ফন্ট সাইজ:
থিম:
My witless King

৮ম পর্ব

লেখক: Nasrin akando

দুপুরের তপ্ত রোদে শুভ নীরাকে নিয়ে আদ্রিয়ানের সাদামাটা বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন। আদ্রিয়ানের মা ফারহানা অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে শুভর প্রস্তাব এবং তাঁর আভিজাত্যের আস্ফালন শুনেছেন। নীরাকে দেখে ফারহানার মনে এক ধরণের মমতা জেগেছে, মেয়েটির শান্ত আর মলিন মুখ দেখে তাঁর বেশ পছন্দও হয়েছে। তবে ফারহানা শুভকে সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে বিনয়ের সাথে বললেন—

আপনার প্রস্তাবটি আমি গুরুত্বের সাথে নিলাম। তবে আদ্রিয়ানের বাবা বাসায় ফিরলে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করব, তারপর আপনাদের সিদ্ধান্ত জানাব।"

শুভ আর কথা না বাড়িয়ে নীরাকে নিয়ে প্রস্থান করলেন। ফারহানা দরজায় দাঁড়িয়ে চিন্তিত মুখে তাঁদের চলে যাওয়া দেখছিলেন। থানার চেম্বারে অয়ন কপালে হাত দিয়ে বসে আছে। এই রহস্যময় হত্যাকাণ্ডের জট তো খুলছেই না, বরং চারপাশ থেকে তার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। শহরের পরিস্থিতি এখন অগ্নিগর্ভ। রাস্তার একদল মানুষ অবিলম্বে অপরাধীর শাস্তির দাবিতে স্লোগান দিচ্ছে, আর প্রভাবশালী কিছু রাজনৈতিক মহল চাইছে এই কেসটি দ্রুত ধামাচাপা দিতে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে অয়নকে চূড়ান্ত বার্তা দেওয়া হয়েছে— খুব দ্রুত সমাধান না হলে কেসটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

অয়ন জীবনে বহু অদ্ভুত মামলা সমাধান করেছে, কিন্তু এই রহস্য তাকে দিশেহারা করে দিয়েছে। সে এভলিনের অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ড নিয়ে বিশদ অনুসন্ধান চালিয়েছে। নথিপত্র বলছে, এভলিন মোটেও সাধারণ কোনো নারী নয়; তার নিজস্ব একটি দল বা গ্যাং রয়েছে যারা আড়ালে থেকে কাজ করে। কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, এভলিন আজ পর্যন্ত কোনো সাধারণ বা নিরীহ মানুষের ক্ষতি করেনি। বরং অনেক ক্ষেত্রে সে অপ্রকাশ্যে প্রশাসনের সাহায্যই করে এসেছে। সেই কারণেই অয়ন চাইলেও তাকে গ্যাং কালচারের দায়ে গ্রেপ্তার করতে পারছে না; ওপর মহল থেকে এভলিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

অয়ন পকেট থেকে সিগারেট বের করে ধরাল। কয়েকবার গভীর টান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে সে নিজের অস্থিরতা কমানোর চেষ্টা করল। 

এই কইসের কোনো প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না অয়ন এর মাথা কাজ করছে না কি করবে তা বুঝতে পারছে না

অয়ন কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে থাকে

কিছু একটা ভেবে অয়ন থরিগরি করে উঠে দাড়িয়ে মাহিরের দিকে তাকিয়ে বলে উঠে

মাহির চলো ফরেনসিক ডাক্তারের কাছে

মাহির কিছু না বলে অয়ন এর পিছনে যেতে শুরু করে

দুপুরেরর কড়া রোদ এসে এভলিনের চোখে মুখে পড়ছে

পার্কের নরম ঘাসের উপর শুয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে এভলিন

কিছু দূরে পার্থ বসে আছে

কড়া রোদে এভলিনের ছোট মুখ লাল বর্ণ ধারণ করেছে

পিছন থেকে তাহসিন এর ডাকে এভলিন উঠে বসে

এভলিন কিছু না বলে হাঁটা শুরু করে

পার্থ তাহসিনের কাদে হাত রেখে হাঁটতে শুরু করে হঠাৎ পার্থ তাহসিন কে বলে উঠলো

ভাই আমার এই ময়না পাখি কি যে করছে কিচ্ছু বুঝতে পারছি না

তাহসিন পার্থের কথায় ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে বলল

তুমি কি ভাইয়া কে ভালোবাসো

পার্থ হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ল

পার্থ তাহসিনের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল

তোর ভাষা দেখি বদলে গিয়েছে আমাদের সাথে থাকতে থাকতে

এভলিন থেমে পিছনে তাকিয়ে বলল

তোরা কি পিরিত করতে ব্যস্ত

তাড়াতাড়ি আয়

এভলিনের কথায় তাড়াতাড়ি হাঁটতে শুরু করে

কিছুক্ষণ পর এভলিন একটা স্কুলের সামনে এসে দাঁড়ায়

পার্থ অবাক হয়ে এভলিন কে প্রশ্ন করে

Queen আমরা এখানে কি করছি

এভলিন পার্থের কথায় উত্তর না দিয়ে

সোজা স্কুলের ভিতরে প্রবেশ করলো

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৮ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন