#আশিক_আল_জিন
#পর্ব_২৩
#তাসমিয়া_তাসনিন_প্রিয়া
যুদ্ধক্ষেত্রে নদীর মতো রক্ত ঝরছে ভ্যাম্পায়ারদের। জিনদের নিষ্ঠুর আঘাতে ধীরে ধীরে পতন হচ্ছিল ভ্যাম্পায়ার বাহিনী। কিছুক্ষণ আগে সেই অন্ধকার যুদ্ধক্ষেত্রে বজ্রের মতো আবির্ভূত হলো আরিবা– ভ্যালেরিনা।
তার চোখে জ্বলছে অগ্নিশিখা, শরীরে প্রবাহিত হচ্ছিল রক্তের অতিমানবীয় শক্তি। ভ্যাম্পায়াররা তার চেহারা দেখে নতুন উদ্যমে চিৎকার করে উঠল,
“ভ্যালেরিনা! ভ্যালেরিনা আমাদের সাথে আছে!”
এই চিৎকার জিন যোদ্ধাদের বুকের ভেতর ভয় ঢুকিয়ে দিল। তবু তাদের রাজা গর্জে উঠল
“ওকে ঘিরে ধরো! আজ ভ্যাম্পায়ার জাতির শেষ হবে! আমরা পিছু হটবো না।”
রাজাকে সামনে রেখে জিন যোদ্ধারা ধেয়ে এলো।
কিন্তু ভ্যালেরিনা যেন মৃত্যুদূত। এক আঘাতে সে বাতাস চিরে ফেলল, আর সেই আঘাতে ডজন ডজন জিন ছিটকে গিয়ে রক্তে মাটিকে রাঙিয়ে দিল। তলোয়ার থেকে বেরোনো কালো আগুনে জিনদের অস্ত্র গলে গেল, তাদের দেহ ছাই হয়ে মাটিতে ভেঙে পড়ল। ভ্যাম্পায়ার সৈন্যরা এই দৃশ্য দেখে নবশক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়ল। অল্প সময়েই যুদ্ধের পাল্টা ধারা শুরু হলো।
এবার আরিবা চোখ স্থির করল জিন রাজার দিকে। তার চোখে লাল আলো ঝলসে উঠল।
রাজা এক গর্জনে আগুনের ঢেউ ছেড়ে দিলো তার দিকে। কিন্তু ভ্যালেরিনা হাত উঁচু করতেই চারপাশের রক্ত হঠাৎ শিখায় রূপ নিয়ে আগুনকে গ্রাস করল।
“তোমার সময় ফুরিয়ে এসেছে, খুনি!”
আরিবার কণ্ঠে বজ্রধ্বনি বাজল। সে ঝাঁপিয়ে পড়ল। রাজা প্রতিরোধের চেষ্টা করল, কিন্তু প্রতিটি আঘাত তার শক্তি ক্ষয় করছিল। পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে অনুনয় করে উঠলো মালিক আল জিন।
“ আরিবা! আমাকে মেরো না, ক্ষমা করো আমাকে। তুমি…. পরী রাজকন্যার মেয়ে! তুমিই সেই আরিবা…”
রাজা কথা শেষ করার আগেই গর্জে উঠে বলল আরিবা,
“ আমিই সেই আরিবা – যার গোটা পরিবারকে খুন করেছিলে তুমি। কিন্তু আফসোস সৃষ্টিকর্তা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন এবং তোমার ধ্বংসের জন্যই রেখেছেন। “
রাণী নূর আল জোহরা অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছেন৷ তিনি জানতেন একদিন না একদিন এই দিনটা অবশ্যই আসবে। আজ তা সত্যি এলো! কিন্তু দুলফিকার? দুলফিকার কোথায়? সে কি এতটা পাষাণ হয়ে গেলো যে নিজের রাজ্যের এই করুণ অবস্থায়ও পাশে দাঁড়াবে না? সুলতানা নিজের বাবাকে মৃত্যুর নিকটবর্তী দেখে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে।
রাজা মালিক আল জিনের কোনো কথা কর্ণপাত করলো না আরিবা। অবশেষে ভ্যালেরিনার তলোয়ার সরাসরি রাজার বুক ভেদ করল।
আকাশ যেন কেঁপে উঠল, চারপাশে বজ্রপাত হলো। রাজা হোঁচট খেয়ে মাটিতে পড়তেই তার চোখে ভয়, বিস্ময় আর অন্ধকার মিলেমিশে গেল। আরিবার হাতের অস্ত্র কোনো সাধারণ অস্ত্র নয়। তার প্রতিটি শক্তি এমন যা একবার কারো ওপর আঘাত করলে ধ্বংস নিশ্চিত। রাজার শরীর ধ্বংস হয়ে হাওয়ায় মিলিয়ে গেলো। জিন রাজার পতন হলো। ভ্যাম্পায়াররা তখন গর্জে উঠল বিজয়ের উল্লাসে।
কিন্তু সেই বিজয়ের মাঝেও আরিবার হৃদয়ে কোথাও একটা চিনচিনে ব্যথা সৃষ্টি হলো।
কারণ এই লড়াই তার প্রেমিক দুলফিকারের বাবার রক্ত দিয়ে শেষ হলো।
বাবার মৃত্যুর দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে আরিবার দিকে বজ্রপাতের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল নুসাইর।
চোখে রক্তাভ দৃষ্টি, মুখে উন্মাদের গর্জন,
“তুমি… তুমি আমার বাবাকে হত্যা করেছো!”
সে আগুনের বর্শা তৈরি করে সরাসরি আরিবার দিকে ছুড়ে মারল। আগুনের তীব্রতায় চারপাশ অন্ধকারে ঝলসে উঠল। কিন্তু আরিবা নড়ল না। কেবল হাত একবার নাড়তেই বর্শা মাঝ আকাশেই ছাই হয়ে গেল।
নুসাইর তখন আরো উন্মাদ হয়ে এগিয়ে এল, তলোয়ার উঁচিয়ে আরিবার গলায় বসাতে চাইলো।
কিন্তু আরিবা তার দিকে তাকাতেই অদ্ভুত এক অদৃশ্য শক্তি নুসাইরকে আঘাত করল।
মুহূর্তের মধ্যে সে ছিটকে গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রের পাথরের দেয়ালে আছড়ে পড়ল।
রক্ত থুথুর মতো ঝরতে লাগল তার মুখ থেকে।
আরিবা ঠাণ্ডা গলায় বলল,
“আমি তোমার বাবাকে হত্যা করেছি, কারণ সে খুনি। আমার বাবা-মা, ভাইয়ের খুনি, আমার সাজানো-গোছানো জীবন নষ্ট করে দেওয়ার অপরাধী ছিলো সে। তুমি যদি তার মতো হতে চাও, তবে পরিণতিও হবে তার মতো।”
ভ্যাম্পায়ার সৈন্যরা গর্জন তুলল, জিনরা আতঙ্কে পিছিয়ে গেল। কিন্তু নুসাইরের চোখে তখন কেবলই প্রতিশোধের আগুন। সে আবারও উঠে দাঁড়াল। পরমুহূর্তেই চিৎকার করে কান্না জুড়ে দিলো সে। বাবার মৃত্যু সে মানতে পারছে না। অন্য দিকে নুসাইরের এমন আক্রমনাত্মক ভঙ্গিতে আরিবার ভেতর থাকা খারাপ শক্তিকে উস্কে দিয়েছে যেন। আরিবার চোখ লালচে আগুনের মতো জ্বলছে, তার শক্তির প্রতিটি ঝলকেই জিন সৈন্যরা মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে। আকাশ কালো, বাতাসে রক্ত আর ধোঁয়ার গন্ধ। ইতিমধ্যে জিন রাজ্যের এক-তৃতীয়াংশ ভস্মীভূত।
নুসাইর মাটিতে বসে কাঁদছে , কিন্তু আরিবার চোখে তার জন্য কোনো দয়া নেই। ক্রোধে কাঁপছে তার শরীর। হাত উঠালেই আগুন, হাত নামালেই ধ্বংস। ভ্যাম্পায়ার সৈন্যরা উল্লাসে চিৎকার করছে, কিন্তু জিন সৈন্যদের বুক কেঁপে উঠছে। কারণ এ আর ভ্যাম্পায়ার রাজপুত্রীর শক্তি নয়, এটা যেন প্রলয়ের ঝড়।
হঠাৎ দূরের অন্ধকার থেকে এগিয়ে এল এক পরিচিত ছায়া। ধুলো-ধোঁয়া ভেদ করে সামনে এসে দাঁড়ালো দুলফিকার। তার চোখে অস্থিরতা, ঠোঁটে কাঁপা কাঁপা নিঃশ্বাস। এতক্ষণ নিজেকে আটকেছিল, কিন্তু আর পারলো না।
সে গর্জে উঠলো,
“থামো, আরিবা! থামো!”
কিন্তু আরিবা তখন রাগে এতটাই অন্ধ যে, দুলফিকারের কণ্ঠস্বর যেন তার কাছে পৌঁছায় না। নুসাইরের দিকে হাত তুলে আবার শক্তির ঝড় ছুড়ে মারতে যাচ্ছে সে। চারপাশে বজ্রপাতের মতো আলো ছড়িয়ে পড়ছে, জিন সৈন্যরা ভয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে।
দুলফিকার দৌড়ে গিয়ে আরিবার সামনে দাঁড়িয়ে গেল। তার বুকের ভেতর কাঁপন, চোখ ভরা যন্ত্রণায়। সে জানে, আজ যদি সে আরিবাকে না থামায় তবে জিন রাজ্য আর রাজপরিবারের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।
“সরে যাও দুলফিকার… আজ কাউকে আমি রেহাই দেব না।”
দুলফিকার করুণ স্বরে বলল,
“তুমি যদি এভাবে ধ্বংস চালিয়ে যাও, তবে আমার রাজ্য থাকবে না… আমার বাবা অপরাধ করেছিলেন, বাকিরা করেনি। আমার ভালোবাসার ওপর আঘাত করতে পারবোনা আমি। থেমে যাও প্রেমিকা! “
আরিবা থমকে গেলেও চোখে তখনও জ্বলছে রক্তিম আগুন। যেনো নিজের সাথে যুদ্ধ করছে আরিবা। দুলফিকারকে দেখেই মন ও মস্তিষ্কে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে ওর। কিন্তু তখনই রাজা ভিরেন চেঁচিয়ে উঠলেন,
“ আরিবা! মা আমার ওর কথা শুনো না। ধ্বংস করে ফেলো সব। এই জিনদের জন্য তুমি আজ বাবা-মা হারা, ভাই হারা। শেষ করে দাও সবাইকে। “
রোদ্দুরও একই কথা বললো আরিবাকে। অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো কেবল। এরমধ্যেই ঘটলো এক ভয়ানক ঘটনা। সুলতানা দৌড়ে এসে আরিবার ওপর আক্রমণ করে বসলো। আগুনের বলয়ের ধাক্কায় একপা পিছিয়ে গেলো আরিবা। সবাই হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছে সুলতানার দিকে। দুলফিকার আসন্ন পরিস্থিতি কী হতে পারে তা আন্দাজ করতে পারছে। সুলতানা চেঁচিয়ে উঠলো,
“ আমার বাবার খুনি তুমি! তোমাকে… “
সুলতানার কথা শেষ হওয়ার আগেই আরিবা মরণবাণ ছুড়লো তার দিকে। দুলফিকার বিদ্যুৎ এর বেগে সুলতানার সামনে দাঁড়িয়ে সব আঘাত নিজের শরীরে নিলো। মুহুর্তেই দুলফিকারের আহত শরীরটা মাটিতে ছিটকে পড়লো। রাণী নূর আল জোহরা, সুলতানা, নুসাইর সবাই দৌড়ে দুলফিকারের কাছে গিয়ে বসলো। ভ্যাম্পায়ার রাজার ঠোঁটের কোণে হাসি, রোদ্দুরও ভীষণ খুশি। আরিবা তার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে যে আঘাত করেছে তাতে দুলফিকারের মৃত্যু নিশ্চিত।
“ দুলফিকার! কী হচ্ছে তোমার… আমার সন্তান! নুসাইর তোমার ভাইয়ের শরীর উবে যাচ্ছে….. “
রাণী চিৎকার করে কান্না জুড়ে দিলেন। মুহুর্তেই যুদ্ধের ময়দান এক স্বামী হারা স্ত্রী ও সন্তানের জন্য আহাজারি করা মায়ের কণ্ঠধ্বনিতে ভারী হয়ে উঠলো। আরিবার চোখ ছলছল করছে। শরীরে অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে। অনুভূতিগুলো তাজা হয়ে উঠছে। ভ্যাম্পায়ার বৈদ্যের দেওয়া ঔষধের প্রভাব কেটে যাচ্ছে। সুলতানা পাগলের মতো কেঁদে যাচ্ছে। নুসাইর দুলফিকারের হাত ধরে বসে আছে। দুলফিকার নিভু নিভু চোখে সবার দিকে তাকাল একবার।
“ কেঁদো না তোমরা। আমি ব্যর্থ সন্তান। ব্যর্থ রাজপুত্র। আমার বেঁচে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমার মতো বেয়াদব সন্তানের জন্য কেঁদো না।”
দুলফিকারের কথায় সবার কান্নার বেগ আরো বৃদ্ধি পেলো। আরিবা ধীরে ধীরে দুলফিকারের দিকে এগোল এবার। আরিবার শরীর থেকে অদ্ভুতভাবে সাদা-কালো রঙের আলোর বিচ্ছুরণ হচ্ছে। দুলফিকার আরিবার দিকে তাকিয়ে আছে, ঠোঁটের কোণে তার হাসি। ওর পা থেকে হাঁটু পর্যন্ত ইতিমধ্যেই ধোঁয়ার মতো মিলিয়ে গেছে। বাতাসে ছাই হয়ে উবে যাচ্ছে প্রতিটি কোষ। ক্রমে ক্রমে সেই ভস্মীভবন শরীরের ওপরের দিকে এগিয়ে আসছে, সময়ের সাথে সাথে যেন পুরো অস্তিত্বকেই গিলে ফেলছে।
“ আমার পুত্রের কাছে আসবে না, তুমি! “
দুলফিকারকে বুকে জড়িয়ে ধরে, কান্না মিশ্রিত কণ্ঠে বললেন নূর আল জোহরা। সুলতানা কিছু বলার মতো অবস্থায় নেই। আজ ওর জন্য, ওকে বাঁচাতে গিয়ে ভাইয়ের এই হাল। নুসাইর যেন পাথর হয়ে গেছে। চোখের সামনে নিজের পিতাকে শেষ হয়ে যেতে দেখলো আর এখন ভাইও! কেবলমাত্র একটা মেয়ের জন্য তাদের সবকিছু শেষ। কিন্তু মেয়োটারও বা কী দোষ? সে-ও তো পরিবার হারিয়েছিল।
“ আম্মাজান… ও আমার প্রেমিকা, আমার কলিজার আধখান। এই বুকেই ওর স্থান। আরিবাকে আসতে দিন। "
আরিবার চোখ থেকে অশ্রু পড়ছে। ছেলের কথায় নূর পিছনে সরে বসলেন। আরিবা এসে বসলো দুলফিকারের মাথার পাশে। দুলফিকার মুচকি হেসে মাথাটা কোনোমতে আরিবার কোলে রাখলো। হু হু করে কেঁদে উঠলো আরিবা। দুলফিকারের হাত দু'টো আঁকড়ে ধরলো।
" আমি... আমি কী করলাম! হে প্রভু! আমার হাতেই আমার প্রিয়তমর এই হাল হলো, আমি কীভাবে তাকে সুস্থ করবো!"
দুলফিকার ভাঙা ভাঙা গলায় বলল,
" কেঁদো না প্রেমিকা। তোমার চোখের জল আমার কাছে যন্ত্রণাময়। ভবিতব্য আমাদের এক হতে দিলো না। যদি তুমি সাধারণ মানবী হতে, তাহলে হয়তো আমাদের গল্পটা আলাদা হতো। আমাদেরও একটা সংসার হতো, সেই সংসারে ছোট্ট একটা প্রাণ থাকতো। সবাই থাকতো আরিবা! "
আরিবা কাঁপতে থাকা হাতে দুলফিকারের বুকে হাত রাখলো। চোখ বন্ধ করে প্রাণপণ চেষ্টা করলো। হয়তো তার শক্তি দিয়ে প্রিয় মানুষটাকে বাঁচাতে পারবে। কিন্তু না… কিছুই হলো না। উল্টো আরিবার ভেতর থেকে আরও ভয়ঙ্কর শক্তি বেরিয়ে এলো, চারপাশে শিহরণ তুললো।
হতাশায় শেষ চেষ্টাটাও ব্যর্থ হলো তার। বুকের ভেতর হাহাকার জমে উঠে, আরিবা হঠাৎ দুলফিকারের বুকে মুখ গুঁজে কান্নায় ভেঙে পড়লো।
দূরে দাঁড়িয়ে রোদ্দুর চোখ লাল করে ফুঁসছিলো। যেন মুহূর্তে ফেটে পড়বে। পাশে ভিরেন তার কাঁধ চেপে ধরে শান্ত করার চেষ্টা করছে।
" আমাদের কিচ্ছু হলোনা, দুলফিকার। আমাদের একসাথে থাকা হলোনা। সবকিছু আমার জন্য! আমি... "
আরিবার কথা শেষ হওয়ার আগেই শব্দ করে কেঁদে উঠলো নুসাইর।
" কেন করলে আরিবা? আমার ভাই! "
দুলফিকার নুসাইরের দিকে তাকাল। খুব কষ্ট করে নুসাইরের হাতটা ধরে আরিবার কাঁধে রাখলো সে। আরিবা এখনও দুলফিকারের বুকে মাথা ঠেকিয়ে বসে আছে।
" নুসাইর! "
" বলো, ভাই। "
" তোমার মনে আছে? বলেছিলাম যদি আমি এই পৃথিবীতে না থাকি তখন তুমি আরিবার জন্য ভেবো?"
নুসাইর মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। দুলফিকার বলল,
" এখন সেই সময় এসেছে। আমার চলে যাওয়ার পর ওকে দেখে রেখো তুমি। বাবা, ভাইয়ের খু*নি ভেবে আঘাত কোরো না। "
সবার মনের অবস্থাই একরকম। তাই এই মুহুর্তে দুলফিকারের এসব কথা নিয়ে কেউ ভাবছে না। কেবল সবাই তাকিয়ে আছে। নুসাইর আবারও মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল কেবল। আরিবা রক্ত বর্ণ চোখে শেষবারের মতো দুলফিকারের দিকে তাকাল একবার। এরমধ্যেই দুলফিকারের বুকের একাংশ ভস্ম হয়ে গেছে।
“ বিদায় প্রেমিকা। “
চলবে....
[ " ব্যাথা করছে?"
~ দুলফিকার
#আশিকা_জিন
প্রোমো কোড ব্যবহার করে " আশিকা জিন " ই-বুকটি মাত্র ২৩ টাকায় কিনতে পারবেন , বইটই এপস থেকে।
লিংক- https://link.boitoi.com.bd/toYcp
এলার্ট- ই-বুকটি অতিরিক্ত রোমান্টিক / ইরোটিক রোমান্সে ভরপুর। আর হ্যাপি এন্ডিং। ]
আগের পর্ব https://www.facebook.com/100085130931546/posts/748654591315565/
#আশিক_আল_জিন গল্পের সকল পর্বের লিংক https://www.facebook.com/share/p/1VYJ11FveW/