#প্রেমোত্তাপ
#মম_সাহা
২১.
ক্লান্ত রজনী। ফুরিয়ে আসা দিনের বিজ্ঞাপন নিয়ে পথে নেমেছে নিবিড় রাত্রি। চিত্রার একা বসে থাকা তেপায়া যানটা এসে থেমেছে তাদের বাড়ির সামনেটায়। সাথে চিত্রার মলিন একাকীত্ব এবং পেছন ফেলে আসা প্রিয় প্রেমিকের স্মৃতিও এসেছে তার সাথে। রিকশা থেকে নামতেই এলাকার কোণায় কোণায় জ্বলতে থাকা হলুদ বাল্বের কল্যাণে আলোকিত পথটার ধারে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল তার ভাইকে। কেবল ভাইজান একা নয়, একটু গাঢ় চোখে তাকাতেই খেয়াল করল কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে আছে তার আব্বু আর বড়ো আব্বু। মৃন্ময় ভাইয়াকেও দেখা যাচ্ছে। বিল্ডিং এর মূল গেইটের সামনে জুবুথুবু হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তার তিন বোন। চিত্রা রিকশা থেকে নামতেই সকলের ধ্যান যেন তার উপর এসে নিবদ্ধ হলো। বিস্মিত, হতভম্ব দৃষ্টি সকলের। সবার এই তাজ্জব দৃষ্টি মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষে ছড়িয়ে যেতেই চিত্রার মনে হলো রাত ঘন হয়েছে অথচ সে অবলীলায় বাড়ির বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে! বাড়ির মানুষ গুলো কী তার চিন্তাতেই বাহির হয়েছে! চিত্রার দুরুদুরু বুকে প্রশ্নের স্তূপ। সেই স্তূপ চাপা দিয়েই সে রিকশা থেকে নেমে দাঁড়াল। ততক্ষণে তার বাড়ির সকলে ছুটে চলে এসেছে তার সামনে। চিত্রা রিকশা থেকে নামতে দেরি অথচ সশব্দে তার গালে চ ড় পড়তে দেরি হলো না। ভয়ানক চ ড়ে মেয়েটার চোখ-মুখ অন্ধকার করে এলো। চোখের সামনে আঁধার করে যেন পুরো পৃথিবী ঘুরে উঠল। চিত্রা কিংকর্তব্যবিমূঢ় নয়ন যুগল মেলে সামনে তাকাতেই নিজের বাবার অগ্নি দৃষ্টির ভয়ঙ্কর দাবানলে ঝলসে গেল তার চিত্ত। সে গালে হাত দিল, ভীত নয়ন নত করল। সাথে সাথে ভেসে এলো নুরুল সওদাগরের ভয়ঙ্কর হুঙ্কার,
“রাত-বিরাতে না বলে বাসা থেকে উধাও হয়ে গেছো যেহেতু, সেহেতু ফিরে আসার কী প্রয়োজন ছিল? ফিরে না আসলেই তো পারতে। ফিরে এলে কেন? হ্যাঁ?”
চিত্রাদের বিল্ডিং-এর আশেপাশের বিল্ডিং গুলোর বন্ধ থাকা প্রত্যেক রুমে আলো জ্বলে উঠল। প্রায় সবাই জানালা-দরজা দিয়ে উঁকিঝুঁকি মেরে বুঝার চেষ্টা শুরু করল কি হচ্ছে নিচে। আর ইতিমধ্যে যারা জেনেছে চিত্রার নিখোঁজের খবরটা তারা বলাবলি করছে কি যেন! তুহিন ছুটে এলো বোনের সামনে, আগলে দাঁড়াল বোনকে। ছেলেটার চোখ-মুখও রাগে লাল হয়ে গেছে। আশেপাশে তাকিয়েই সে রাগ সংবরণ করল, দাঁত কিড়মিড় করে বাবার উদ্দেশ্যে বলল,
“আপনার বুঝতে হবে যে সব জায়গায় সিনক্রিয়েট করা উচিৎ নয়। বয়সটা কী এমনেই হয়েছে?”
