ফন্ট সাইজ:
থিম:
চৈত্র শেষে শ্রাবণধারা

২৬তম পর্ব

লেখক: চিন্ময়ী নূর

সবুজ ছায়ার ছাতিয়ানী গ্রামে আজ স্নিগ্ধ সকাল নেমেছে। পাখিদের কিচিরমিচির আর বাঁশঝাড়ের ফাঁক দিয়ে আসা মরা রোদের খেলা চারদিকে। বেশ বেলা হয়ে গেলেও চৈতি অঘোরে ঘুমিয়ে আছে, কিন্তু ঘুমের মাঝে কোনো শান্তি নেই। তুরাগ চলে যাওয়ার পর থেকে তার রাতের ঘুম বিলীন হয়ে গেছে। আসলে লোকটার চওড়া বুকে মাথা রেখে ঘুমানোর একটা অদ্ভুত বদভ্যাস হয়ে গেছে তার। তুরাগের গায়ের গন্ধ, তার হৃদপিণ্ডের ধুকপুকানি না শুনলে চৈতির চোখে ঘুম আসে না। কিন্তু এই লজ্জার কথা সে কাকে বলবে? তুরাগ কে? কই সে! সপ্তাহ পার হয়ে যাচ্ছে, অথচ লোকটার কোনো দেখা নেই। একটা বারও কি মানুষটার তার রাজকন্যার কথা মনে পড়ে না? চৈতির বুকের ভেতরটা অভিমানে ফেটে যাচ্ছে। শৈশব থেকেই সে দেখে এসেছে, সবাই তাকে শুধু একাই ফেলে চলে যায়। কেউ ভাবে না এই মেয়েটা কীভাবে থাকবে, কার হাত ধরে পথ চলবে। সে ভেবেছিল তুরাগ হয়তো সবার মতো নয়, তুরাগ হয়তো তাকে আগলে রাখবে শেষ পর্যন্ত। কিন্তু সে ভুল ছিল। আজ মনে হচ্ছে, বাউণ্ডুলে লোকটাও তাকে এই নির্জন বাড়িতে একা ফেলে চলে গেছে। ঘুমের ঘোরেই চৈতির চোখের কোণ দিয়ে গড়িয়ে পড়ে নোনা জল। বালিশের এক কোণ ভিজে সপসপে হয়ে যায়। ঘুমের ভেতর সে অস্ফুট স্বরে তুরাগকে খোঁজে, তার হাত দুটো শূন্যতায় কাউকে আঁকড়ে ধরতে চায়। তুরাগকে ছাড়া এই বিশাল পৃথিবীটা আজ তার কাছে বড্ড বেশি অসহায় আর নিঃসঙ্গ মনে হচ্ছে।চৈতি ঘুমের ঘোরেই শূন্যতায় হাতড়ে বেড়াচ্ছিল কাউকে আঁকড়ে ধরার জন্য। হঠাৎ তার হাতের তালু গিয়ে ঠেকল কারো শক্ত চিবুকে। চমকে গিয়ে তার ঘুমটা ভেঙে যায়, বুকের ভেতরটা ভয়ে দুরুদুরু করে ওঠে। অন্ধকার ঘর, পাশে কে শুয়ে আছে? কিন্তু এই উপস্থিতিতে ভয় থাকলেও পরিচিতির ছোঁয়া পায় সে। চৈতি কাঁপা কাঁপা হাতে আবারও মানুষটার মুখে হাত বুলায়। এই যে খসখসে খুঁচা খুঁচা দাড়ি, এই দীর্ঘ নাক আর অতি পরিচিত গায়ের ঘ্রাণ এ তো অন্য কেউ নয়! তুরাগের গায়ের বুনো সুবাস চৈতি হাজার ভিড়ের মাঝেও চিনতে পারে। তুরাগ অন্ধকারেই চৈতির হাতটা নিজের মুঠোয় পুরে নেয়, তারপর খুব যত্ন নিয়ে হাতের তালুতে নিজের ওষ্ঠজোড়া ছোঁয়ায়। তার ঠোঁটের স্পর্শ পেতেই চৈতির এতদিনের জমানো বাঁধ ভেঙে যায়। সে ডুকরে কেঁদে ওঠে। কত রাত, কত প্রহর সে এই মানুষটার অপেক্ষায় দরজার দিকে তাকিয়ে থেকেছে! এই খবর কি এই বদলোকটা জানে? চৈতি চোখ না খুলেই তুরাগের বুকের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আকস্মিক হামলায় তুরাগ সামলাতে না পেরে পেছনের খাটের কাঠের ফ্রেমের সাথে সজোরে ধাক্কা খায়। মাথায় প্রচণ্ড চোট পায় সে, এমনকি দাঁতের সাথে লেগে ঠোঁটের একপাশটা ফেটে রক্ত গড়িয়ে পড়ে। কিন্তু তুরাগ টু শব্দটি করে না। তার সব ব্যথা চৈতির কান্নার কাছে তুচ্ছ। সে চৈতিকে আরও শক্ত করে নিজের পাজরে পিষে ধরে। চৈতি তুরাগের বুকে মুখ গুঁজে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে তার অভিযোগের ঝুলি খুলে বসে,

"আপনি এত নিষ্ঠুর কেন? একটা বারও কি মনে পড়ল না আমার কথা? সবাই আমাকে ফেলে যায়, আপনিও আমাকে একা রেখে চলে গেলেন? আমি ভেবেছিলাম আপনি আমাকে বোঝেন, কিন্তু আপনিও তো সবার মতোই বেরসিক!"

লম্বা করে শ্বাস নেয় চৈতি, তারপর আবার বলতে শুরু করে,

"এরপর আমাকে একা ফেলে কোথাও যাবেন না দয়া করে, আমি মরে যাব আপনাকে ছাড়া…!"

চৈতি আর কথা শেষ করতে পারে না। মরে যাব শব্দটা কানে যেতেই তুরাগ রুদ্রমূর্তি ধারণ করে। চৈতির দুকাঁধ ধরে শক্ত করে এক ধমক দিয়ে ওঠে,

"চুপ! একদম চুপ! খবরদার, আর একবারও যদি মরার কথা মুখ দিয়ে আনছিস, তবে তোর খবর আছে চৈতি!"

তুরাগের তীক্ষ্ণ ধমকে চৈতি ভড়কে গিয়ে কান্না থামিয়ে দেয়। তুরাগের চোখ দুটো অন্ধকারেও জ্বলজ্বল করছে। তার বুকটা ধড়ফড় করছে রাগে। এই মেয়েটা কত অবলীলায় মৃত্যুর কথা বলে দিল!কি নিষ্ঠুর নারী ! তার সাথে তো ঠিকমতো সংসারটাই হলো না, অথচ সে এখনই বিদায়ের কথা বলছে? তুরাগ নিজের কপালটা চৈতির কপালের সাথে ঠেকিয়ে ভারী গলায় বলে,

"এতই সহজ ভেবেছেন সব? আমি আপনারে ছাড়মু না রাজকন্যা, মউত আসলেও না। আমি চাই আপনার আমার রুহ যেন একলগে কবজ হয়। আমি বেঁচে থাকতে আপনারে ছাইড়া কোথাও যামু না, আর আপনারেও কোথাও যাইতে দিমু না। আপনে ছাড়া আমার দুনিয়া আন্ধার, সেই আন্ধারে আমারে ঠেইলা দেওয়ার কথা ভাববেনও না কোনোদিন।"

চৈতি তুরাগের মুখের দিকে স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে। লোকটা কি জানে না, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না? বিশেষ করে এই অতিরিক্ত মায়া? যদি কোনো কারণে এই মায়া ছিঁড়ে যায়, তবে তো বেঁচে থাকাটাই দায় হয়ে পড়বে। চৈতির মনে হয় এখনই তুরাগকে সতর্ক করা উচিত। সে তুরাগের প্রশস্ত বুকে নিজের ছোট হাতটা রেখে বড় বড় নিঃশ্বাস নেয়। তারপর খুব কাতর গলায় বলে,

"এতটা ভালোবাসবেন না দয়া করে, আমার এই পোড়া কপালে এত সুখ সইবে না।"

তুরাগ চৈতির কথা শুনে ম্লান হাসে। বউটা কি জানে না তার কপালটাও খুব একটা সুবিধার নয়? কিন্তু আজ সে কোনো ভয় বা শঙ্কার কথা শুনতে রাজি নয়। সে চৈতিকে আরও একটু নিবিড়ভাবে নিজের গায়ের সাথে জড়িয়ে ধরে। চৈতির কপালে নিজের ওষ্ঠজোড়া ছুঁইয়ে দিয়ে দুষ্টুমি ভরা গলায় ফিসফিস করে বলে,

"আই লাভ ইউ আমার ফুটবল টিমের আম্মা!"

~

আসলে নিয়তি বড়ই বিচিত্র। মানুষের মন অনেকটা নদীর জোয়ার-ভাটার মতো বিশাল কোনো ঢেউ এসে সব তছনছ করে দিয়ে গেলেও, জল আবার ঠিকই থিতিয়ে আসে। কারো জন্যই কারো জীবন চিরকাল থেমে থাকে না। কাছের কেউ মারা গেলে প্রথম দিন যে অসহ্য শূন্যতা বুকের ভেতর হাহাকার করে ওঠে, সময়ের প্রলেপে পরের দিনগুলোতে শোকের তীব্রতা আর এক থাকে না। কুহু মারা যাওয়ার আজ দুই সপ্তাহ পূর্ণ হলো। প্রথম কয়েকদিন এ বাড়িতে বাতাসের সাথে কান্নার শব্দ মিশে থাকত, একটা ভারী শোকের ছায়া সবার মুখগুলোকে বিবর্ণ করে রেখেছিল। কিন্তু এখন চারপাশটা একদম স্বাভাবিক। কুহুর বাবা-মা শোকাতুর মন নিয়েই আবার কানাডায় পাড়ি জমিয়েছেন। যান্ত্রিক জীবনের টানে হোক বা স্মৃতি ভুলে থাকার তাগিদে, তারা ফিরে গেছেন নিজেদের চেনা গণ্ডিতে। কিয়ামের শোক এখন প্রতিহিংসায় রূপ নিয়েছে। তাকে আর আগের মতো দিশেহারা দেখায় না, বরং তার চোখের দৃষ্টিতে এখন এক শীতল ধূর্ততা। সে আজকাল নিজের কাজ আর রাজনীতির চেয়েও বেশি ব্যস্ত আরিফ খানকে সাহায্য করতে। আরিফ খানের হাতে কিছু বিশ্বস্ত আর ধুরন্ধর লোক তুলে দেওয়ার জন্য কিয়াম আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তার মনে মনে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছে যে, গ্রামের ঘটা এই সমস্ত অপরাধের পেছনে তুরাগও সমানভাবে শামিল। নাহলে একটা মানুষ সম্পর্কে গ্রামের কেউ একটা শব্দও উচ্চারণ করতে চায় না কেন? কেন সবাই তুরাগের নামে মুখ বন্ধ করে রাখে?

জহিরের কথাগুলো কিয়াম প্রথমে পাত্তা না দিলেও, পরে সে নিজের লোক লাগিয়ে খুব ভালো করে খোঁজখবর নিয়েছে। সে জানতে পেরেছে, তুরাগ গ্রামের বাইরেই বেশি থাকতো ঠিকই, কিন্তু গ্রামে তার আসা-যাওয়া ছিল নিয়মিত। তবে খটকা এক জায়গায় টানা দুই বছরেরও বেশি সময় তুরাগকে কেউ এলাকায় দেখেনি, এমনকি তার পরিবারের সবাই যখন মারা গেল, তখনও সে গ্রামে আসেনি। কিয়াম নিজের মনেই ছক কষে নিয়েছে নিশ্চয়ই তুরাগ কোনো বড় অপরাধী চক্রের সাথে জড়িত, তাই বলেই তখন গা ঢাকা দিয়েছিল। কিয়ামের আসল উদ্দেশ্য অপরাধ দমন করা নয়, বরং তুরাগকে রাস্তা থেকে সরানো। সে মনে মনে একটা নীল নকশা তৈরি করেছে তুরাগকে যখন পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে টেনে নিয়ে যাবে, চৈতি তখন সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়বে। সেই চরম অসহায়ত্বের মুহূর্তে কিয়াম ত্রাতা হয়ে চৈতির পাশে গিয়ে দাঁড়াবে, তার মন জয় করবে। এই কথাগুলো ভাবলেই কিয়ামের শরীর উত্তেজনায় কাঁপতে থাকে। সে প্রহর গুনছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণের, যখন চৈতি হবে কেবলই তার। তুরাগকে ফাঁসাতে কিয়াম ইতিমধ্যেই নিজের পকেট থেকে কয়েক লক্ষ টাকা লোকজনের পেছনে উড়িয়ে দিয়েছে। তুরাগের ছোট-বড় যত অপরাধের রেকর্ড আছে, সব খুঁড়ে বের করার আদেশ দিয়েছে সে। কিয়াম মনে মনে ঠিক করে রেখেছে, প্রয়োজনে পুরো গ্রামের যত অমীমাংসিত অপরাধ আছে, সব তুরাগের কাঁধেই চাপিয়ে দেবে। ভালোবাসার জন্য না হয় সে একটু মিথ্যাবাদী হলো, তাতে কার কী ক্ষতি? ক্ষতি হলেই বা তার কী, কিয়ামের তো শুধু চৈতিকে চাই। চৈতিকে পাওয়ার জন্য সে যদি পুরো গ্রাম জ্বালিয়ে দিতে হয়, তাতেও তার কোনো দ্বিধা নেই।কিয়াম টেবিলের ওপর কাগজ-কলম নিয়ে গভীর মনোযোগে ছক আঁকছে। প্রতিটি নিখুঁত চাল তাকে চৈতির আরও কাছে পৌঁছে দেবে এই ভাবনায় সে মশগুল। তার এখন হাতে অনেক কাজ, প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। এমন সময় জহির দরজায় এসে তাকে ডাকল,

"ভাই…"

কিয়াম বিরক্তিতে কপাল কুঁচকে তাকায়। কাজের মাঝখানে ব্যাঘাত সে একদমই পছন্দ করে না। বিরক্তি মাখানো গলায় বলে,

"বল, কী হয়েছে?"

"ভাই, অফিসার ফোন দিছে।"

জহিরের মুখে এ কথা শুনতেই কিয়ামের টনক নড়ে। সে তড়িঘড়ি করে জহিরের হাত থেকে মোবাইলটা ছিনিয়ে নেয়। কোনো রকম কুশল বিনিময় বা সৌজন্যবোধের তোয়াক্কা না করেই সরাসরি কাজের কথায় আসে সে। উত্তেজনায় তার গলার স্বর কিছুটা কাঁপছে,

"লোক জোগাড় হয়ে গেছে। কবে থেকে লাগবে বলুন?"

আরিফ খান ফোনের ওপাশ থেকে কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থাকেন। তারপর একটা শব্দহীন, রহস্যময় হাসি হাসেন। কিয়ামের এই অতিরিক্ত উত্তেজনা আর উঠেপড়ে লাগাটা তাঁর অভিজ্ঞ চোখে কেমন খটকা তৈরি করছে। একজন ঝানু রাজনীতিবিদ কেন এই তুচ্ছ গ্রামের পেছনে নিজের জান-প্রাণ আর কাড়ি কাড়ি টাকা ঢালছে, সেটা তাঁর কাছে বড় কোনো রহস্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে কিয়ামকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়াও তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় এই অচেনা গ্রামে নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে হলে আর এমন একজন ভয়ংকর অপরাধী যে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে খুনের নেশায় মত্ত হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে তাকে ধরতে হলে কিয়ামের মতো স্থানীয় তাঁর বড় প্রয়োজন। আরিফ খান গম্ভীর গলায় বলেন,

"কালই লাগবে। কিন্তু তাদের হুট করে মাঠে নামিয়ে দেওয়া যাবে না, কিছু ট্রেনিং আর ব্রিফিংয়ের প্রয়োজন আছে।"

কিয়ামের অস্থিরতা কিছুটা প্রশমিত হয়। সে আর কথা না বাড়িয়ে ফোনটা কেটে দেয় এবং নিবিষ্ট মনে আবারও নিজের ছক সাজাতে শুরু করে। তার চোখের মণি অস্থিরভাবে কাগজের ওপর এদিক-ওদিক ঘুরছে। জহির স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে দৃশ্যটা দেখছিল। তার কাছে ইদানীং কিয়ামকে আর সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ মনে হয় না। জেদ আর প্রতিহিংসা কিয়ামকে ভেতর থেকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে সে ধীরে ধীরে এক মানসিক বিকারগ্রস্ততায় ডুবে যাচ্ছে। এই উন্মাদনা, এই রক্তচক্ষু সবই নিশ্চিত পতনের ইঙ্গিত। কিন্তু সরাসরি কিয়ামকে কিছু বলার সাহস জহিরের নেই। সে মনে মনে ঠিক করে নেয়, আজই লায়লা বেগমের কাছে যাবে। কিয়ামের এই বদলে যাওয়া রূপ আর মানসিক অস্থিরতার কথা তাঁকে জানানো বড্ড জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রাণের মানুষটাকে এভাবে তিলে তিলে শেষ হয়ে যেতে দেখে জহিরের বুকটা হাহাকার করে ওঠে।

চলবে….

(গত পর্বের রিচ দেখে সত্যিই আমি অবাক হয়ে গেছি অর্ধেক পাঠকের কাছেই গল্পটা পৌঁছায়নি। যতটুকু শুনেছি, প্রায় সবার পেজেই একই সমস্যা হচ্ছে।তাই অনুরোধ থাকবে, কষ্ট করে পিন করা লিংক থেকে দেখে নিবেন নতুন পর্ব এসেছে কিনা। আর অবশ্যই আপনাদের রেসপন্স জানাবেন। সারাদিন হাসপাতালে কাটিয়ে এসে একটুও বিশ্রাম না নিয়ে আপনাদের জন্য গল্প লেখা শুরু করেছি তাই আপনাদের এতটুকু আবদার করতেই পারি।)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২৬তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন