ফন্ট সাইজ:
থিম:
তুমি আসবে বলে বসন্ত এসেছে

১ম পর্ব

লেখক: জেরিন আক্তার নিপা

১

-জীবদ্দশায় দাদাজান একটা ভুল কাজই করে গেছেন। দাদাজানের জীবনে প্রথম, শেষ এবং একমাত্র ভুল হলো দুইটা বিয়ে করা।

কাঁধের সাহায্যে ফোন কানে ঠেকিয়ে আলমারির দু'টো ডালা টেনে খুলে ফেলার সাথে সাথে একঝাঁক কাপড়চোপড় এসে তার মুখের উপর পড়ল।

-ওহ ওহহ,, আল্লাহ!

ওপাশে লাইনে থাকা দৃষ্টি পেখমের চিৎকার শুনে উদ্বিগ্ন উৎকন্ঠিত গলায় জানতে চাইল,

-কী হয়েছে? পেখম, তুই ঠিক আছিস? কী হয়েছে বলবি তো।

পেখম দু'হাতে মুখের উপর থেকে জামাকাপড় গুলো এদিক ওদিক ছুঁড়ে ফেলতে ফেলতে বলল,

-ঠিক আছি। আ'ম এবসোলিউটলি

ফাইন। কিছুই হয়নি।

জামাকাপড় গুলো সে-ই ওভাবে রেখেছিল। মা তার আলমারি গুছিয়ে না দিলে নিজে কখনও গোছানো হয় না। এত সব ড্রেসের মধ্যে থেকে পেখম তার ব্লু কালারের কুর্তিটা খুঁজছে। কোথায় রেখেছিল?

-কিরে লাইনে আছিস?

পেখম তার খোঁজাখুজির কাজ চালিয়ে গিয়েই বলল,

-আছি বল। কোথায় যেন ছিলাম?

-বুড়োর জীবনের সবথেকে বড় ভুল। দুই বিয়ে করার টপিকে।

-ওহ হ্যাঁ। মানুষ একটা বিয়েই করতে পারে না। বলিউডের ভাইজান সালমান খানকেই দেখ না। কী নেই বেডার? ফেম নেম টাকাপয়সা কোনকিছুরই তো অভাব নেই। তারপরও একটা সংসার হলো না। আর আমাদের মির্জা বেডা দুই বিয়ে করে বছরে বছরে বংশবিস্তার করে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করলে বাবা চাচাদের সংখ্যা বলতে আমার নিজেরই লজ্জা লাগে। মানুষ তো আর জানে না এই আটজন একজনের পেট থেকে আসেনি। চারজন করে দুই দু'জনের পেট থেকে এসেছে।

-এতেই বোঝ। দাদাজান একজন সিংহ পুরুষ ছিলেন।

অবশেষে নীল কুর্তিটা পেয়েছে। কিন্তু কাপড়চোপড় ছড়িয়ে রুমের অবস্থা চিরিয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে।

-সিংহ পুরুষ না কচু ছিলেন কচু। দুই বিয়ে করা কোন বাহাদুরির কথা না। এক নারীকে নিয়ে জীবন কাটিয়ে দিতে পারাই প্রকৃত সিংহ পুরুষের পরিচয়।

পেখম এতটা সময় ধরে তার কাজিন দৃষ্টির সাথে কথা বলতে বলতে ব্যাগ গোছানোর কাজও চালিয়ে যাচ্ছে। এক দাদীর বাড়ি থেকে আজ অন্য দাদীর বাড়ি যেতে হবে। কারণ মেজ চাচার ছেলে মানে তারই একটা কাজিন ইলহাম ভাই ডাক্তারি ডিগ্রি নিয়ে পাঁচ বছর পর দেশে ফিরছে। এই দুই বাড়ির দৌড়াদৌড়ি আর ভালো লাগে না। সামান্য একটা অনুষ্ঠান হলেই ব্যাগ প্যাক করে ওবাড়িতে ছুটতে হয়। তার থেকে সবাই মিলেমিশে এক বাড়িতে থাকলেই ভালো হতো।

-তোর জামাই দুইটা বিয়ে করলে কী করবি?

-আমার জামাই যেদিন একাজ করে বাড়ি ফিরবে সেদিন রাতেই তাকে পুরুষ থেকে পুরুষ আক্তার মহিলা বানিয়ে দেব। যা এবার যতখুশি বিয়ে কর।

পেখমের কথা শুনে দৃষ্টি উচ্চ শব্দে হাসতে লাগল। পেখমও মৃদু হাসল। দৃষ্টি হাসতে হাসতেই বলল,

-তুই তো সাঙ্ঘাতিক ডেঞ্জারাস মেয়ে! তোর ভবিষ্যত জামাইয়ের কপালে দুঃখ আছে।

-জামাই যদি চরিত্রহীন হয় তাহলে তো দুঃখ থাকবেই। আমি ছাড়া অন্য মেয়ের দিকে তাকালে পরিনতি এটাই হবে।

-আচ্ছা তোর কি প্যাকিং করা শেষ হয়েছে?

-প্যাকিং কী আর শেষ হয়? এক দু'দিনের জন্য গেলেও জামাকাপড় থেকে শুরু করে সানস্কিনটা পর্যন্ত সাথে নিতে হয়। ব্যাগ তিনটা নিলেও জায়গা ধরে না।

দৃষ্টি উদাস গলায় বলল,

-দাদাজান দুই বিবিকে এক বাড়িতে রাখলেই ভালো হতো।

-হুম এখন তো দিনে তিনবেলা খাবার খাই। এক বাড়িতে থাকলে তিনবেলাই দুপক্ষের ঝগড়া দেখে পেট ভরাতে হতো।

-এটাও ঠিক বলেছিস। দূরে আছি বলেই ভালোবাসা আছে। একসাথে থাকলে তুইও আমার শত্রু হয়ে যেতি।

-বুড়ো বেডাটা মরে সুখেই আছে। তাকে অন্তত দুই বউয়ের সাথে থাকার জন্য এবাড়ি ওবাড়ি ছুটতে হচ্ছে না। নয়তো বুড়ো বয়সে ছুটাছুটি করে কোমরের হাড্ডি খয়ে যেত।

-পেখম এখন রাখি। মা ডাকছে। গিয়ে দেখি কী কাজ পড়েছে। তোরা কিন্তু তাড়াতাড়ি চলে যায়।

-ভাইয়া তো রাতে আসবে। এত তাড়াতাড়ি গিয়ে কী করব?

-আমার সাথে নাচবি। প্যাকিং শেষ হলেই ছানাপোনা গুলোকে নিয়ে বেরিয়ে পড়। বাবাকে গাড়ি পাঠিয়ে দিতে বলব?

-না। আমাদের বাড়িতেও গাড়ি আছে। তোকে আর সেজো আব্বুকে কষ্ট দিবে হবে না। ড্রাইভার আঙ্কেল আমাদের নামিয়ে দিয়ে আসবেন।

-ঠিক আছে। আয় তাহলে।

প্যাকিং শেষ করে পেখম নিচে চলে এলো। ইরিন আপুরা আসার কথা ছিল। ওরা না এলে বেরোতে পারবে না। পেখমের দাদী গোলাপ জান, দাদাজান ইয়াকুব আলী মির্জার দ্বিতীয় স্ত্রী। গোলাপ জানের চার ছেলে মেয়ে। বড় ছেলে হারিশ মির্জার এক ছেলে। দ্বিতীয় ফুপু। ইরিন, ইতি ওরা ফুফুর মেয়ে। তৃতীয় তার বাবা। তার অবশ্য কোন ভাইবোন নেই। চতুর্থ ইখতিয়ার মির্জা। চাচ্চুর দুই মেয়ে আলাইয়া আলিশবা। ওরা সবাই দাদা জানের দ্বিতীয় পক্ষের বংশধর। প্রথম পক্ষেরও আরও চারজন ছেলে আছে। তাদের ছেলেমেয়েদের মিলিয়ে পেখম নিজেও জানে না তাদের বংশের মোট সদস্য সংখ্যা কত। দুই পক্ষই আলাদা বাড়িতে থাকে। দুই দাদী একজন আরেকজনের চোখের বিষ। কেউ কারো ছায়াটা পর্যন্ত দেখতে পারে না। বাবা চাচাদের মধ্যে শত্রুতা না থাকলেও তেমন মিলও নেই। তবে দুই দাদীই নাতি-নাতনীদের মধ্যে কোন পার্থক্য করেন না। সেকারণেই তাদের হয়েছে জ্বালা। উৎসব অনুষ্ঠান হলেই ওবাড়ি ছুটতে হয়। নয়তো দাদীরা মন খারাপ করেন। হলরুমে দাদীকে পেয়ে পেখম বলল,

-গোলাপ জান আপনার নাতিরা এখনও আসেনি? কখন বের হবো?

গোলাপ জান তসবিহ হাতে বিড়বিড় করে কিছু পড়ছিলেন। চেহারায় বিরক্তির ভাব নিয়ে নাতনির দিকে তাকিয়ে বললেন,

-ওই বাড়িত যাইতে তোর যেন অনেক তাড়া!

-তাড়া থাকবে না? কয়েকবার ফোন করে ফেলেছে।

পেখমের কথা মাঝখানেই ইরিনরা চলে এসেছে। ইরিন নানীকে সালাম দিয়ে কাছে এসে জড়িয়ে ধরল।

-কেমন আছো নানী?

-আল্লাহ যেমন রাখছে। এত সাইজা সুইজা শত্রুর ওইখানে যাইতাছস?

-শত্রু হলে তোমার হবে। বড়ো নানীও কিন্তু আমাদের অনেক ভালোবাসে।

-কচু বাসে। সব ওই বুড়ীর ছলচাতুরী।

দাদী ওই দাদীর নামই শুনতে পারে না। পেখম ইরিনকে বলল,

-আপু তুমি দাদীর কথায় কান দিও না তো।

ইরিন পেখমের দিকে তাকিয়ে বলল,

-তোর প্যাকিং শেষ?

-হুম। তুমি দাঁড়াও আমি রুম থেকে ব্যাগ নিয়ে আসছি।

পেখম বড় বড় দুইটা সুটকেস নিয়ে বেরিয়ে এলে গোলাপ জান তা দেখে চোখ কপালে তুলে বললেন,

-সারা জীবনের জন্য যাইতাছস নাকি? দুইটা ব্যাগ কার?

-আমার নিজেরই।

-এতকিছু কী লইছোস?

-তুমি বুঝবে না। এত প্রশ্ন কোরো না তো দাদী। আলাইয়া আলিশবা রেডি হয়নি এখনও?

ছোট চাচী তখনই আলাইয়া আলিশবাকে নিয়ে বেরিয়ে এসেছে। আলিশবাকে কাঁদতে দেখে ইরিন জানতে চাইল,

-ওর কী হয়েছে মামী? কাঁদছে কেন?

-দেখো না কী যন্ত্রণায় পড়েছি আমি। রাতে আমাকে ছাড়া ঘুমাতে পারে না। অথচ সে-ও নাকি তোমাদের সাথে যাবে।

পেখম বলল,

-তা যাক না। সমস্যা কী?

-সমস্যা কী জানো না? গতবারের কথা মনে নেই? রাত তিনটার সময় তাওয়াফকে ওকে নিয়ে আসতে হয়েছে। এইবার গেলেও আগের বারের মতোই হবে।

আলিশবার কান্না বেড়েই চলছে। এই মেয়ে এত জোরে কাঁদে কানের পোকা নাড়িয়ে ফেলে। ইরিন বলল,

-এবারও তাওয়াফ ভাই ওকে নিয়ে আসবে। তুমি ওকে যেতে দাও তো। পাঁচটা না দশটা না আমরা চারটা মাত্র বোন। বোনদের জন্য একটু কষ্ট করতেই পারবে।

গতবারের কথা উঠতে পেখমের এটাও মনে পড়ল সেবার তাওয়াফ ভাই শুধু একা আসেনি। তাকেও সাথে আসতে হয়েছিল। গতবারের ঘটনা পেখমের চোখের সামনে ভাসতে লাগল।

রাত তিন টায় ঘুম ভাঙিয়ে তাকে বলা হলো,

-পুনম, আলিশবা ভীষণ কাঁদছে। কারো কাছেই শান্ত হচ্ছে না।

ঘুমের ঘোরে পেখম প্রথম নিজের নামটাই চিনতে পারছিল না। এবাড়িতে তাকে পুনম ডাকা হয় সেটা ভুলেই গিয়েছিল। শুধু বাড়ি ভাগাভাগি হয়নি তার নামটাও ভাগাভাগি হয়েছে। ঘুমঘুম চোখে বড়মার দিকে তাকিয়ে বলল,

-কী বলছো বড়মা?

-আলিশবা কেঁদেকেটে অস্থির হয়ে পড়েছে। ওকে বাড়ি দিয়ে আসতে হবে।

আলিশবার কান্নার শব্দ এবার তার কানেও এসেছে। পেখম ওড়না খুঁজে গায়ে দিয়ে তাড়াহুড়ো করে ঘর থেকে বেরিয়ে এলো। ঘুম ভাঙার পর আলিশবা এবাড়ির কাউকেই চিনছে না। একমাত্র পেখমকেই চিনেছে। পেখমকে দেখেই সে বড়মার কোল থেকে ঝাঁপিয়ে তার কাছে চলে এলো।

বাচ্চাটা কাঁদতে কাঁদতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। পেখম আদর মাখানো গলায় বলল,

-আমার আলিশবুর কী হয়েছে? কেন কাঁদছিস পাখি?

বাচ্চা মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে শ্বাসও নিতে পারছে না। ফোঁপাতে ফোঁপাতে বোনকে বলল,

-আ,,আ আম্মু যাব আপি। আম্মু যাব।

রাত মাত্র তিনটা বাজে। সকাল হতে এখনও কয়েকঘন্টা বাকি। কিন্তু আলিশবার যে অবস্থা এই দুই তিন ঘন্টাও ওকে সামলানো যাবে না। চাচীরাও জানাল, সকাল হওয়ার অপেক্ষা না করে ওকে এখনই দিয়ে এলে ভালো হবে। বাচ্চা মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। কিন্তু কথা হলো এই রাতে কে ওকে দিয়ে আসতে যাবে? মেজমা বলল,

-ওর চাচারা কেউ যাবে না। ওদের এখন ডাকতে গেলেই ধমক খেতে হবে।

এপর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু বড়মা যখন বলল,

-ঠিক আছে। আমি তাওয়াফকে বলে দেখি।

তাওয়াফ ভাইয়ের সাথে তাকে যেতে হবে শুনেই পেখমের গলা শুকাতে শুরু করল। ওই হিটলার মির্জার সামনে এক মিনিট থাকলেও দম বন্ধ করে থাকতে হয়। যেন তার নিঃশ্বাস ফেলার শব্দে বিরক্ত হয়ে থমক দিয়ে না বসে। সাথে সাথে সে বলে উঠল,

-না না। তাওয়াফ ভাই না।

তার কথা শুনে সকলে কপাল কুঁচকে তাকাল। পেখম তাওয়াফকে ভয় পায় এটা সবারই জানা। কিন্তু এখন তো এছাড়া কোন উপায়ও নেই।

-তাওয়াফ না তাহলে কে?

পেখম চট করে বলে উঠল,

-ইমান। ইমানকে যেতে বলো।

-ইমান কি গাড়ি চালাতে পারে?

সেটাও কথা। বড়দের মধ্যে একমাত্র তাওয়াফ ভাই-ই বাড়িতে আছে। ইলহাম ভাই তো কানাডায়। ইমানের সাথেও যাওয়া যেত। কিন্তু ও তো গাড়ি চালাতে জানে না।

-তাহলে আকৃতি আপু বা দৃষ্টিকে সাথে যেতে বলো। আমি না।

-আলিশবা তোকে ছাড়া ওদের সাথে যাবে?

এটাও কথা। আলিশবা তো তাকে ছাড়া কারো কাছেই যাচ্ছে না। কেউ নিতে চাইলেই চিৎকার করছে। বড়মা ছেলেকে ডাকতে যাচ্ছেন। পেখম করুণ চোখে দেখছে।

দু'বারের বেশি ডাকতে হলো না। তাওয়াফ দরজা খুলে দিয়েছে। চোখ থেকে ঘুম তখনও পুরোপুরি কাটেনি। তাওয়াফের ঘুমের সমস্যা আছে এটা তাহমিনা ভালো করেই জানেন। ছেলের ঘুম ভাঙানোর জন্যে তার অনুশোচনা হলেও কিছু করার নেই। এত রাতে ঘুম ভাঙানোর জন্য তাওয়াফের চেহারায় সামান্য রাগ বা বিরক্তির লেশমাত্র দেখা গেল না। মা'কে দেখে ঘুম জড়ানো গলায় জিজ্ঞেস করল,

-কিছু হয়েছে?

-আলিশবা কাঁদছে। ওকে একটু বাড়ি দিয়ে আয় না।

তাওয়াফ আর কোন প্রশ্ন করল না। রুমের ভেতর থেকে গাড়ির চাবি নিয়ে এলো। ড্রয়িংরুমে আসতে আসতে ঘুম পুরোপুরি কেটে গেছে। সদ্য ঘুম থেকে উঠা অগোছালো এলোমেলো চুলের তাওয়াফ ভাইয়ের দিকে একবার তাকিয়েই পেখম চোখ সরিয়ে নিল।

আলিশবাকে কোলে নিয়ে পেখম পেছনে বসতে যাচ্ছিল। তখনই খসখসে গলায় তাওয়াফ ভাই ধমকের সুরে বলে উঠল,

-আমাকে কি তোর পার্সোনাল ড্রাইভার মনে করেছিস? সামনে এসে বোস।

ধমক খেয়ে পেখম আর পেছনে বসার সাহস করল না। আলিশবাকে কোলে নিয়ে কাটকাট হয়ে তাওয়াফ ভাইয়ের পাশে বসে রইল। আলিশবা বারবার আম্মু যাওয়ার কথা বলছে। পেখম যতটা সম্ভব নিচু গলায় আলিশবাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছে,

-আম্মু যাচ্ছি তো আলিশবু। এক্ষুনি আম্মু চলে যাব।

পুরো পথে হিটলার মির্জা মুখ দিয়ে একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি। চোখের দৃষ্টি সামনের রাস্তায় রেখে রোবটের মতো গাড়ি চালিয়ে গেছে। আসার সময় যা-ও আলিশবা সাথে ছিল। কিন্তু যাওয়ার সময় একা একা তাওয়াফ ভাইয়ের পাশে বসে যেতে মনে হচ্ছিল, জনমানবশূন্য কোন একটা দ্বীপে তাকে একা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দূর দূরান্ত পর্যন্ত কোন মানুষের বসবাস নেই। শুধু নীরবতা আর শূন্যতা।

চলবে

পর্ব -১

#তুমি_আসবে_বলে_বসন্ত_এসেছে

Jerin Akter Nipa

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন