#সে_আমার_মায়াবতি
#লেখনিতে_ঈশা_ইসলাম
#পর্ব_২৪
লোকটার মাঝে আমি কি সুখ খুজে পাই জানি না। কেন তার মায়া এতটা টানে আমায়?অবাদ্য ভাবনায় জল্পনা কল্পনা করতে করতে চোখের পাতা যে বুঁজে এসেছে তা টের পেলাম না। কিছু সময় বাদে টের পেলাম কেউ খুব নিবির ভাবে আগলে নিয়ে কিছু বলছে। নিভু নিভু চোখে দৃষ্টি অবলোকন করতেই চোখে পরে সেই গভির চাহনি।
বোঝার চেষ্টা করছি কি বলছে মানুষটা আমায়!
--- ঈশু পাখি ওঠো, দেখো আমরা চলে এসেছি। ওয়েক আপ জান। তুমি কি চাইছো আমি এখানেও তোমাকে কোলে নিয়ে রোমেন্স শুরু করি? ( মিঃ চৌধুরী)
ওনার ঠোঁটকাটা মার্কা কথা শুনে আমার ঘুমে বাতি ফিউজ হয়ে গিয়েছে।ঝট করে বুক থেকে ওঠে বললাম-
--- আপনি নির্লজ্য ভারি অসভ্য চৌধুরি সাহেব।( আমি)
--- ওনলি ফর ইউ পাখি। ( মিঃ চৌধুরী)
আমি জানি এই লোকটার সাথে কথা বাড়ালে এমনিতেই দিন শেষ হয়ে যাবে। তাই কিছু না বলে গাড়ি থেকে নেমে গেলাম। কিন্তু একটা জিনিস খুব ভাবাচ্ছে আমাকে, এনা আমাদের সাথে এলো কেন?তাহলে কি ওর মাথায় কোন প্লেন চলছে?ভাবনার মাঝেই কর্ণকুহর হয় মিঃ চৌধুরীর গলা-
--- সবাই ভিতরে ওলরেডি আরও দশ মিনিট আগে চলে গিয়েছে। এখনো লেইট করবে? ( মিঃ চৌধুরী)
--- দ দশ মিনিট?এত টাইম আপনি আমাকে নিয়ে বসে ছিলেন? এত টাইম আমি কি করেছি?ঘুমিয়েছি?হায় আল্লাহ এখন সবাই কি ভাব্বে?( আমি)
--- এত টাইম তুমি ঘুমন্ত কন্য সেজে আমকে পাগল করেছো আর আমি কিছু মনে করি নি জান।( মিঃ চৌধুরী)( ইনোসেন্ট ফেসে)
---আচ্ছা এবার চলুন। কিন্তু কাউকে বলবেন না আমি গাড়িতে ঘুমিয়েছি।(কাদোঁ কাদোঁ ফেস) ( আমি)
--- ওকে আমি নাহয় তোমার এই ফেবারটা করলাম। কিন্তু এর জন্য আমি কি পাবো? (মিঃ চৌধুরি)
--- আ আমার কাছে তো কিছু নেই। আচ্ছা আপনার কি চাই?( আমি)
--- যদি বলি তোমাকে? (মিঃ চৌধুরি)
--- কি? ( চোখ বড় করে) (আমি)
--- আ'ম জোকিং বেবি। আমার কাছে ইনশাল্লাহ পৃথিবির সব সুখ আছে।আমার মায়াবতি আছে, আর কি চাই আমার? তবে তুমি যেহুত দিবে তাই সময় মতো চেয়ে নিবো। দিবে না পাখি?( মিঃ চৌধুরী)
--- দি দিবো। ( আমি)
আমি জানি এই লোকটা কখনো এমন কিছু আমার কাছে চাইবে না, যা আমি দিতে পারবো না।এতটুকু সময়ে আমি এই মানুষটাকে ভরসা করতে শিখেছি। তাই আর কিছু না ভেবে হাটতে শুরু করলাম, বাড়ির ভিতর প্রবেশ করতেই চাচিমা জড়িয়ে নিলো নিজের আচঁলে। কত দিন মানুষটাকে দেখি নি,চাচ্চু এসে মিঃ চৌধুরীর সাথে কুশল বিনিময় করলেন। আম্মুর সাথে দেখা করতে মনটা অধ্যর্য হয়ে আছে। রান্না ঘরে প্রবেশ করতেই দেখি আম্মু আর দাদি রান্না করছে। আগে তো আমি আর চাচিমা মিলেই সব সামলে নিতাম। আমি পিছন থেকে আম্মু কে জড়িয়ে ধরে বলে উঠলাম-
--- কেমন আছো আম্মু? (আমি)
--- হুম ভালো। যা এখান থেকে। ( আম্মু) (গম্ভির কন্ঠে)
--- আম্মু তোমাকে খুব মিস করি। রাগ করে আছো, আমার ওপর? ( আমি)
--- এহহ ঢং দেখলে আর বাচুম না। এহন আইসে আম্মা। এই তোর জামাই নিয়া আইসোস ভালো মতো নিয়ম শেষ হইলে যাবি গিয়া৷ এত ন্যকামি করবি না তুই। যা এহান তোন। (দাদি)
--- দাদি তুমি এভাবে বলছো কেন? তুমিও কি রেগে আছো? আম্মু রাইসা কোথায়? ( আমি)
--- দেখো ঈশা আমি তোমাকে আগেই বলেছি, বাড়িতে নতুন জামাই এসেছে যথেষ্ঠ ঠান্ডা আছি । রাইসাকে দিয়ে তোমার কোন কাজ নেই। ও নিজের রুম এ আছে৷আমার মেয়ের যা ক্ষতি করার তা করেছো। তুমি যাও আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাচ্ছি না। ( আম্মু)
আম্মুর কথায় নিশ্বঃব্দে কেঁদে উঠি। দাদি মুখ ভেংগিয়ে চলে যায়।মিঃ চৌধুরী কথা মনে উঠতেই চোখের পানি মুছে তাড়াতাড়ি বসার ঘরে গেলাম। চোখ পড়লো সবার ওপর। আপু সায়ন ভাইয়ার সাথে চাচ্চু আর চাচিমা কথা বলছে। এনার দিকে তাকাতেই দেখি তার সম্পুর্ন ধ্যেন আপাদত মোবাইলে নিবদ্ধ। কিন্তু মিঃ চৌধুরী কে কোথায় দেখতে পেলাম না। এদিক সেদিক ঘুরে তাকাতেই দেখি, রান্নাঘরের দড়জার এপাশে কানে মোবাইল নিয়ে দাড়ানো। আচ্ছা উনি কিছু শুনেছে দাদি বা আম্মুর কথা?
এর মাঝেই খেয়াল করলাম রাইসা নিচে নামছে। একটা ছোট টপস্ পরে। নিচে নেমেই আপুকে জড়িয়ে ধরলো। আপুও মেকি হেসে আগলে নিলো রাইসা কে।
--- আরে জিজু কেমন আছেন? অপেক্ষায় ছিলাম আপনাদের। ( রাইসা)
--- ভালো। তুমি কেমন আছো? ( সায়ন)
এর মাঝেই চাচ্চু এসে তাড়া দিলো সবাইকে রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিতে৷দুপুর যেহুত তাই খাবার শেষে সবাই আড্ডা দেয়া যাবে৷ চাচিমার ইশারায় মিঃ চৌধুরী কে ডেকে নিলাম ঘরে যাওয়ার জন্য। সামনে দু-পা এগোতেই তুবা এসে টেনে নিলো। আসা মাত্রই গল্প শুরু করে দিয়েছে।আমিও গল্প করতে বসে গেলাম। মিঃ চৌধুরীর কথা মাথা থেকে একেবারেই আউট হয়ে গিয়েছে৷ চাচিমা এসে ধমক দিলে মনে পরে মানুষটা তো আমার সাথেই এসেছে। আর কিছু না ভেবে দৌরে ঘরে গেলাম।হাপাতে হাপাতে ঘরে ঢুকতেই দেখি হাত ভাজ করে এদিকেই তাকিয়ে আছে। মনে হচ্ছে উনি জানতো আমিই আসবো। তাই জ্বিব কেটে আস্তে করে বললাম -
--- আ আমি দুঃখিত মিঃ চৌধুরী, আসলে খেয়াল ছিলো না আপনি মানে - ( আমি)
--- পুরো কথা ফিনিশ করো জান। ইউ নো আমি অর্ধেক কথা শুনতে অভস্ত্য নই। ( মিঃ চৌধুরী)
--- আপনি আমার কত যত্ন নেন, এতটুকু কষ্ট পেতে দেন না।আর আ আমি সব ভুলে গল্প জুরে বসে ছিলাম। ( আমি)
এই মানুষটাকে এতটুকু কষ্ট দিলেও আমার আত্মা আমাকে ধিক্কার দিবে, এই মানুষটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে। কথাটা ভাবতেই চোখের কোন বেয়ে দু- ফোটা অশ্রুকনা ঝরে পরলো। হাতে টান অনুভব হওয়াতে ওপরে তাকাতেই দেখলাম গভির চোখের মানুষটাকে। যে স্বযত্নে আমার চোখের পানি মুছে দিয়ে কানের কাছে মুখ নিয়ে বললেন-
--- পাখি তুমি কান্না করছো কেন? আমি কিছু বলেছি?প্লিজ জান বুকে লাগে কেদোঁ না। বিলিভ মি আমি এতটুকু মন খারাপ করি নি। আমি খুশি যে আমার প্রেয়শি আমার কথা ভাবছে। সে আমার ভালোবাসায় একটু একটু করে আকৃষ্ট হচ্ছে। ( মিঃ চৌধুরী)
আমি লোকটার কথায় দিকবেদিক ভুলে ওনার বুকে কিল দিয়ে বসি।আমি নিজের অজান্তে একি করলাম হায় আল্লাহ এখন কি হবে?
--- জান ইউ হিট মি? তুমি আমাকে হিট করলে বাট আমি তো অন্যকিছু করবো( বাকা হেসে) ( মিঃ চৌধুরী)
--- একদম না, আ আপনি চু চুমু দিবেন আমি জানি।কাছে ঘেষবেন না কিন্তু। (আমি)
কে শোনে কার কথা, উনি সেই টেনে নিয়ে আমাকে চুমুর বর্ষনে ভরিয়ে দিলেন। জোড় করে ছাড়া পেয়ে নিঃশ্বাস নিতে শুরু করলে অসভ্য লোকটা ঠোঁট কামড়ে হেসে শিস দিতে দিতে ওয়াশ রুমে ঢুকে গেলেন।
আমিও মুচকি হাসলাম। এই লোকটার স্পর্শে আমার কম্পন ওঠে যায়। বেহায়া মনটা বারবার বলছে, ওনার কথা,স্পর্শ, এসব একদিনের জন্য ছুটি নিলে আমি পাগল পাগল হয়ে যাবো। যেহুত আপু আর ভাইয়া আছে ঘরে, তাই চলে গেলাম পাশের গেস্ট রুমে। ফ্রেশ হয়ে শুভ্র রঙ এর সালোয়ার সেট পরে নিলাম। নিজের ঘরে গিয়ে দেখি মিঃ চৌধুরী ঘুরে ঘুরে আমার রুমটা দেখছে। হয়তো ওনার প্রাচির সাম্রাজ্যটা মিস করছে। তাই দির্ঘশ্বাস নিয়ে বললাম-
--- মিঃ চৌধুরী খুব অবাক হচ্ছেন? আসলে একটু ম্যনেজ করে থাকতে হবে। আপনার খুব কষ্ট হবে তাই না। আসলে আম!
--- হুস জান। কি বলছো, এই ঘরটা ইভেন এই ঘরের মানুষটা আমার। এটা আমার রানীর ছোট রাজত্ব্য, ছোট হোক বা বড় হোক আমি সন্তুস্ট। ( মুচকি হেসে) (মিঃ চৌধুরি)
আমি অপারক তার কথায়, কেন এই লোকটা আমাকে এইভাবে তার মায়ায় আবদ্ধ করছে। ভাবনার সাগর থেকে চমকে ওঠি তুবার কথায়।
--- বোন তুই আজকের দিনটা প্লিজ ভাবনার ভিতর ডুবিস না। জিজু আসছে খেতে আয়, আন্টি ডাকছে। (তুবা)
--- হ্যাঁ তুই যা আমি আসছি। (আমি)
--- কেন আরেকটু রোমেন্স করবি বুঝি? ( চোখ টিপে) (তুবা)
আমি চোখ রাঙাতেই আমাকে চাপড় মেরে চলে গেলো। মিঃ চৌধুরীর দিকে ঘুরে তাকাতেই আমার হাতে তাওয়াল দিয়ে দিলেন। উৎসক চোখে তাকাতেই বুঝিয়ে দেয় চুল মুছিয়ে দিতে। আমিও কথা না বাড়িয়ে হাত তুলি মুছে দিতে।কিন্তু ওনার হাইটের সাথে আমি কিছুই না। পায়ের পাতায় ভর দিয়েও নাগাল পাচ্ছি না। অসহায় চোখে তাকাতেই হেসে আমাকে টেনে নিয়ে, নিজে বেডে বসে গেলেন। আমার কোমড় জড়িয়ে আকরে নিলেন। আমি কেপে উঠি ওনার ঠান্ডা স্পর্শে। কিছুক্ষিন বাদে খাবার টেবিলে হাজির হলে একে একে বসে পরি। রকমারি খাবারে ভর্তি টেবিল। কিন্তু এর ভিতর খেয়াল করেছি, রাইসা আর এনা খুব ভালো সম্পর্কের আভাস দিচ্ছে। আম্মু সবাইকে বেড়ে দিলেও আমাকে দেয় নি। মিঃ চৌধুরীকেও জামাই আদর করছে। আমার প্লেট ফাকা তাই আমি নিজের খাবার বেড়ে নেয়ার আগে মিঃ চৌধুরী থামিয়ে দিলেন।
--- আহ জান আমি খায়িয়ে দিচ্ছি।তুমি বসো। ( মিঃ চৌধুরী)
সবার দিকে তাকাতেই দেখি মিটমিটিয়ে হাসছে। কিন্তু রাইসা আর এনা বাদে। দাদি অন্যদিকে ঘুরে খাচ্ছে। আচ্ছা লোক তো, সবার সামনেও কি মুখে তুলে খাওয়াতে হয়। কিছু বলতেও পারছি না। কি সুন্দর মাছের কাঁটা বেছে ছোট বাচ্চার মতো খাওয়াচ্ছে। খাওয়ার পর্ব শেষ হলো সবার খুনঁশুটিতে। খাওয়া শেষ এ সবাই চলে গেলো বিশ্রাম নিতে। আমি চাচিমা কে সাহায্য করতে চাইলেও তুবা আর চাচ্চু বকা দিয়ে ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছে।
যেই না ঘরে যাবো ওমনি এনা আর রাইসা পথ আটকে দাড়িয়েছে।
--- কি হয়েছে রাইসা? আর এনা আপু তুমি আমাকে এভাবে আটকালে কেন? ( আমি)
--- বাহ খুব আদর করে আরাভ তোকে। তো ইচ্ছে করেই কি আমাকে নমুনা দেখালি? ( রাইসা)
--- প্রথমত তুই ভাইয়া বলবি। কারন উনি তোর বড়। আর দ্বিতীয় তো আদর সোহাগ আমার জামাই করে আমাকে তোকে দেখানোর প্রয়োজন মনে করছি না। ( আমি)
--- ঈশা তুমি তো দেখি খুব কথা বলো।নিজের বোনকেও ছাড় দেও না?( এনা)
--- ওও এবার বুঝেছি, যে তোমাদের মধ্যে এত মিল কিভাবে হলো।নিশ্চয়ই আমাদেত দু-জনকে আলাদা করার জন্য৷ ( আমি)
--- যেই না বড়লোক বাড়িতে বিয়ে হয়েছে ওমনি মুখের বুলি ফুটেছে তাই না? ( রাইসা)
--- এসব কি বলছিস। অন্তত্য তোর মতো ছোট মনের নই আমি। ( আমি)
--- আচ্ছা ঈশা আরাভ তোমায় খুব ভালোবাসে। তো তোমাদের মধ্যে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তো? নাকি শুধু ( এনা)
--- চুপ করুন আপনি। শুধু শারিরীক সম্পর্ক হলেই যে ভালো থাকা যায় তা নয়। কাউকে ভালোবেসে টাচ্ না করেও তার ভালোবাসা উপলব্ধি করা যায়। (আমি)
--- আহ তোর জ্ঞান তুই রাখ তো। তোকে আরাভ শুধু ইউস করছে,নাহলে ভাব বিয়ের এতদিন অথচো তোর শরিরে কোন চিহ্ন নেই ভালোবাসার৷ (সয়তানি হেসে) ( রাইসা)
আমি বেশ বুঝতে পেরেছি ওরা এক হয়ে আমাকে কথার জালে ফাসাতে চাইছে। তাই মুচকি হেসে বললাম, ঠিক আছে প্রমান চাই তো, আর তোমরা কি ভেবেছো তোমাদের কথায় আমি মিঃ চৌধুরী কে ভুল বুঝবো আমাদের আলাদা করার ভালো ফন্দি এটেছো কিন্তু সেটা কাজে দেওয়ার নয়। তোমরা দেখতে চাও তো আমাকে উনি ভালোবাসে কিনা? বেশ তবে তাই হোক। (আমি)
আমার কথায় রাইসা আর এনা আপুর কোন ভাবাবেগ দেখা দিলো না। কিন্তু আমি কিছুতেই বুঝতে দিবো না আমাদের মাঝে বৈবাহিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে কিনা।
কান্না পাচ্ছে ভিশন কি করবো এখন আমি। ভাবতে ভাবতে মিঃ চৌধুরী কাছে নিজের রুমে গেলাম। কিন্তু ওনাকে কোথাও না দেখে ফিরে আসতে নিলে হুট করে মিঃ চৌধুরী ঘরে প্রবেশ করে। ফলস্রুতিতে ধাক্কা খেয়ে পরে নিতে চাইলেও পারলাম না। শক্ত বাহুবন্ধনে নিজেকে আবিষ্কার করলাম। কিছু না বলেই ওনাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলাম। এতক্ষনের জমে থাকা কান্নাটাও যেন ভালোবাসার মানুষটাকে দেখে আপনা আপনি ঝরে পড়ছে। হাতের বাধন আলগা হতেই ওপরে তাকানোর আগেই সেই চিরচেনা মানুষটা দুই হাতে কোমড় উচিয়ে ফাঁকা জায়গা ভরাট করে ফেলে। মিশিয়ে নেয় নিজের মাঝে। আরেকটু কাছে টেনে অধরে অধর মিলিয়ে দেয়। আজ আমিও কোন বাধা দিচ্ছি না। নিজ থেকে আরেকটু কাছে গিয়ে দুই হাতে মুড়িয়ে গেলাম তার মাঝে।। আজ না আছে কারো তাড়া না আছে বাধা। কিন্তু দড়জার বাহিরে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে, এনা আপু আর রাইসা। এর ভিতর মুচকি হেসে আরেকটু নিবিড়ে জড়িয়ে গেলাম আমার প্রেমিক পুরুষ এর বুকে।
#চলবে____________
অনেক বড় করে দিয়েছি। দ্রুত লেখার কারনে অনেক সময় ভুল হয়৷ ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন। হ্যপি রিডিং 🍁🍁