#মাঝরাতের_রোদ্দুর
#পর্ব ৯
#নওরিন কবির তিশা
-আমাকে দেখে কোন অ্যাঙ্গেল থেকে তোমার ওয়েটার ভাইয়া লাগছে??
সামান্য তেজের আভাস পাওয়া গেল সৌজন্যের কণ্ঠ থেকে।
-ওওও তাহলে কি আপনাকে আংকেল বলা উচিত ছিল?? sorry আঙ্কেল ভুল হয়ে গেছে।
টিটকারি মেরে কথাটা বলল নিঝুম।
-এই মেয়ে এই, আমাকে দেখে কোন অ্যাঙ্গেল থেকে তোমার ওয়েটার মনে হচ্ছে, হ্যাঁ??
-উমম... সব অ্যাঙ্গেল থেকেই মনে হচ্ছে। শুধু একটাই সমস্যা ড্রেসটা... আল্লাহই জানে বড় চাচ্চু আর কাকিআম্মু কোন ডেকোরেশন টিমকে হায়ার করেছে। এরা তো দেখছি রুলস ই মানে না। যাইহোক ব্যাপার না। আপনি যা বললাম তাই করেন আমার জন্য এই ফ্লেভারের একটা সফট ড্রিংকস নিয়ে আসেন।
-আমি তোমার চাকর না।
-হ্যাঁ,হ্যাঁ। জানি,জানি। আপনার কি মনে হয় আমি চাকর রাখলে আপনার মতন এরকম একটা বদমাইশ কে রাখতাম। এরকম হলে তো প্রথম দিনই তার চাকরি নট করে দিতাম।
-আমিও তোমার মতন মাথায় গোবর পোরার বাসায় চাকরি করতাম না।
-আমার মাথায় গোবর পোরা। আপনার মাথায় কি হ্যাঁ?? আপনার মাথায় তো পুরো গোবরের ফ্যাক্টরি।
তাদের এই ঝগড়ার মাঝেই হঠাৎ করে চলে আসে শিশির। এসে বলে,
-কি হয়েছে তোর ঝগড়া করছিস কেন হ্যাঁ?? আর সৌজন্য তোর হাতে এতগুলো সফট ড্রিংকস কেন??
-আরে নুয়া আপু। দেখো না আমি ওয়েটার ভাইয়াকে বলছিলাম আমার জন্য একটা স্ট্রবেরি ফ্লেভারের সফট ড্রিংকস নিয়ে আসতে। পারিনি আমার সাথে ঝগড়া করছে। বলছে আমার মাথায় নাকি গোবর পোরা।
শিশির কে সৌজন্য কিছু বলতে যাবে তার আগেই পিছন থেকে একজন বলে,
-থ্যাংক ইউ সো মাচ ভাইয়া। থ্যাংকস ফর ইউর হেল্প ।
-ইটস ওকে।
শিশির আর নিঝুম দুজনেই তাকায় থাকে। শিশির এবার শুনে,
-কি হয়েছে বল তো??
কিছুক্ষণ আগে....🌺🌺
সৌজন্য সবেমাত্র ড্রয়িং রুমে ঢুকেছে। সৌজন্য সাজিদের ছোট ভাই ।সাজিদ তখনও রিদিত আর নাহিয়ানের সাথে গল্পে ব্যস্ত। সৌজন্যের বয়সি এখানে সেরকম কেউই নেই। সে হঠাৎই দেখতে পায় একটা ওয়েটারের হাত কেটে রক্ত বের হচ্ছে। সৌজন্য দ্রুত সেখানে যায়। কর্ণাটা ফাঁকা ছিল। মূলত ওয়েটারটার হাত থেকে একটা কাঁচের গ্লাস পড়ে গিয়েছিল এবং সেটা তুলতে গিয়েই লোকটার হাত কেটে গিয়েছে। সৌজন্য দ্রুত এগিয়ে গিয়ে বলে,,
-এনি প্রবলেম ভাইয়া?? আপনার হাত কি করে কাটলো?? প্রচুর শক্তি বেরোচ্ছে তো এক্ষুনি ফার্স্ট এইড করা প্রয়োজন। কিন্তু... আমি তো জানি না কোথায় ফাস্ট এইট বক্স।
-ওকে ভাইয়া। সেরকম কিছুই হয়নি। আমি যদি এখন ফার্স্ট এইড করতে যাই তাহলে আমার এই ট্রে গুলো কে ধরবে।
-না,না আপনার এক্ষুনি ফার্স্ট এইড করা প্রয়োজন না হলে একটু পরে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। আচ্ছা দিন আপনার ট্রেগুলো আমি ধরতেছি। আপনি যে ফার্স্ট এইড করে আসেন।
-আচ্ছা। থ্যাংক ইউ সো মাচ।
-you are most welcome।
এরপর সৌজন্যে সফট ড্রিংসে ট্রেগুলো হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎই পিছন থেকে একটা মেয়ে,
-এইযে ভাইয়া, আমার জন্য একটা স্ট্রবেরি ফ্লেভারের সফট ড্রিংকস নিয়ে আসতে পারেন।
প্রথমে সৌজন্য খেয়াল করেনি এজন্য মেয়েটি একটু জোরে বলে উঠল,
-এই যে ভাইয়া ওয়েটার।
নাও সৌজন্যের মেজাজ এমনিতেই গরম হয়ে গেল। সে পিছন ফিরে মেয়েটাকে কিছু বলতে গিয়ে দেখতে পেল তার সামনে লিলিপুট সাইজের একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারপরেই এক কথায় দুই কথায় ঝগড়া লেগে গেল।
সৌজন্যে মুখ গম্ভীর করে এতক্ষণ কথাগুলো বলছিল। শিশির বহু কষ্টে নিজের হাসি থামিয়ে রেখেছিল কিন্তু এবার সজোরে হেসে উঠলো।
-আপু তুমি হাসছো। আমি কি কোন জোক বলছি? আমাকে দেখে কোন অ্যাঙ্গেলে দেখে মনে হচ্ছে ওয়েটার যার মাথায় গোবর সেও তো বুঝতে পারবে যে আমি ওয়েটার না।
শিশির এতক্ষণ কথা শুনে লজ্জা পেলেও এবার তার মেজাজ গরম হয়ে গেল। আবার তার মাথায় গোবর বলা। সে কিছু বলতে গেলেই শিশির তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল,
-আচ্ছা চল অনেক হয়েছে। আর ঝগড়া করতে হবে না। আর সৌজন্য তুই এত মেয়ে মানুষের মতো ঝগড়া কোথা থেকে শিখলি রে?? দাঁড়া এবার বাসায় গিয়ে মামনি কে বলতে হবে।
এদিকে......
একটার পর একটা সিগারেট টানছে রাকিব। আজকে আবারো তাকে একটা খু*ন করতে হবে। সে ভেবে পায় না কিভাবে সে এই পেশায় যুক্ত হলো। সে তো এরকম ছিল না। অভাব তাকে এ পর্যন্ত আসতে বাধ্য করেছে। এ পর্যন্ত সব মিলে ২০ টার উপরে খু*ন করেছে সে। প্রথমদিকে তার ভয় করত, হাত কাঁপতো তবে এখন আর কাপে না। সে বুঝে গিয়েছে এখান থেকে বের হওয়ার আর কোনো পথ নেই একটাই পথ মৃত্যু। কিন্তু সে মরে গেলে তার অসহায় মা টার কি হবে? আর তার প্রতিবন্ধী বোন?তাই এখন আর তোকে মায়া দেখালে চলবে না।
সর্বশেষ সিগারেট টা ফেলে ধোঁয়া বাতাসে উড়িয়ে সে এগিয়ে যায় গুপ্ত ঘরটার দিকে। ঘরের দরজা খুলেই সে দেখতে পায়, একটা মেয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বসে আছে। বয়স কতই বা হবে ১৮- ১৯।এই বয়সে তার জীবনাবসান হবে!! কিন্তু রাকিবের কিছুই করার নেই। কেন যে মেয়েটা মরতে এদিকে এসেছিল?? আর পড়বে না পড়বে, মালিকের বিশ্বস্ত চামচাটার সামনেই পড়ল। এসব ভাবতে ভাবতেই রাকিবের কল বেজে উঠলো....
- হ্যাঁ,বলেন।
মোবাইলের ঐপাশ থেকে একটা গম্ভীর গলা শোনা গেল,,
-মাইয়াডারে মারছোস নি??
-না এখনো মারিনি।একটু পরেই মেরে ফেলবো জ্ঞান ফিরুক।
-রাকিইবা, তুই কি কোন রকম চালাকি করার চেষ্টা করছিস নি? শুনলাম তোর নাকি মাইয়াডার লেইগা মায়া হইতাছিল। তুই নাকি ওকে পালাইয়া যাইতে সাহায্য করতে চাইতাসিলি। আমার লগে চালাকি করার ফল ভালো হবে না এটা জানোস নিশ্চয়ই। তুই মনে হয় আমার ইতিহাস সম্পর্কে জানোস না।
-না,না সাহেব। কি যে বলেন? এইসব ব্যাপারে আবার আমি চালাকি করব? আর এই পেশায় মায়া!! হয় মারতে হবে, না হলে নিজেকে মরতে হবে!!
এবার ও পাশে থাকা লোকটি গম্ভীর তবে একটু মজার স্বরে বলল,,
-এইতো কাজের পোলা। এতদিন আমার লগে থাইক্কা থাইকা বুদ্ধিডা খুলছে। তবে এমন ভাবে মারবি যেন কাক পক্ষীতেও টের না পায়।
মালিক আসলে এমনই কিছুটা ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় আর কিছুটা শুদ্ধ ভাষায় কথা বলে। রাকিব দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল,,
-আচ্ছা,,সাহেব।
তখনই মোবাইলের ওইপাশ থেকে গাম্ভীর্যপূর্ণ শব্দ শোনা গেল,,
-মনে রাখবি,, কাকপক্ষীতেও যেন টের ....
-না পায়........
চলবে......??????
(নোট: আপনারা যারা বলছিলেন যে গল্পের পর্ব গুলো অনেক ছোট হয়ে যাচ্ছে তাদের জন্য আজকে গল্পটা একটু বড় করে দিলাম ❤️ কিন্তু এর থে#মাঝরাতের_রোদ্দুর
#পর্ব ৯
#নওরিন কবির তিশা
-আমাকে দেখে কোন অ্যাঙ্গেল থেকে তোমার ওয়েটার ভাইয়া লাগছে??
সামান্য তেজের আভাস পাওয়া গেল সৌজন্যের কণ্ঠ থেকে।
-ওওও তাহলে কি আপনাকে আংকেল বলা উচিত ছিল?? sorry আঙ্কেল ভুল হয়ে গেছে।
টিটকারি মেরে কথাটা বলল নিঝুম।
-এই মেয়ে এই, আমাকে দেখে কোন অ্যাঙ্গেল থেকে তোমার ওয়েটার মনে হচ্ছে, হ্যাঁ??
-উমম... সব অ্যাঙ্গেল থেকেই মনে হচ্ছে। শুধু একটাই সমস্যা ড্রেসটা... আল্লাহই জানে বড় চাচ্চু আর কাকিআম্মু কোন ডেকোরেশন টিমকে হায়ার করেছে। এরা তো দেখছি রুলস ই মানে না। যাইহোক ব্যাপার না। আপনি যা বললাম তাই করেন আমার জন্য এই ফ্লেভারের একটা সফট ড্রিংকস নিয়ে আসেন।
-আমি তোমার চাকর না।
-হ্যাঁ,হ্যাঁ। জানি,জানি। আপনার কি মনে হয় আমি চাকর রাখলে আপনার মতন এরকম একটা বদমাইশ কে রাখতাম। এরকম হলে তো প্রথম দিনই তার চাকরি নট করে দিতাম।
-আমিও তোমার মতন মাথায় গোবর পোরার বাসায় চাকরি করতাম না।
-আমার মাথায় গোবর পোরা। আপনার মাথায় কি হ্যাঁ?? আপনার মাথায় তো পুরো গোবরের ফ্যাক্টরি।
তাদের এই ঝগড়ার মাঝেই হঠাৎ করে চলে আসে শিশির। এসে বলে,
-কি হয়েছে তোর ঝগড়া করছিস কেন হ্যাঁ?? আর সৌজন্য তোর হাতে এতগুলো সফট ড্রিংকস কেন??
-আরে নুয়া আপু। দেখো না আমি ওয়েটার ভাইয়াকে বলছিলাম আমার জন্য একটা স্ট্রবেরি ফ্লেভারের সফট ড্রিংকস নিয়ে আসতে। পারিনি আমার সাথে ঝগড়া করছে। বলছে আমার মাথায় নাকি গোবর পোরা।
শিশির কে সৌজন্য কিছু বলতে যাবে তার আগেই পিছন থেকে একজন বলে,
-থ্যাংক ইউ সো মাচ ভাইয়া। থ্যাংকস ফর ইউর হেল্প ।
-ইটস ওকে।
শিশির আর নিঝুম দুজনেই তাকায় থাকে। শিশির এবার শুনে,
-কি হয়েছে বল তো??
কিছুক্ষণ আগে....🌺🌺
সৌজন্য সবেমাত্র ড্রয়িং রুমে ঢুকেছে। সৌজন্য সাজিদের ছোট ভাই ।সাজিদ তখনও রিদিত আর নাহিয়ানের সাথে গল্পে ব্যস্ত। সৌজন্যের বয়সি এখানে সেরকম কেউই নেই। সে হঠাৎই দেখতে পায় একটা ওয়েটারের হাত কেটে রক্ত বের হচ্ছে। সৌজন্য দ্রুত সেখানে যায়। কর্ণাটা ফাঁকা ছিল। মূলত ওয়েটারটার হাত থেকে একটা কাঁচের গ্লাস পড়ে গিয়েছিল এবং সেটা তুলতে গিয়েই লোকটার হাত কেটে গিয়েছে। সৌজন্য দ্রুত এগিয়ে গিয়ে বলে,,
-এনি প্রবলেম ভাইয়া?? আপনার হাত কি করে কাটলো?? প্রচুর শক্তি বেরোচ্ছে তো এক্ষুনি ফার্স্ট এইড করা প্রয়োজন। কিন্তু... আমি তো জানি না কোথায় ফাস্ট এইট বক্স।
-ওকে ভাইয়া। সেরকম কিছুই হয়নি। আমি যদি এখন ফার্স্ট এইড করতে যাই তাহলে আমার এই ট্রে গুলো কে ধরবে।
-না,না আপনার এক্ষুনি ফার্স্ট এইড করা প্রয়োজন না হলে একটু পরে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। আচ্ছা দিন আপনার ট্রেগুলো আমি ধরতেছি। আপনি যে ফার্স্ট এইড করে আসেন।
-আচ্ছা। থ্যাংক ইউ সো মাচ।
-you are most welcome।
এরপর সৌজন্যে সফট ড্রিংসে ট্রেগুলো হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎই পিছন থেকে একটা মেয়ে,
-এইযে ভাইয়া, আমার জন্য একটা স্ট্রবেরি ফ্লেভারের সফট ড্রিংকস নিয়ে আসতে পারেন।
প্রথমে সৌজন্য খেয়াল করেনি এজন্য মেয়েটি একটু জোরে বলে উঠল,
-এই যে ভাইয়া ওয়েটার।
নাও সৌজন্যের মেজাজ এমনিতেই গরম হয়ে গেল। সে পিছন ফিরে মেয়েটাকে কিছু বলতে গিয়ে দেখতে পেল তার সামনে লিলিপুট সাইজের একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারপরেই এক কথায় দুই কথায় ঝগড়া লেগে গেল।
সৌজন্যে মুখ গম্ভীর করে এতক্ষণ কথাগুলো বলছিল। শিশির বহু কষ্টে নিজের হাসি থামিয়ে রেখেছিল কিন্তু এবার সজোরে হেসে উঠলো।
-আপু তুমি হাসছো। আমি কি কোন জোক বলছি? আমাকে দেখে কোন অ্যাঙ্গেলে দেখে মনে হচ্ছে ওয়েটার যার মাথায় গোবর সেও তো বুঝতে পারবে যে আমি ওয়েটার না।
শিশির এতক্ষণ কথা শুনে লজ্জা পেলেও এবার তার মেজাজ গরম হয়ে গেল। আবার তার মাথায় গোবর বলা। সে কিছু বলতে গেলেই শিশির তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল,
-আচ্ছা চল অনেক হয়েছে। আর ঝগড়া করতে হবে না। আর সৌজন্য তুই এত মেয়ে মানুষের মতো ঝগড়া কোথা থেকে শিখলি রে?? দাঁড়া এবার বাসায় গিয়ে মামনি কে বলতে হবে।
এদিকে......
একটার পর একটা সিগারেট টানছে রাকিব। আজকে আবারো তাকে একটা খু*ন করতে হবে। সে ভেবে পায় না কিভাবে সে এই পেশায় যুক্ত হলো। সে তো এরকম ছিল না। অভাব তাকে এ পর্যন্ত আসতে বাধ্য করেছে। এ পর্যন্ত সব মিলে ২০ টার উপরে খু*ন করেছে সে। প্রথমদিকে তার ভয় করত, হাত কাঁপতো তবে এখন আর কাপে না। সে বুঝে গিয়েছে এখান থেকে বের হওয়ার আর কোনো পথ নেই একটাই পথ মৃত্যু। কিন্তু সে মরে গেলে তার অসহায় মা টার কি হবে? আর তার প্রতিবন্ধী বোন?তাই এখন আর তোকে মায়া দেখালে চলবে না।
সর্বশেষ সিগারেট টা ফেলে ধোঁয়া বাতাসে উড়িয়ে সে এগিয়ে যায় গুপ্ত ঘরটার দিকে। ঘরের দরজা খুলেই সে দেখতে পায়, একটা মেয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বসে আছে। বয়স কতই বা হবে ১৮- ১৯।এই বয়সে তার জীবনাবসান হবে!! কিন্তু রাকিবের কিছুই করার নেই। কেন যে মেয়েটা মরতে এদিকে এসেছিল?? আর পড়বে না পড়বে, মালিকের বিশ্বস্ত চামচাটার সামনেই পড়ল। এসব ভাবতে ভাবতেই রাকিবের কল বেজে উঠলো....
- হ্যাঁ,বলেন।
মোবাইলের ঐপাশ থেকে একটা গম্ভীর গলা শোনা গেল,,
-মাইয়াডারে মারছোস নি??
-না এখনো মারিনি।একটু পরেই মেরে ফেলবো জ্ঞান ফিরুক।
-রাকিইবা, তুই কি কোন রকম চালাকি করার চেষ্টা করছিস নি? শুনলাম তোর নাকি মাইয়াডার লেইগা মায়া হইতাছিল। তুই নাকি ওকে পালাইয়া যাইতে সাহায্য করতে চাইতাসিলি। আমার লগে চালাকি করার ফল ভালো হবে না এটা জানোস নিশ্চয়ই। তুই মনে হয় আমার ইতিহাস সম্পর্কে জানোস না।
-না,না সাহেব। কি যে বলেন? এইসব ব্যাপারে আবার আমি চালাকি করব? আর এই পেশায় মায়া!! হয় মারতে হবে, না হলে নিজেকে মরতে হবে!!
এবার ও পাশে থাকা লোকটি গম্ভীর তবে একটু মজার স্বরে বলল,,
-এইতো কাজের পোলা। এতদিন আমার লগে থাইক্কা থাইকা বুদ্ধিডা খুলছে। তবে এমন ভাবে মারবি যেন কাক পক্ষীতেও টের না পায়।
মালিক আসলে এমনই কিছুটা ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় আর কিছুটা শুদ্ধ ভাষায় কথা বলে। রাকিব দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল,,
-আচ্ছা,,সাহেব।
তখনই মোবাইলের ওইপাশ থেকে গাম্ভীর্যপূর্ণ শব্দ শোনা গেল,,
-মনে রাখবি,, কাকপক্ষীতেও যেন টের ....
-না পায়........
চলবে......??????
(নোট: আপনারা যারা বলছিলেন যে গল্পের পর্ব গুলো অনেক ছোট হয়ে যাচ্ছে তাদের জন্য আজকে গল্পটা একটু বড় করে দিলাম ❤️ কিন্তু এর থেকে বড় আর একদিনে লেখা তো সম্ভব না আমি তো প্রতিদিনই পর্বগুলো দেই এর জন্য পর্বগুলোর ছোট হয়ে যেতে পারে দুঃখিত🙂)কে বড় আর একদিনে লেখা তো সম্ভব না আমি তো প্রতিদিনই পর্বগুলো দেই এর জন্য পর্বগুলোর ছোট হয়ে যেতে পারে দুঃখিত🙂)