গল্প - #হৃদয়ে_চলছে_চৈতন্য_চৈত্র - ৩৫
লেখিকা - #বিলাইর_মা ( ছদ্মনাম )
🚫❌এই গল্পটি সম্পুর্ন ভাবে সুরক্ষিত ❌🚫।🚫❌লেখিকার অনুমতি বেতিতো কপি করা নিষিদ্ধ❌🚫।
সময় টা তখন সন্ধ্যা ৭ টা বেজে ১০ মিনিট।বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ ভির জমিয়েছে টিভির সামনে,কারো কারো হাতে ফোন।হঠাৎ সকল ধরনের অন থাকা টিভি আর ফোনের স্কিন কালো হয়ে গেলো তারপর ঝিরিঝিরি করে উঠে। সকলে একযোগে তাকিয়ে টিভি নয়তো ফোনে। সকলের মুখে চিন্তার ছাপ।কি হলো কেউ কিছু বুঝলো না। সকলে সোরগোল শুরু করে দেয় হঠাৎ টিভি আর ফোন থেকে ভেসে আসে একটা সাউন্ড এই সাউন্ড টা একটা গানের। কেউ কউ বুঝে যায় যে এটা hide and seek গন। তারপর একটি হাত যা টোকা মারলো স্কিনে। হাতটা মেয়েলি বিরাট বড় বড় নক আর রক্ত লাল কাচের চুরি যা ঝনঝন শব্দ তুলছে।তারপর স্কিনে কিছুলেখা।লেখাটা হলো (দুই মিনিট যার যার বয়স কম বা বেশি, হার্ট দুর্বল তারা এখনি এই ভিডিওর সামনে থেকে চলে যাও যদি কেউ ভয় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাতে আমার বাল ও না দেখার হইলে দেখো না হয় মারা খাও)।স্কিনার লেখাটা সরে গেলো একটা মেয়ে বেরিয়ে এলো অন্ধকার থেকে মুখে পড়া তার জাপানের একটি ভৌতিক কাঠের মাক্স নাম তার Wakaonna mask। পরনের তার লাল পাইর সাদা শাড়ি।আর সাদা রংয়ের কিচেন এফরন।মেয়েটা কেমেরার সামনে এসে ঘার বাকিয়ে প্রায় একমিনিটেরো বেশি স্তব্ধ হয়ে দারিয়ে রইলো।টিভির সামনের মানুষজন কেউ কউ মজার ছলে নিচ্ছে কেউ কেউ টিভি অফ করে দেয়।এবার মেয়েটি অদ্ভুত ভাবে বলে উঠে।
"আজ আই এম শিখবো কাটিং মি.সোহেল রানা ফর এভরিওয়ান। আমার মনে হয় অল আর ইউ ইনজন এটা"
তারপর বিকৃত একটা হাসি।
তারপর একটা চেয়ার পাস থেকে টেনে আনলো তাতে একটা লোক বসা,লোকটার মুখে কালো কাপড়ে ঢাকা। মেয়েটা লোকটার মুখের কাপরটা তুলে ফেলে একটানে।এটা আর কেউ না বাংলাদেশের একজন সনামধন্য মন্ত্রী সোহেল রানা মুখের ভিতরে একটা কাপড়ের দলা ঢুকানো তাই কথা বোঝা যাচ্ছে না তার। শুধু উমউম শুনা যাচ্ছে। মেয়েটা পাস থেকে একটা ছুরি নিয়ে হাত থেকে মাংস কাটতে শুরু করলো, মন্ত্রী মসাই ছরা পেতে পাগলের মতো করতে শুরু করে। এবার মেয়েটা মাংস কাটা রেখে লোকটার দিকে ঘার বাঁকালো।তারপর আঙুল মুখের সামনে করে করে বলে উঠে
"শুশ চুপ"
লোকটা থেমে যায়। মেয়েটা এবার লোকটার গালের মাংস কাটতে শুরু করে।লোটার চোখ বেয়ে পানি পরছে,কুকরে উঠে বারবার আর গুঙিয়ে কাঁদেই চলছে। মেয়েটা এবার লোকটার হাত খুলে দেয় মুখের কাপড় সরিয়ে দেয়।লোকটা উঠতে পারলো না হয়তো আগেই থেকেই তাকে কোনে কিছু দেওয়া হয়েছে। লোকটা কিছু করতে পারবে না বুঝে কোনো মতে হাতরে মেয়েটা মুখোস ধরে টান দেয় মুখসটি পরে যায় মাটিতে। মেয়েটা হেসে উঠলো। মেয়েটার মুখে রং তুলি দিয়ে বিভৎস কংকালের ছবি আঁকা।হয়তো আগে থেকে যানা ছিলো এমন কিছু হবে। মেয়েটা এবার এফরনে হাত মুছে পাস থেকে চাপাটি তুলে এক কোপ মারলো লোকটার ঘার বরাবর।লোকটা চেচিয়ে উঠে মেয়েটি এতোক্ষণে কেটে রাখা মাংস গুলো সব লোকটার মুখে পুরে দেয়।তারপর ওই চাপাটি দিয়ে লোকটাকে আঘাত করে,এক কোপেই দেহ থেকে মাথা আলাদা হয়ে যায় মেয়েটা সাদা শাড়ি মুহুর্তেই লাল হয়ে যায়। তারপর মেয়েটা কিছুটা পিছিয়ে যায়।সাথে সাথে এতোক্ষণে চলা গানটা পালটে যা বেজ উঠে montagem pr funk গানটি।তার সাথে মেয়েটা পাগলের মতো নাচতে থাকে। এক হাতে তার চাপাতি আরেক হাতে ছুরি।পাঁচ মিনিট পাগলের মতো নাচতে নাচতে হঠাৎ থেমে যায়। তার চোক স্কিনে।হঠাৎ করে বলে সব থেমে যায়,মেয়েটি ধিমি স্বরে বলল উঠে,ধিমি হলে গা শিউরে উঠবে তার স্বর
"29 December 1999 remember that 19 December 1999 "
তারপর মেয়েটি আরেটু দুরে গেলো হাত তার মেলে ধরা। পরে গেলো মেয়েটি। যেনো সে এতোক্ষণ কোনো ছাদে ছিলো আর এখন মাত্রই সে কেনার থেকে লাফ দিলো লাফ বললে ভুল হবে হত মেলে ধিরে ধিরে যেনো পরে গেলো।
ফোন আর টিভির পর্দা ঝিরিঝিরি করে আবার সব ঠিক হয়ে গেলো।
সকলে হতবাক কি হলো এতোক্ষণ। কেউ কেউ তো পুলিশকে ফোন ও করেছে।তারপরের ঘটনা তো সকালেরি যানা।পুলিশ তদন্ত করে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯ য়ের সকল ঘটনা তদন্ত করে কিনছু সন্দেহ ভাজনদের ধরে নেয় জিজ্ঞেসাবাদের জন্য তার মধে আকসাও একজন।
________________________________
এখন রাতের শেষ প্রহর চলছে। আকসা একটি রুমে বসে তার চোখে মুখে কোনো কিছু নেই রাগ খোব কষ্ট কিছুই নেই। তার পুরো মুখ শীতল। চুপচাপ বসে।এমন নয় তাকে বেল করে নেওয়া হয় নি,তার করা আদেশ আজ তাকে কেউ বেল করাবে না।
_________________________________
এদিকে আবেশ ঢাকার একটি সনামধন্য হাসপাতালে এডমিড,এখন মুলতো তাকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পারিয়ে রাখা হয়েছে।আবেশ মুলত টিভির ওই ঘটনা দেখে,ঘটনা তদন্তের জন্য তার লোক লাগায়। তার লোক দুই ঘন্টার মধ্যে খবর দেয় ভিডিওতে থাকা মেয়েটি তারি বউ।এটা শুনে বেচারা সাথে সাথে স্টোক করে।তার লোকেরা তাকে হাসপাতালে এডমিড করে। বেচারা জ্ঞান আসার পর পাঁচ বার আবারো অজ্ঞান হয়েছে তাই ডক্টর তাকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পারিয়ে রেখেছে
#চলবে #ইনশাআল্লাহ