গল্প-#হৃদয়ে_চলছে_চৈতন্য_চৈত্র -৩৬
লেখিকা - #বিলাইর_মা ( ছদ্মনাম )
🚫❌এই গল্পটি সম্পুর্ন ভাবে সুরক্ষিত❌🚫। 🚫❌লেখিকার অনুমতি বেতিতো কপি করা নিষিদ্ধ ❌🚫।
রাহার বিয়েটা ভালোমতোই শেষ হলো।দেওয়ান বাড়িকে নিস্তব্ধতা করে চলে গেলো রাহা কান্না মাখা চোখ নিয়ে।আকসা সারা বিয়েতে বের না হলেও রাহার বিদায়ের বেলায় ঠিকি বেরিয়ে ছিলো।রাহাকে বিদায় দেতে।এই অনুষ্ঠানে আবেশকে দেখা যায় নি তিনি বিকেলে দিকে হাসপাতাল ছারেন। এর এখন মাঝ রাত আবেশ নেশায় ভুত হয়ে দেওয়ান মঞ্জিলের পা রাখছে।সাধারণ আবেশ নেশা করলেও তার তা গায়ে লাগেই না বললেই চলে কিন্তু আজ বউ সাইকো এ কথা মাথায় আসতেই হাসপাতাল থেকে ঢাকার সনামধন্য একটি বারে চলে যায়। নেশা দিয়ে হলেও সে এই কষ্ট ভুলবেই।যার জন্য সে পাপের জগতে থেকে সরে এসেছে আজ তার এই রুপ যে সে মেনে নিতেই পারছে না। তিন বোতল ফাঁকা করাতেও যে তার নেশার ন ও হচ্ছে না তাই অবশেষে ড্রা*গস নেওয়া সিদ্ধান্ত নিলো। যেই ভাবা সেই কাজ। পায়ে পা বেঝে পরে নিতে নিতে নিজেকে সামলে,কোনমতে শিরি বেয়ে করিডোরে আসে।চোখ পরে সামনে কেউ একজন দারিয়ে অন্ধকার আর নেশার কারণে ভালোভাবে দেখতে পেলো না আবেশ তাকে। আবেশ ওই দিকে খেয়াল না করে যেতে নিবে হঠাৎ পায়ে পা লেগে পরে যাতে নিবে এমন সময় সামনে মানুষটি এগিয়ে এসে তাকে ধরতে আসে, কিন্তু না আবেশ নিজেকে আবার সামলে চলে যাবে তার আগে রায়লার কণ্ঠ ভেসে আসে
"ভাইয়া আপনি তো পরে যাবেন আমি আপনাকে দিয়ে আসি।"
একথা বলে আবারো আবেশকে ধরতে নিবে তার আগেই আবেশ চেচিয়ে উঠে
"আমি সিঙ্গারা,আই মিল ধুরু,আই মিন সিঙ্গেল। আমাকে ছুবি না,নয় তো ওই সাইকেল নো নো সাইকো তোর সাথে সাথে আমাকে ও সিঙ্গারার ভিতরের আলুর মতো পিছ পিছ করবো সর।"
আবেশ শেষের কথাটা একটু কষ্ট পাওয়ার ভঙ্গিতে বলল।রায়ান কথা না শুনে আবার ধরতে আসলে আবেশ রেগে গেলো
"সর ছেমরি। লাউ কুমরা বটবটি,ছুইতে আইলে খাবি লাত্তি।"
তারপর হেলেদুলে আবেশে রুমের দিকে আবেশ পা বারায়।মুখে তার মাতলামো কন্ঠে গান
তুমি ছুয়ে দিলে হায়।
আমার কি যে হয়ে যায়
পিছনে রেখে গেলো এক কষ্টের সাগরকে।চোখে জল নিয়ে রায়লা বলে উঠে
"মাতাল অবস্থায় ও আমার ছোয়া আপনি পছন্দ না। জনে রাখুন আজকের পর থেকে এই রায়লার চোখে আপনার জন্য পানি আর আসবে না। না কারো জন্যই না আমি আজকের পর থেকে শুধু আমার জন্যই বাঁচবো আমি। আকসা আপুর কথা ঠিক,নায়ক সব সময় নাইকার হয় না।কখনো কখনো ভিলেনের ভালোবাসায় হার মানে আমাদের মতো কারো ভালোবাসা। "
আবেশ রুমে ঢুকতে দেখে আকসা শুয়ে ল্যাপটপ নিয়ে কি সব কাজ করছে।আবেশ এগিয়ে এসে আকসার টিশার্টের কিছুটা উঁচু করে বলল
"এই ছেমরি এই রুমে আইছছ কেন বের হ। নাইলে পাছা বাইছা লাতি দিয়া উগান্ডা পাছাই দিম না না পাঠায় দিমু।"
আকসা কোনো প্রতিক্রিয়া জানালো না আবেশ আরো জোরে টান দেয় আকসার টিশার্ট। এতে করে আবেশের চোখে পরে আকসার ইনারের দিকে।আবেশ দুই তিনটা ঢোক গিলে তারপর তার চোখ যায় আকসার ওষ্ঠে।
"মন খালি কয় ছয় নয় "
"দিলে কয় তরে চাই"
"হয়ে যাক "
"টুয়েন্টি টুয়েন্টি মেচ"
"তুই না হয় করিস কেচ"
"উপরে আমি তুই নিচে "
"চল খেলে আসি রাতে "
"খাট ভাঙার নিয়াতে"
সে কোনো মতে নিজে সামলাতে না পেরে সে আকসার উপর ঝাপিয়ে পড়ে চুম্বন করতে থাকে।আকসার চুলের মুঠি আবেশ তার ডান হাত দিয়ে ধরে বা হাত আকসার পেটে। আকসা আটকালো না।আবেশ ক্রিয়ার উপর প্রতিক্রিয়া দেখে আবেশ বা হা দিয়ে নিজের শার্ট টা খুলে ফেলে আকসাকে নিজের দিকে আরো এগিয়ে নিয়।তারা এক পূনিমার রাতকে স্বাক্ষী করে নিজেদের ভালোবাসা উজার করে দিলো একে অপরকে।ভাসিয়ে দিলো ভালোবাসায়।
____________________________________
সকলের জন্য সকাল আসে অন্যরকম হয়ে।আবেশেট ঘুম ভাঙতেই চোখ যায় খালি বিছানার দিকে।আসে পারে তাকিয়ে দেখে আকসা নেই রুমে। আবেশ পাস থেকে ফোন হাতে নিয়ে দেখে সকাল ১০:৪৫।। কোনোমতে উঠে ওয়াশরুমে যায়। আবেশ সাওর নিয়ে আসে ও আকসাকে না দেখে আবেশ ভাবলো হয়তো নিচে হল রুমে।কিছুক্ষন পর আবেশ রুম বের হয়ে আকসাকে খুজছে।তার আকসার সাথে কথা আছে কিন্তু না বসন্তের মতো আকসা আর দেখা মিললো না কেউ যানে না আকসা কোই। আকসা নিঃশব্দে হারিয়ে গেলো।আবেশ আর তাকে পেলো না।পুরো বাড়ির সব মানুষ সারা দিন খুজেও আকসাকে পেলো না।আবেশ রুমে গিয়ে আকসার রেখে যাওয়া কিন্তু জিনিস পেলো।তার মধ্যে একটা পেন ড্রাইভ। আবেশ ল্যাপটপে পেন ড্রাইভ অন করতেই চোখে আসে আকসার চোখ। আকসা বলছে।
"আপনার হাতে যেই কাগজ গুলো আছে তাতে ডিভোর্স পেপার আছে আমি সাইন করেছি আপনি করে সাবমিট করে দিবেন।আপনার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে মিস্টার A.D আপনি হতো আমার পরিচয় সম্পর্কে যেনেই গিয়েছেন।আমার কিছু বলার নেই এই বেপারে।আপনার নীলাঞ্জনার পরিচয় আমি পেয়েছি সে জীবন ভাইয়ের বোন।সেও আপনাকে অনেক পছন্দ কে। আসা করি আপনি তাকে নিয়ে অনেক ভালো থাকবেন।দোয়া করবেন যাতে আপনার আর আমার দেখা আর না হোক।আমার চলে যাওয়ার অবশ্য কোনো করন নেই তাই কাউকে মন খারাপ করতে মানা করবেন।সকলকে আমার বিদায়ের বার্তা দিবেন।আল্লাহ হাফিজ। "
#চলবে #ইনশাআল্লাহ