ফন্ট সাইজ:
থিম:
এলিচার্ড (সিজন ২)

১৫তম পর্ব

লেখক: মিথুবুড়ি

১৫

'ক্যালেন্ডারের পাতায় গড়িয়ে গেছে আরও পাঁচটি দীর্ঘ বছর। এই পাঁচ বছরে অনেক কিছুই বদলেছে, কিন্তু বদলায়নি এরিদ আর রোজের বন্ধুত্ব। বরং তাদের সম্পর্কের বাঁধন হয়েছে আরও গভীর, আরও নিগূঢ়। একে অপরের প্রতি আস্থা আর নির্ভরতা বেড়েছে বহুগুণে।

'এরিদ এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। আশ্চর্যজনকভাবে রোজও এখন তারই সহপাঠী। মেধাবী, পরিশ্রমী মেয়েটি সবসময় ক্লাসে সেরা ফলাফল করত। অথচ হঠাৎ একদিন গণিতে শূন্য পেয়েছিল সে। কেন পেয়েছিল তা জানে কেবল সৃষ্টিকর্তা আর সেই নীরব, চাপা স্বভাবের মেয়েটি নিজে।

'ক্লাসরুমে পাশাপাশি বেঞ্চে বসে আছে এরিদ আর রোজ। ফাঁকা সময়ে তারা মিটিমিটি হাসিতে বিনিময় করছে নীরব সখ্যতা। রোজ লেখার ফাঁকে একবার এরিদের দিকে তাকালে এরিদ বারবার দুষ্টুমি ভরা হাসিতে চোখ টিপে দেয়। রোজ প্রতিবারই চোখ পাকিয়ে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয়। অথচ রোজের পাশের মেয়েটি আড়চোখে কেবল এরিদের দিকে তাকিয়ে থাকে। কারণও আছে। এরিদ এখন এই স্কুলের সবচেয়ে সুদর্শন যুবক। মাত্র পনেরো বছর বয়সেই তার শরীরে ফুটে উঠেছে বলিষ্ঠতা। উচ্চতায় সে মাঝে মাঝে ক্লাস টিচারকেও ছাড়িয়ে যায়। তার সমুদ্র নীল চোখ আর তীক্ষ্ণ রূপের কারণে স্কুলের কনফেশন লেটার কখনোই তার নাম ছাড়া থাকে না।

'তবুও কোনো মেয়ে সাহস পায় না সরাসরি তার সামনে গিয়ে কথা বলার। শুধু মেয়ে কেন? নিহাদ ছাড়া তার কোনো ঘনিষ্ঠ ছেলে বন্ধুও নেই। সকলে ভয় পায় তার বেপরোয়া রাগকে।

এজন্য অবশ্য রোজেরও কোনো বন্ধু নেই। যে-ই রোজের কাছে আসতে চায়, এরিদ তারই মাথা ফাটিয়ে দেয়। এজন্য কতবার গার্ডিয়ান মিটিং ডাকা হয়েছে! কিন্তু কে শোনে কার কথা? রিচার্ড কায়নাতই যখন কোনোদিন মানুষের কথা শোনেনি, তবে তার ছেলে কি শুনবে? এরিদও পাপার মতোই গম্ভীর, স্বল্পভাষী, দৃঢ়চেতা। বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার মুখমণ্ডলে ফুটে উঠেছে রিচার্ডের বৈশিষ্ট্য। চিবুকে দৃঢ় কঠোরতা, চোয়ালে ধারালো রেখা, কপালে গাঢ় কুঞ্চন, আর কণ্ঠে ইস্পাতের মতো নির্মম তীক্ষ্ণতা। ঠিক যেন রিচার্ডেরই প্রতিচ্ছবি এক অন্য রূপে পুনর্জন্ম।

'আর সেই বব কাটের রোজ? এখন আর বব কাট নেই। তার চুল পিঠ ছাড়িয়ে গেছে অনেক আগেই। এই মুহূর্তে সেগুলো শক্ত করে পোনিটেল করে বাঁধা। গায়ের রঙে এসেছে দীপ্তি, শরীরী গড়নে সূক্ষ্ম পরিবর্তন। উচ্চতায় এখন এরিদের বুক অবধি পৌঁছায় সে।

'হঠাৎ স্যার ক্লাসে সকলকে নোটস বের করতে বললেন। যাদের নেই, তারা যেন হাত তোলে। প্রতিদিনের মতোই রোজ আজও নোটস আনেনি। আর প্রতিদিনের মতোই এরিদ তার খাতা রোজের দিকে এগিয়ে দিয়ে নিজেই হাত তোলে। তারপর স্যারের সামনে গিয়ে বেতাঘাত খায়। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এতে এরিদের একটুও ব্যথা লাগে না। আর রোজেরও খারাপ লাগে না। কারণ, স্যারের প্রতিটি বেতের আঘাত সহ্য করার সময় এরিদের দৃষ্টি থাকে কেবল রোজের ওপর নিবদ্ধ। ঠোঁটে লেগে থাকে অদৃশ্য এক চোরা হাসি, যা কেবল রোজ-ই দেখতে পায়। অন্য কেউ নয়। আর যখন আঘাতে এরিদের চোখ অনিচ্ছায় বুজে আসে, রোজ তখন নিজের বুকের ভেতর এক অদ্ভুত চাপ অনুভব করে। তীব্র অথচ মধুর চাপ। যা তার ভীষণ ভালো লাগে। কী আশ্চর্যভাবে সেই গুমোটমুখো, রাগী ছেলেটি দিনে দিনে এই চাপা স্বভাবের মেয়েটিকে চড়ুইয়ের মতো চঞ্চল, দুষ্টুমিতে ভরা করে তুলছে।

'আজ স্যার তাকে ক্লাস থেকে বের করে দিলেন। এরিদ সোজা চলে গেল ক্যান্টিনে। পকেট থেকে চকচকে কয়েকটা হাজার টাকার নোট বের করে বাবুর্চিকে দিতেই লোকটা হাঁ করে হাসল। রোজ একটু অন্যরকম। সে আত্মমর্যাদায় ভরা এক মেয়ে। তাই এরিদের আনা খাবার প্রতিদিন নেয় না। এজন্যই এরিদ গোপনে বাবুর্চিকে বলে দিয়েছে-রোজের জন্য প্রতিদিন বিশেষভাবে ঝাল ছাড়া খাবার বানাতে। আর সেই বাবুর্চি এজন্য প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা নেয় এরিদের কাছ থেকে। যার কিছুই জানে না রোজ।

'আকাশ মেঘলা। গুটিগুটি বৃষ্টি পড়ছে। ব্রেক টাইমে এরিদ রেলিং-এ কনুই রেখে বৃষ্টি দেখছিল। হঠাৎ করেই পাশ থেকে চেনা সুরের মতো কোমল ডাক ভেসে এলো, 'এরিদ?'

'অধর কোণে হাসি টেনে এরিদ ফিরে তাকাল। চোখে পড়ল রোজের ঠোঁটের পদ্ম-হাসি। মাথা একটু কাত করে সে হিসহিসিয়ে বলল, 'ইয়েস, সাইনিং রোজ।'

'রোজ বৃষ্টির ফোঁটায় হাত ভিজিয়ে মৃদু গলায় বলল, 'শুনলাম, পাশের বিল্ডিংয়ে নতুন একটা মেয়ে টান্সফার হয়েছে। সে নাকি অসম্ভব সুন্দর -আসার সময় ছেলেরা সেই নিয়েই বলাবলি করছিল।'

'এরিদ মনোযোগ দিয়ে শুনছিল। তারপর ধীর গম্ভীর ভঙ্গিতে অধিকারসূলভ রোজের হাত বৃষ্টির স্পর্শ থেকে সরিয়ে এনে বলল, 'স্বয়ং পরি যখন এই বিল্ডিংয়ে আছে, তখন পাশের বিল্ডিংয়ের খবর নিয়ে কী হবে মাই সাইন, সাইন, সাইনিং রোজ?'

'হঠাৎ করেই কৃষ্ণচূড়ার রঙে রোজের গমরঙা গাল লাজে রক্তিম হয়ে উঠল। দ্রুত নিজের নাজুকতা আড়াল করে সে বিস্ময়ে বড় বড় চোখে তাকাল এরিদের দিকে। 'ওমা!'

'এরিদও ভ্রু কুঁচকে রোজের ভঙ্গি নকল করে জিজ্ঞেস করল, 'কিমা?'

'রোজ হেসে ফেলে ছোট্ট গলায় বলল, 'মা?'

'হাহাহাহাহা।'

'হাহাহাহাহাহাহা।'

'রোজের হাসি অনুকরণ করে এরিদও হেসে উঠল। কিছুক্ষণ পর রোজের হাসি থেমে যায়। গালের নিচে হাত রেখে সে তাকাল এরিদের দিকে। মোহাচ্ছন্ন চোখে, বিমোহিত সুরে ফিসফিস করে বলল, 'অথচ, এই এরিদ কায়নাতকে স্কুলে সকলে ভয় পায়। কেউ কাছে আসে না। কিন্তু দেখো তো সেই গম্ভীর ছেলেটাই এখন কেমন করে হাসছে।'

'হঠাৎই থেমে গেল এরিদের হাসি। সচকিত হয়ে সে প্রশ্ন করল, 'খুব বাজে লাগছে নাকি?'

