ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রণয়বেলায় তোমার আগমন

১৯তম পর্ব

লেখক: জেরিন আক্তার

#প্রণয়বেলায়_তোমার_আগমন (১৯)

#জেরিন_আক্তার

আরিফ নেওয়াজ রুদ্রকে সাথে নিয়ে অধরার ঘরে এলেন। অধরা শুয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। আরিফ নেওয়াজ অধরাকে বললেন,

“অধরা রুদ্র বলছিলো যে তোমায় নিয়ে ঘুরতে যাবে।”

অধরা রুদ্রর দিকে তাকিয়ে বলল,

“হুমম বলেছিলো।”

রুদ্র আবার আরিফ নেওয়াজকে বলল,

“মেঝো আব্বু বেশি ঘুরবো না। শুধু ফুচকা খাইয়ে চলে আসবো।”

আরিফ নেওয়াজ অধরাকে বললেন,

“রুদ্র এতো করে যখন বলছে তাহলে ওর সাথে একটু যাও। ঘুরে এসো, মন ভালো হবে।”

অধরা ওর বাবার দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল,

“যাবো?”

“হুমম।”

আরিফ নেওয়াজ চলে গেলেন। রুদ্র অধরার বিছানায় এসে আয়েসি ভঙ্গিতে শুয়ে বলল,

“দেরি করিস না, শুধু বোরখা পড়!”

“আপনি এখানে থাকলে রেডি হবো কি করে?”

রুদ্র গা ছাড়া ভাব নিয়ে বলল,

“তু্ই তোর মতো বোরখা পড়ে রেডি হবি। আর আমি আমার মতো শুয়ে আছি। তোকে কি দেখছি আমি! আর কথা বাড়াস না তো! শুধু তোর জন্য তোর বাবার মতো আতঙ্কর কাছ থেকে অনুমতিটাও নিয়ে নিলাম। এখন ঝটপট কাজ কর।”

অধরা বিড়বিড় করে বকতে বকতে কাভার্ড খুলে বোরখা বের করে পড়ে নিলো। সাথে হিজাব বাঁধছে। রুদ্র উপরের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বলল, “এমনও দিন আসতে পারে, সেদিন তু্ই আর আমি এই ঘরে একসাথে থাকবো। এমনকি তোর সাথে কোথাও যেতে তখন কারো অনুমতি নিতে হবে না। যখন ইচ্ছা তখনই চলে যাবো।”

অধরা পেছনে ফিরে বলল,

“আমাকে কিছু বললেন?”

রুদ্র টেডি স্মাইল দিয়ে মাথা নাড়িয়ে বলল,

“নাহ! তোকে কিছু বলিনি। আসলে পরিবার পরিকল্পনা করছিলাম।”

অধরা নাক-মুখ কুচকে আয়নার দিকে তাকালো। হিজাব বাধা শেষ করে রুদ্রর সামনে এসে বলল,

“চলুন আমি রেডি।”

রুদ্র উঠে বসে গা ছাড়া ভাব নিয়ে বলল,

“আমি ভাবলাম সকালই হলো কি না।”

অধরা রাগে শুধু দাঁত চেপে রইলো। রুদ্র অধরাকে নিয়ে বের হলো। অধরা গাড়ির কাছে এসে ভিতরে ইফতিকে দেখে বলল,

“ভাইয়া আপনিও এসেছেন! তো এখানে কেনো, বাড়ির ভিতরে যেতেন।”

ইফতি হেসে বলল,

“সমস্যা নেই। তোমাদের জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।”

“ওহ।”

ইফতি গাড়ি থেকে নেমে রুদ্রর দিকে তাকিয়ে চোখ মেরে বলল,

“তু্ই অধরাকে নিয়ে পেছনে বস, আমি ড্রাইভ করছি।”

রুদ্র হেসে গাড়ির চাবি দিয়ে গাড়িতে উঠল। অধরা বেশ দূরত্ব নিয়ে বসলো। ইফতি লুকিং

গ্লাসে দুজনকে দেখে মনে মনে বলল, “আমি থাকতে তোরা দূরে থাকবি? দাড়া তোদের একসাথে করছি।”

ইফতি মিনিট দুই পড়ে কষে ব্রেক করলো। অধরা সেই তাল সামলাতে না পেরে রুদ্রর দিকে চলে এলো। আবার স্বাভাবিক হয়েই রুদ্রর থেকে একটু দূরে বসলো। রুদ্র ইফতিকে বলল,

“এভাবে বেকিয়ে ব্রেক করলি কেনো?”

ইফতি ঘাড় ঘুরিয়ে বলল,

“আরে ওই যে মনে হয় সামনে বিড়াল ছিলো, তাই।”

রুদ্র সিটে হেলান দিয়ে বলল,

“ওহ। এবার ভালো ড্রাইভ কর। ভাই সাথে অধরাকে নিয়ে এসেছি। এর কিছু হলে এর বাবা আমাকে একদম উপরে পাঠিয়ে দিবে।”

অধরা চোখ পিটপিট করে তাকিয়ে রইলো। ইফতি স্টিয়ারিং ঘোরাতে ঘোরাতে মনে মনে বলল, “এইবার মিস হয়েছে। পরের বার আর মিস হবে না।”

রুদ্ররা আগে যেখানে এসেছিলো সেখানেই গাড়িটা থামালো ইফতি। দুজনকে রেখেই গাড়ি থেকে নেমে গেলো ইফতি। এরপরে রুদ্র আর অধরা নামলো। রুদ্র অধরার হাতটা ধরে ফুচকার স্টলের দিকে গেলো।

অধরার ফুচকা খাওয়া হয়ে গেলে গাড়ির কাছে এসে রুদ্রর সাথে দাড়িয়ে আছে। ইফতি এতক্ষন ওদের সাথে ছিলো না। মিনিট পাঁচেক পরে সামনে একটা দোকানে থেকে সিগারেট কিনে খেতে খেতে আবার এগিয়ে এলো ইফতি। মাথায় আবার বদবুদ্ধি নিয়ে রুদ্রর সামনে এসে দাড়ালো। অতঃপর রুদ্রর দিকে সিগারেটটা এগিয়ে দিয়ে বলল,

“খাবি?”

রুদ্রর চোখ আপনাআপনিই বড় হয়ে গেলো। অধরা নাক-মুখ কুঁচকে তাকিয়ে রইলো। রুদ্র সোজা গলায় বলল,

“আমি খাই না এসব।”

“খাস না আজ খা।”

“সরা এগুলো।”

ইফতি চলে গেলো। এবারও বদবুদ্ধি কাজে লাগাতে পারলো না। কই ভেবেছিলো রুদ্র সিগারেট খেতে চাইবে আর অধরা একটু রাগ দেখিয়ে না করবে, ভালোবাসা দেখাবে। কিন্তু তা আর হলো কই?

অধরা রুদ্রকে জিজ্ঞাসা করলো,

“আপনি সিগারেট খান না?”

“না।”

“নাকি মিথ্যে বলছেন?”

“না আসলেই খাই না।”

“ওহ।”

অধরা খুশি হয়েই একটু এগিয়ে এসে দাড়ালো। মিষ্টি মিষ্টি হেসে হেসে বলল,

“চলুন না একটু হাঁটি।”

“না, বাড়ি ফিরতে হবে। তোর বাবা বলেই দিয়েছে তাড়াতাড়ি ফিরতে।”

অধরা কোমরে হাত রেখে বলল

“তাহলে এই একটুর জন্য নিয়ে আসলেন কেনো? শুধু ফুচকা তো বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারতেন।”

রুদ্র ভ্রু উঠিয়ে বলল,

“আচ্ছা! তো দেরি হলে এর দ্বায়ভার কে নিবে শুনি?”

অধরা গাল ফুলিয়ে বসে পড়লো। রুদ্র আশেপাশে তাকিয়ে বলল,

“আরে বসলি কেনো? উঠ! লোকে কি ভাববে?”

অধরা মুখ ঘুরিয়ে বলল,

“উঠবো না। আমার সাথে যদি না ঘুরেন তাহলে আমি এখানেই বসে থাকবো। যাবো না বাড়িতে।”

রুদ্র আশেপাশে তাকিয়ে অধরার দিকে ঝুকে বলল,

“আচ্ছা চল!”

অধরা হেসে উঠে দাড়িয়ে বলল,

“ঠিক আছে চলুন।”

রুদ্রও মর্জি ধরে বলল,

“আমি যাবো না।”

“কেনো? আপনার আবার কি হলো?”

“হাত ধরে যদি হাটিস তাহলে যাবো।”

“হাত ধরতে হবে কেনো? পাশাপাশিই তো হাঁটা যায়।”

“তাহলে তু্ই যা। আমি যাবো না।”

“ঠিক আছে, ঠিক আছে। হাত ধরুন।”

অধরার বলার সাথে সাথেই রুদ্র ওর হাত ধরলো। রুদ্রর এবার কিছু চাইনা। যদি সারারাতও ঘুরতে বলে ও তাই পারবে। আর রইলো অধরার বাবা। উনাকে ম্যানেজ করা রুদ্রর কাছে কিছুইনা। ইফতি রুদ্র আর অধরার একসাথে হাঁটার একটা ভিডিও করে রুদ্রকে সাথে সাথেই পাঠিয়ে দিলো।

রাত ১১ টা………

রুদ্র অধরাকে নিয়ে ফিরে এলো। আরিফ নেওয়াজ ড্রইং রুমে বসছিলেন। দুজনকে ঢুকতে দেখে হাফ ছেড়ে উঠে চলে এলেন উপরে। রুদ্র মেইন দরজা লাগিয়ে ড্রইং রুমের লাইট নিভিয়ে চলে এলো রুমে। আজ যে ও কি খুশি কাউকে বলে বোঝাতে পারছেনা।

অধরাও রুমে ফিরে হিজাব, বোরখা খুলে ফ্রেশ হয়ে এসে শুয়ে পড়লো। সোহা আজ ওর রুমেই ঘুমিয়েছে।

পরদিন সকালবেলা —

অধরা কালকের মতো আজও রুদ্রর জন্য কফি বানিয়ে নিয়ে এসে রুদ্রর রুমে নক করছে। রুদ্রর ঘুম ভাঙতেই ও বিরক্ত হলো। অনেক রাতে এসে ঘুমিয়েছে বলে। ও খালি গায়েই বিছানা থেকে নেমে দরজা খুলে দাড়ালো। অধরা রুদ্রকে দেখে বলল,

“সারারাত এতো ঘুমান, সকালেও ঘুমাতে হয়।”

রুদ্র চোখ পিটপিট করে তাকিয়ে রইলো। অধরা রুমে ঢুকে বলল,

“আজ কিছু বললাম না। কালকে যদি ৬ টার আগে ঘুম থেকে না উঠেছেন তাহলে খবর আছে।”

রুদ্র ভ্রু উঠিয়ে বলল,

“হুকুম করছিস দেখা যায়?”

“কেনো? করলে সমস্যা?”

“না করতেই পারিস। তু্ইই তো আমার ভবিষ্যৎ বউ।”

অধরা চুপ হয়ে তাকিয়ে থেকে বলল,

“আর আপনার জামা কই? খালি গায়ে কেনো?”

রুদ্র বিছানায় থেকে শার্টটা নিয়ে গায়ে বাতাস দেওয়ার ভঙ্গিতে বলে উঠল,

“আর বলিস না, শশুরের একমাত্র আতঙ্ক আশেপাশে থাকলে সবসময় কেমন গরম লাগে রে! জামার প্রয়োজন হয়না।”

অধরা তেতে উঠে বলল,

“সবসময় আতঙ্ক আতঙ্ক করেন কেনো? আমি আব্বুকে বলে দিবো।”

“যা বল! উল্টো তিনি খুশি হয়ে তোকে আমার কাছে তুলে দিবে।”

“হাহ! দেখা যাবে।”

এই বলে অধরা রুম থেকে বের হয়ে যেতে নিলে রুদ্র বলে উঠল,

“বিছানা টা গুছিয়ে দিয়ে যা।”

“পারবো না। নিজের টা নিজে গোছান।”

রুদ্র হাসতে হাসতে ওয়াশরুমে ঢুকলো। অধরা পুনরায় আবার রুমে ঢুকলো। রুদ্র দেখার আগেই ও বিছানাটা পরিপাটি করে গুছিয়ে চলে গেলো। যেনো বুঝতে না পারে ওই এসে গুছিয়ে রেখে গিয়েছে।

বিকেলের দিকে রুদ্র রেডি হয়ে বের হলো। এখন ইফতির সাথে যাবে একটা দাওয়াতে। অধরা ড্রইং রুমে পায়ের উপর পা তুলে টিভি দেখছিলো। আর রুদ্রর দিকেও আড়চোখে তাকিয়ে দেখছিলো। আজও রুদ্র স্কাই ব্লু রঙের শার্ট পড়েছে। রুদ্র গা ছাড়া ভাব নিয়ে এগিয়ে এসে বলল,

“অধরা কেমন লাগছে রে আমাকে?”

অধরা শয়তানি হেসে বলল,

“ভালো, তবে কোনো মেয়ে পটবে না।”

রুদ্র হাসবে, না কিছু বলবে ঠিক পেলো না। আজ ওকেই ওর কথা ফিরিয়ে দিলো। তবে রুদ্রও নিচু হবার পাত্র নয়। ওউ মুখে হাসি এনে বলল,

“কোনো মেয়ে পটবে না, তার মানে তু্ই কি পটে গিয়েছিস?”

অধরা উঠে দাড়িয়ে বলল,

“মোটেও না।”

“তাহলে কবে পটবি?”

“জানি না। তো এতো সেজেগুঁজে কোথায় যাচ্ছেন?”

“দাওয়াত আছে একটা।”

“ওহ। ফিরবেন কখন?”

“রাত হবে।”

“ওহ।”

“আসি তাহলে।”

রুদ্র চলে যাওয়ার পরে অধরা সোহাকে ডাকতে এলো। কিন্তু সোহা ঘুমাচ্ছে। অধরা ওকে দেখে একপ্রকার বকতে বকতে বের হলো। এরপরে চলে গেলো আদ্রর রুমে। কোনোরকম রাগটা কারো উপরে ঢালতে পারছে না বলেই আদ্রর রুমে আসা। আদ্র ল্যাপটপ নিয়ে রিডিং টেবিলে বসেছিলো। অধরা পেছনে থেকে গিয়ে শুধু শুধু আদ্রর চুল ধরে টান দিলো। আদ্র ব্যাথায় “উফফ!” সূচক শব্দ করে পেছন ফিরলো। অধরাকে দেখে রেগে উঠে দাড়ালো। অধরা দৌড়ে বের হলো ওর রুম থেকে। আদ্রও আজকে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়। ওউ ছুটলো অধরার পেছনে। অধরা দৌড়ে নিচে নেমে কোথায় পালাবে, কোথায় পালাবে করতে করতে কিচেনে রুকাইয়া নেওয়াজকে দেখে দৌড়ে তার পেছনে গিয়ে দাড়ালো। আদ্রও ততক্ষনে এসে পড়েছে। রুকাইয়ার বুঝতে বাকি রইলো না কি হয়েছে দুটোর মাঝে। আদ্র ওর মায়ের সামনে দাড়িয়ে বলল,

“মা সরে যাও তো! আজ ওর চুল যদি না ধরেছি।”

অধরা আগেই বলল,

“বড় আম্মু আমি কিন্তু কিচ্ছু বলিনি। ভাইয়াই আগে চুল ধরে টান দিয়েছিলো তারপর আমি দিয়েছি।”

আদ্র জোর গলায় বলল,

“মা আমি ওকে কিচ্ছু বলিনি। রুমে ভালো মতোই বসে কাজ করছিলাম। ওই এসে চুল টান দিয়েছে।”

রুকাইয়া আদ্রকে থামিয়ে দিয়ে বললেন,

“হয়েছে কে কাকে দিয়েছে সেটা বড় কথা না। এখন তু্ই তোর কাজে যা।”

অধরা আদ্রর দিকে তাকিয়ে বিশ্বজয় করা হাসি দিলো। আদ্র যেতে যেতে অধরাকে বলল,

“আমার মাকে মিথ্যে বুঝিয়ে দিলি না! এখন তোর মায়ের কাছে বিচার দিতে যাবো। এরপরে যখন সারা বাড়ি লাঠি নিয়ে দৌড়াবে তখন বুঝবি।”

অধরা হেসে হেসে বলল,

“তুমি সে পর্যন্ত যেতেই পারবে না।”

আসলেই আদ্র যেতে পারবে না। আদ্র হয়তো অনিমাকে বললে অনিমা রেগে গিয়ে অধরাকে বকবে। কিন্তু তা আর আদ্র চায়না। ছোটবেলা থেকেই এই অধরাকেই বোনের ভালোবাসা দিয়ে এসেছে। অধরাকে নিজে মারবে তবুও অন্য কারো মার দেওয়া সহ্য করতে পারবে না।

এদিকে রুকাইয়া গ্যাসের চুলায় হাঁড়ি বসিয়ে দিয়ে সেখানে দুধ ঢালছেন। অধরা আর যায়নি। সেখানেই দাঁড়িয়ে আছে। রুকাইয়ার কাজ দেখে অধরা জিজ্ঞাসা করলো,

“বড় আম্মু এই দুধ দিয়ে কি রান্না করবে?”

“রুদ্র আর আদ্রর জন্য পায়েস রান্না করবো।”

“ওহ।”

অধরা একটু আশাবাদী হয়ে রুকাইয়াকে ধরে বলল,

“বড় আম্মু আমি রান্না করি হ্যা?”

রুকাইয়া অধরার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে রইলেন। অধরা আবারও বলল,

“আ আমি পারবো।”

“তু্ই পারবি না। ওখানে গিয়ে বস! যে এই পর্যন্ত কফি ছাড়া কিচ্ছুটি বানায়নি সে পায়েস রান্না করবে কি করে?”

“না পারবো। তুমি না করো না। প্লিজ প্লিজ।”

রুকাইয়া বাধ্য হয়ে সম্মতি জানালেন। অধরা পাশ থেকে একটা চেয়ার এনে ওর বড় আম্মুকে বসতে বলল। রুকাইয়া বসলেন। অধরা বলল,

“তুমি শুধু বলে দেবে আমি ঝটপট রান্না করে ফেলবো।”

রুকাইয়া হার মেনে বললেন,

“ঠিক আছে, বানা।”

চলবে....

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৯তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন