ফন্ট সাইজ:
থিম:
ছলেবলে কৌশলে

১৪তম পর্ব

লেখক: মাকামে মারিয়া

#ছলেবলে_কৌশলে

#পর্ব ১৪

#মাকামে_মারিয়া

বাঙালি বিয়ে মানেই হরেক রকমের নিয়মকানুন। বৌভাতের বউয়ের সাথেও নানান ধরনের নিয়মকানুন চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। যদিও নাফিজের জন্য মেহনাজের উপর তেমন কোনো উদ্ভট নিয়মকানুন চাপিয়ে দিতে পারলো না নাফিজের কাজিন আর বন্ধুমহল।

নাফিজ রেডি হচ্ছিল। টাই বাঁধতে বাঁধতে বারান্দায় আসলো।

কিরে তোরা মুরগির মতো ঝিমাচ্ছিস কেনো? যাবি না?

রওনক মুখ ভেঙচি মেরে বললো, তোর শশুর বাড়িতে তুই যাচ্ছিস যা আমরা কেনো যাবো?

নাফিজ ব্রু নাচিয়ে বললো, ওহ তার মানে তোরা যাচ্ছিস না? হাহ্ বাঁচা গেলো।

রেজা এবার প্রতিবাদ করে বলে উঠলো, এটা কিন্তু অন্যায় হয়ে গেলো নাফিজ!

কোনটা অন্যায়??

নতুন ভাবির সাথে একটুও মজা করতে দিলি না। কই ভেবেছিলাম পানিতে ডুবিয়ে রেখে তোর থেকে কিছু টাকা পয়সা আদায় করবো!

নাফিজ একটু ঝুঁকে এসে বললো, তো টাকা দেইনি তোদেরকে?

রেজা বললো, এই টাকা আমরা নিবো কেনো? মজা তো করতে পারলাম না৷ হাত না ভিজিয়েই হাত মুছার কোনো মানে আছে?

নাফিজ চোখ ছোট ছোট করে বললো, কি বললি? মজা করতে আসছিস আমার বউয়ের সাথে? তোর বউ জানে এসব? নাকি ভিডিও কল করে জানাবো?

রেজা মাথা চুলকিয়ে বললো, ধূর! আমার বউকে কেনো টানতেছিস!!

তোর বউটা বউ! আর আমার টা কি কাঠের পুতুল??

উপস্থিত সবাই হাত তালি দিয়ে বললো, নাফিজ ব্রো তর্কবির্তক প্রতিযোগিতায় আপনি জিতছেন। চলেন যাই আপনার শশুর বাড়িতে।

নাফিজ চুলে হাত দিয়ে একটু ভাব নিলো। রওনককে উঠে আসতে দেখে থামিয়ে দিয়ে বললো, তুই যাচ্ছিস কোথায়? তুই নাকি যাবি না?

রওনক নাফিজের হাতটা সরিয়ে দিয়ে দাঁত কিড়মিড় করে বললো, সর ব্যাটা! আমি বিয়ে টা করি। বউ নিয়ে তোর এমন আদিখ্যেতা বের করবো।

তোর কপালে বউ নাই রে রওনক! পিছন থেকে মনি বলে উঠলো।।

রওনক তুড়ি বাজিয়ে বললো, বউ নেই না, পাঁচ ছয়টা বড় আছে আমার কপালে। আয় মেপে দেখ আমার পাঁচ হাতের কপাল।

ঝুমা মিনমিনে স্বরে বললো, নাফিজ শুন।

নাফিজ ব্যস্ততার সঙ্গে জবাব দিলো হ্যাঁ বল?

আমি যেতে চাচ্ছি না। তোরাই বরং যা।

নাফিজ পাত্তা না দিয়ে বললো, এটা আর নতুন কি ঝুমা রাণী? সব কিছুতে তোর যাবো না কথা শুনতে শুনতে আমার অভ্যস্ত। এভ্রিওয়ান ঝুমাকে প্যাকিং করে নিয়ে আয় আমি আমার বউটার কাছে গেলাম।

________

জেরিন আর তাসফিয়া বসে আছে মেহনাজের রুমে।।মেহনাজ এখনো রেডি হচ্ছে। বাবার বাড়ির মেহমান আসার পর জেরিন আর তাসফিয়ার সাথে খুব রাগ দেখিয়েছে মেহনাজ। কিন্তু কিসের এতো রাগ সেটা এখনো বুঝতে পারেনি সেই রমনী দুটো। যদিও মেহনাজ মুখ খুলে বলতে পারবে না ওদের জন্য নাফিজের কাছে গিফট চেয়েছে। আর নাফিজ তাকে বদমায়েশ গিফট দিয়েছে।

তাসফিয়া ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা মেক-আপ, জুয়েলারি সামগ্রী গুছাতে গুছাতে জিজ্ঞেস করলো, কি ব্যাপার আপু? মান বেড়েছে নাকি? কথাবার্তা বলছো না যে?

তোদের সাথে কিসের কথা! তোরা একটা বদ!!

জেরিন বললো, কি করলাম আমরা? বিয়ে করেই খুব পর করে দিচ্ছিস মনে হচ্ছে।

হ্যাঁ দিচ্ছি।

তাসফিয়া ফোঁস করে নিশ্বাস ছেড়ে বললো, মফিজ মার্কা একটা স্বামী নিয়ে এতো ভাব! হাহ্।

ঠিক তখনই নাফিজ রুমে ঢুকে গেলো। তাসফিয়ার বলা কথা মফিজ কথাটা খুব স্পষ্ট ভাবেই শুনতে পেলো সে। তাসফিয়া আর জেরিনের মুখ শুকিয়ে গেলো। মেহনাজ ঠোঁটে লিপস্টিক লাগাচ্ছিলো, তার মা স্বণা বলে দিয়েছে খুব সেজেগুজে থাকতে হবে নতুন বউ এখন সে।

মেয়ে দুটোকে চুপসে যেতে দেখে মেহনাজ আয়নায় তাকিয়ে নাফিজকে দেখতে পেলো। ওমনি ঠোঁটের কোণে দুষ্ট হাসি ফুটে উঠলো। এবার দুটো বদকে নাফিজ আচ্ছা মতো শিক্ষা দিলেই খুশী।

নাফিজ চুল ঠিক করতে করতে সামনে এসে দাঁড়িয়ে হেঁসে বললো, শালিকা! কি যেনো বললে?

তাসফিয়া কাচুমাচু হয়ে বললো, ইয়ে মানে ভাইয়া। কিছু বলিনি তো, কিছুই না জাস্ট এমনি।

আমি কিন্তু শুনেছি।

তাসফিয়া দাঁত কিড়মিড় করলো, বিড়বিড় করে আওড়ালো, শুনেছিস তো আবার জিগ্যেস করতেছিস ক্যান মফিজ কোথাকার!!

নাফিজ ব্রু কুঁচকে বললো,আবারও কিছু কি বললে শালিকা??

না ভাইয়া কই কিছু না তো।

তোমার জন্য স্বামী কিন্তু আমিই বাছাই করবো বুঝতে পারছো!

তাসফিয়া হচ্ছে বদমেজাজি মেয়ে,ইচ্ছে করছিলো বলতে যে ওর স্বামী সে নিজেই বাছাই করবে। তাছাড়া মেয়েটার তো পালিয়ে বিয়ে করার শখ। জীবনে এতোটুকু এডভেঞ্চার চায় সে। কিন্তু ওসব কিছু বলতে পারলো না। নাফিজের কথার জবাবে চিবিয়ে চিবিয়ে বললো, জ্বি অবশ্যই কেনো নয়!

হ্যাঁ! তোমার বোনের জন্য তোমার মা স্বণা চৌধুরী মফিজ বাছাই করেছে। আর তোমার জন্য তোমার বোনের স্বামী মফিজ অর্থাৎ আমি নাহিয়ান নাফিজ হিরো আলম বাছাই করবো।

তাসফিয়ার চোখ মুখ লাল হয়ে গেলো। যদিও সে জানে দুইজনেই খোশমেজাজে আছে তাই রাগ দেখানো যাবে না।

জেরিন মুখ টিপে হাসছে। মেহনাজের ইচ্ছে করলো গড়াগড়ি দিয়ে হাসতে। মনে হচ্ছে বদ তাসফিয়াকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য নাফিজকে পেয়ে গিয়েছে। স্বণা চৌধুরীর মতো কড়া মেজাজের মহিলাও তাসফিয়াকে সামলাতে হিমশিম খায়, মেয়েটা বড্ড উড়নচণ্ডী কিনা।

খাওয়া দাওয়া শেষ, সবার রেডি হওয়াও শেষ। এবার বিদায়ের পালা। নতুন বউ প্রথম বারের মতো স্বামী সহ বাবার বাড়ি যাচ্ছে বেড়াতে। সাথে বরের একগাদা কাজিন আর বন্ধু। সবাই বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছে বিয়ে খেতে আর তাই এই বেলায় বেড়ানো শেষ করে যে যার মতো বিদায় নিবে।

নাফিজের বাবা নওয়াজ হাসান পান খাওয়া লাল ঠোঁট আর জিহ্বা নাচিয়ে হেঁসে হেঁসে কথা বলছে মেহনাজের বাবা আজিমউদ্দিনের সাথে।

মেয়ের শশুর বাড়ি ভালো লেগেছে ভাইসাব? খাওয়া দাওয়া ঠিকঠাক হলো তো? নওয়াজ হাসান জিজ্ঞেস করলো।

আজিমউদ্দিন অমায়িক হেঁসে বললো, আলহামদুলিল্লাহ ভাই।

নওয়াজ হাসান বলতে লাগলো, আসলে আজিম ভাই। আপনি তো পাকা কথার সময় উপস্থিত ছিলেন না। আপনার ওয়াইফ দেখেশুনে গিয়েছে অবশ্য। ভদ্রমহিলা মাশা-আল্লাহ খুবই বুদ্ধিমতী।

আজিমউদ্দিন হাত কচলাতে কচলাতে শুধু ঘাড় নাড়িয়ে ওনার কথার সাথে সায় দিয়ে বলছে, জ্বি জ্বি। জ্বি অবশ্যই

সেটাই।

বড় বাজারে তিনটে দোকানের ভিটা আছে। বড়টায় আমার ছেলে মানে আপনাদের মেয়ে জামাই মেনেজার হিসেবে আছে। দেখভাল করে আর কি। বাকি দুইটার হিসাবনিকাশও তার কাছে আসে। শখানেক কর্মচারী আছে আমাদের আন্ডারে। আর এই যে দেখছেন দক্ষিণ থেকে শুরু করে পূর্ব পর্যন্ত সমস্তটাই আমাদের এড়িয়া। আপাতত দুতলা এই পুরনো বাড়িরটায় সবাইকে নিয়ে থাকা হয়। পুরনো বাড়ি বলে কিছু মনে করবেন না যেনো। পুরনো আমলে এটাই ছিল রাজপ্রাসাদের মতো।

নওয়াজ হাসানের এতোক্ষণের বিস্তারিত আলোচনার এই পর্যায়ে এসে আজিমউদ্দিন বললো, না না ভাই। কুঁড়েঘর বা অট্টালিকা এগুলো কোনো ফ্যাক্ট নয়। ঘরের মানুষ গুলো কেমন সেটাই হচ্ছে মেইন। যাদের সঙ্গে আমার মেয়ে থাকবে চিরকাল তারা আমার মেয়েকে আপন করে নিতে পারলেই শুকরিয়া।

দুজনের আলাপ চলতে থাকলো। যতক্ষন সবাই গাড়িতে এসে না বসবে,আর গাড়ি ছাড়বে ততক্ষণ এই আলাপ চলবে।

মেহনাজ একে একে সবার কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছে। শশুর বাড়ি মানেই একগাদা নিয়মকানুন। ঠিকঠাক ভাবে পা ফেলে না হাঁটলেও কেউ একজন এসে নোটিশ করে যায়।

এই তো আজ সকালে। ছোট খালা শাশুড়ী এসে বললো, বউ, ও বউ।

মেহনাজ নিচু আওয়াজে ডাকের সাড়া দিয়েছে। কিন্তু সে এটা শুনেনি। এতেও দোষ হয়েছে। বউ কি আমার ডাক শুনতে পেলো না? নাকি শুনেও জবাব দিলো না? খুব দেমাক দেখি বউয়ের। বড় বাড়ির মেয়ে বলেই কি এতো দেমাক? আমার বোনেরও বা কম কিসের? আর বোনের ছেলেও কি রাজপুত্রের থেকে কিছু কম?

মেহনাজ থ বনে গেলো। কি করবে, কি বলবে বুঝতে পারলো না। ভাবলো ভুলটা ভেঙে দিবে। তাই স্পষ্ট গলায় বললো, খালা আমি তো সাড়া দিয়েছিলাম। আপনি মনে হয় শুনেন নাই।

খুশী রহমান ওমনি গর্জে উঠলো। চিৎকার করে বললো, একি গো! বউ তো দেখি মুখে মুখে তর্ক করে।

মেহনাজ আজ প্রথম জানলো কারো ভুল ভাঙতে সঠিক টা বলাও তর্ক। বুঝতে পারছে আরও অনেক কিছু জানা বাকি তার।

খুশীর চেচামেচিতে বড় মা কোহিনূর এসে বললো, কি হয়েছে খুশী? চেচামেচি করতেছিস কেনো?

খুশী মুখ ভেঙচি মেরে যতটা সম্ভব মুখ কালো করে বললো, কি হবে আপা? তোমার ছেলের বউ! মুখে মুখে তর্ক করছে।

সামনে কাচুমাচু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মেহনাজের দিকে তাকালো কোহিনূর। এরপর চারদিকে দৃষ্টি দিয়ে দেখলো দূর থেকে শামসুন্নাহার বেশ মজা পাচ্ছে খুশীর এমন আচরণে।

কোহিনূর খুশীকে ধমক দিয়ে বললো, নতুন মেয়েটার সাথে তুইও বা লাগতে গেলি কেনো? আর কি এমন হয়ে গিয়েছে যে বাড়ি মাথায় তুলছিস!! তোর দুলাভাই এসে এসব জানতে পারলে আমাকে বাড়ি ছাড়া করবে। তুই আমার জন্য শুধু অঘটন ঘটাস কেন বল তো।

মেহনাজের কাছে এসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললো, কিছু মনে করো না বউ। আমার বোন একটু রাগী। ওয় কিছু বললে সাথে সাথে করে দেওয়ার চেষ্টা কইরো।

মেহনাজ ঘাড় কাত করে নিচুস্বরে বললো, আচ্ছা।

তুমি রুমে যা-ও এখন।

মেহনাজ যেতে নিবে ওমনি থেমে গেলো। রাগান্বিত হয়ে থাকা খুশীর দিকে তাকিয়ে বললো, খালা কি জন্য ডেকেছিলেন এখন বলেন?

খুশীর মুখের রাগটা নিমিষেই উধাও হয়ে গেলো। কিছুটা সহজ হয়ে বললো, তোমার মা যে বড় মাছ পাঠাইছে। ওই মাছটা তো আধমরা। ওইটাই কওয়ার জন্য।

মেহনাজের বিরক্ত এবার চোখে মুখে ফুটে উঠলো। মনে মনে ভাবছে এই জায়গায় তাসফিয়ার থাকার দরকার ছিল। দুটো চারটে কথা মুখের উপর বলে দিতো সব সোজা হয়ে যেতো। সমস্যা হচ্ছে মেহনাজ পারে না এসব। কিন্তু এদের সঙ্গে থাকলে পারতে খুব বেশি দিন লাগবে বলে মনে হচ্ছে না। আমরা যতই সহজ সরল আর সহ্য করার ক্ষমতা রাখি না কেনো। একটা সময় পর আমাদের আশেপাশের মানুষ জনই আমাদেরকে মুখ খুলতে বাধ্য করে।

সকালের ঘটনায় মেহনাজের মন খারাপ হলো কিনা সে বুঝতে পারছে না। কিন্তু কেমন জানি নিশ্চুপ হয়ে আছে মনটা। কিছু বলতে ইচ্ছে করছে না৷ কারো সাথে কথাও বলতে ইচ্ছে করছে না। দুই একজন নতুন বউ দেখতে এসেছিলো, বউ বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার আগেই আরও একবার দেখে নেওয়ার সুযোগটা কেউ মিস করতে চাইলো না। কিন্তু মেহনাজের মনটা বিষন্ন ছিল। যারাই এসেছে, দেখে গিয়েছে বউ মনমরা হয়ে আছে। তাদের চোখে এটা মন খারাপ না। তাদের চোখে বউ গম্ভীর, বউয়ের ভাব বেড়েছে কিংবা বউ অহংকারী। না হয় বউ হাসবে না কেনো?

এই অভিযোগ গুলো মেহনাজের কানে আসতে সময় নিলো না। কারণ মেহনাজের রুমে থাকতে থাকতেই মানুষ গুলো ফিসফিস করছিলো। মেহনাজ আর অবাক হতে পারলো না। বুঝে গেলো শশুর বাড়ি মানেই এই রকম অমানবিক অত্যাচার। খাওন পড়ন সব দিয়ে রাখবে। কিন্তু এই যে অদৃশ্য অত্যাচার গুলো একটা মেয়েকে কতটা যন্ত্রণা দেয় সেটা কারো বুঝার ক্ষমতা আদোও থাকে? না কাউকে বলা যায়, আর না কেউ বুঝবে। এগুলোর না আছে কোনো বিচার। মেহনাজ হাসার চেষ্টা করলো কিন্তু পারলো না। চোখ থেকে টপটপ করে পানি পড়ছে। মা'কে মনে পড়ছে। প্রতিটা ছোট বড় দুঃখে মেয়েটার মা'কে মনে পড়ে। মেহনাজ বুঝতে পারে সে তার এই রাগী মা'কেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। যেদিন মন খারাপের সময় নাফিজকে মনে পড়বে, মা'কে আর মনে পড়বে না সেদিন বুঝবে মা'কে আর নয় সে তার স্বামী চিরকালের সঙ্গী নাফিজকেই ভালোবাসে।

নাফিজ রুমে ঢুকে দেখতে পেলো মেহনাজ চোখ মুছতে মুছতে হাসার চেষ্টা করছে।

নাফিজ পাশে বসে জিজ্ঞেস করেছিলো, এলিন তুমি কাঁদছো?

মেহনাজ অস্বীকার করলো না। মাথা নিচু করে রেখে বলেছিলো, আম্মুকে মনে পড়ছে।

আর তো মাত্র কয়েকঘন্টা। এরপরই যাবো আমরা তোমাদের বাড়ি।

মেহনাজ সহজ হওয়ার চেষ্টা করে বলেছিলো, হ্যাঁ। মনকে তো সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না তাই।

নাফিজ একটু চুপ করে থেকে বলেছিলো, আমিও তোমার চোখের পানির কারণ হতে চাই এলিন। যেনো তুমি বলো আমাকে মনে পড়ছে তাই কাঁদছো। আমাকে মনে করে কেউ কাঁদবে এটা আনন্দের বটে।

চলবে......

গায়েস এই পর্বে ওয়ান মিলিয়ন না হলে আগামী বছর পরের পর্ব দিবো🔪 ওপেন থ্রেট 😾

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৪তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন