#জমিদার_মহল
#পর্বসংখ্যা—৫
#শ্যামলী_রহমান
বাহিরে প্রবলবেগে বাতাস বইছে।শীতের মধ্যে এমন হীম বাতাস আরো শীত বাড়িয়ে দিচ্ছে।বাহিরে কুয়াসার জন্য কিছু দেখা যাচ্ছে না।জানালার খোলা থাকার কারণে বাতাসে উড়ছে কক্ষের সমস্ত পর্দা। মেহেরনাজ পালঙ্কে বসে ছিলো।শীত লাগছে এজন্য গায়ে শাল জড়ালো। ইমতিয়াজ এখনো আসেনি।কক্ষের দরজা আধ খোলা আছে কারো অপেক্ষায়।বাতাসের বেগ আরো বাড়লো।কক্ষের ভেতরে দেওয়ালে টানিয়ে রাখা বড় ছবিটা নড়ছে জোরে।
জানালা বন্ধ না করলে এখনই বোধ-হয় সবকিছু তছনছ করে উড়িয়ে নিয়ে যাবে এমনই অবস্থা।
মেহেরনাজ ছবিটার দিকে তাকিয়ে উঠে গেলো জানালা বন্ধ করতে।পর্দা গুলো উড়ার কারণে বার বার সামনে আসছে জানালা লাগাতে পারছে না। পর্দা ছেরে জানলার দুহাতে ধরে লাগাতে গেলে ঝামেলা করছে।মেহেরনাজ বিরক্ত হলো।পর্দা দুটোকে দুহাতে পেঁচানোর প্রস্তুতি নিলো তার আগেই কে একজন পর্দা গুলো টেনে ধরলো। মেহেরনাজ তখনাৎ খেয়াল না করে জানালা লাগিয়ে দিলো।হঠাৎ মতিষ্ক জানান দিলো পর্দা তো সে ধরেনি তবে?পিছনে ঘুরতে চেয়ে বাঁধা পেলো, পিঠ ঠেকেছে কারো বক্ষে। কিছুটা কেঁপে উঠলো। প্রথমে ভয় পেলেও পরে বুঝতে পারলো কে সে জন।সেইজন কানের লতিতে ঠোঁট লাগিয়ে ফিসফিস করে বলল,
“বেগমজান?তোমার তেজস্ক্রিয় মুখশ্রীর থেকে লজ্জা রাঙা মুখশ্রী বেশি সৌন্দর্য বহন করে।
কথাটুকু শেষ করে জড়িয়ে নিলো,আরেকটু কাছে আসার চেষ্টা করতেই মেহেরনাজ মতলব বুঝে তখনাৎ সরে গেলো।পালঙ্কের পাশে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করলো।নিজেকে শক্ত রাখতে হবে,যতদিন সত্য না জানছে ততদিন কাছে আসতে দিবে না সে।এমনই প্রতিজ্ঞা করলো মনে মনে।ইমতিয়াজ ততক্ষণে আবার তার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে তা বুঝতে পেরে রেগে ঘুরে তাকালো,চোখে চোখ রেখে বলল,
“ অনুমতি ছাড়া কাছে আসেন কোন সাহসে?”
“স্ত্রী'র কাছে আসতে অনুমতি নিতে হবে?”
“কেন আমি কি বাঈজীদের মতো যে অনুমতি ছাড়াই কাছে আসবেন।
এই কথাটুুুকু রেগে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিলো।ইমতিয়াজ ভীষণ রেগে গেলো।চোখে মুখে তার প্রতিক্রিয়া দেখা গেলো।চোয়াল শক্ত করে বলল,
“কিসের সাথে কিসের তুলনা করছো?”
“কেন ভুল কি বলেছি?তাদের কাছে যেতে ঘৃণা লাগেনা আমি বললেই দোষ?”
ইমতিয়াজ রাগে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেললো, মেহেরনাজের গলা চেপে ধরলো,মেহেরনাজ হকচকিয়ে গেলো,অনাকাঙ্ক্ষিত আক্রমণে চোখ অশ্রুতে টলমল করছে,কাঁশি আসছে।কন্ঠ নালী রোধ হয়ে আসছে।ছাড়ানো চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না। তখনই ইমতিয়াজ দাঁত চেপে বলল,
“পরবর্তীতে নিজেকে কারো সাথে তুলনা করার আগে একশবার ভাববে।হ্যাঁ আমি খারাপ,যাই বাঈজী গৃহে, আজও যাবো।বেগম যখন হয়েছো তখন সব মানতে হবে।জমিদার বাড়ির ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত হতে হবে।ইমতিয়াজ মেহেরনাজের গলা ছেড়ে দিলো।রাগে কক্ষের দেওয়ালে ঘুষি মরলো।মেহেরনাজ ছাড়া পেয়ে গলা ধরে শ্বাস নিচ্ছে আর গলায় হাত ছোঁয়াচ্ছে। ইমতিয়াজ এক নজর তাকিয়ে কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেলো।দরজার বাহিরে পা রাখতেই কর্ণগোচর হলো একটি কথা,
“ জমিদার বাড়ির ঐতিহ্য হয় যদি পাপ করা,
তবে সেই পাপের বিনাশ করেই বেরিয়ে যাবো এ মহল থেকে।
“পাপের রাজ্যে জড়িয়ে গেছো,যাদের ভাবছো ভালো,তাদের আসল রুপ দেখার মতো ক্ষমতা হতে তোমার দরকার সাহসীকতার ধাঁরালো অস্ত্র আরো।
এই কথাটা টুকু মেহেরনাজ বুঝলো না।ইমতিয়াজ চলে গেলো।কক্ষের দরজা খোলা পড়ে রইলো। মেহেরনাজ কারো ছাঁয়া দেখতে পেলো।ধীর পয়ে উঠে দাঁড়ালো।তড়িৎ গতিতে বাহির হলো কিন্তু আশে পাশে নেই। কি হচ্ছে এসব?তিনি বা কি বলে গেলো?কাদের আসল রুপ দেখার কথা বললো? কি রহস্য আছে লুকিয়ে এই জমিদার মহলে?
শত প্রশ্ন আছে কিন্তু উত্তর একটার ও নেই।
উত্তর তাকেই খুঁজে বাহির করতে হবে।
রাতের শেষ প্রহরে মেহেরনাজের নিদ্রা ভঙ্গ হলো। চোখ খুলে তাকালো পাশে কাউকে দেখতে পেলো না।লোকমুখে শোনা কথা আর আমার দেখা তবে মিথ্যে নয়।সঙ্গী না থাকলে বাঈজী গৃহ তার সঙ্গী হয়।এতটুকু ভাবতেই মেহেরনাজের গা ঘিনঘিন করে উঠলো।মনে মনে বলল,
“আব্বাজন সুখের জন্য আমার ইচ্ছে বিসর্জন দিলেন,
সুখ আর কপালে জুটছে কই?দুঃখই হবে আমার একমাত্র সঁই।”
সে নিরবে নামলো।দরজা খুলে বাহিরে বেরেলো। আশে পাশে চোখ বুলালো এদিকটায় কেউ নেই। চারপাশে আলো জ্বলছে।ধীরে ধীরে পা বাড়ালো মহলের অন্য প্রান্তে।এই মহলে এতো কক্ষ যার বেশি অর্ধেক তালাবন্ধ।যেতে যেতে হুট করে হোঁচট খায় একটা ফুলের টবের সাথে।ধ্বাক্কা লেগে পড়ে ভেঙে গেলে সঙ্গে সঙ্গে।সেখানে বেশ শব্দ ঝঙ্কার তুললো।
“কে? কে ওখানে?
মেহেরনাজ তড়িৎ গতিতে আড়ালে লুকালো।
পর্দার আড়াল থেকে দেখলো ইমতিয়াজ খাট থেকে উঠলো।চার পাশে তাবিদারি করছে খোঁজার আশার।ধীরে ধীরে তার দিকে আসছে তত যেন ধরা পড়ার ভয় বাড়ছে।মেহেরনাজ চোখ বন্ধ করে দেওয়ালের সাথে মিশে রইলো। পদচারণ থেমে গেলো।ইমতিয়াজের নিঃশ্বাসের শব্দ সে শুনতে পাচ্ছে,তাদের দূরত্ব নেই মাঝে আছে শুধু একটি পর্দা।মেহেরনাজ চোখ বন্ধ করা অবস্থাতে শুনতে পেলো,
“সালার বিড়ালের কাজ নেই ঘুমটা নষ্ট করে দিলো,
ঘরে নিজের বেগম ঘুমাতে দেয় না,আর বাইরে বিড়ালের বেগম।দুজনে তোরা ঘরে শত্রু বিভীষন।
ইমতিয়াজ বিরক্তি নিয়ে চলে গেলো।
মেহেরনাজ এবার চোখ খুললো।পদচারণের শব্দে বুঝতে পারলো ইমতিয়াজ চলে যাচ্ছে।মেহেরনাজ হাফ ছাড়লো।মাথা বাড়িতে দেখলো সত্যি পাশে একটি বিড়াল দুটো ছানা সহ গাঁ এলিয়ে শুয়ে আছে।তাদের দেখে মেহেরনাজের সুখি মনে হলো।
হুট করে মাথায় আসলো ইমতিয়াজের বলা শেষের কথাটা “ঘরে নিজের বেগম ঘুমাতে দেয় না,আর বাহিরে বিড়ালের বেগম।
তার এবার বেশ হাঁসি পেলো।ফিঁক করে হেসেও দিলো।দৃষ্টি রাখলো কিছুটা দূরে শুয়ে থাকা ইমতিয়াজের পানে।
তবে কি এখানেই ছিলেন?
আমিই ভুল বুঝছি?নাকি চোখে ভুল দেখছি?
সঠিক ভুল বুঝতে জানতে হবে সব সত্য।
মিলতে হবে তারই সঙ্গে,তবেই জানা যাবে।
কিন্তু জানতে হলে কাছাকাছি আসতে হবে, প্রিয় সাজতে হবে।এতটুকু ভাবতে অস্থির হয়ে পড়লো,টনক পড়লো দূরত্ব বজায় রাখতে পারাটা সত্য উদঘাটনে কতটুকু থাকবে তা।
মেহেরনাজ আড়াল থেকে বেরিয়ে গেলো।যাওয়ার আগে আরেকবার তাকালো ইমতিয়াজের পানে। চোখের উপর হাত রেখে শুয়ে আছেন নিশ্চিন্তে।
“ আপনি এই সময় কক্ষের বাহিরে কি করছেন?
মেহেরনাজ থমকে গেলো।আর একটুখানি হলেই কক্ষে পৌঁছে যেত।এই সময় কে দেখতে পেলো?কি জবাব দিবে?পিছন থেকে করা প্রশ্ন পুরুষালী কন্ঠ হলেও সে ঠিক চিনতে পারলো না।পিছনে তাকালো নজরে আসলো স্বল্প চেনা মুখ।যাকে খুব অল্প কয়েকবার দূর থেকে কিংবা আড়াল থেকে দেখেছে।ওয়াসিফের সামনে দাঁড়িয়ে আছে মেহেরনাজ।প্রশ্নের উত্তর তো দিতে হবে।আঁটকে যাওয়া কন্ঠে আত্মবিশ্বাস আনলো,মিথ্যে হলেও না থেমে উত্তর দিলো,
“আপনার ভাইজান কক্ষের বাহিরে আছে।তাই দেখতে গিয়েছিলাম কোথায় আছে।
ওয়াসিফের কপালে গাঢ় ভাঁজ পড়লো। শান্ত মতিষ্কে কয়েকবার চারপাশে নজর বুলিয়ে জানতে চাইলো,
“বাহিরে থাকবে কেন?আপনাদের তো এক সাথে থাকার কথা।
মেহেরনাজ সামনে ঘুরলো।তাচ্ছিল্যের সুরে বলল,
“ বাহিরে থাকবে কেন এটা নিশ্চয়ই আপনার অজানা নয়?
কেন বাহিরে থাকে মধ্য রাতে যখন মাতাল হয়ে নিজের গায়ে ঢলে পড়ে মহলে প্রবেশ করে তখন বুঝেন না?
ওয়াসিফ নওয়াজ খান জমিদার বংশের রক্ত শরীরে বইছে এতোটা বোকা সাঁজা আপনার কাম্য নয়।
ওয়াসিফ চমকে উঠলো কিছুটা।চোখ জোড়া বিস্মিত হলো।মুখ খানা চুপসে গেছে,ঠোঁটের কোনো অজানা প্রশ্ন রয়ে গেছে।মতিষ্কে হানা দিলো কিছুদিন আগের ঘটনা।কিন্তু এটা মেহেরনাজ জানলো কি করে?এ কথা তো কেউই জানে না।
মেহেরনাজ ওয়াসিফের বিস্ময় প্রকাশ দেখে কিছুটা এগিয়ে এলো।সামনাসামনি দাঁড়িয়ে প্রশ্নের জবাব চাইলো,
“ কি আছে আপনার ভাইজানের মধ্যে?পাপ নাকি পবিত্রতা?
পাপের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ভুল করলাম নাকি আসল রহস্য উদঘাটন করতে জড়ালাম?
আপনার তো প্রিয় ভাইজান শুনেছি তবে তার ভালো চাইবেন খারাপ নয়।যদি থাকে পাপে মত্ত তবুও বলুন ছাড়ানোর চেষ্টা করার আছে সাধ্য,
যদি না থাকে সেটাও বলুন।
ওয়াসিফ কোনো কথা বলল না।হাঁটা ধরলো পিছন ফিরে।
“প্রশ্ন থেকে পালাচ্ছেন?নাকি উত্তর?
মেহেরনাজের কথায় ওয়াসিফ দাঁড়িয়ে গেলো। পিছনে না ফিরেই জবাব দিলো,
“ সময় আসলে সব জানতে পারবেন।সবকিছু সম্মুখে জানতে চাইলে বিপদে পড়বেন।শুধু এতটুকু জেনে রাখুন আমরা সব সময় যা দেখি তা সঠিক নাও হতে পারে,আমাদের দেখার বাহিরেও কিছু সত্য থাকে।পারলে সেই সত্য বাহির করার চেষ্টা করুন।
আমার ভাইজানের মধ্যে কি আছে তা আপনার হৃদয় বলবে,পাপ থাকলে সবকিছু তছনছ হবে, পবিত্রতা থাকলে আপনার হৃদয়ে ভালোবাসার পুষ্প ফুঁটাবে।
ওয়াসিফ নওয়াজ খান কথাটুকু বলেই স্থান ত্যাগ করলো।মেহেরনাজ নিজ কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো।ধীর পায়ে কেদারায় বসে পড়লো।তার মতিষ্কে কেবল ওয়াসিফের বলা প্রতিটা কথা হানা দিচ্ছে,ধ্বনিত হচ্ছে।কি আছে ওই মানুষটার মাঝে? কেন মনে হয় সে এসবে জড়িত নয়,এর মধ্যে আছে বড় কোনো অভিনয়। কিন্তু কি?এর উত্তর খুঁজতে হবে।
স্বামী রুপে যখন গ্রহণ করেছি, তখন দায়িত্ব পালন করতে হবে মেহেরনাজের হঠাৎ তার দাদিমার একটা কথা মনে পড়লো।তার দাদিমা বলতেন,
“ ভালোবাসার মতো পবিত্র জিনিস দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়।
টনটনে দুপুরে বেরিয়েছে মেহেরনাজ তার নিজ মহলে।তার আব্বাজান আর আম্মাজানের উদ্দেশ্যে। আজ সূর্য ঘোমটা তুলেছে,রোদে পুড়ে দিচ্ছে শীতের কোমল উষ্ণতা।প্রকৃতির মতো তাকেও হতে হবে।কখনো প্রখর কখনো বা শীতলতা।মহল থেকে বেরেতো গিয়ে কয়েকজন মাথা নিচু করে সালাম দিলো।এতো সম্মাননা মেহেরনাজের পছন্দ হলো না।সে সাধারণ জীবন চেয়েছিলো এতো ঐতিহ্য আর রহস্যে মোড়া মহলে নয়। জমিদার বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে একপাশে বাগান পড়ে।সেখানে কত রঙের ফুলের বাহার,ফলের গাছ লাগানো আছে।সেখানে মালিনী কে দেখতে পেলেও ডাকলো না। তার একা যাওয়া দরকার তাই তো কাউকে না বলেই বেরিয়ে গেলো।
“ওই ফুলটা আমায় পেড়ে দিন তো।
হঠাৎ অপরিচিত নারী কন্ঠ শুনে চমকে উঠলো সে।
হাতের কাস্তেটা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ালো।নজরে আসলো সুন্দর এক নারী হাঁসি মাখা মুখশ্রী।পরনে রাজকীয় পোশাকে আরো সৌন্দর্য বহন করছে।সে তাকে চিনে কালকে একজন কে জিজ্ঞেস করে জানতে পেরেছিলো তিনি হলেন জমিদার কণ্যা মালিনী। ছেলেটি মালিনীর হাতের ইশারায় তাকালো। গাছের উঁচু ডালে একটা নাম না জানা ফুল ফুটে আছে। উচ্চতা অনুযায়ী একটু দূরেই। ঝাপিয়ে পাড়তে হবে অসস্থি বোধ করলো।কোনো কথা না বলে এগিয়ে গেলো।ঝাপিয়ে ফুলটা ছেঁড়ার চেষ্টা করলো কিন্তু পারছে না। কয়েকবার ঝাপিয়ে যখন পারলো না তখন থেমে গেলো। মালিনীর ঝঙ্কার তুলে হাঁসির শব্দে ঘুরে তাকালো।সে যেন আনন্দ পেয়েছে তার ঝাপিয়ে নাগাল না পাওয়ায়।মালিনী হাঁসি থামিয়ে বলল,
“আপনার নাম কি?কথা বলেন না কেন?
উত্তর না দিয়ে শুধু কাজ করেন?
ছেলেটি খানিক বাদে মুখ খুললো,বলল,
“আমার নাম....
বলার আগেই সে ছুৃটে অন্য প্রান্তে গেলো। তার দৃষ্টি পিছনে ছিলো।মালিনী বিস্মিত হলো, তার পালানোর কারণ খুঁজে পেলো না। তার পর পিছনে ঘুরে দেখলো তারই পিতা সাইফুদ্দিন নওয়াজ খান এদিকে আসছেন।এবার বুঝলো তার আব্বাজান কে দেখে পালিয়েছে।জমিদার কণ্যার সাথে কথা বলতে অনেকে সাহস কমই করে।মালিনী তার আব্বাজানের কাছে গেলো।তখনই সে আড়াল থেকে বেরোলো,মালিনীর পানে চেয়ে রইলো।
চলবে............?