নুরুল সওদাগরের চেহারায় ক্রোধ নেমে গিয়ে ভর করল অবাক। সে তাজ্জব বনে গিয়ে বলল,
“কী বলছো তুমি এসব? তোমাদের আশকারার কারণে আজ ও মাথায় উঠেছে। তোমরা তা বুজছো না।”
“আশকারা যেহেতু আমরা দিয়েছি, শাসনও আমরাই করব। আপনি যেহেতু স্নেহের বেলায় উদাসীন সেহেতু শাসনের বেলায় এগিয়ে আসার কোনো প্রয়োজন নেই।”
নুরুল সওদাগর আরেকটি ভয়ঙ্কর ধমক দেওয়ার জন্য মুখ খোলার প্রস্তুতি নিতেই তাকে থামিয়ে দিলেন আফজাল সওদাগর। গুরু-গম্ভীর কণ্ঠে বলল,
“নুরু, বাড়ির সম্মান নিয়ে রাস্তায় মজা উড়ানোর কাজ তোকে মানায় না। আর বাড়ির মেয়ের গায়ে হাত তোলা আমার পছন্দ না জানার পরও কাজটা কীভাবে করেছিস? আর একটা কথাও বাড়াবি না। যা কথা বলার, বাড়ির ভেতরে হবে।”
ভাইয়ের কথার উপর কথা বলার ক্ষমতা নেই নুরুল সওদাগরের। তাই সে চুপ হয়ে গেলো। তৎক্ষণাৎ পাশের বিল্ডিং থেকে একটি ধারাল কটুক্তি ধেয়ে এলো,
“সওদাগর বাড়ির মেয়েদের তো ভালো গুণ! কেউ রাত-বিরেতে ভাইরাল হচ্ছে, কেউবা ঘর ছাড়ছে। বাহ্! একেকজন খুব গুণী।”
কটুক্তিটা বেশ ভয়ঙ্কর ভাবেই তেড়ে এসে হামলে পড়ল যেন সওদাগর বাড়ির সম্মানের উপর। সবচেয়ে বেশি আঘাত করল চাঁদনীকে। যে মেয়েটা সারাটি জীবন সম্মান নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিল আজ তার সম্মান নিয়েই টানা-হেঁচড়া হচ্ছে খোলা রাস্তায়। মৃন্ময়ও তড়িৎ গতিতে চাঁদনীর দিকে চাইল কথাটি শুনে। মেয়েটা সদর দরজার ভেতর আরেকটু যেন আড়াল হয়ে গেল। হয়তো লজ্জায়! মৃন্ময়ের রাগ উঠল, হুঙ্কার দিয়ে উঠল কটুক্তি করা মানুষটির উপর। বেশ ভেঙিয়ে ভেঙিয়ে বলল,
“সওদাগর বাড়ির কে কি করছে তা না দেখে, আপনার বাড়ির কে কি করছে তা দেখেন আন্টি। সওদাগর বাড়ি ভাইরাল হলেও মুখে চুন কালি মাখার মতন কিছু করেনি। অথচ আপনাদের এমন অনেক কাহিনী আছে যা ভাইরাল হলে আপনাদের মরা ছাড়া উপায় নেই।”
মৃন্ময়ের জবাবেই সকলের মুখ বন্ধ করতে যথেষ্ট ছিল৷ আশেপাশের বাড়ির বেশিরভাগ মানুষ লাইট বন্ধ করে ভেতর চলে গেলো। কেউবা রয়ে গেলো শেষপর্যন্ত মজা দেখার লোভে। চাঁদনী ছুটে ভেতর চলে গেলো। আফজাল সওদাগর মৃন্ময়কে কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুললেন না।
নিষ্ঠুর রজনী গাঢ় হলো, সাথে গাঢ় হলো সওদাগর বাড়ির আলোচনা। একেক জনের একেক রকম প্রশ্নের সম্মুখীন হলো চিত্রা কিন্তু উত্তরে সে ছিল উদাসীন, ভাবুক, নিশ্চুপ। অবশেষে কথা বললেন মনোয়ারা বেগম। চিত্রার সম্মুখীন হয়ে রাশভারী কণ্ঠে শুধালেন,
“কোথায় গিয়েছিলে তুমি? কাউকে না বলে?”
আর সবাইকে তোয়াক্কা না করলেও দাদীকে অসম্মান করার ইচ্ছে নেই চিত্রার। তাই ক্ষীণ স্বরে জবাব দিল,
“আমার একা একা ঘরে ভালো লাগছিল না। তাই ভেবেছিলাম বাহির থেকে হেঁটে আসি। হাঁটতে হাঁটতে একটি জায়গায় বসলাম, অথচ এতটা সময় কেটে গেল টেরই পাইনি।”
চিত্রার সাজানো মিথ্যে উত্তরটা গ্রহণীয় হলো তা সকলের মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। তবুও দাদী থেমে নেই, বরং নিজের ছেলেদের উদ্দেশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে বললেন,
“আফজাল, নুরু, আমজাদ..... তোমরা তোমাদের সন্তানদের, বিশেষ করে মেয়েদের এত আহ্লাদ আর স্বাধীনতা দিয়েছ যে তারা তোমাদের সম্মান নিয়ে ভাবছে না। আফজাল তো তার মেয়েকে দেশ ছাড়া করে স্বাধীনতার পথ আরও সুদীর্ঘ করেছেই, তাকে আর আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু নুরু আর আমজাদ, তোমরা শক্ত হাতে হাল ধরো। যদিও অহিকে কখনো অস্বাস্থ্যকর কিছু করতে দেখিনি তবুও, এ পরিবেশে থাকলে অস্বাভাবিক হতে সময় লাগবে না। প্রত্যেকের বিয়ের বয়স হয়েছে। বিয়ের তোরজোর করো। নাহয় একজন ধরা পড়েছে রাতে এক ছেলের সাথে, আরেকজন না বলে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেছে, এরপর কী হবে আমি ভাবতে পারছি না।”
আবারও কথার তীর চাঁদনীর বুকে এসে ক্ষত বাড়িয়ে দিল তার দ্বিগুণ। সে দাঁত মুখ শক্ত করে রাখল যেন তার দুর্বল সত্তা খোলশ ছেড়ে বেরিয়ে না আসে। চিত্রাও অসহায় দৃষ্টিতে চাইল বোনের পানে। তার জন্যই আজ বার বার আপাটাকে মানুষ আকারে-ইঙ্গিতে কথা শোনাচ্ছে। কিন্তু দমে গেলেন না মুনিয়া বেগম, বরং মেয়েদের দেয়াল হয়ে কিছুটা কর্কশ কণ্ঠে বললেন,
“একটা মানুষের সারাদিন ঘরবন্দী জীবন ভালো না-ই লাগতে পারে, তাই বলে তাকে বিয়ে দিতে হবে আরও হেনতেন বলার কোনো মানে নেই। তাছাড়া চাঁদনীকেও কথায় কথায় টানার কোনো কারণ দেখিনা। রাত-বিরেতে ভাইরাল হওয়াটা ছিল ওর ভাগ্যের নির্মমতা, কিন্তু ওর চরিত্র এখনো দাগহীন আমি জানি। ঘরের মানুষই যদি দুর্বলতায় আঘাত করি তাহলে বাহিরের মানুষ আমাদের ছেড়ে কথা বলবে?”
মনোয়ারা বেগম তার পুত্রবধূর উপর ক্ষুব্ধ হলেন। কিছুটা রাগী কণ্ঠে বললেন,
“তোমাকে এ বাড়ির বউ করে আনাটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল।”
“সত্যিই তাই। আপনার ভুলের জন্য আমাকে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভুল একজনের আর আফসোসের জীবন কাটছে আরেকজনের। হাহ্! সবই ভাগ্য।”
মুনিয়া বেগমের মোক্ষম যুক্তির পরে হতবিহ্বল মনোয়ারা বেগম। নুরুল সওদাগরও সরু চোখে স্ত্রীর পানে চাইল। আর বাকিদের ঠোঁটে মিটমিট হাসি ছড়িয়ে গেল। দাদীকে এমন জবাব না দিল৷ তিনি চুপ হতেন না আর একমাত্র এই মানুষটি ছাড়া কেউ এমন জবাব দিতেও পারত না। মায়ের প্রতি ভালোবাসা চিত্রার দ্বিগুণ বাড়ল। বাবা তাকে অবিশ্বাস করলেও মা তাকে কত বিশ্বাস করে! বড়ো চাচীর মতন মা অবুঝ নয়। সন্তানকে আঘাত করেন না তিনি! সেই আলোচনার ইতি ঘটল সেখানেই।
_
অহির ব্যস্ত পা জোড়া নির্নিমেষ ছুটছে। আজ ইম্পর্ট্যান্ট একটি ক্লাস আছে অথচ ঢাকা শহরের জ্যামের জন্য তার বুঝি সেই ক্লাস আর করা হলো না! রিকশা একাধারে জ্যামে আটকে থাকায় সে পায়েই হাঁটা শুরু করেছে। তাড়াতাড়ি তো পৌঁছানো যাবে। বড়ো রাস্তা ছেড়ে গলি ধরল সে। সূর্যের তেজ মাথার উপর তখন বাড়ছে। রোদে চোখ ঝিমিয়ে আসতেই তার মাথার উপর ছাতা তুলে ধরল কেউ। অহি অবাক হলো, বিস্মিত ভঙ্গিতে পাশ ফিরে চাইতেই দেখল ফর্মাল পোশাকে হাসছে এক সুপুরুষ। পুরুষটির হাসি ছড়িয়ে গেল অহির ঠোঁট অব্দি। মেয়েটা মুচকি হেসে বলল,
“আরে, হুমুর বাপ যে! কী খবর শুনি?”
নওশাদের হাসির আরেকটু প্রশস্ত হলো। গা দুলিয়ে হেসে বলল,
“কোনো খবর নেই আপাতত। আপনি দু'কদম এগিয়ে এলে সম্ভবত নতুন কোনো খবর হয়তো তৈরী হবে।”
অহি ভ্রু জোরা কুঁচকাল, সন্দিহান কণ্ঠে বলল, “কোন আগানোর কথা বলছেন?”
“যে আগানোতে আপনার সাথে হুমুর দেখা হবে। এই তো সামনে আমার গাড়ি। হুমু সেখানেই আছে। আসুন। এই আগানোর কথাই বললাম। অন্যকিছু ভাববেন না, ম্যাডাম।”
নওশাদের দুষ্টু কণ্ঠে হেসে উঠল অহি। মাথা দুলাতে দুলাতে বলল,
“আমার সাথে চালাকি? সাইকোলজির স্টুডেন্ট আমি। সব বুঝি, হুহ্৷”
“মন বুঝেন তো?”
নওশাদের গাঢ় ইশারায় অহি মাথা ঘুরিয়ে ফেলে। লোকটা লজ্জা দিচ্ছে আজকাল।
_
ধরায় তুমুল সূর্যের তাপ দেওয়ার পর গগন এখন শান্ত। গুরু-গম্ভীর ভাবে ডেকে উঠছে সে কিছুক্ষণ বাদে বাদে। চিত্রা উদাসীন চোখে সেই আঁধার আকাশ দেখছে। আজকাল তার আকাশ দেখতে ভালো লাগে। কেমন মন ভালো হয়ে যায় সেখানে চাইলে! চিত্রার ধ্যানের মাঝেই গগন চিরে বেরিয়ে এলো বৃষ্টির বিন্দু। শীতল করল ধরা। শান্তি, স্বস্তিতে ভোরে উঠল প্রকৃতি। বৃষ্টির ফোঁটায় ভেসে এলো অতীত। বেজে উঠল ব্যাথার সুর। আগে বৃষ্টি নামলেই চিত্রা আর বনফুল পথ আগলে দাঁড়িয়ে পড়তো। হৈচৈ করে ভিজতো অনেকক্ষণ। কী আনন্দ ছিল তখন! তখন চিত্রা দুঃখ চিনতো। অথচ আজ....!
চিত্রার বুক ভার করা অতীত বিশ্লেষণের মাঝেই পথ হতে বহু পুরোনো সেই খিল খিল হাসির হুঙ্কার শোনা গেলো। যেই হাসিতে মুগ্ধ হলো আকাশ, বাতাস, পাতাল ও পৃথিবী। মুগ্ধ হলো বন্ধুত্বের বীজ। চিত্রা বনফুলকে ভিজতে দেখে তৎক্ষণাৎ ছুটে গেলে নিচে। কারো ডাক শুনল না, বাঁধন মানল না। এই বুঝি বন্ধুত্ব তাকে দু-হাত মেলে ডাকছে। এখন আর কোনো পিছুটান তার জন্য নয়। আনন্দের রথে করে যখন চিত্রার সকল সুখ ফিরে এলো ঠিক তখনই থেমে গেল চিত্রা। মেইন গেইটটার সামনে এসে থামকে গেল পা। আজ বনফুল একা ভিজছে না, তার সঙ্গী হয়েছে নতুন। চিত্রার জায়গায় আজ নোঙর নামক মেয়েটির অবস্থান। দু'জনেই আনন্দে হাসছে। চিত্রা ড্যাবড্যাব করে সেই দৃশ্য দেখল। বুকের ভেতর তাজা ক্ষত। চোখে অশ্রুদের ভীড়। ভগ্নাবশেষ মনটুকু নিয়ে ফিরে যেতে নিলেই তার হাত আঁকড়ে ধরে বাঁধা দিল কেউ৷ চিত্রা থেমে গেল। তার ভাঙা মনটাকে জোরা দিতে দিতে প্রেমিক বলল,
“ভিজবে না, রঙ্গনা? বৃষ্টি না তোমার বড়ো প্রিয়?”
চিত্রা ঘাড় ঘুরিয়ে চাইল। বাহার ভাইয়ের নিখাঁদ হাসি ভেসে উঠলো চোখের সামনে। চিত্রা অভিমানী স্বরে বলল,
“কার সাথে ভিজবো? বনফুলের যে সঙ্গী হয়েছে নতুন।”
বাহার হাসল। ঝাকড়া চুল গুলো এলোমেলো করে বলল,
“কষ্ট পেয়ো না, রঙ্গনা। পৃথিবীর নিয়মই যে এমন! পুরাতন অবহেলা পায় নতুনের উন্মাদনায়। কোনো শূন্যস্থান পৃথিবী অপূর্ণ রাখে না যে! তাই তো আজ আমি তোমার সঙ্গী হলাম। তোমার এটুকু দুঃখের ভার নাহয় আমিই নিলাম কাঁধে। কষ্ট পেয়ো না, মেয়ে। দিনশেষে মানুষ যে বদলাবেই।”
“আমার ভীষণ কষ্ট হয়, বাহার ভাই।”
“তাইতো আমি, তোমার সুখ হয়েছি মেয়ে।”
#চলবে
[রেসপন্স, রেসপন্স, রেসপন্স করবেন ওক্কে? ম্যালা দিন অসুস্থ ছিলাম। ডাক্তার কবিরাজ নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করলাম। সুস্থ হতেই গল্প দিলাম। ভালোবাসা দিবেন সাথে সুন্দর মন্তব্যও। অনেকদিন পর লিখাতে ছন্দপতনও হয়েছে অবশ্য।]