#My_Husband
#লেখনীতে_সামহা_সামি
পর্ব ৮
🚫❌🔞এলার্ট) প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অতিরিক্ত রোমান্টিক গল্প পড়তে না চাইলে স্কিপ।
" ভয় পাচ্ছো কেনো পাখি '
কিছুক্ষণ আগে রনির কিছু লোকরা আনেয়া কে জোর করে সাজিয়ে সুন্দর দেখে একটা গাউন পড়িয়ে দিয়ে গেছে গাউন টা বেশি লম্বা নয় ছোট হাঁটুর উপরে আর বুক প্রজন্ত, রনির কথায় আনেয়ার ভয়ের মাত্রা আরো ভারতে থাকে, রনি এগোচ্ছে তো আনেয়া পিচাচ্ছে আনেয়ার পিছানো দেখে রনি জোরে হেসে উঠে বলে।
" পিচাচ্ছো কেনো পাখি আমাকে তোমার করে নিবে না কাম পাখি।
বলে গাঁয়ের মেরুন রঙের সার্ট দিরে দিরে খুলতে থাকে , প্লেন থেকে বেরিয়ে চার-পাশ পর্যবেক্ষণ করে প্রহেল কিছু একটা ইশারা করতে রিহান, তাঁদের পিছনে আসা বডি গার্ডদের বলে।
.................
বন্দুক নিচে কোন শব্দ হবে না সিগনাল পেলে সুট করে দিবে মনে রাখবে মেমের যাতে কিছু না হয় ওকে,
কথা শেষ করে প্রহেল কে নিজেদের প্লেন মোতাবেক কাজ করতে থাকে, রিহান ও সাগর প্রহেলের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস আউটরুপ মিশন এই সব কাজেই তাদের নিজের সাথে নেয় প্রহেল, ছোট ছোট পা পেলে খুব দির সাবধানে এক'পা দু পা করে সামনে এগোচ্ছে, রিহান, সাগর প্রহেল, তিন জন নিজেদের সাথে কিছু গার্ড নিয়ে ভাগ ভাগ হয়ে যায়, প্রহেল কিছু টা সামনে যেতে কিছু লোকের কথপোকথন কানে ভেসে আসে।
Pk এর বউয়ের ফিগার দেখলে মাথায় নেশা চরে বসে,
লোকটির কথা শুনে প্রহেল দাঁতে দাঁত চেপে কটমট দৃষ্টি নিক্ষেপ করে যেনো এই চোখ দিয়েই বর্ষ করে দিতে , হাতে রাখা বন্দুকের ট্রিগারে চেপে সামনে বসে থাকা দুইজন লোকের বক্ষ যুগল বড়া বড় দক্ষ হাতে সুট করে, লোক গুলো চিৎকার করার আগে পিছন থেকে প্রহেলের গার্ডরা মুখ চেপে টেনে'হিচরে নিয়ে যায়, হঠাৎ করে নাজমা বেগম কেমন অস্থির অস্থির লাগছে মেয়েটার কথা মনে পড়ছে, সকালে আনেয়ার মিমো বিড়াল টার কথা মনে পড়তে গার্ড দিয়ে বিড়াল নিয়ে গেছে, প্রহেলের নাম্বারে কল দিচ্ছে অপাশ থেকে
বার বার একি কন্ঠ শুর ভেসে আসে।
আপনার কলটি এই মুহূর্তে সংযোগ প্রদান করা সম্ভব নয়।
হয় তো মায়ের মন দেখে সন্তানের বিপদের আশঙ্কা বুঝতে পারছে, রনি আনেয়ার এক'পা টেনে নিজের কাছে এনে ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয়,
,উম, উম
শব্দ করে এক হাতে রনি কে নিজের থেকে ছাড়াতে রনির বুকে পিঠে নিজের দাঁড়ালো নক বসিয়ে দেয়, এতো রনি কে সড়াতে সক্ষম না হয়ে জমজম করে চোখের পানি ছেঁড়ে দেয়, বাহিড়ে তীব্র গুলা গুলির আওয়াজে রনির দেহন কিছু টা সড়তে আনেয়া নিজের হাঁটু দিয়ে রনির নু*নুতে লাথি মেরে বসে, ছিটকে দু কদম পিছিয়ে নু*নুতে হাত দিয়ে ব্যাথায় ছটফট করতে থাকে রনি, নিজেকে মুক্ত করে পাশ থেকে একটা অয়েনের বোতলের মুখ ভেঙ্গে সামনে দাক করে বলে।
" ছুবি না আমায় মেড়ে দিবো।
রনি এতোক্ষণ ঠিক থাকলেও আনেয়ার পাল্টা আঘাত করায় তেতে উঠে, রাগে উঠে এসে আনেয়ার ডান গালে,
ঠাস, ঠাস,
করে দুটো থাপ্পড় মেরে দেয়, তাল সামলাতে না পেরে ছিটকে নিচে পড়ে ঠোঁটে নিচের অংশ কিছু টা ছিলে যায়।
, আহ্ '
ব্যাথা পেয়ে মুখ থেকে বেড়িয়ে আসে না চাইতেও, রনি আবারো তেতে কাছে আসবে ঠিক সেই সময় একপা বাড়তে পিছন থেকে কেউ রনির পায়ে সুট করে দেয়, রনি কিছু বুঝে ওঠার আগে প্রহেল নরখাদকের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে রনির নাক মুখ ফেটে রক্ত পড়ছে প্রহেল হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে রনির গলা চেপে ধরে রাগান্বিত কন্ঠে বলে।
" কি করেছিস তুই আমার ফ্লাওয়ারের সাথে।
প্রহেলের কথায় ঠোঁটের কোণ থেকে গড়িয়ে পড়া রক্তের বিন্দু কণা তর্জনী আঙ্গুল দিয়ে মুছে, রনি বলে।
_ ' বেশি কিছু করিনি শুধু তুর বউয়ের এই কোমল পানীয় পান করা ঠোঁট দুটু নিজের ঠোঁটে চেপে ধরেছি?
মুহুর্তের মাঝে রক্ত'ব্রন ধারন করে প্রহেলের চোখ শক্ত চোখে আনেয়ার দিকে তাকিয়ে রনির মুখ বড়া বড় ফ্রান্স মেরে দেয়,দুই জনের হাতহা'হাতড়ির মাঝে ছুটে আসে রিহান, সাগর, প্রহেল কে এখন থামানো উচিত না হলে এই মুহূর্তে খুন করতেও দ্বিধাবোধ করবে না,
' বস বস আপনি শান্ত হন প্লিজ মেম ভয় পাচ্ছে।
সাগরের কথায় প্রহেলের হাতের মাঝে পৃষ্ঠ হওয়া রনি ঠোঁটের কোণে বাঁকা হাসি এনে বলে।
' তুই আমাকে মারতে পারবি না আমি যানি তো। বলেই প্রহেলের বুকে পড়ে থাকা কাঁচের টুকরো ঢুকিয়ে দেয়, গলগলি তাজা রক্ত দেখে পড়ে থাকা আনেয়া চিৎকার করে উঠে।
_________________
_ ' উনাকে আঘাত করবি না ছেঁড়ে দে শয়তান উনার কষ্ট হচ্ছে আমার ট্যাটুওয়ালার কষ্ট হচ্ছে।
বলেই আনেয়া নিচ থেকে উঠে প্রহেলকে ধরবে ঠিক শেই সময়, রনি প্রহেল কে নিজের থেকে ধাক্কা দিয়ে আনেয়ার দিকে হাত বাড়াতে প্রহেল চেঁচিয়ে উঠে।
" ডোন্ট টাচ রনি ছুঁবি না ওকে।
প্রহেল কে উত্তেজিত হতে দেখে রক্তচক্ষু নিয়ে এগিয়ে আসে রিহান রনি আনেয়াকে ছুয়ার আগে ধাক্কা দিয়ে দু কদম পিছিয়ে দেয়, কোন রকমে নিজেকে সামলিয়ে প্রহেলের আঘাতপ্রাপ্ত বুকে হামলে পড়ে, পারছে না প্রহেলের বুকের মাঝে নিজেকে মিশিয়ে দিতে, প্রহেল ক্লান্ত মাখা ঠোঁটে একটু হেসে নিজের বুকের মাঝে পড়ে থাকা তার ছোট ফ্লাওয়ার কে নিজের সাথে শক্ত করে জরিয়ে ধরে এলোমেলো হয়ে থাকা সুসখো চুলে চুমু খেতে বলে।
" আমি আছি তো ফ্লাওয়ার আমি থাকতে তোমার কিছু হবে না তুমি হিনা নিঃস্ব আমি।
বলেই আরো শক্ত করে নিজের সাথে ধরে, এতোক্ষণ প্রহেলের হাতে মার খেয়ে আর এখন রিহান, সাগরের হাতে মার খেয়ে রনির অবস্থা নাজেহাল, প্রহেল রনির দিকে তাকিয়ে বলে।
ফ্রাস্ট টাইম দেখে ছেঁড়ে দিলাম রনি নেক্সটাইম আমি ছেঁড়ে দিবো না মাইন্ড ইট ।
বলেই আনেয়াকে কোলে তুলে বাহিরে হাঁটা দেয়, আনেয়া অতিরিক্ত সরক্টে নিতে না পেরে ট্রমাতে চলে যায় দুই হাতে এখনো প্রহেলের কালো হুডি খামচে ধরে রেখেছে, রাত ২:৩০ , কক্সবাজারের নামি,দামি রিপোর্ট রুম বুকিং করছে প্রহেল রিসোর্টের ম্যানেজার থেকে রুমের চাবি নিয়ে লক খুলে আনেয়াকে আস্তে করে নরম বিছানায় শুইয়ে দেয় কপালে ভালোবাসার পরশ
দিয়ে বলে।
_' আমি আসছি জান একটু একা থাকো !
আনেয়া নাছুক শব্দে প্রহেলের কম্পিত হাত নিজের বুকের সাথে চেপে ধরে বলে।
" আপনি গেলে আর আসবেন না ওই লোকটা আবার আসবে আমাকে বাজে স্পর্শে ছুবে।
" হুঁশ কেউ আসবে না কেউ তোমাকে ছুবে না, যেই এই প্রহেলের প্রান কে ছুবে তাকে আমি শেই প্রথিবীর নিকৃষ্ট মৃত্যু উপহার দিয়ে মারবো।
বলেই আনেয়াকে কোন রকমে বুঝিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যায়, সমুদ্র পার বড়ো গাছের সাথে বেঁধে রেখেছে রনি কে, প্রহেল দাঁড়ালো ছুরি রনির গলায় চেপে দাঁতে দাঁত পিছলে বলে।
তুই আমার কোন এক সময় আপন কেউ ছিলি বলে আজ জানে বেঁচে গেলি নয় তো এই প্রহেলের জিনিসের উপর আরো বিন্দু মাত্র নজর রাখার সাহস কেও করে না।
- আজ তো শুধু এক রাতের জন্য চেয়েছি কিন্তু এখন আমার এক রাত নয় সব রাতে তোর প্রান কে চাই।
_ ব্যাপশা মা*গির ছেলে এই মুখ দিয়ে আর একবার আমার প্রানের কথা বলবি তো তুর মুখ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিবো।
চুয়াল শক্ত করে ফেলে প্রহেল শেষ বারের মতো হুশিয়ার করে চলে যায় ।
_ কোথায় গিয়েছিলেন আপনি -
রুমে ঢুকার সাথে সাথে আনেয়ার কথায় হকচকিয়ে যায় প্রহেল, নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে বলে।
বল্লাম তো জান কাজ ছিল একটু।
আনেয়া চোখ করে বলে।
_ ওও -:
প্রহেল ওয়াশ রুমে যাবে তখনি পিছন থেকে আনেয়া ডেকে উঠে।
_ কাছে আসেন -
আনেয়ার কথায় প্রহেল কপাল কুঁচকে তাকায় এই এখন বার কাছে ডাকছে কেনো।
_ বলো কি বলবে -
_ ' আমার আদর চাই।
প্রহেল নড়েচড়ে দাঁড়ায় এই মেয়ের কি মাথা গেছে আগে তো প্রহেল ধরলেই বলতো।
ছাড়েন ছাড়েন।
আর এখন কি-না নিজ থেকে ডাকছে নাছুক শব্দ করে প্রহেল বলে।
জান তুমি অসুস্থ আগে সুস্থ হয়ে নেও তখন আমি আদর করবো।
_ না আমার এখন আদর চাই মানে চাই।
বলেই আনেয়া বিছানা থেকে নামতে যাবে তখনি পায়ের ব্যাথায় মিতু শব্দ করে ওঠে।
আহ্ -
প্রহেল অস্থির হয়ে ছুটে এসে ধর্মকের শুরে বলে।
বিছানা থেকে নামতে মানা করেছি না আমি কথা কেন শুনো না।
প্রহেলের কথায় অগাররাজ্য করে আনেয়া প্রহেলের গলা জরিয়ে নেশালো কন্ঠে বলে।
আমার এখন এই মুহূর্তে আপনাকে চাই।
বলেই ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয় আনেয়ার সাঁড়া পেয়ে প্রহেল আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না নিজেও হাড়িয়ে যায় আনেয়ার মাঝে দিরে দিরে প্রহেলের হাতের স্পর্শ বাড়তে থাকে, আনেয়ার জামার চেইন টা খুলে দেয় চেপে ধরে ।
_ আহ্ -।
তুমি অসুস্থ জান বেশি গতি বাড়ালে ব্যাথা পাবে।
_ আপনি আপনার মত করে করেন।
প্রহেল আনেয়ার কথায় দু*ধ ছেঁড়ে আর একটু নিজের সাথে শক্ত করে নেয়।
_ আহ্ -
(চলবে)
#everyoneシ゚ #My_husband #লেখনীতে_সামহা_সামি