'রোজ অস্পষ্ট স্বরে বলল, 'বুকে ব্যথা হচ্ছে

'কী?'-এরিদ অবাক।

'রোজ সোজা হয়ে বসল, মুখ শক্ত করে বলল, 'হাসবে না।'

'কেন, কেন?'

'খুবই বিশ্রী তোমার হাসি।'

'কি-হ? আমার মাম্মা মেয়ে পাগল মাম্মা তো সবসময় বলে আমার এক হাসিতে শত শত হয়ে যাবে! আর তুমি বলছ বিশ্রী?'

'রোজ ভ্রু কুঁচকে পাল্টা ছুঁড়ে দিল, 'তোমার মাম্মা কি কখনো দেখেছে, তুমি আমার সামনে কেমন করে হাসো?'

'এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল এরিদ। তারপর ধীরে রোজের কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল, 'তোমার সামনে আমি যেমন, আমার হাসি যেমন-তা আর কেউ কখনো দেখেনি। কেউই দেখেনি এই এরিদ কায়নাতকে।'

'রোজ ধীরে চোখ তুলে তাকাল এরিদের চোখে। মৃদু গলায় বলল, 'তাই?'

'এরিদ কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেল। কপাল কুঁচকে হঠাৎ গম্ভীর হয়ে উঠল তার কণ্ঠ, 'ওয়েট... রোজ, তুমি একটু আগে কী বললে?'

'কি বললাম?'

'অন্য ছেলেদের মুখ থেকে শুনলে মানে? তুমি অন্য ছেলেদের আসেপাশে কেন যাবে?'

'এরিদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি আর কট্টর প্রশ্নবানে রোজের শুকনো ঢোক গিলল। আমতাআমতা করে বলল, 'আরে আসার সময় আরকি...'

'বাক্য সম্পূর্ণ করার আগেই এরিদ তর্জনী তুলে কাঠকাঠ কণ্ঠে বলল, 'আই'ম ওয়ার্নিং ইয়্যু, রোজ-কোনো ছেলের কথা কানে নেওয়া তো দূর, তাদের ছায়া মারানোও তোমার জন্য পাপ।'

জাস্ট মাই বেস্টফ্রেন্ড, রিদ। স্টোপ আর্ট লাইক আ বয়ফ্রেন্ড।' 'ইয়্যু আর।

'রোজের বিদ্রুপপূর্ণ কথার বিপরীতে এরিদ বাঁকা হেসে বলল, 'বয়ফ্রেন্ড তো আমি কখনও হতে চাইনি মাই সাইনিং রোজ, আর হবোও না। সময় হলে পূর্ণ অধিকারের সুতোতে টান দিতে এক মুহূর্তও দেরি করব না।'

'মানে?'

বলল, 'এরিদ এরিদ আশপাশ উপেক্ষা করে ঝুঁকল রোজের মুখের দিকে। হিসহিসিয়ে লল, 'মানে, আই ওয়েল ম্যারি ইয়ু হুয়েন আই ওয়েল বি এডাল্ট।'

'রোজ লজ্জায় লাল হয়ে তার বুকে ধাক্কা মারল। 'যাহহহহহ!' বলে দৌড়ে চলে গেল। রোজ দৌড়ে যেতে হঠাৎ করে একটা ছেলেটা ছেলের সাথে ধাক্কা খেল। ছেলেটা সুযোগ বুঝে রোজের বুকের হাত দেয়। রোজ আঁতকে উঠে সঙ্গে, সঙ্গে চিৎকার করে উঠল,

'আহহহহহহ।'

'দূর থেকে প্রতিটি মুহূর্ত বিদ্ধ দৃষ্টিতে লক্ষ্য করল এরিদ। তার সমুদ্র নীল চোখ থেকে যেন অগ্নিশিখা ছিটকে পড়ছে। গৌড় বর্ণের দেহের শিরা-উপশিরাগুলো উত্তেজনায় ফুঁসে উঠল। যেন ভেতরে বেজে উঠছে যুদ্ধের ঢাক। ঠান্ডা চোয়াল শক্ত করে পকেট হাত ঘুরিয়ে বের করল একটি বলপেন। মুহূর্তেই কলমের নিপ ভেসে উঠল কমলের উপরের অংশে। এরিদ তীরবেগে ছুটে গিয়ে আঘাত হানল সেই ছেলেটার উপর।

'এক নিমিষে ঝাঁপিয়ে পড়ল এরিদ। পনেরো বছরের কিশোর শরীরটি যেন হঠাৎ রূপ নিল এক রক্তলোলুপ পশুতে। কোমল কাঁধের মাংস ছিঁড়ে যাচ্ছিল নিপের ধারালো ঘা-এ। চারপাশে ছাত্রছাত্রীরা আতঙ্কে ছিটকে পিছু হটল। রোজ স্তম্ভিত হয়ে রক্ত ঝরতে দেখল, ভয়ে তার হাত-পা কাঁপতে লাগল।

'এরিদ ছেলেটার বুকের উপর বসে একের পর এক আঘাত করতে করতে হিংস্র জন্তুর মতো গর্জে উঠল, 'ইয়্যু ফাকিং বাস্টার্ড! সাহস হলো কী করে ওকে ছোঁয়ার? আই ওয়েল কিল ইয়্যু!'

'কিছু ছাত্রছাত্রী দৌড়ে গেল অফিস কক্ষে খবর দিতে। রক্তে ধাতব মেঝের রঙ বদলে গেল। রোজ দিশেহারা হয়ে ছুটে গেল এরিদকে থামাতে, 'এরিদ, ওকে ছেড়ে দাও!'

'কিন্তু এরিদ ছিল অচেতন ক্রোধে ডুবে। দাঁত কিড়মিড় করে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠল, 'কুত্তার বাচ্চা! তুই আজ জানে মর মরবি!'

তে কাঁদতে সে এরিদের বাহু ধরে 'রোজের চে চোখ ভিজে গেল। কাঁদতে টেনে সরানোর প্রাণপণ চেষ্টা করল, 'এরিদ, প্লিজ... ছেড়ে যাবে!' ড় দাও, ও মরে

সঙ্গে সঙ্গে 'এরিদ হিংস্র ঝাঁকুনি দিয়ে রোজকে ঠেলে সরিয়ে দিল। সঙ্গে রক্তে ভেজা কলমের আঁচড় ছিঁড়ে দিল রোজের গাল। কেটে রক্ত কোমল ত্বক গলগল করে ঝরতে লাগল। ব্যথায় চিৎকার করে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ল রোজ। তক্ষুনি যেন এরিদের হুঁশ ফিরল। আতঙ্কে গিয়ে সে রক্তাক্ত হাতে রোজকে ছুঁতে চাইলেই ঠাস! তঙ্কে ছুটে

রোজের হাতের চড় বাজলো এরিদের গালে। আগ্নেয় চোখে তাকিয়ে কাঁপা কন্ঠে ফেটে পড়ল রোজ, 'চাচ্চু ঠিকই বলেছিল ইয়্যু আর আ সাইকো! আমার ভুল হয়েছে তোমার সাথে মিশে। ইয়্যু আর আ সাইকো, সাইকো!'

'এরিদের চোখে অবিশ্বাস জমল। বুকের ভেতর তীব্র ব্যথার ঢেউ, গলা শুকিয়ে এলো। সে ফিসফিস করে বলল, 'রোজ... এই নীচ ছেলেটার জন্য তুমি আমার গায়ে হাত তুললে?'

'পিছন থেকে আহত ছেলেটার গোঙানি ভেসে আসতেই, রোজ আবারও চড় বসিয়ে দিল এরিদের অপর গালে। তীব্র ঘৃণায় কণ্ঠ ফেটে গেল, 'আই জাস্ট হেট ইয়্যু, এরিদ! হেট ইয়্যু! আমার চোখের সামনে থেকে চলে যাও! 'লিভিং রুমে নিস্তব্ধতা ছড়িয়ে ছিল। হঠাৎ দরজা ভেঙে যেন ঝড়ের মতো ঢুকল এরিদ। শরীরভরা রক্তের দাগে তার চেহারা আগুনের মতো জ্বলছিল। এলিজাবেথের বুক কেঁপে উঠল, চোখ বিস্ফারিত হয়ে গেল ছেলের রক্তাক্ত অবয়ব দেখে। রিচার্ড বিদ্যুৎ-তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ছুড়ে দিয়ে ধীরে উঠে দাঁড়াল।

'কোনো ব্যাখ্যা, কোনো প্রশ্নের সুযোগ না দিয়ে এরিদ বজ্রনিনাদ কণ্ঠে বাবার দিকে তাকিয়ে ছুড়ে দিল কথাগুলো,

'বিদেশে পড়াশোনার কথা বলেছিলে না? আমি রাজি। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আমি এই দেশ ছাড়তে চাই।'

এরপর আর কাউকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে এক গমগমে পদক্ষেপে সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে অদৃশ্য হলো এরিদ।

এলিজাবেথ ছুটে ছেলের পেছনে দৌড়োতে চাইতেই রিচার্ড দৃঢ় হাতে থামিয়ে দিল। গম্ভীর, পাথুরে কণ্ঠে উচ্চারণ করল,

'ওকে ওর মতো থাকতে দাও।'

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৫তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন