#My_husband
#লেখনীতে_সামহা_সামি
🚫❌১৮+ এলার্ট) প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অতিরিক্ত রোমান্টিক গল্প পড়তে না চাইলে স্কিপ করতে পারেন)
❌ হ্যাশট্যাগ ছাড়া কেউ কপি করবেন না ❌
পর্ব ৯
.........................
_ আমি বলছিলাম না ব্যাথা পাবে এখন চিল্লাচ্ছো কেন ।
- প্রহেলের কথায় আনেয়া ভ্রু কুঁচকে বলে।
_ আমি অসুস্থ না আমি ঠিক আছি-'
আনেয়া পুড়ো অগ্রাহ্য করে জোরে দিতে থাকে গলা থেকে নেমে নরম জায়গায় চাপ দিতে থাকে, এমন সময় কেউ দরজায় নক করে, প্রহেল নিচে পড়ে থাকা ড্রেস গুলো কোন'রকমে পড়ে আনেয়ার অর্ধনগ্ন শরীরে ব্ল্যাঙ্কেট দিয়ে মুড়িয়ে দেয়, দরজা খুলতে একজন স্টাফ কিছু খাবার নিয়ে আসে, প্রহেল রুমে আসার আগে রিসিপশনে খাবার পাঠানোর কথা বলে আসছে, স্টপটির হাতে ট্রেতে ধোঁয়া ওঠা গরম চুপ, দুধ, আঙ্গুর ফল দিয়ে একটা দ্রুধা'মিল্ক শেখ বাঁনানো, আনেয়া এই সময় স্টাফ দেখে বিরক্ত হয়ে মুখ বাঁকিয়ে উল্টে ঘুরে সুয়ে পড়ে প্রহেল রুমের দরজা লক করে হাতে থাকা খাবারের ট্রেটা ছোট টেবিলে রেখে আনেয়ার দিকে এগিয়ে এসে বলে,
_____'উঠ আগে কিছু খেয়ে নেও না হলে শরীরে জোর পাবে না _!
***************
আনেয়ার মেজাজ এমনিতেই বিগরে গেছে তার উপর আবার প্রহেলের অর্ধেক কাজ করে উঠে যাওয়া সব মিলিয়ে পুড়ো মেজাজ খারাপ হয়ে যায় খিট'খিটে গলায় বলে।
_ অসভ্য লোক আমি খাবো না আপনি একাই খান আমার আদর চাই।
বাঁকা হেঁসে আনেয়ার উপর থেকে ব্লাঙ্কেট সরিয়ে দিয়ে বিছানায় খালি গাঁয়ে বসিয়ে ঠোঁট কামড়ে ধরে বলে।
_আমি ফুলফিল আছি ছোট ফ্লাওয়ার খেয়ে একটু শক্তি সঞ্চয় করে নেও আজ জ্ঞান হাড়ালে চলবে না।
বলেই আনেয়ার মুখের কাছে এক চামচ চুপ ফুঁ দিয়ে ধরে, আনেয়া এক চামচ খেয়ে নাক মুখ শিট্রকে বলে।
_ছিঃ ইয়াক আমি এই সব খাবো না।
ভাগ্যকূল হয়ে জিজ্ঞেস করে প্রহেল।
_ তাহলে কি খাবে তুমি।
আনেয়া ঠোঁট কামড়ে নেশাময় তীক্ষ্ণ চাহনিতে একটু এগিয়ে এসে বলে।
_ আমি তো আজ আপনাকে খাবো -
প্রহেল হাতে ধরে রাখা চুপের বাটি টা পাশে ছোট টি টেবিলে রেখে আনেয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে বলে।
_- আমাকে খেলে তোমার খিদে মিটবে তবে তাই হোক।
বলেই আনেয়াকে বিছানায় শুয়ে পাশে রাখা, দু*ধ ও আঙ্গুর দিয়ে বানানো দ্রুধা'মিল্ক হাতে নিয়ে আনেয়ার উন্মুক্ত শরীরের উপর থেকে গলায় ঢেলে দেয় , প্রহেলের এহান কাজে আহাম্মক বনে যায় আনেয়া, অবাকের সুরে বলে।
_ এটা কি করছেন আপনি।
এটাই আজ তোমার স্পেশাল বাসর ড্রোস
প্রহেল আনেয়ার পেটের উপর পড়ে থাকা দ্রুধা'মিল্কটি খেতে থাকে , বুকের মাঝ থেকে গড়িয়ে গিয়ে ঢুকতে প্রহেল আনেয়ার চোখ থেকে চোখ সরিয়ে নেয় মুখে চেপে ধরে, রিসোর্টের ছাদে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রিহান ও সাগর, কফিতে চুমুক দিয়ে সাগর বলে।
_ মেয়ে মানুষ সব পাড়ে বুঝলি রিহান তাঁরা এমন কিছু নেই যা পাড়ে না।
'সাগরের কথায় রিহান কফির মগ টা ঘুড়িয়ে ধরে বলে?
তুর মনে হঠাৎ এই ধরনের প্রশ্ন কেনো।
সাগর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে।
_এই যে একজন মাফিয়া মানুষ এক ছোট মেয়ের প্রেমে পড়লো তাও অবুঝ একটা মেয়ে।
রিহান সাগরের কাদ জরিয়ে নিয়ে বলে।
সবার জন্য কাউকে না কাউকে আল্লাহ ঠিক করে রাখেন, যেখানে এই প্রহেল খানের দিকে কেউ তাকিয়ে কথা বলার সাহস রাখে না সেখানে কি-না একজন মাফিয়া তার বউয়ের অপহরণে কান্না করে।
হ্যাঁ প্রহেলের মতো গ্যাংস্টার রিটার্নস মানুষ ও কেঁদেছে তার ছোট ফ্লাওয়ারের জন্য ভালোবাসাহীন মানুষ সহযে কারো ভালোবাসা ফেলে তাকে ছাড়া নিঃশ্বাস নিতে পারে না, দিরে দিরে প্রহেলের হাতের বিচরণ আনেয়ার অঙ্গ পতঙ্গে স্পর্শ করতে থাকে, দু*ধ ছেঁড়ে আনেয়ার নীল হয়ে যাওয়া ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয় কমর চেপে নিজের আরো কাছে এনে বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ায় প্রহেলের ঠোঁট এখনো আনেয়ার ঠোঁটে সীমাবন্ত , রাতের আকাশে আজ হাজারো তারার মেলা, জোৎস্নার আলো সমুদ্রের পানিতে পড়তে,তা ঝলমল করে উঠে দূর'পান থেকে ভেসে আসছে সমুদ্রের পানির গর্জন চারো'পাশ থেকে জোনাকি পোকার পিনপিনে শব্দ, সব মিলিয়ে প্ররিবেশ টা আজ অন্যরকম রোমাঞ্চিত বলা যায় , প্রহেল আনেয়াকে খুলা বারান্দায় এনে দাঁড় করিয়ে দেয় যার ধরুন গালি শরীরে জোৎস্নার আলো পড়তে আরো আবেদনময় করে তুলছে, আনেয়া লজ্জা মিশ্রিত একটা ঢুক গিলে প্রহেলের দিকে তাকায়, প্রহেল ঠোঁট বাঁকা করে আকর্ষনীময় দৃষ্টিতে বলে।
_ ইউ আর রেডি জান আমি কিন্তু রেডি পাশা খেলার জন্য।
আনেয়া জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে বলে তুতলি বলে।
__ " ক-কিসের পাশা খেলা ,
_ তুমি চিনবে না আমি তোমাকে চিনিয়ে দিচ্ছি।
***************
আনেয়া চোখ বড়ো বড়ো করে বলে।
.................
_ পাশা মানে কি,
প্রহেল বুকে আড়া'আড়ি করে হাত বাচ করে বলে।
_কাছে আসো দেখিয়ে দিচ্ছি-
_' না আপনি দূর থেকে বলেন !
_ ' গরম হয়ে যাচ্ছি জান' কাছে আসো।
****************"
_- বলেই আনেয়ার ডান হাত ঠান মেরে নিজের উপরে ফেলে এক হাতে প্রেনটের বেইল খুলে আনেয়ার দুই হাত নিজের বলিষ্ঠ হাত দিয়ে ধরে বাঁধতে বাঁধতে কানের কাছে স্লো ভয়জে গেয়ে উঠে।
_ আজ পাশা খেলবো রে শ্যাম,
_ আজ পাশা খেলবো রে শ্যাম।
বলেই আনেয়াকে কাঁচের দেয়ালের সাথে চেপে ধরে গলায় কিস করতে করতে নিচের দিকে নেমে হাতের বাঁধন আরো শক্ত করে চেপে ধরে ,আনেয়ার ঠোঁট চাপ দিয়ে ধরে, ।
আনেয়া চোখ বেঁয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে ব্যাথায়, প্রহেল দু*ধ আঙ্গুর মিশ্রনের বানানো দ্রুধা'মিল্ক , লাগিয়ে আনেয়ার উদ্দেশ্য বলে।
_ ছোট ফ্লাওয়ার খেয়ে নে মজা পাবি, ।
আনেয়া দু হাতে খামচে ধরে আছে , তাঁর চোখে মুখে কেমন নেশালো দৃষ্টি হতে দেখে প্রহেল আরো নিজের ভালোবাসা দিতে থাকে নিচ থেকে উপরে উঠে আনেয়ার উপর নিজের সব ভার ছেড়ে দেয়
_ আহ্ -
আর একটু সোহয্য করে নেও মাই লেডি,তুমার ফিলিংস আসছে।
বলেই একটু একটু করে ঢুকাতে থাকে এখনো আনেয়ার ওই জায়গাটা বেশি বড়ো না হওয়ায় এখনো প্রহেল নু*নু ঢুকাতে গেলে সুবিধা করতে পারে না, তার এতো ধৈর্য নাই সব নিয়ে ঢুকানোর নু*নুর মাথা একটু ঢুকতে প্রহেল আনেয়ার উদ্দেশ্য বলে।
মাই ফ্লাওয়ার আমাকে থামতে বলো না।
_ আহ্ - মা, মরে গেলাম, আমার পাশা খেলা দেখানো লাগবে না আমি পাশা খেলা দেখানো না।
বলেই চিৎকার করতে থাকে, প্রহেল নিজের গতি আরো বাড়াতে বাড়াতে বলে।
_ এখন চিল্লাচিল্লি করে লাভ নেই জান আমি নিজের মাঝে নেই,-
বলেই ধাক্কা দিতে থাকে।
উম,উম,আহ্
আনেয়ার এমন শব্দে প্রহেল আরো উত্তেজিত হয়ে উঠে বের করে আনেয়ার হাত বারান্দার গ্রিল থেকে খুলে ফ্লোরে সুয়ে দিয়ে বলে।
আমাদের এখন পজিশন চেঞ্জ করা উচিত ফ্লাওয়ার ঠান্ডা লাগবে কিছু করার নেই।
কথা শেষ করতে না করতে আনেয়া প্রহেলের উপরে উঠে যায় প্রহেল হাসে, ব্যাথায় আনেয়া শব্দ করে বলে।
_ আহ্,উফ্,
প্রহেল দুই হাতে আনেয়ার কমর চেপে আরো কাছে নিয়ে আসতে থাকে এবার আনেয়াকে নিচে ফেলে, আনেয়ার উপড়ে উঠে আনেয়ার বুকে কিস করে, আনেয়া প্রহেলের চুল খামচে ধরে বলে।
_ আহ্ _ আস্তে করো।
_ আমার সফ্ট ভালো লাগে না জান আমার করতে ভালো লাগে তুমি জোরে নিতে পারো না এটা তোমার ব্যর্থতা ।
বলেই মুখ চেপে ধরে , আজ দুইজন এক অদ্ভুত অনুভূতি নিয়ে একজন আরেকজনের দেহে মিশে গেল, ।
ধাক্কা টা এতো টাই জোরে দিছে প্রহেল আনেয়া নিতে না পেরে অজ্ঞান হয়ে যায়, প্রহেল ক্লান্ত হয়ে নু*নুটা আনেয়ার ওই খানে রেখেই স্লো ভয়জে ফিসফিস করে বলে।
এটাই আমার পাশা খেলা মাই লেডি আজকের জন্য এতটুকুই ।
বলেই আনেয়ার বুকে মুখ গুঁজে ঘুমিয়ে পরে, সকাল, সকাল বললে ভুল হবে এখন বেলা ২:৩০ শেষ প্রহরে ঘুমানোর জন্য আনেয়া বা প্রহেল কারোই ঘুম ভাঙ্গে নাই , সুর্য মামা আজ হয়তো মামির সাথে ঝগরা করে এই নিরীহ মানুষের ওপর নিজের খুব প্রকাশ করছে, চোখে মুখে আলো পড়তে প্রহেল বিরক্ত হয় এমনিতেই ঘুম হয় নাই এখন আবার এই অসহ্য রোদ আনেয়ার বুকে নাক ঘষে আলতো করে চুমু খেয়ে কামর বসিয়ে দেয়, লাল লাল চোখ জোড়া খুলে আনেয়ার দিকে তাকিয়ে কোলে তুলে নেয়, কাল রাতে বারান্দায় আসার পর আর রুমে যাওয়া পরেনি খুলা পরিবেশে নিজেদের কে একে অপরের সাথে মিলিয়ে ক্লান্ত হয়ে এখানেই ঘুমিয়ে পরে, ওয়াশ রুমে ঢুকে আনেয়াকে ঠান্ডা কনকনে পানি বড়া বাথটাবে সুয়ে দিতেই আনেয়া চিৎকার করে উঠে।
_ আহ্ - আমার শরীর পুড়ে যাচ্ছে _
সাড়া শরীর কামরের দাগ জায়গায় জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে নীল হয়ে গেছে প্রহেল এখন বুঝতে পারছে এই মেয়ের সাথে শাই দিয়ে কি বিপদ ডেকে আনছে সে ' ছলছল চোখে আনেয়ার দিকে তাকিয়ে অসহায় গলায় বলে।
— " আসলে জান তখন আমার আবেগ কাজ করছে বিবেক কাজ করে নাই।
" প্রহেলের কথা শুনে রাগে দুঃখে আনেয়া ঝর'ঝর করে কেঁদে ওঠে বলে।
_—" অসভ্য লোক আমার বা*লের পাশা খেলা দেখাতে আসছে আমি আম্মুর কাছে বিচার দিবো।
_ প্রহেল অবাক হওয়ার ভান করে বলে -
_ " নাউজুবিল্লাহ জান তুমি তো আমাকে উষ্কানি দিছো এখন আবার তোমার আম্মুর কাছে বিচার দেওয়ার ভয় দেখাছো।
আনেয়া ব্যাথায় আচ্ছন্ন শরীর টা নিয়ে বাথটাব থেকে উঠবে, কিন্তু উরতে পারচ্ছে না দেখে প্রহেলের দিকে কটমট দৃষ্টি নিক্ষেপ করতে প্রহেল শুকনো ঢুক গিলে তারাতাড়ি করে আনেয়াকে বাথটাব থেকে তুলে। আনেয়াদের রুমের সামনে ঘুর ঘুর করছে রিহান, সাগর, রিহান চিন্তিত হয়ে বলে।
কি ব্যাপার বলতো সাগর বস এখনো বের হচ্ছে না ঠিক আছে তো এমনিতেই বুকের কাছে অংশ টাতে বেশ লেগেছে,
_ কি আর করবে শালা এখন দেখ অসুস্থ শরীর নিয়ে বাসর করছে।
রিহান শব্দ করে হেসে উঠে বলে।
_ তুই শিওর তো না মানে _
__ শালা যেই লোক প্রথম দেখাই কন্ট্রোল হারিয়ে গরুর ফ্রার্মে বাসর করতে পারে আর এটা তো, ছ্যা।
প্রহেল এই মুহূর্তে ওদের এই সব কথা শুনলে নির্ঘাত আনারসের পুষ্টিগুণ বানিয়ে দিতো, প্রহেল আনেয়ার আধ ভেজা শরীরের দিকে তাকিয়ে ঢুক গিলে বলে।
--- " জান আর একবার পাশা খেলতে দিবা প্লিজ জান আমি পারছি না।
*********************
(চলবে)