” সে মাথা নেড়ে বলে, চোখ উল্টে।

“কখনো অস্বীকার করিনি,” আমি স্বীকার করি, তারপর নিচু হয়ে তার পূর্ণ ঠোঁট চেপে ধরি আমার ঠোঁটে। আমি আমার জিহ্বা জোর করে তার মুখে ঢুকিয়ে দিই, গভীরভাবে, এমনভাবে যে মনে হয় আমি যেন তার মুখটাই fuck করছি। আমি তার জিহ্বায় কামড় বসাই, আর তার ফুসফুস থেকে নিঃশ্বাস কেড়ে নিই।

সে প্রথমে প্রতিরোধ করে, কিন্তু আমি অনুভব করি সেই মুহূর্তটা—যখন তার শরীর একদম নরম হয়ে যায়, আমার ছোঁয়ায় গলে পড়ে। তখন আমি জানি—সে সম্পূর্ণ আমার। তার শরীরের প্রতিটি কোষ, প্রতিটি স্পন্দন, প্রতিটি নিঃশ্বাস আমার আদেশে সাড়া দেয়, যেন আমি তার একমাত্র প্রভু।

আমি যখন অবশেষে মুখ সরাই, Kara হাঁপাচ্ছে—তার চোখের মণি বিস্তৃত, গাল লালচে আভায় রাঙা। সে পুরোপুরি কামনায় মত্ত দেখাচ্ছে—আর ভীষণভাবে প্রভাবগ্রস্ত। এখন শুধু তাকে প্রান্তের ওপারে ঠেলে দেওয়াটা বাকি।

“জানতে চাও, Lady Ashford হিসেবে জীবনটা কেমন হবে?” আমি তার কানের পাশে ফিসফিস করি, আমার নিঃশ্বাস তার ত্বক ছুঁয়ে যায়।

সে মাথা নাড়ে, মুখে একরকম মোহমুগ্ধতা ছেয়ে আছে।

আমি তার উরু ধরে তুলে নিই, পা দুটো এমনভাবে ঠেলে দিই যে হাঁটু এসে ঠেকে তার থুতনির কাছে। তারপর আমি আমার লিঙ্গ ওর ভেতরে ঢুকিয়ে দিই—প্রথমবারের মতো আজ রাতে তার cunt আমাকে জড়িয়ে ধরে, শক্তভাবে। আমার গলা থেকে একটা গোঙানি বেরিয়ে আসে। “প্রতিটি মিনিট, প্রতিটি দিন আমি ব্যয় করব তোমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী নারী বানানোর জন্য,” আমি গর্জে উঠি, আর পরের ধাক্কায় কোনো কোমলতা রাখি না, কোনো মিষ্টতা না—শুধু নির্মম, ক্ষুধার্ত তাড়না।

“সত্যি?” Kara হেঁসে ওঠে, প্রায় নিশ্বাস নিতে নিতে, আমার প্রতিটি আঘাতে নিজেকে সমর্পণ করে। তার চোখ বন্ধ, মুখে পরমানন্দের ছাপ।

“আমি তোমাকে প্রতিদিন fuck করব।” — আমি ধাক্কা দিই।

“হ্যাঁ…” সে গোঙায়।

“আর প্রতি রাতেও।” — আরেকটি ধাক্কা।

“হ্যাঁ… God, হ্যাঁ… আমি এতটা কাছে…” সে কেঁদে ওঠে, কোমর তুলে আমার প্রতিটি আঘাতের সঙ্গে মিলিয়ে দেয় নিজেকে, আমার ছন্দে হারিয়ে যায় পুরোপুরি।

“এই তো, Lady Ashford, তোমার স্বামীর লিঙ্গের ওপর ওঠে বসো,” আমি গর্জে উঠি—পুরোপুরি হারিয়ে যাই এক ভ্রমে,

যেখানে Kara আমার স্ত্রী। আমার চিরদিনের জন্য।

এবং সেই কল্পনাটা আমাকে মাতাল করে দেয়।

এক হাত দিয়ে এখনো তার কব্জি চেপে ধরে আছি,

অন্য হাতটা আমি নামিয়ে দিই তার ভেজা উরুর মাঝে,

তার clit-এর ওপর আঙুল রাখি দৃঢ়ভাবে।

“Fuck, আমি… আমি আসছি,” সে প্রায় চিৎকার করে ওঠে।

আমি স্থির ছন্দে তার clit-এ ঘষতে থাকি, এবং কোমর তুলে এমনভাবে ঢুকিযাতে আমার লিঙ্গ সরাসরি তার g-spot-এ লাগে। তার গভীর গর্জনভরা আনন্দধ্বনি জানিয়ে দেয়— আমি ঠিক জায়গাতেই পৌঁছে গেছি।

আমি আমার পুরো ওজন দিয়ে তাকে চেপে ধরি,

আর তাকে এমনভাবে fuck করি যেন প্রতিটি ধাক্কা তার দেহে সহিংস দাগ রেখে যাবে— যেন শেষ হলে তার গর্ভেই আমার আকৃতির কালশিটে পড়ে থাকবে।

“আর একদিন, যখন তোমার শরীর আমার cum-এ এতটাই ভরে যাবে যে তুমি আর নিতে পারবে না,

তখন আমি তোমার ভিতরে আমার সন্তান ঢুকিয়ে দেব,” আমি তার কানে গর্জে উঠি, আর সেই শব্দেই সে চিৎকার করে ওঠে—

“Shit—আমি আসছি!”

তার cunt আমার লিঙ্গ-কে এমন জোরে চেপে ধরে

যে কয়েকটা ধাক্কার মধ্যেই আমিও বিস্ফোরিত হই তার ভেতরে। আমি ঢালতে থাকি, যতক্ষণ না আমার গরম বীজ তার ভেতর থেকে গড়িয়ে পড়ে, তার উরু বেয়ে গলে নামে— আমাদের দুজনের কামরস মিশে

তার শরীরকে করে তোলে ভেজা, আঠালো, ব্যবহৃত।

তার হাত এখনো আমার মুঠোয় বন্দি, আমি বিছানা থেকে আংটিটা তুলে নিই আর জোর করে তা পরিয়ে দিই তার বাঁ হাতের চতুর্থ আঙুলে।

ফাকিং mine.

“Cade—” সে কিছু বলতে চায়,

কিন্তু আমি তার গলায় আঙুল চেপে ধরি দৃঢ়ভাবে।

“চুপ করো, ডার্লিং—

এবং আমার ওই অভিশপ্ত আংটিটা পরেই রাখো।”

চলবে.......

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৪২তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন