ফন্ট সাইজ:
থিম:
হৃদয় অরণ্যে তুমি

১ম পর্ব

লেখক: শ্যামলী রহমান

এই মেয়ে পরীক্ষার খাতায় লেখা বাদ দিয়ে এভাবে তাকিয়ে আছো কেন?

পুরুষালি ভরাট কন্ঠ শুনে চমকে উঠলো অঁধরা।সামনের পুরুষটির উপর থেকে নজর সরিয়ে তাড়াতাড়ি করে লেখায় মন দিলো। বুক তার ধুকপুক করছে ভয়ে। সামনে তাকানোর সাহস হচ্ছে না।পরীক্ষা শেষ হলে যদি কিছু বলে এই ভয়ে কোনো মতো পরীক্ষা দিয়ে পাশের এক বান্ধবীর দ্বারা খাতা জমা দিয়ে দেয়।তার পর এক প্রকার লুকিয়ে পালিয়ে এসেছে।বাসায় আসতেই নুসরাতের আম্মু জাহানারা বেগম রান্না ঘর থেকে ছুটে আসলেন।মেয়ের ঘামার্থ, শুকনো মুখখানা দেখে জিজ্ঞেস করলেন"-কি হয়েছে?পরীক্ষা ভালো হয়নি?এভাবে ঘেমে গেছিস আর মুখ চোখ কেমন হয়ে আছে। 
অঁধরা সোফায় গা এলিয়ে বসলো। জাহানারা বেগম ফ্যান ছেড়ে দিলেন।ফ্যানের বাতাসে নিজেকে জিরিয়ে নিয়ে মায়ের প্রশ্নের জবাব দিলো।
"কিছু হয়নি আম্মু।পরীক্ষা মোটামুটি ভালো হয়েছে ভর্তি হওয়ার পর তো কলেজে যাইনি পড়াও সব অধ্যায় পড়া কম্পিট হয়নি বুঝতে পারছো।
জাহানারা বেগম বুঝলেন মেয়েকে শান্তনা দিলেন এই বলে।টেস্ট পরীক্ষা ব্যপার না এখন থেকে ভালো করে পড়বে এবং নিয়মিত কলেজে যাবে,ক্লাস করবে।সামনে মাস থেকে কোচিং ও করবে।
অঁধরা মনে মনে বললো,
" কলেজে তো আমাকে যেতেই হবে আম্মু।কজ সেখানে স্বপ্ন পুরুষের দেখা পেয়েছি।কিন্তু সেই স্বপ্ন পুরুষের ধমকের কথা মনে হতেই মনটা মিইয়ে গেলো।
সে যাই হোক আমি হাল ছাড়বো না। লাভ এন্ড ফাস্ট সাইড। আমাকে যে করে হোক উনাকে চাইই।
জাহানারা বেগম আবার রান্না ঘরে ছুটলেন কিছু একটা রান্না করছেন। যাওয়ার আগে বলে গেলো ফ্রেশ হয়ে আয় খেতে দিচ্ছি। 
"আব্বু আসেনি আম্মু?
'না তার নাকি কাজ শেষ হয়নি তাই আজ নয় কাল সকালে আসবে।
অঁধরা উঠে দাঁড়ালো।তখনই অনুভব করলো হাতের কনুইটা ব্যথা করছে।ব্যথায় কিনকিন করে উঠলো সাথে মতিষ্কে ব্যথা অনুভব করলো মনে হলো।পরীক্ষা শেষে তাড়াহুড়ো করে বাহির হতে গিয়ে দরজার সাথে ধ্বাক্কা খেয়ে ব্যথা পেয়েছে। ভাগ্যিস আশে পাশে কেউ দেখতে পায়নি।নয়তো কি কেলেঙ্কারির টাই না হতো। 
অবশ্য আমার কাজই ছটফটে স্বভাবের এজন্য ব্যথা আর বকা দুটোই খাই।আব্বুর বকা কম আম্মুর বকা খেয়ে দিন পার হয়। 
ওহ হ্যাঁ আমার পরিচয় টা দেই।
আমি নুসরাত জাহান অঁধরা। আব্বুর নাম নুরুল কবির। 
আম্মু জাহানারা বেগম। 
আর উনাদের আদরের একমাত্র রাজকন্যা আমি। মাঝে মধ্যে আবার জমিদার কণ্যা,নবাবের বেটি এসব ও হই।মানে আম্মুর বক্তব্যে আর কি। 
গ্রীষ্মের সকাল হতেই সূর্য মামা প্রচন্ড উত্তাপ ছড়িয়ে রেখেছে।সকাল নয়টা মনে হচ্ছে দুপুর বারো টা!এতো রোদের তাপ বাহিরে বেরোনো যেন মুসকিল। অঁধরা কলেজ গেটে দাঁড়িয়ে আছে তার দুই বান্ধবীর জন্য। ওরা আসলে এক সাথে কলেজের ভেতরে ঢুকবে।পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত শনিবার তার পর গ্রীষ্মের ছুটি ছিলো এক সপ্তাহ।
অঁধরা কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে একমনে ফোন চাপছিলো হয়তো কাউকে মেসেজ করছিলো।হঠাৎ পরিচিত পুরুষালি কন্ঠে চমকে তাকালো অঁধরা।কানে এলো স্বল্প রাগান্বিত কন্ঠ -
_" এই মেয়ে ম্যার্নান্স জানো না?কলেজের গেইটের সামনে দাঁড়িয়ে ফোন চাপছো।তোমার ক্লাস নেই?কলেজে আসো এসব করতে?কাকে মেসেজ করছিলে?বাবা, মা এসব করতে কলেজে পাঠায়?
অঁধরা হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।সামনে ইরফান স্যার। 
চোখে মুখে রাগ,বিরক্তি দেখেই বুঝা যাচ্ছে।অঁধরা কিছু বলার আগেই গটগটিয়ে চলে গেলেন।যাওয়ার আগে সানগ্লাস টা চোখে পরে একবার আমার দিকে তাকিয়ে আবার নজর সরিয়ে পা বাড়িয়ে ঠোঁটের কোনো আওড়ালো উশৃংখল,ম্যার্নান্সলেস। এই দুটো শব্দ যেন অঁধরার মতিষ্ককে গেঁথে গেলো।রাগ উঠলো ভীষণ। 
-"সালা ক্রাস খেয়েছি বলে এমন ভাব সহ্য করবো না। আমাকে ম্যার্নান্সলেস বলিস?আমি না!তোর বউ ম্যার্নান্সলেস হবে বুঝলি।
অঁধরার বিরবির করে বলা কথার মধ্যে হাঁসি মুখে হাজির হলো সামিয়া আর লাভলু।সামিয়া এসেই জড়িয়ে ধরলো অঁধরাকে ঠোঁটে দুষ্ট হাঁসি ঝুলিয়ে জিজ্ঞেস করলো।
"উহু এখানে দাঁড়িয়ে স্যারকে দেখলি?আমরা আসার সময় দেখলাম স্যার আমাদের পাস করে আসলো।
সামিয়ার হাঁসি আর প্রশ্ন দুটোই অঁধরার রাগ বাড়িয়ে দিলো।
"-দেখে আর হবে কি?সব সময় যেখানে দেখতে পায় শুধু ধমকায়।ক্রাস খেয়েছি বলে কি বার বার ধমক সহ্য করবো?
সামিয়া আর লাভলু কিছু বুঝতে পারছে না তাই লাভলু জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে জানতে চাইলো। 
-আজ আবার কি হলো?
অঁধরা রেগে ফুঁসে উত্তর দিলো।
"-একটু আগে এখানে দাঁড়িয়ে তোকে মেসেজ দিচ্ছিলাম এখনো আসছিস না কেন?আর ওই সময় স্যার এসে হাজির আমি দেখতে পাইনি। 
সামিয়া উৎসুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো,
" তার পর.....? 
"-তার পর আর কি?কথা শোনালো কয়েকটা। আমি নাকি ম্যার্নান্সলেস,উশৃংখল আরো কত কি?
নেহাতই ভালো লাগে নয়তো আমিও কয়টা কড়া কথা শুনাতাম।
লাভলু আয়েশি ভঙ্গিতে যেতে যেতে বললো,
-তোর এই রাগারাগি আমাদের দুজনের কাছে সীমাবদ্ধ। স্যারের সামনে গেলে ভয়ে তোর হাঁটু কাঁপে। ওই একটা সিনেমা আছে না?ওই সিনেমার নায়কের মতো।
লাভলুর সাথে সামিয়া ও হাঁসিতে ফেঁটে পড়লো।অঁধরা রাগি চোখে তাকালো দুজনে আরো জোরে হেঁসে চললো।
"-তোদের দুজনের সব দাঁত পড়ে যাক। ফোঁকলা হ তার পর কোনো বেডা তোদের বিয়ে না করুক।
-শকুনের দোয়ায় গরু মরে না। 
সামিয়া হাঁসি থামিয়ে অঁধরার থেকে একটু দূরে গিয়ে বললো,
'কেউ বিয়ে না করলে ইরফান স্যারকে পটাবো।
সামিয়া দৌঁড়াচ্ছে ওর পিছনে ছুঁটছে অঁধরা। 
"-খবরদার আমার স্যারের দিকে নজর দিবি না নয়তো তোর চোখ ও উঠে যাক আর কাউক না সরি ইরফান স্যার কে দেখতে না পাক তোর নির্ভেজাল চোখ। 
লাভলু দাঁড়িয়ে ওদের কাহিনি দেখছে। 
ঘন্টা দিতেই তিনজনে ছুঁটলো ক্লাস রুমে।আজকে রুটিন অনুযায়ী প্রথম ক্লাস হলো পদার্থ আর দ্বিতীয় ক্লাস বায়োলজি। অঁধরা, সামিয়া আর লাভলু এক সাথে বসেছে।স্যার আসেনি তাই তিনজনে গল্প জুড়ে দিয়েছে এর মধ্যে কখন যে স্যার এসে উপস্থিত হয়েছে ওরা টের পায়নি।গল্পের মাঝে অঁধরা জোরে হেঁসে দেয় সামিয়া আর লাভলু এবার চুপ হয়ে গেলো।অঁধরা ওদের ভয়ার্ত চেহারা আর চুপ হতে দেখে চোখ দিয়ে ইশারা করলো'-কি হয়েছে? 
সামিয়া আর লাভলু চোখ দিয়ে সামনে ইশারা করলো।অঁধরা ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে সামনে তাকাতেই চোখ সড়ক গাছ। আল্লাহ ইরফান স্যার কখন আসলেন?এখন তো রাজিব স্যারের ক্লাস হওয়ার কথা ছিলো।আজ আমার কি হবে স্যার যে রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে না জানি কি করে।
ইরফান স্যার আমাদের তিনজনকে দাঁড়াতে বললো।
সামিয়া আর লাভলু ভয়ে দুজন আমার হাত চেপে ধরলো। স্যার যে রাগি তাই সবাই ভয় পায়।আমি মুখে যতই বলি ভয় পাইনা, কিন্তু সামনে পড়লে ভয়ে আমার অবস্থা শেষ।আমাদের ভয়ের মধ্যেই স্যার বাজখাঁই গলায় নির্দেশ দিলেন "-আমার ক্লাস থেকে বাহির হয়ে যাও।
তিনজনে কিছুটা চমকে উঠলাম।
সামিয়া সাহস করে বললো,-সরি স্যার আর হবে না। 
_" আমি এক কথা রিপিট করতে চাইনা। এখনি বেরিয়ে যাও। আমার ক্লাসে এমন অভদ্রতা এবং বিশৃঙ্খলা আমি একদম পছন্দ করিনা। 
কি আর করার তিনজনে মুখ গোমড়া করে ক্লাস থেকে বেরিয়ে আসলাম। ক্লাসের কিছু ছেলে-মেয়ে আমাদের দেকে মুখ চেপে হাঁসলো। এটা যেন সহ্য হলো না গায়ে জ্বালা ধরে দিলো। তাদের সাথে স্যারকে শত খানেক গালি উপহার দিলাম তাও আবার মনে মনে।সামনাসামনি গালি দেওয়ার এতো সাহস কি আর আছে? স্যারকে বলা আমার সবচেয়ে বিখ্যাত গালি হলো'-"বুনো বাঘ।
কলেজের মাঠে কাঁঠাল গাছের নিচে বসে আছে তুন বান্ধবী। অপেক্ষা করছে পরের ক্লাসের জন্য। একটু পর ক্লাস শেষ করে ইরফান স্যার বাহির হলেন। ইসস কি কিলার লুকিং এজন্য তার উপর শত শত মেয়ে ক্রাসিত তার মধ্যে আমিও।আমার মতে অনেকে এখন স্যারের দিকে তাকিয়ে আছে।তাদের নজর গুলো আমার সহ্য হয়না ইচ্ছে করে সবগুলো চুল ছিঁড়ে ফেলি।
বরাবরের মতো আজকেও ক্রাস খেলাম।প্রথম ক্রাস খেয়েছিলাম সেই কবে।
ক্রাশ খাওয়া চারটি খানি কথা নাকি।
স্যার এতো সুন্দর নাহ, শ্যামলার মাঝে উজ্জল কালার।
হাইট ওতো বেশি না, আবার কম ও না,এই ৫.৬"কি ৭" হবে হয়তো।
মুখে চাপ দাড়ি আছে। 
চোখে চশমা পরে, চুল গুলো সিল্কি। জাস্ট অসাধারণ! বর্ণনা করতে গেলে আরো প্রেমে পড়ে যাই।
আমার সাথে স্যারের প্রথম দেখা হয়েছিলো ,শুট কুট পরে কলেজ এর অনুষ্ঠানে।পাঞ্জাবি পরে দাঁড়িয়ে ছিলো।সেই প্রথম দেখে ভালো লাগা যা অষ্টাদশী মনে ভীষণ ছাপ ফেলে রইলো।
এই ভালো লাগা থেকে পাগলামি নাকি ভালোবাসা তা এই অষ্টাদশীর মন এখনো জানেনা। 
এই বয়ঃসন্ধিতে মনে ধরে অনেক কেই।তবে এ যেন একটু ভিন্ন রকম ভালোলাগা। এর নাম কি জানিনা শুধু এতটুকু জানি তাকে দেখলে আমার ভালো লাগে,হৃদয়ের গভীরে প্রেমের বাতাস বয়,মুখে আচমকা হাঁসি ফুঁটে,দুই নয়ন তার দিকে চেয়ে রয়। চোখে তাকে দেখার তৃষ্ণা যেন মিটে না এক মূহুর্তে ও।
কলেজ ছুটির আগে দারোয়ান চাচা ডাকলেন।
আমি আর সামিয়া চলে গেলাম লাভলু অলসতায় কাঁঠাল গাছের নিচে বসে রইলো।
"-কি হয়েছে চাচা?ডাকলেন কিছু বলবেন?
লতিফ চাচা অফিস রুমের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বললেন,
-তোমারে স্যারে যাইতে কইলো।তোমার সাথে কিজানি দরকার আছে। 
আমি আর সামিয়া দুজন দুজনের দিকে চাওয়া চাওয়ি করছি।
"-স্যার আমাকে ডাকলেন কেন?
সামিয়া চুপ থেকে কিছু বুঝার চেষ্টা করে বললো,
_ক্লাসে কথা বলেছি এজন্য আবার কিছু বলবে নাকি?
"-ক্লাস থেকে বাহির করে দিয়েও শান্তি হয়নি আবাী কি বলবে?
_চল আগে শুনে আসি।
সামিয়া আর অঁধরা অফিস রুমের দিকে পা বাড়ানোর আগেই কল আসলো।
অসময়ে কল আসায় অঁধরা বিরক্ত হলো। 
দাঁড়িয়ে পড়লো দুজনে।ব্যাগ থেকে ফোন বাহির করে দেখে আননোন নাম্বার। 
প্রথমে কল রিসিভ না করলে আবার কল দেয়। অঁধরা একটু সাইডে যায় বিরক্ত হয়ে কল ধরে। 
কল ধরতেই ফোনের ওপাশ থেকে একটি ছেলের কন্ঠ ভেঁসে আসে,
''-অঁধরা আই লাভ ইউ।
অঁধরা রেগে গেলো।একে চিনে না তার উপর নাম ধরে ডেকে এসব বলছে। রেগে কিছু বলতে যাবে তার আগেই সেই পরিচিত পুরুষালি কন্ঠ কানে আসলো।
"_বেয়াদবির সব সীমানা পার করে আবার বয়ফ্রেন্ডের সাথে কলেজে এসে কথা বলছো?লতিফ চাচা বলেনি ডেকেছি আমি?তার ও যাওনি কেন?
সামিয়া আর আমি পিছনে ঘুরতাম।সব কথা শুনলাম। স্যার সব সময় ভুল সময়ে এন্টি নেয়।সে ছেলে আই লাভ ইউ বলেছে কিন্তু আমি তো বলিনি।সামান্য টুকু শুনে ভুল ভাবলো।সবই আমার পোড়া কপাল।
অঁধরা বললো,
"-স্যার এখনি যাচ্ছিলাম কিন্তু...... 
পুরোটা বলার আগেই ইরফান স্যার থামিয়ে দিলেন।চোখে মুখে বিরক্তি ভাব এনে সামনের দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো,
"''-আমার এতো অঢেল সময় নেই।কালকে তোমার গার্জিয়ান নিয়ে কলেজে আসবে।
"-কেন স্যার গার্জিয়ানের কি দরকার? 
স্যার যেতে পা বাড়িয়ে সামনে গিয়ে থেমে তাকালেন।
মহা বিরক্ত হয়ে কন্ঠ চিবিয়ে বললো,
""-আমি নাঁচবো সেটা দেখাতে ডাকেছি। 
"-তাহলে গার্জিয়ান কি দরকার স্যার?আমাকেই দেখাতে পারেন।
"'''-কি বললে?
অঁধরা চুপ হয়ে গেলো।হুট করে কি বলে ফেলেছে তখন না বুঝলেও এখন বুঝতে পারছে। 
"-না স্যার কিছু বলিনি।গার্জিয়ান নিয়ে আসবো আপনি যান।
অঁধরা হেঁসে কাঁটিয়ে দিলো।ইরফান স্যার দুজনের দিকে তৃক্ষ্ণ দৃষ্টিতে একবার তাকিয়ে গটগটিয়ে চলে গেলেন।
উফফ বাঁচলাম কি ভুল কথাটা না বলে ফেলেছিলাম। 
সামিয়া লাভলুকে ডাকলো আর বললো,
" তখন কোন ছোকরা ফোন দিয়েছিলো দেখতো। শুধু আমাদের বাঁশ খাওয়ালো। 
অঁধরা ফোনের দিকে তাকালো কল কেঁটে গেছে। ও দাঁতে দাঁত চেপে বললো"-বাড়ি যাই তার পর কে হচ্ছে হোক।ওর আই লাভ ইউ বলা বাহির করবো। 
চলবে.........................?
#হৃদয়_অরণ্যে_তুমি
লেখিকা:#শ্যামলী_রহমান 
সূচনা পর্ব

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন