ফন্ট সাইজ:
থিম:
তুমি আসবে বলে বসন্ত এসেছে

৩৬তম পর্ব

লেখক: জেরিন আক্তার নিপা

#তুমি_আসবে_বলে_বসন্ত_এসেছে '৩৬'

#জেরিন_আক্তার_নিপা

পেখম মাকে নিয়ে কিছুতেই এবাড়িতে থাকবে না। জেসমিনও আর এখানে থাকতে চায় না। বড়মা, ছোট চাচী, দাদী সবাই মিলে বুঝিয়েও কোন লাভ হলো না। পেখমের এক কথা, সে বাবার মুখ দেখতে চায় না। তাই মাকে নিয়ে চলে যাবে। গোলাপ জান বললেন,

-তোর মাকে নিয়ে কোথায় যাবি তুই?

-যেখানেই যাই কিন্তু এবাড়িতে আর থাকব না।

-কেন থাকবি না? এটা তোর বাড়ি না?

পেখম তাচ্ছিল্য করে হেসে বলল,

-আমার বাপই আমার না। এই বাড়ি কী করে আমার হবে?

বাবার চোখের সামনে দিয়ে পেখম মাকে নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। পল্লব মির্জা মেয়েকে আটকাতে পারলেন না। মেয়ে চলে যাওয়ার পরই সে ভাঙচুর শুরু করে দিল। কেউ তাকে থামাতে পারছে না। আজ যেন সব ধ্বংস করে দিবেন তিনি।

****

তাওয়াফ আজ অফিসে কোন কাজে মন লাগাতে পারেনি। সকালে পেখমকে কলেজে নামিয়ে আসার পথে অনাকাঙ্ক্ষিত একটা ঘটনা ঘটে গেছে। পেখম সরাসরি জিজ্ঞেস করে ফেলবে তাওয়াফ তা ভাবেনি। সে স্বীকার করেছে তার পছন্দের মানুষ আছে। কিন্তু বোকা মেয়েটা তো বুঝবে না তার পছন্দের মানুষ কে। পেখম নিশ্চয় নিজের মতো করে অনেককিছু ভেবে নিচ্ছে। তাওয়াফ ঠিক করেছে আজও সে ছোট দাদীদের ওখানে যাবে। আজ আর কোন লুকোচুরি নয়। পেখমকে জানিয়ে দিবে পেখমই যে তার পছন্দের মানুষ। এবং পেখমকে সে ভালোবাসে এটাও জানাবে।

নিজেকে দিয়ে জোর করে অফিসের কাজগুলো করিয়ে নিয়ে তাওয়াফ সন্ধ্যায় ছোট দাদীদের বাড়িতে ফিরছে। রাস্তায় জ্যামে আটকা পড়ে অনেকক্ষণ বসে ছিল। জ্যাম ছুটলে আবার গাড়ি চলতে শুরু করল। তাওয়াফের ফোন রিং হচ্ছে। দাদীর কল। সে কল তুলল।

-বলো দাদী।

-কোথায় তুই? যেখানেই থাকিস এক্ষুনি বাড়ি আয়।

-কিছু কি হয়েছে দাদী?

-তুই বাড়ি আয়। এলেই দেখতে পারবি কী হয়েছে।

কী আর করার? দাদীর আদেশ অমান্য করার সাধ্য তার নেই। তাই ছোট দাদীদের ওখানে আজ আর যাওয়া হলো না। মাঝ রাস্তা থেকে কার ব্যাক করে নিল।

তাওয়াফ যদি জানত দাদী এই কারণে তাকে ডেকেছে তাহলে সে আসতই না। দাদীর মাথায় আবার তার বিয়ের ভূত চেপেছে। নূর জাহান নাতির সামনে অনেকগুলো মেয়ের ছবি রেখে বললেন,

-তোর রংঢং অনেক দেখেছি। মেয়ে পছন্দ করারও অনেক সময় দিয়েছি। কিন্তু তুই ব্যর্থ। তাই এবার আমার পছন্দের মেয়েদের থেকেই বিয়ে করতে হবে। এদের থেকে যেকোনো একজনকে পছন্দ কর। আমি তার সাথেই তোর বিয়ে দিব।

তাওয়াফ ঘরেও যেতে পারল না। দাদী তাকে মেয়েদের ছবি দেখাতে বসিয়ে দিয়েছে। কোর্ট খুলতে খুলতে তাওয়াফ বলল,

-কাল আমাকে সিলেট যেতে হবে দাদী।

-যা। না করেছে কে? আমি কি বলেছি কালই তোর বিয়ে দিব? আজ মেয়ে পছন্দ করে কাল মন চায় বিদেশ চলে যা। ওখান থেকে ফিরলে তারপরই মেয়ে দেখতে যাব।

নূর জাহান মনে মনে চাইতেন পেখমকে এই নাতির বউ করে আনবেন। কিন্তু নাতির সেরকম ইচ্ছে নেই দেখে নিজের ইচ্ছে ত্যাগ দিয়েছেন। ঘরে মেয়ে থাকতেও বাইরে পাত্রী খুঁজতে হচ্ছে।

-ছবি দেখ।

-ছবিগুলো নিয়ে যাচ্ছি। রুমে গিয়ে দেখি?

-না। এখানে বসে আমার সামনে দেখ। আর একেকজনকে রিজেক্ট করার জন্য যথেষ্ট কারণও দেখাতে হবে।

তাওয়াফ আশেপাশে মাকে খুঁজছে। মা এলেও তাকে দাদীর হাত থেকে বাঁচিয়ে নিতে পারত।

-দেখা শুরু কর।

দাদী এমনভাবে চেপে ধরেছে যে তাওয়াফের ছবি দেখা ছাড়া আর কোন উপায় রইল না। মেয়েদের ছবি দেখে রিজেক্ট করা তাওয়াফের ব্যক্তিত্বের সাথে যায় না। সে কাউকে রিজেক্ট করার কে? সে নিজেই মেয়েগুলোর যোগ্য না-ও হতে পারে। তাই তাওয়াফ বলল,

-দাদী আমাকে এতগুলো দিন সময় দিয়েছ। আর কয়েকটা দিন সময় দাও। সিলেট থেকে ফিরেই আমি তোমার নাতবউ এনে দেব।

নূর জাহান এই কথা শুনতে চাননি। তার মন বলছিল তাওয়াফ সবগুলো মেয়েকে রিজেক্ট করে দিবে। তখন তিনি বলবেন, তুই যখন পছন্দ করতে পারছিস না তাহলে এখন আমার পছন্দের মেয়েকেই বিয়ে করতে হবে। কিন্তু নাতি তো নাতবউ এনে দেওয়ার কথা বলছে। নূর জাহান মনে মনে বললেন,

-পুনমটাকে কোনভাবেই কি নাতিটার সাথে বেঁধে দিতে পারব না!

***

কত বছর পর মামার বাড়িতে এসেছে পেখমের নিজেরও মনে নেই। মামা তাদের দেখে অনেক বেশি খুশি হয়েছে। জেসমিন অবশ্য প্রথমেই জানায়নি তারা কেন এসেছে। তবে মামী হয়তো কিছু আন্দাজ করতে পেরেছে। কারণ ভাইয়ের বাড়িতে এলে জেসমিন কখনও খালি হাতে আসে না। ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের জন্য অনেককিছু নিয়ে আসে। আজ ওদের জন্য তো কিছু আনেইনি, নিজেদের ব্যাগপত্রও সাথে নেই। তবুও মামী তাদের কিছুই বলল না। মা'র সাথে ঘরে এসে বাবার কথা মনে পড়লে পেখম আবার কাঁদতে শুরু করল। জেসমিন দীর্ঘ শ্বাস ফেলে মেয়েকে দেখছে। বাবাই মেয়েটার পৃথিবী ছিল। হঠাৎ সেই পৃথিবী মিথ্যা হয়ে গেলে কষ্ট তো পাবেই।

দুইটা দিন সময় নিয়ে মেয়েকে এবং নিজেকে ধাতস্থ করে জেসমিন ভাইকে এখানে আসার কারণ জানাল। তারা কেন এসেছে এই কথা শুনে মামীর ব্যবহারই যেন বদলে গেল। মামা অবশ্য বলেছে,

-তুই কোন চিন্তাই করিস না। তোর ভাই এখনও মরেনি। আমি বেঁচে থাকতেও আমার ভাগ্নীকে নিয়ে কোন সাহসে তুই পথে পথে ঘুরবি? তোর কি বাড়িঘর নেই? তোর ভাই ধনী না হতে পারে কিন্তু এক বোন আর ভাগ্নীকে খাওয়ানোর মতো সামর্থ্য আল্লাহ দিয়েছেন।

তারা এখন থেকে এখানেই থাকবে আশঙ্কা করে দুই মামাতো ভাইবোনও আড়ালে পেখমকে নানান কথা শোনাতে লাগল। মামাতো বোন মুখ বাঁকিয়ে বলল,

-বড়লোক মানুষ কি আমাদের বাড়িতে থাকতে পারবে? এতদিন তো মামা মামীদের কথা মনেও ছিল না।

পেখম বুঝতে পারছে না ওরা কেন তার সাথে এমন করছে। সে তো বলেনি ওরা একেবারের জন্য এখানে থাকতে চলে এসেছে। মামীও মাকে অনেক কিছু বলেছে যা পেখম আড়ালে দাঁড়িয়ে শুনে ফেলেছে।

-স্বামী স্ত্রীর মাঝে একটুআধটু মনোমালিন্য হতেই পারে। আমাদের সংসারে কি ঝামেলা হয় না? তাই বলে আমি কি ছেলেমেয়ে নিয়ে ভাইয়ের বাড়ি গিয়ে উঠি? তোমারও তো কোন আক্কেল জ্ঞান নেই। নিজের ভাইয়ের অবস্থা জানো তো! আমাদের সংসারই কোনরকম টেনেটুনে চলে। তার উপর তুমি আবার তোমার মেয়েকে নিয়ে আমাদের ঘাড়ে এসে বসেছ।

*****

ব্যবসার কাজে দুই দিন সিলেট ট্যুরের পর ঢাকা ফিরে তাওয়াফ নিজের বাড়িতে না গিয়ে সোজা ছোট দাদীদের ওখানে গেল। সেদিনই পেখমকে জানিয়ে দিত সে অন্য আর কাউকে না পেখমকে পছন্দ করে। এই কথা জেনে মেয়েটা কেমন রিয়েক্ট করবে তাওয়াফ জানে না। কিন্তু সে আর মনের কথা চেপে রাখতে পারবে না।

তাওয়াফ অধীর হয়ে কলিংবেল চাপছে। ভেবেছিল বরাবরের মতো আজও পেখমই দরজা খুলবে। কিন্তু আজ পেখম দরজা খুলল না। বড়ো চাচী দরজা খুলে তাওয়াফকে দেখে শুকনো মুখে হাসল। তাওয়াফ ভেতরে এসে পেখমকে খুঁজছে। নাজমা বলল,

-তুই ঘরে যা। আমি তোর জন্য কফি বানিয়ে আনছি।

-তোমাকে কষ্ট করতে হবে না। পেখমকে বানিয়ে আনতে বলো।

নাজমা ছোট্ট একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল,

-পেখম বাড়িতে নেই।

তাওয়াফের কপালে ভাঁজ পড়ল। বাড়িতে নেই!

-কোথায় গেছে?

নাজমা তাওয়াফের থেকে কোনকিছুই লুকাল না। প্রথম থেকে সবটা জানাল। যে সত্য তাওয়াফ গোপন রেখেছিল তা নিজে নিজেই প্রকাশ পেয়ে গেছে। এবং সে যেরকমটা ভেবেছিল তেমনই হয়েছে। তাওয়াফ জিজ্ঞেস করল,

-মেজো চাচীর বাবার বাড়ি কোথায়? আমাকে ঠিকানাটা দিতে পারবে?

*****

বাড়ির বাইরে পা রাখার পর পেখম বুঝতে পারছে পৃথিবী কতটা কঠিন জায়গা। এখানে কেউ কারো হয় না। সবাই নিজের স্বার্থটাই বুঝে। রাতে মা মেয়ে কেউই খায়নি। পেখম এমনিতে ক্ষিধে সহ্য করতে পারত না। কিন্তু এখানে আসার পর থেকে তার ক্ষিধে পাচ্ছে না। মামা জোড়াজুড়ি করলেও খেতে ইচ্ছে করেনি। মা'র সাথে ঘেঁষে শুয়ে পেখম বুজে আসা গলায় বলল,

-মা চলো কাল আমরা এখান থেকে চলে যাই।

জেসমিন মেয়েকে জড়িয়ে ধরে দীর্ঘশ্বাস চেপে বলল,

-কোথায় যাব রে মা? তোর মামা ছাড়া পৃথিবীতে আমাদের আর কেউ নেই।

পেখমের কান্না পাচ্ছে। তাদের এখানে থাকা নিয়ে মামী, মামীর ছেলেমেয়ে কেউ খুশি না। অথচ মামার বাড়ি ছাড়া তাদের যাওয়ার কোন জায়গাও নেই। তাদের এতটা অসহায় করে দেওয়ার জন্য বাবার প্রতি তার ঘৃণা আরও বাড়ল। মনে মনে বলল,

-পাপাকে আমি কোনদিনও ক্ষমা করব না। কোনদিন পাপার মুখও দেখব না।

তিন ঘন্টা ড্রাইভ করে তাওয়াফ বড়ো চাচীর দেওয়া ঠিকানায় এসে পৌঁছেছে। এতটা পথ সে কীভাবে এসেছে এটা সে নিজেও জানে না। স্পিড ফুল দিয়েও পথ শেষ হচ্ছিল না। এগারোটা নিশ্চয় খুব বেশি রাত না। পেখম হয়তো এখনও জেগে আছে। অচেনা জায়গায় পেখম ঘুমাতে পারবে না এটাই স্বাভাবিক। পেখমের কথা ভেবে তাওয়াফের বুকের ভেতর অদ্ভুত একধরনের কষ্ট হচ্ছে। মেয়েটা না জানি কোন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে।

মামা মামী ঘুমিয়ে পড়েছিল। দরজায় শব্দ গেলেও পেখম উঠল না। নয়টায় শুয়ে পড়েছে। দুই ঘন্টা শুয়ে থেকে এখন এগারোটা বাজলেও তার কাছে গভীর রাত মনে হচ্ছে। অচেনা জায়গা। এত রাতে কে এসেছে? পেখম মা'কে শক্ত করে ধরে চোখ বন্ধ করে পড়ে রইল।

মামী মামাকে ডেকে তুলেছে।

-এই। শুনছো। দরজায় যেন কে ডাকছে। দেখে আসো।

ঘুমঘুম চোখে মামা দরজা খুলে দিয়ে তাওয়াফকে দেখে জিজ্ঞেস করল,

-কে ভাই তুমি? কাকে চাও?

তাওয়াফ লোকটার মুখের দিকে তাকাল। শীতল কন্ঠে বলল,

-আমি তাওয়াফ মির্জা। আমার চাচীরা এখানে আছে?

মির্জা উপাধিটা শুনে বুঝতে বাকি থাকল না এটা কোন বাড়ির ছেলে। চাচীর খুঁজে এসেছে শুনে মামী কঠিন ভাষায় তাওয়াফকে অনেককিছু বলতে লাগল। তবে তাওয়াফ কোন কথারই প্রতিবাদ করল না।

-তোমার চাচা কেমন মানুষ? বউকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়! তুমি আবার মাঝরাতে চাচার হয়ে সাফাই গাইতে এসেছ।

তাওয়াফ পেখমের মামীকে অদেখা করে মামাকে বলল,

-ওরা এখানে থাকলে ডেকে দিন। আমি ওদের নিতে এসেছি।

মামা বোন ভাগ্নীকে কিছুতেই ওবাড়িতে ফেরত পাঠাবে না। উল্টো তাওয়াফকে চলে যেতে বলল।

-তুমি ভাবলে কী করে তুমি নিতে এলেই আমি আমার বোন ভাগ্নীকে নিয়ে যেতে দিব? তোমার চাচা একটা নিকৃষ্ট মানুষ। আমি আমার বোনকে ওই কুত্তার ভাত খাওয়াব না।

এত কথার মাঝেও তাওয়াফ শান্ত। তবে তার চোখ জোড়া পেখমকে দেখার জন্য তৃষ্ণার্ত হয়ে আছে। পেখমের মামীর স্বামীর উপর রাগ হচ্ছে। ছেলেটা ওদের নিতে এসেছে। নিয়ে চলে যাক। ওদের ঝামেলা ওরা টানুক। তাদের ঘাড় থেকে বালা বিদায় হোক।

-তুমি এসেছ কিন্তু আমি তোমার সাথে আমার বোন ভাগ্নীকে দিব না। তোমার চাচাকে গিয়ে বলে দিও ওরে আমি জেলের ভাত খাওয়াবো।

তাওয়াফ শান্ত গলায় বলল,

-আপনার সিদ্ধান্তকে আমি সম্মান জানাচ্ছি। আপনি চাইলে আমার চাচাকে জেলের ভাত খাওয়াতেই পারেন। কিন্তু তার আগে একবার চাচী আর পেখমকে ডেকে দিন।

-ওদের কেন ডাকব? ওদের হয়ে আমি কথা বলছি এটা কি যথেষ্ট না?

-যথেষ্ট না।

তাওয়াফের ব্যক্তিত্বই হয়তো এমন। পেখমের মামা ওর সাথে বাড়াবাড়ি করার সাহস পেলেন না। তিনি বোনকে ডাকতে গেলেন। পেখম আন্দাজ করতে পেরেছিল বাইরে কেউ এসে ঝামেলা করছে। মা তাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে তাই সে উঠে যায়নি। কিন্তু এখন মামা এসে ডাকলে সে-ই সাড়া দিল।

-পেখম মা ঘুমিয়ে পড়েছ?

-না মামা।

-তোমাদের বাড়ি থেকে কেউ একজন এসেছে।

বাড়ি থেকে এসেছে! কে? বাবা! পেখমের মাথায় দপ করে আগুন জ্বলে উঠল। ওই বিশ্বাসঘাতক লোক এখানে কেন এসেছে? পেখম উঠল না। ওই লোকের মুখও দেখতে চায় না সে।

-মামা তুমি উনাকে চলে যেতে বলো।

-বলেছি। কিন্তু ওই ছেলে কিছুতেই যাবে না। জেদ ধরে তোমাদের ডাকার কথা বলছে।

পেখমের কপালে ভাঁজ পড়ল। ছেলে! কে হতে পারে?

-কে এসেছে মামা?

-নামটা যেন কী বলেছিল। উম, তাওয়াফই বলেছিল মনে হয়।

চলবে

পাঠক কমেন্ট করবেন। আর আমার লেখা চারটা ই-বুক পড়েছেন তো?

প্রিয়তী

https://link.boitoi.com.bd/fbKq

মেঘে রোদে কাছাকাছি

https://link.boitoi.com.bd/BHed

সুখপাখি

https://link.boitoi.com.bd/TfUq

পথে হলো দেখা

https://link.boitoi.com.bd/CYTN

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩৬তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন