ফন্ট সাইজ:
থিম:
সে আমার মায়াবতী

৩১তম পর্ব

লেখক: ঈশা ইসলাম

#সে_আমার_মায়াবতী

#লেখনিতে_ঈশা_ইসলাম

#পর্ব_৩১

আজ আমার জিবনের একটা বিশেষ দিন। কিন্তু কারো পাত্তাই পাচ্ছিনা। এমন কি মিঃ চৌধুরী আজকেই নাকি দুবাই যাবে ২ দিনের জন্য। তাই মন খারাপ করে বসে আছি। আচ্ছা কারোই কি মনে নেই আজকে কি? এমন কি মিঃ চৌধুরীর ও না?বেডে বসে ভেবেই চলেছি কি করবো। মিঃ চৌধুরী দিব্বি আমার সামনে ব্যগ পেকিং এ মত্ত। আমি মুখে আঙুল দেয়ার আগেই বলে উঠে -

-- এই মেয়ে সেদিন না মুখে আঙুল দেয়ার জন্য পানিশমেন্ট দিলাম। আজ আবার মুখে হাত দিচ্ছো।( মিঃ চৌধুরী)

-- হ্যাঁ ওটা আপনার পানিশমেন্ট ছিলো? সিরিয়াসলি? আপনি সারা রাত আমাকে জ্বালিয়ে মেরেছেন ছি আর এসব আপনার পানিশমেন্ট এর ধরন। ( আমি)

-- জান লুক আমি যে তোমাকে টোকাও দিবো না এটা তুমি আমি খুব ভালো যানি। তাই রোমেন্টিক পানিশমেন্ট দেই, তাও সেই জোর করেই কাছে টেনে নিতে হয় তোমাকে। আর রাতে জ্বালাই তোমার কষ্ট হয় বুঝি আমি, তাই রাতের সাথে আজ থেকে দিনেও রোমেন্স করবো। কাম পাখি শুরু করি।(বাকা হেসে)( মিঃ চৌধুরী)

-- ঠোঁটকাটা লোক চুপ থাকুন। আমি এখন আপনার কাছে যাই আর আপনি আমাকে! ( আমি)

-- আমি তোমাকে? বলো জান, তোমার মুখে শুনতে চাই। স্পিক আপ। ( মিঃ চৌধুরী)

-- কিছু না হুমমম। ( আমি)

দড়জার সাইডে গিয়ে কোন মতে কথাটা বলে মুখ ভেংচি দিয়ে দৌর দেই৷ নির্ঘাত আমাকে পেলে এখন আবার লজ্জ্বায় ফেলবে। কিন্তু যাওয়ার আগে মিঃ চৌধুরীর হাসির আওয়াজ আমার কর্নকুহর হয়। আমিও মুচকি হেসে আপুর রুমে যাই। কিন্তু যেতেই শুনতে পাই -

-- আহ সায়ন আমি আর খাবো না। আমার ভমিটিং হচ্ছে। তুমি আমাকে প্রমিস করেছো জোর করবে না। (আপু)

-- সামু বেবি প্লিজ খেয়ে নাও দেখো না খেলে তো বাবু কষ্ট পাবে। আচ্ছা তুমি কি খাচ্ছো বলো? ( সায়ন)

-- আবার তুমি আমাকে টর্চার করছো,।আমি এবার আম্মু কে বলে দিবো। (কাদোঁ কাদোঁ ফেস এ) ( আপু)

-- আচ্ছা আর খেতে হবে না। যাস্ট ওয়ান বাইট। ( সায়ন)

-- আমি এখন মাত্র দের মাসের প্রেগন্যান্ট আর তুমি এতেই এমন করছো? আর যদি ন-মাস হয় তখন কি করবে? ( আপু)

-- কি করবো আদর করে দিবো। আর তখন যত্ন আরো করবো। আমার এক মাত্র বউ বলে কথা। ( সায়ন)

সায়ন ভাইয়া কথাটা বলেই আপুকে জড়িয়ে ধরে। দড়জার আড়ালে দাঁড়িয়ে ওদের দুষ্ট মিষ্টি ভালোবাসা দেখে হেসে দিলাম। না ওদের আর বিরক্ত করে কাজ নেই। তাই মায়ার ঘরে রওনা দিলাম। মাঝিপথে ভাবছি আনন্দে কি সুন্দর দুটি মাস পার হয়ে গিয়েছে বিয়ের। হ্যাঁ দু-টি মাস পেরিয়েছে আমাদের বিয়ের। আপু এখন দের মাসের প্রেগন্যান্ট। এ নিয়ে বাড়িতে খুশির সিমানা নেই। কিন্তু কারও ভালোবাসা এতটুকু কমে নি আমার জন্য। উল্টে বেড়েছে। মা,বাবা, ভাই বোন সবার ভালোবাসা

আমাকে মুড়িয়ে রেখেছে আর সাথে তো আমার চৌধুরি সাহেব আছেন। যখন তখন মাথায় ফুল গুজে দেয়া, চুড়ি পড়িয়ে ভালোবাসি বলা, হুটহাট রাতে ঘুমের মাঝেই কোলে নিয়ে ছাঁদে চন্দ্রবিলাস করা। ছোটখাটো সারপ্রাইজ। কিছুর কমতি নেই আমার জিবনে। আমি সত্যি খুশি।এ-দু মাসে এনার আপুর সাথে আমার সম্পর্ক অনেকটাই গভির হয়েছে। আজকাল এনাও আপুও আমার সাথে জমিয়ে আড্ডা দেয়৷ প্লেন মাফিক আপুর একটা বেবি সাওয়ার করবে, সেদিন আবির ভাইয়া আর মায়ার এংগেজমেন্ট করা হবে৷ কিন্তু কোন একটা কারনে সেটা আপাতত স্থগিত আছে। তুবা আর তুহিন ভাইয়ার মধ্যে আপাদত যুদ্ধ চলছে জ্বেলাসি নিয়ে। ভাবতে ভাবতেই মায়ার ঘরে চলে এলাম । কিন্তু সেখানে দেখি এনা আপুও আছে। কিছু নিয়ে প্লেনিং করছে মনে হচ্ছে তাই গিয়ে বসতেই চুপ হয়ে গেলো।

-- কি হয়েছে রে মায়ু তুই চুপ হলি কেন? এনা আপু তোমরা কি প্লেনিং করছিলে? (আমি)

-- আ কিছু না তু তুই এখানে কেন? ভাইয়া না আজ চলে যাবে বিকেল এ তো তুই তো ভাইয়া কে সময় দিতে পারিস। ( মায়া)

-- হ্যাঁ ঈশা যাও, আরাভ কে সময় দেও, আমরা তো আছি তুমি যাও পরে এসো। ( এনা আপু)

কি হলো এমন বিহেব করছে কেন ওরা আর কিছু না ভেবে উঠতে গেলেই মেইড আসে-

-- ম্যম আপনাকে বড় স্যার ডাকছে। ( মেইড)

-- যাও যাও দেখেছো তোমার প্রেমিক ডাকছে যাও। ( এনা আপু) ( লজ্জা দিয়ে)

-- ধ্যত কি বলো। ( আমি)

আমি লজ্জা পেয়ে রুমে চলে এলাম। রুমে ঢুকতেই মিঃ চৌধুরী দেয়ালের সাথে চেপে ধরে। থুতনিতে গভির চুম্বন দিয়ে দিলেন। দূরে সরে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললেন-

-- জান কাম ফাস্ট লাঞ্চ করতে হবে, বিকেলে বের হবো আমি। (মিঃ চৌধুরি)

-- আপ আপনি চলে যাবেন?

সত্যি কি দু-দিন পর আসবেন? ( আমি)

-- হুম জান খুব ইমপ্রটেন্ট না হলে তোমাকে ছেড়ে যেতাম না আমি। মিস করবে বুঝি?

( মিঃ চৌধুরী)

-- হুমমম সাবধানে থাকবেন প্লিজ। ( আমি)

-- মন খারাপ করে না জান আমি চলে আসবো খুব আরলি। সো ডোন্ট পেনিক। (মিঃ চৌধুরি)

মন খারাপ হলেও মিঃ চৌধুরীর সামনে মিথ্যা হাসি ঝুলিয়ে লাঞ্চ করে নিলাম। সত্যি বলতে ওনাকে খুব মিস করবো। ওনার কথায় কথায় জড়িয়ে ধরা, চুমু খাওয়া কে খুব করে মিস করবো। দু-টো দিন আমার কাছে যে দু-যুগের সমান যাবে তা আমি বেশ ভালো বুঝতে পারছি। লাঞ্চ শেষ এ সময় পেরিয়ে গেলে মিঃ চৌধুরী সবার থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়। আমাকে এই সেই বুঝিয়ে যায়। কিন্তু মন যে মানে না। তাই রুমে ঢুকে খালি রুমে চোখ বুলিয়ে ঢুকরে কেঁদে উঠি। নিচে বসে পরি বেডশিট আকরে কান্না করার এক পর্যায় হিঁচকি উঠে যায়। ঘারে কারো স্পর্শ পেয়ে তাকিয়ে দেখি মিঃ চৌধুরী। ওনাকে পেয়ে এক মুহুর্ত দেরি না করে

জড়িয়ে ধরি। কাদঁতে কাদঁতে বলি-

-- আ আপনি এসেছেন। ( আমি)

-- হুস জান কি করছো? এভাবে কান্না করছো কেন?

আমি চলে আসবো দু- দিন পর আর তারপর তোমার জন্য বিশাল সারপ্রাইজ আছে। ( মিঃ চৌধুরী)

-- আমার সারপ্রাইজ লাগবে না, আপনি ঠিকঠাক ফিরে আসুন। এই তো আমি কাঁদছি না দেখুন। ( আমি)

-- তোমাকে আদর করতে ভুলে গিয়েছি জান তাই তো আবার ফিরে এলাম। আর না এলে তো জানতেই পারতাম না তুমি এতটা মিস করো আমায়? ( মিঃ চৌধুরী)

-- আপনি আমার নিঃশ্বাস এ আছেন। আমার অস্তিত্ব। আপনি আমার অভ্যাসে পরিনত হয়েছেন চৌধুরি সাহেব। ( আমি)

কথাগুলো বলেই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ধরলাম। আমাকে উচু করে চুম্বন করলেন উষ্টদ্বয়ে।

---------------------------------------------------------

রাত ১১ঃ৪৬ মিনিট ঘরে বসে আছি। কিন্তু আজকে কেউ আমার ঘরে এসে একটিবার উঁকিও দিলো না। যেই মায়া আমার কাছে আসে সে এখন একবার ঘুরেও তাকালো না।

আজকেই এমন করছে কেন সবাই। আম্মু আব্বুও ঘুমিয়ে গিয়েছে। এনা আপুর কাছে গেলে ব্যস্ত বলে তাড়িয়ে দিলো। পুরো বাড়ি অন্ধকার হয়ে আছে। নিজের রুমে লাইট অন করে ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে আছি কিন্তু তুবার কোন খবর নেই। সামিয়া আপু সন্ধ্যা বেলায় যে ঘুমিয়েছে আর খবর নেই। এমন কি চাচ্চু আর চাচিমাও আজ কল দিলো না? অভিমানে ছেয়ে থাকা মনটায় গুমোট অন্ধকার ভর করলো৷

কেউ মনে রাখে নি একটু বাদে কি। এমন কি কাছের মানুষ গুলোও না। ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে গেলাম সোফার কাধে।

হুট করে চিৎকার এর শব্দে ঘুম উবে গেলো। আশে পাশে তাকিয়ে দেখি চারিদিকে আলোর ছড়াছড়ি। ছোট ছোট লাইটিং এ ডেকোরেট করা পুরো ছাদেঁর অংশ। আমার বিভিন্ন এংগেলে তোলা ছবি গুলো সাজিয়ে রাখা। বেলুন এ ভর্তি, টেবিলে আমার পছন্দের ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক আর ফুলের বুকেতে ঠাসা৷

আনন্দে আত্মহারা হয়ে চিল্লিয়ে লাফিয়ে উঠি মুখে হাত দিয়ে৷ কর্নকুহর এ আসে-

-- হ্যাপি বার্থডে ঈশায়ায়ায়ায়ায়া( সবাই একসাথে)

আমি তাকিয়ে দেখি আম্মু, আব্বু, চাচ্চু,চাচিমা,তুবা,তুহিন ভাইয়া,আপু, সায়ন ভাইয়া, আবির ভাইয়া, মায়া, এনা আপু সাথে সব মেইডরা হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে। আমি খুশি হলেও এদিক সেদিক তাকিয়ে ভাবছিলাম এভাবে

সবাই সারপ্রাইজ দিলো কিন্তু মিঃ চৌধুরী একবার ও আমাকে কল করলো না। সবাই একে একে জড়িয়ে ধরে উইশ করে গিফট হাতে দিলো। হুট করেই লাইট অফ হয়ে যায় ছাঁদের। সবাই চিয়ার আপ করতে শুরু করে। উৎসক চোখে তাকিয়ে আছি। অন্ধকারে একসাইডে লাইট অন হলে তাকাতেই মুখে হাসি ফুটে ওঠে-

-- হ্যপি বার্থডে মাই কুইন। মেনি মেনি হ্যপি রিটার্নস অফ দ্যা ডে পাখি। তোমার দুঃখ গুলো মুছে যাক খুশির আবিরভাব হোক। গড ব্লেস ইউ জান।( মিঃ চৌধুরী)

আমি অবাক চোখে তাকিয়ে আছি, উনি এখানে কখন এলেন?উনি তো দুবাই গিয়েছিলো তাহলে? তার মানে সব ওদের প্লেন ছিলো? আজ এজন্যই সবার বিহেবইয়ার এমন ছিলো।মায়া আর এনা আপুর দিকে তাকাতেই কিটকিটিয়ে হেসে দিলো। সবার কাছে জানতে চাইলে বলে এসব মিঃ চৌধুরীর প্লেন ছিলো। চাচ্চু চাচিমা বিকেলেই এসেছে আপুর ঘরে ছিলো বিধায় আপু ঘর থেকে বের হয় নি। আর মিঃ চৌধুরী কে দুবাই এর কথা জিজ্ঞাস করতেই বলে-

-- জান আমি আজ সারাদিন বাসায় তোমার সামনে থাকলে স্পেস পেতাম না। তুমি কাছে থাকতে এত এরেজমেন্ট কিভাবে করতাম বলো? এজন্যই একটু নাটক সাজিয়েছি পাখি। ( মিঃ চৌধুরী)

ওরা সবাই মিলে আমাকে বোকা বানালো আর আমি কিনা ওদেরকেই মনে করাতে চাচ্ছিলাম আজ আমার বার্থডে ছিলো? কথা শেষে এ সবাই মিলে কেক কেটে সেলিব্রেশনে মত্ত হই। মিঃ চৌধুরীকে কেক খাওয়াতে গেলে উনি আমাকে খাইয়ে দেয় না। তাই মুড খারাপ এর ভান করি। একে একে সবাই ছাঁদ থেকে চলে গেলে আমার হাত ধরে মিঃ চৌধুরী কেকের সামনে নিয়ে আসেন। ইশারায় কি বোঝালে কেক নিয়ে গালে

ঠোঁটে মাখিয়ে দেয়। দু- হাতে উচুঁ করে উপরে তুলে ফেলে। তারপর ইচ্ছে মতো কেকের নাম করে আমার নরম গাল আর ঠোঁটের ওপর অত্যাচার চালায়। হাপিয়ে গেলে ছেড়ে দেয়। কাছে টেনে গালে হাত গলিয়ে বলে-

-- কি ভেবেছো পাখি ? তোমার থেকে ইমপরটেন্ট আর কিছুই নেই আমার কাছে। আপনার জন্যই এই আয়েজোন। কেমন লেগেছে সারপ্রাইজ জান? ( মিঃ চৌধুরী)

-- খুব খুব খুব ভালো। কিন্তু আম্মু কেন এলো না। এখনো কি রেগে আছে আমার উপর? ( আমি)

-- না জান আজকের দিনে মন খারাপ করো না। রেগে নেই।উনি আসতে চায় নি। চাচ্চু চেয়েছিলো কিন্তু উনি রাইসার করা কাজের জন্য লজ্জিত। ( মিঃ চৌধুরী)

রাইসা দু- মাস আগেই একটা ছেলের সাথে রাতে বাজে অবস্থায় রাস্তায় লোক সম্মুক্ষিন হয়। ছেলে বললে ভুল হবে লোকটার বয়স আনুমানিক ৩৫ এর উপরে, এই অবস্থায় মানুষজন রাইসাকে লোকটার সাথে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেয়। রাইসা অবশ্য মন খারাপ করে নি, উল্টো বুক ফুলিয়ে বলেছে টাকা যথেষ্ঠ আছে লোকটার তাই ওর সমস্যা নেই। আম্মু রেগে ওকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। হুট করে ফ্লোর থেকে পা সরতেই বুঝি উনি আবার কোলে নিয়েছে।

-- পাখি তোমাকে সারপ্রাইজ দিয়ে আ'ম সো টায়ার্ড তাই আমার এনার্জি দরকার। আর এখন আমি তাই করবো। ( মিঃ চৌধুরী)

-- ছি ছি ছাড়ুন বেসরম লোক আবার আপনি ছি। ( আমি)

আর কিছু না বলে উনি বাকা হেসে রুমে নিয়ে এলেন। বেডে শুয়িয়ে দিয়ে দড়জা লাগিয়ে দিলেন। কাছে এসে ওরনা টেনে নিলেন।বাধা দিলাম না আমি। ভালোবাসার মানুষটা কাছে টেনে নিচ্ছে তাই আমিও জড়িয়ে গেলাম তার বাধনে। অতপর আরোও একটি রাত সাক্ষি হলো ওনার ভালোবাসা নামক অত্যাচার জ্বালাতনে।

#চলবে____________

যারা বলেন একদিনে ২ পার্ট কেন দেই না তাদের জন্য বলছি- আমি একজন স্টুডেন্ট তাই পড়াশোনার পাশাপাশি শখের বসে লেখালেখি করি। সারাদিন ফোন হাতে নিলে যে কি পরিমান বকা খেতে হয় সেটা আপনারাও যানেন। আর আমি বলেছি মাঝে মাঝে সারপ্রাইজ পর্ব দিবো, প্রতিদিন নয়। একটা পর্ব সাজিয়ে লিখতেই আমার তিন ঘন্টার বেশি সময় লেগে যায়। তাই প্রতিদিন রাত ৯টায় গল্প পাবেন। যেদিন দিবো না আগেই পোস্ট করে বলে দিবো। চেষ্টা করবো প্রতিদিন দিতে। ধন্যবাদ 🍁🍁

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩১তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন