#আশিক_আল_জিন
#পর্ব_১৭
#তাসমিয়া_তাসনিন_প্রিয়া
[ রোমান্টিক এলার্ট]
“ দুলফিকারকে খুব পছন্দ করো, তাই না?”
মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন সালমা। লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলে মুচকি হাসল আরিবা।
“ হ্যাঁ, আম্মিজান। “
“ দোয়া করি, তোমাদের চলার পথ কখনো আলাদা না হোক। সব সময় একসাথে থেকো। “
আরিবার ঠোঁটের কোণের হাসির রেখা আরেকটু চওড়া হলো। মেয়েকে লজ্জা পেতে দেখে সালমা বললেন,
“ চলো, রাতের খাবার খেয়ে নিবে। “
“ খেতে ইচ্ছে করছে না, আম্মিজান! “
আরিবা মুখ গোমড়া করে বলল। সালমা মৃদু হেসে বললেন,
“ অল্পকিছু খেয়ে নাও। “
মায়েরা সন্তানের খাবারের বেলায় বড্ড নাছোড়বান্দা। না খাইয়ে কোনোভাবেই ছাড়ে না তারা। সালমার স্নেহমাখা জেদের কাছে শেষমেশ হাল ছেড়ে দিলো আরিবা।
“ হুম…” আস্তে করে রাজি হওয়ার সুর ভেসে এল তার কণ্ঠে।
সালমার মুখে তৃপ্তির হাসি ফুটলো। মেয়ের হাত ধরে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। আরিবা মায়ের সাথে ধীরে ধীরে খাবার ঘরের দিকে এগোতে লাগলো।
রাত গভীর। চারদিকে নীরবতা নেমে এসেছে। জানালার ফাঁক গলে চাঁদের আলো এসে পড়ছে আরিবার ঘরে। বিছানায় বসে আছে সে, মনে মনে দুলফিকারকে ভাবছে। বুকের ভেতর অদ্ভুত শূন্যতা। ভয় হচ্ছে! দুলফিকারকে হারানোর ভয়, নিজেকে হারানোর ভয়। আরিবা খুব করেই বুঝতে পেরেছে, তার শক্তি তাকে বদলে দেবে। সে চাইলেও নিজেকে সামলাতে পারেনি সেদিন। দুলফিকার, হ্যাঁ দুলফিকার না থাকলে সে কতটা ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠতো আরও সেটা কল্পনাও করা যায় না। আরিবা অনুভব করছে, ধীরে ধীরে সে তার শক্তি পূর্ণরূপে ফিরে পাচ্ছে। হয়তো শীঘ্রই সে সম্পূর্ণ রূপে ভ্যালেরিনা হয়ে উঠবে। তখনও কি সবাইকে এভাবেই ভালোবাসবে সে? আরিবার ভাবনা থামে না। হঠাৎই কেমন একটা চেনা শিহরণ দৌড়ে গেল শরীর জুড়ে।
আরিবা চোখ তুলে দেখল ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে দুলফিকার। তার নীলাভ চোখদুটি যেন আগুনের মতো জ্বলছে। মুহূর্তেই বুকের ধকধক বেড়ে গেল আরিবার। দুলফিকার ধীরে ধীরে আরিবার পাশে এসে বসল। নিস্তব্ধতার মাঝেই তার কণ্ঠস্বর গম্ভীর হয়ে ভেসে এলো,
“ সারাদিন অপেক্ষা করেছো? ”
আরিবার ঠোঁট কাঁপল। কণ্ঠ আটকে এলো।
“ কেন আসোনি তুমি? আমি ভেবেছিলাম… হয়তো রাগ করেছো।”
দুলফিকার কাছে এগিয়ে এসে তার মুখের দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকাল। এক মুহূর্তের জন্য যেন চারপাশ হারিয়ে গেল। এই মেয়েটার মুখে কত্তো মায়া! দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল দুলফিকার। দু'হাতে বুকে জড়িয়ে ধরে, কপালে ঠোঁট ছুঁইয়ে দিয়ে বলল,
“ রাগ নয়, আরিবা। তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্তও শান্তি পাইনি আমি। কিন্তু… অনেক দ্বন্দ্ব আমাকে আটকে রেখেছিল।”
আরিবা ধীরে ধীরে দুলফিকারের বুকে নাক ডুবিয়ে গভীরভাবে নিঃশ্বাস নিতে লাগলো । ফিসফিস করে বলল,
“ আমি শুধু জানি, তোমাকে ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ। এসব শক্তি, দ্বিধা, বংশ এসবকিছু আমি বুঝি না। আমি স্বাভাবিক একটা মানুষ থাকতে চাই দুলফিকার। আমার তোমাকে চাই, বাবা-মাকে চাই। “
দুলফিকার আরিবার হাত নিজের হাতে নিলো। স্পর্শে কেঁপে উঠল আরিবার শরীর। দুলফিকার গভীর কণ্ঠে বলল,
“ চাইলেই কোনোকিছু আর স্বাভাবিক হবে না, প্রেমিকা। তবে তুমি প্রতিজ্ঞা করো, যা-ই হোক তুমি আমার হাত ছাড়বে না।”
চোখ ভিজে উঠলো মেয়েটার। সে ফিসফিস করে বলল,
“ আমি শুধু তোমার… সবসময়।”
মুহূর্তেই দুলফিকার তাকে আরও শক্ত করে বুকে জড়িয়ে ধরলো। জানালার বাইরে চাঁদের আলোয় দু’জনার ছায়া একাকার হয়ে গেল।
“ বাবার সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে আমার। আমার বাবা আফারীত বংশের প্রধান, রাজা– মালিক আল জিন। জিন রাজ্যের কেউ এখনও তোমার শক্তি সম্পর্কে জানে না। একজন মানবীর সাথে সম্পর্কে যাওয়ার অপরাধের শাস্তি হিসেবে তিনি আমাকে আগামীকাল ত্যাজ্যপুত্র করার ঘোষণা দিয়েছেন। “
দুলফিকারের কথায় আঁতকে উঠল আরিবা। মাথা তুলে তাকিয়ে বলল,
“ ত্যাজ্য! “
“ হ্যাঁ। “
“ তুমি তোমার বংশ ছেড়ে কীভাবে থাকবে?”
“ তুমি আছো, তো। নতুনভাবে বংশবিস্তার করে ফেলবো। “
দুলফিকারের ঠোঁটের কোণে দুষ্ট হাসির রেখা। লজ্জা পেলো আরিবা। দুলফিকার আরিবার ঘাড়ে আলতো করে মুখ গুঁজে ফের বলল,
“ বংশবিস্তারের পদ্ধতি সম্পর্কে জানো? তুমি চাইলে আমি এক্ষুণি হাতেকলমে শিখাতে পারি। “
আরিবা একটু দূরে সরে গেলো। ভ্রু কুঁচকে বলল,
“ আপনি খুব দুষ্ট। “
দুলফিকার আচমকাই আরিবাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। তারপর ওর হাত দু'টো নিজের অদৃশ্য শক্তি বলে বেঁধে ফেলল। এভাবে নিজেকে বন্দী অনুভব করতেই আরিবার চোখগুলো কেমন জ্বলজ্বল করে উঠলো। দুলফিকার সেটা দেখে হেসে বলল,
“ তোমার ভেতরের শক্তিকে বলো, যেখানে সেখানে ক্ষমতা দেখাতে নেই। এই খারাপ জিন দুলফিকার অনেকদিন অপেক্ষা করেছে, আপাতত সে ধৈর্যহারা হয়ে গেছে। “
দুলফিকারের কথায় আরিবার চোখ বড়সড় হয়ে গেলো।
“ এই না… না। “
“ হ্যাঁ, হ্যাঁ। “
“ না আআআ… “
“ চুপ করো,প্রেমিকা। “
দুলফিকার বসে বসে আরিবার সাথে কথা বলছে কিন্তু আরিবা ভয়ে গুটিসুটি মেরে শুয়ে এদিকওদিক তাকাচ্ছে। আরিবার লজ্জা আরেকটু বাড়িয়ে দিতে দুলফিকারের বলিষ্ঠ শরীরকে তার ওপর সঁপে দিলো, দুলফিকার। আরিবা চোখমুখ খিঁচিয়ে আছে। যেনো যুদ্ধ লেগেছে আশেপাশে। মেয়েটার হাত বাঁধা তবুও তার নড়নচড়ন কমছে না, তার ওপর চোখ জ্বলজ্বল করছে। দুলফিকার আরিবার ঘাড় থেকে গলায়, ঠোঁটে ভালোবাসার দাগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে। আরিবা কেবল ছটফট করে যাচ্ছে। বিষয়টা দুলফিকারের মোটেও ভালো লাগছে না। এমন মুহুর্তে এতো নড়াচড়া খুব বিরক্তিকর মনে হচ্ছে।
“ পা দু'টো - ও কি বেঁধে ফেলবো? “
হিসহিসিয়ে জিজ্ঞেস করলো দুলফিকার। আরিবা কাঁদো কাঁদো মুখ করে বলল,
“ তুমি দুলফিকার হতেই পারো না। আমার দুলফিকার এমন না। সে আমাকে এভাবে… “
“ আহারে… তোমার দুলফিকার এতদিন কী পরিমাণ ধৈর্য ধারণ করে ছিলো তা যদি বুঝতে তবে এভাবে মোচড়ামুচড়ি করতে না, প্রেমিকা। “
মুখ গোমড়া করে ফেলল আরিবা। দুলফিকার মুচকি হাসল। আকস্মিক ঘটল অন্য এক ঘটনা। আরিবার শরীরটা শূন্যে ভাসিয়ে দিলো দুলফিকার। কিছুটা চমকাল আরিবা।
“ এভাবে করলে কেন? এখান থেকে ফেলে কোমড় ভাঙতে চাচ্ছো?”
দুলফিকার আরিবার পা দু'টোও নিজের দখলে নিলো, বেঁ*ধে ফেলল । তারপর চারপাশে সাদা রঙের কতগুলো পর্দায় আবৃত করে ফেলল। আরিবা চারপাশে তাকাল একবার।
“ বিশেষ কিছু করেছি, প্রেমিকা। দেখো, আমাদের প্রণয়ের মুহুর্তটা কতটা আলাদা হতে যাচ্ছে। “
দুলফিকার আঙুলের তুড়ি বাজতেই ওপর থেকে ঝরে পড়তে লাগলো লাল গোলাপের পাপড়ি। চারপাশে শুধু লালিমার মায়া, আরিবার চোখ-মুখ ভরে উঠলো শতশত ফুলের স্পর্শে। সে চোখ বুজে নিলো। দুলফিকারের দৃষ্টিতে তখন এক অদৃশ্য উত্তেজনা ঝলকাচ্ছে। আরিবার শরীর পাপড়ির আড়ালে লজ্জায় আড়ষ্ট হয়ে উঠছে। দুলফিকার ধীরে ধীরে ঝুঁকে এলো তার কাছে। ঠোঁটে লেগে থাকা গোলাপের পাপড়িগুলো সরিয়ে দিলো আলতো চুম্বনে। প্রতিটি ছোঁয়ায় পাপড়ির নরম স্পর্শ মিলেমিশে গেল দুলফিকারের উষ্ণতায়।
আরিবা লজ্জায় মাথা কাত করে থাকলেও বুকের ভেতর অজানা কাঁপুনি দমিয়ে রাখতে পারছিলো না। চারপাশে শুধু ফুলের সুবাস আর দুজনের নিশ্বাসের উত্তাপ। দুলফিকার আরিবার শরীরের শেষ কাপড়টুকু হুট করেই সরিয়ে ফেলল। চোখ বন্ধ করে ফেলল মেয়েটা। লজ্জায় মাথা কাত করে রইলো। দুলফিকারের নজর আরিবার মোহনীয় কায়ার দিকে। মাথা ঝিমিয়ে যাচ্ছে ওর। সে খুবই আগ্রাসীভাবে আরিবাকে নিজের খুব কাছে নিয়ে এলো। অতঃপর দু'জন দু'জনার সাথে পুরোপুরি একত্র হওয়ার প্রস্তুতি নিলো দুলফিকার। কিন্তু তখনই ঘটলো এক ভয়ানক ঘটনা। আরিবার শক্তি জেগে উঠেছে।
তারপিঠ ফুঁড়ে মেলে ধরলো বিশাল দু’টি ডানা। যার অর্ধেক স্বচ্ছ, ঝিলমিলে রূপালি পালক যেন চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে, আর বাকিটা কালো পর্দার মতো ছায়াময়। চোখে ভেসে উঠলো গাঢ় লাল আর নীলের মিশ্র দীপ্তি, যা একসাথে ভীতি আর সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। মুহূর্তেই শরীর ঢেকে গেলো জ্যোৎস্নার মতো ঝলমলে এক লাল গাউনে। পোশাকের কিনারা অদ্ভুতভাবে অন্ধকারে মিলিয়ে যাচ্ছে, আবার আলোয় ঝলসে উঠছে। তাকে তখন লাগছিল এমন এক সত্তা, যে একইসাথে স্বর্গীয় ও ভয়ংকর। দুলফিকার লম্বা নিঃশ্বাস ছাড়ল। আরিবার চোখমুখ বদলে গেছে। সে এক ঝটকায় নিজেকে ছাড়িয়ে শোয়া থেকে উঠে বসলো।
“ কী করছিলে দুলফিকার? “
আরিবার এমন প্রশ্নে কী প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত তা-ও যেন ভুলে গেলো দুলফিকার। এরকম কিছু হবে বুঝলে প্রথম দিনই আরিবাকে নিজের করে নিতো সে।
“ কী হলো? তুমি কেনো আমার সাথে ঘনিষ্ঠ হতে চাইছিলে?”
“ বংশবিস্তারের জন্য। “
দুলফিকারের ভাবলেশহীন জবাবে ভ্রু কুঁচকে ফেলল আরিবা।
“ তুমি আর আমি আলাদা বংশের। “
“ তো? “
“ তুমি কখনো আমাকে এভাবে স্পর্শ করবে না। “
“ তাহলে কীভাবে করবো?”
দুলফিকারের মন মেজাজ এমনিতেই খারাপ হয়ে গেছে। এই উটকো শক্তির ঝামেলায় আরিবাকে কাছে পেয়েও পেলো না সে।
“ আমাকে যেতে হবে! “
আরিবার কানগুলো আচমকাই ভীষণ সতর্ক হয়ে উঠলো। সে হুট করেই অদৃশ্য হয়ে গেলো। রাগে শূন্যে ঘুষি মেরে বসলো দুলফিকার। চোখমুখ জ্বলছে তার। নিজেকে সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে। তবুও আরিবাকে তো একা ছেড়ে দেওয়া যাবে না। দুলফিকার তার শরীরের আকার পরিবর্তন করে ফেললো। মুহুর্তেই জলন্ত এক মানব শূন্যে ভেসে কোথাও অদৃশ্য হয়ে গেলো। পড়ে রইলো কেবল গোলাপ ফুলের পাপড়িগুলো আর এলোমেলো বিছানা!
ভোরের আলো ঘরে ঢুকে পড়েছে। রাতের ক্লান্তি মুছে জেগে উঠেছে চারপাশ। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে আরিবা। চোখেমুখে এখনও গভীর ভাবনা, দুলফিকারের সাথে কাটানো রাতের মুহূর্তগুলো তার ভেতর আলগা শিহরণ তুলছে। তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল ভাবতেই লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে ওর গাল। কিন্তু আরিবার সবকিছু স্পষ্ট মনে নেই। দুলফিকার তার খুব কাছাকাছি এসেছিল, উদভ্রান্তের মতো। তারপর? তারপর কি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল আরিবা? নয়তো কিছু মনে নেই কেন? রাতে দুলফিকার আসলে তার কাছেই কথাগুলো জিজ্ঞেস করবে বলে ঠিক করলো আরিবা। আজকে জিন রাজ্যে সভা বসবে। দুলফিকারের বিচার হবে। সেই ভেবে আরিবার মন খারাপ হয়ে গেলো। আফারীত বংশের রাজপুত্র তার জন্য, তার বংশ-রাজ্য সবকিছু ত্যাগ করলো কিন্তু সে কি দুলফিকারের ভালোবাসার মান রক্ষা করতে পারবে?
হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হলো।
“ আরিবা?”
পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনে চমকে উঠলো সে। রোদ্দুর স্যার! আরিবার মনে পড়ে গেলো সেদিন, সেই রাতের দৃশ্যগুলো। রোদ্দুর কোনো সাধারণ মানুষ নন। আরিবা ধীরপায়ে গিয়ে দরজা খুলতেই দেখলো, সামনে দাঁড়িয়ে আছে রোদ্দুর। কিন্তু আজকের রোদ্দুরটা আগের মতো লাগছে না। তার চারপাশে অদ্ভুত এক আভা ছড়িয়ে আছে, চোখে যেন অন্য রকম দীপ্তি। হয়তো নিজের স্বরূপ আর লুকাতে চায় না সে।
আরিবা কপাল কুঁচকে তাকালো,
“ রোদ্দুর স্যার ? আপনি… আপনি এখানে?”
রোদ্দুর হালকা হাসলো।
“ হ্যাঁ, আমি সবসময়ই তোমার আশেপাশে ছিলাম, আরিবা। শুধু তুমি আমাকে চিনতে পারোনি।”
আরিবার বুক ধক করে উঠলো।
“ কী বলছেন আপনি?”
রোদ্দুর ধীরে ধীরে হাত তুলে ধরলো। মুহূর্তেই ঘরের ভেতর হালকা আলো ছড়িয়ে পড়লো। আলোটা যেন তার হাতের ভেতর থেকেই জন্ম নিচ্ছে। চারপাশ ঝলমল করে উঠলো।
“ ঠিক বলেছি। “
“ কিন্তু আপনার পরিচয় কী? আর আমার আশেপাশে কেন ছিলেন? আর ওইদিন রাতে,আপনি…. “
“ আমি তোমার চাচাতো ভাই, আরিবা। তোমার বাবার ভাইয়ের ছেলে। “
আরিবার মাথা ঝিমঝিম করতে লাগলো। সবকিছু কেমন ঘুরপাক খাচ্ছে। নিজের চারপাশের রহস্য যেন আরও ঘনীভূত হলো।
চলবে….
গুরুত্বপূর্ণ কথা - ৩১ তারিখ বইটই এপসে যে আশিকা জিন গল্প আসবে, ওটা সবার জন্য নয়। যারা অতিরিক্ত, সোজা কথায় ইরোটিক রোমান্স পছন্দ করেন তারা পড়বেন শুধু। আর হ্যাঁ ৩১ তারিখ পর্যন্ত বইটইতে ২৫% ছাড় চলবে। এরপর কোনো ছাড় পাবেন না। তাই দ্রুত আমার ই-বুকগুলো কিনে ফেলুন। 😘
আগের পর্ব https://www.facebook.com/100085130931546/posts/740851922095832/
পরের পর্ব https://www.facebook.com/100085130931546/posts/743930161788008/