#প্রণয়বেলায়_তোমার_আগমন (২২)
#জেরিন_আক্তার
রুদ্র তপ্ত শ্বাস ফেলে শক্ত গলায় বলল,
“তোর সাথে সকাল থেকে কথা বলার চেষ্টা করছি তু্ই বুঝতে পারছিস না? এড়িয়ে চলছিস কেনো? বকেছি তোকে? না ইগনোর করেছি? সকালে বললাম না যে একটু বস আসছি। তোর ঐটুকু ধৈর্য হলো না, চলে এলি। আর কি করলি ড্রাইভারকে সাথে নিয়ে কলেজে গেলি। আবার নিয়ে আসতেও বলেছিস। এমন কি কতবার কল দিয়েছি ধরিসনি কেনো?”
অধরা হাত ছাড়াতে ছাড়াতে বলল,
“হাত ছাড়ুন।”
“ছাড়বো না।”
“লাগছে তো হাতে।”
“লাগক! সারাদিন আমার কেমন লেগেছে তু্ই কেমন করে বুঝবি!”
“তাই এখন কি আমার হাত শক্ত করে ধরে আছেন বলে ভালো লাগছে?”
রুদ্র হাত ছেড়ে দিলো। এরপরে অধরার থেকে এক সিঁড়ি নিচে দাঁড়িয়ে পথ আটকালো।
“আপনি এভাবে দাঁড়ালেন কেনো যেতে দিন!”
“আমার উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত আমি যেতে দিবো না। তু্ই কেনো আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছিস বল!”
অধরা সামনের দিকে তাকিয়ে অপ্রস্তুত গলায় বলল,
“আব্বু তুমি!”
রুদ্র সাথে সাথে পেছন ফিরে তাকালো। কই অধরার আব্বু? আসেনি তো। অধরা সেই সুযোগে চলে এলো। রুদ্র রাগে রেলিংয়ের পাইপে সজোরে হাত রেখে বলল,
“ধুর, অধরা এবারের মতোও মিথ্যে বাহানা দিয়ে চলে গেলো।”
রুদ্র থামলো না। চলে এলো নিচে। অধরা বুদ্ধি করেই এখন রুমে যায়নি। কেননা রুমে গেলে রুদ্রও যাবে। ও আগেই রুদ্রর সাথে কোনো কথা বলতে চায় না। দেখতে চায় রুদ্র ঠিক কতটা উতলা হয়ে থাকে। ও মোটেও এমনটা করতো না। ওই ইফতির কথার কারণেই ওর এই বিহেব করা। তাই বলে যে কষ্ট পাচ্ছে না এমন না। ভিতরে ভিতরে ঠিকই রুদ্রকে চাচ্ছে।
অধরা ড্রইং রুমে এসে সোফায় শুয়ে শুয়ে টিভি দেখছে। ফোনটা আবার বুকের উপরে রাখা। পাশে রুকাইয়া বসে রুমালে সুই-সুতো দিয়ে ফুল তুলছেন। আর কেউ ড্রইং রুমে নেই। অধরার বুকের উপর থাকা ফোনটা টুং করে শব্দ হলো। হাতে নিয়ে দেখলো জুঁই মেসেজ দিয়েছে-
—অধরা কি করছিস?
—কিছুনা তু্ই?
—বসে আছি। আচ্ছা শোন না!
—বল!
—আজ রাকিব নাকি তোর সাথে কথা বলতে চেয়েছিলো। তু্ই নাকি আগেই চলে এসেছিস?
—হুমম। সেটা নিয়ে আবার কি হয়েছে? তোকে বলেছে নাকি?
—হুমম। আমাকে মেসেজ দিয়ে বলল।
—ওহ।
ঠিক তখনই অধরার ফোনটা ছো মেরে নিয়ে নিলো রুদ্র। অধরা উঠে ফোনটা নিতে হাত বাড়ালো। রুদ্র ফোনটা উপরে তুললো। অধরা বলল,
“আমার ফোন! ফোন দিন!”
“দেবোনা!”
“নাহ! দিন না!”
রুদ্র দু কদম পিছিয়ে গেলো। এরপরে সোফায় বসলো। অধরা রুকাইয়ার কাছে এসে বলল,
“বড় আম্মু তোমার ছেলেকে ফোনটা দিতে বলো!”
রুকাইয়া রুদ্রর দিকে তাকিয়ে বলল,
“রুদ্র ফোনটা দিয়ে দে!”
রুদ্রর কোনো উত্তর নেই। ও রয়েসয়ে বসে অধরার ফোনটা স্ক্রল করতে শুরু করলো। অধরা আবারও নিতে গেলে রুদ্র শক্ত গলায় বলল,
“যদি আরেকবার ফোনটা নিতে চাস তাহলে একটা আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলবো। চুপচাপ বস!”
অধরা বিড়বিড় করে বকতে বকতে রুকাইয়ার কাছে গেলো। রুদ্র প্রথমে গ্যালারিতে অধরার ছবি দেখতে গেলো। কিন্তু সেখানে শুরুতেই ওরই ছবি দেখতে পেলো। বেশ অবাক হলো বৈকি। সাথে রুদ্র যে কয়টা স্টোরি দিয়েছিলো সবকটাই স্ক্রিনশর্ট দেওয়া। রুদ্র মুচকি হেসে স্ক্রল করে নিচে নামতে নামতে অধরার ছবিগুলো দেখলো। সেখানে আবার থেকে থেকে রুদ্রর ছবিও আছে। সেগুলোও ১-২ বছরের পুরোনো।
এদিকে অধরা হাত কচলাতে কচলাতে রুকাইয়াকে বলছে,
“বড় আম্মু ফোনটা দিতে বলো না!”
“ও দিচ্ছে না তো। একটু বসে থাক দিয়ে দিবে।”
অধরা বসতে চেয়েও পারলো না। কেমন একটা রাগ হচ্ছে। কেউ কি ফোন এভাবে নেয়। রুদ্র কি জানে না কারো অনুমতি ছাড়া ফোন ধরতে নেই। পার্সোনাল কিছুও তো থাকতে পারে। ওর বড় আম্মুকে বলেও লাভ হচ্ছে না। অধরা গাল ফুলিয়ে দাড়িয়ে রইলো। আদ্র সিঁড়ি দিয়ে নামলো। এসে অধরার পাশের সোফায় বসলো। অধরা রাগে ফুসতে ফুসতে আদ্রর চুল টান দিলো। আদ্র মাথায় হাত দিয়ে বলল,
“উফ, তোকে কি ভূতে ধরে নাকি রে? এভাবে সময়-অসময় মারিস কেনো?”
রুদ্রর সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। যেনো ও আশেপাশে কি হচ্ছে শুনতেই পাচ্ছে না। রুকাইয়া মুখ টিপে হাসছেন। আদ্র উঠে দাড়িয়ে অধরার চুল টান দিয়ে বসলো। রুকাইয়া উঠে চলে যেতে যেতে বললেন,
“আল্লাহ এদেরকে নিয়ে কি করবো? পাগলা গারদেও এদের দুটোকে রাখবে না।”
আদ্র অধরার দিকে তাকিয়ে বলল,
“কি হয়েছে রে?”
“ভাইয়া আমার ফোন নিয়েছে। ফোনটা দিতে বলো।”
আদ্র রুদ্রর দিকে তাকালো। ওর হাতে অধরার ফোন দেখে ও ফিচেল হেসে দিলো। অতঃপর হেসে হেসে অধরাকে বলল,
“ফোন নিয়েছে দিয়ে দিবে। বস!”
অধরা হতবাক। রাগে-দুঃখে সোফায় থেকে কুশন নিয়ে আদ্রকে মারতে শুরু করলো। আদ্রও আরেকটা কুশন নিয়ে অধরাকে মারতে শুরু করলো। রুদ্র সেদিকে একপলক তাকিয়ে দেখে ফোনে মনোযোগ দিলো। মেসেঞ্জারে, হোয়াটস্যাপে খুঁজে খুঁজে তেমন কিছুই পেলো না। এরপরে উঠে দাড়ালো। অধরার কাছে এসে ফোনটা এগিয়ে দিয়ে বলল,
“এই যে তোর ফোনটা।”
অধরা ছো মেরে ফোনটা নিয়ে সিঁড়ির দিকে যেতে যেতে বলল,
“কারো ফোন অনুমতি ছাড়া নিতে হয়না এটা মনে হয় জানা নেই। পার্সোনাল কিছুও তো থাকতে পারে। একটুও ম্যানার্স শিখেনি। আবার নাকি উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গিয়েছিলো।”
আদ্র গলা উঁচিয়ে বলল,
“শিখেনি যখন তাহলে তুইই শিখিয়ে-পড়িয়ে নিবি।”
অধরা ঝাড়ি মেরে বলল,
“তোমার ভাই তুমি শিখাও!”
রাত ১১ টা। অধরা ঘুমিয়ে গিয়েছে আগেই। সাথে আবার আজকে সোহা শুয়েছে। ও ঘুমায়নি, আদ্রর সাথে চ্যাট করছে। এদিকে রুদ্ররও কেমন একটা লাগছে। সারাদিনে কেমন অধরাকে সামনে পায়নি। যাও পেয়েছিলো তাও চলে গিয়েছে। রাতের খাবার টেবিলেও একটা বার তাকায়নি। এমনকি খাবার খেয়ে সেই যে রুমে গিয়েছে আর বের হয়নি। না মেসেজের রিপ্লাই দিচ্ছে, না কল ব্যাক করছে। রুদ্র শিওর অধরার কিছু তো হয়েছেই। নাহলে কালকে পর্যন্তও অধরাকে খুশি দেখেছে। আর আজকে এমন বিহেব সত্যিই ভাবাচ্ছে রুদ্রকে।
রুদ্র শুয়ে ফোনটা নিয়ে ইফতিকে কল দিলো। ইফতিও সেই যে কথাগুলো বলে আর কলই দেয়নি।
“হ্যালো রুদ্র কেমন আছিস?”
“ভালো। তু্ই?”
“ভালো। কি করছিস?”
“শুয়ে আছি। তু্ই?”
“কিছুনা।”
ইফতি বলল,
“ভাই কালকে শপিংয়ে যাবো। আমার হাতে সময় নেই। তাড়াতাড়ি গুছিয়ে ফেলতে হবে সব।”
রুদ্র বুঝলো না। বলল,
“কিসের শপিং? আর কি সময় নেই বলছিস?”
“আরে তোকে সকালে বললাম না।”
রুদ্র উঠে বসে বলল,
“সকালে কি বলেছিস? তোর সাথে কি আমার কথা হয়েছে সকালে?”
“হুম। আমি না তোকে বললাম। তু্ই শুনিসনি?”
“কই কি বলেছিস? কয়টায় বলেছিস?”
“সকালে…৬ টার দিকে। তোকে জানালাম না যে আমার ভিসা এসে গিয়েছে। আর অধরাকে নিয়ে কথা বললাম।”
“অধরাকে নিয়ে কি বলেছিস?”
“দেখ ভাই তু্ই জানিস। আবার বললে রেগে যাবি। আর বলতে চাইনা।”
রুদ্র ধরা গলায় বলল,
“শালা সকালে আমি কলটা ধরিনি। তু্ই কাকে কি বলেছিস। সকালে অধরা ছিলো রুমে। ও তো কলটা ধরেনি? আর তু্ই কি বলেছিস তাড়াতাড়ি বল।”
“কল ধরিসনি মানে? তাহলে কি অধরা ধরেছিলো?”
ইফতির মাথায় চিন্তা ঢুকে গেলো। তাহলে কি অধরা ধরেছিলো কলটা। অধরা কি শুনে নিয়েছে। এর জন্যই কি ওপাশে থেকে তখন কোনো কথা বলেনি।
রুদ্র দাঁত চেপে বলল,
“সকাল ৬ টার সময় অধরা ছিলো ঘরে। আমি ওয়াশরুমে থেকে বেরিয়ে দেখি অধরা চলে গিয়েছে আর তু্ই কলে রয়েছিস।”
ইফতি মাথায় হাত দিয়ে বলল,
“ভাই তাহলে শিওর কথাগুলো অধরাই শুনে নিয়েছে।”
রুদ্র রেগে গিয়ে বলল,
“কি বলেছিলি তখন তাড়াতাড়ি বল!”
ইফতি একটু ভনিতা করে বলল,
“আরে ওই যে তোকে যে বলি তোর দেশে চলে আশা নিয়ে সেগুলোই বলেছিলাম।”
“ক্লিয়ার করে বল!”
“বলেছিলাম যে রুদ্র তু্ই বিদেশে এতো ভালো সুযোগ রেখে দেশে এলি আমি থাকলে কখনোই সেই সুযোগ হাতছাড়া করতাম না। তু্ই বলে অধরার জন্য চলে এসেছিস। আর তু্ই, তু্ই যদি নিজের লাইফটা ওইখানে সেটেল করে নিতে পারিস তাহলে ওইরকম হাজারটা অধরা তোকে পেতে চাইবে।”
রুদ্র আসলে কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না। ও যা শোনার শুনে নিয়েছে। এই জন্যই তাহলে অধরা সারাদিন ওর সামনে আসেনি। রুদ্র বিরক্ত হয়ে ইফতির কলটা কেটে দিয়ে রুম থেকে বেরোলো। অধরার রুমের সামনে এসে নক করলো। সোহা বিছানায় থেকে নেমে দরজা খুলে রুদ্রকে বলল,
“ভাইয়া তুমি? কিছু বলবে?”
“অধরা কি ঘুমিয়ে গিয়েছে?”
“হুমম।”
“মিথ্যে বলছিস না তো?”
“না দেখে যাও!”
“ঠিক আছে। শুয়ে পড়!”
রুদ্র রুমে ফিরলো। যা বলার সকালেই বলতে হবে। রুদ্র দরজা লাগিয়ে শুয়ে পড়বে সেই সময় কোনো নক করা ছাড়াই আরমান নেওয়াজ ঢুকলেন। রুদ্র সোজা হয়ে দাড়ালো। আরমান নেওয়াজ বললেন,
“রুদ্র তুমি তো অফিসে নতুন জয়েন হয়েছো। আমাদের পার্টনার মেম্বাররা তোমার সাথে দেখা করতে চায়। এমনকি তোমারও উনাদের সাথে পরিচয় হতে হবে। এই নিয়ে একটা গেট টুগেদার ইভেন্ট এরেঞ্জ করা হয়েছে। সেখানে আমি, আরিফ, আদ্র আর তুমি সবাই যাবো। সকাল সকাল রেডি হয়ে থেকো।”
“ঠিক আছে।”
………………..
আরমান নেওয়াজের কথা মতো রুদ্র সকাল সকালই উঠে রেডি হয়ে নিলো। আজ অধরাও কফি নিয়ে আসেনি। যার তাড়নায় রুদ্রর মেজাজটাও তিরিক্ষে। এখন আবার বেরিয়ে পড়তে হবে কখন ফিরবে তারও নেই ঠিক। যাই হোক ওর সাথে এসেই কথা বলতে হবে। এখন কথা বলার সময় নেই।
সারাদিন মিলিয়ে রুদ্র যখন ফ্রি হচ্ছে মেসেজ তো দিয়ে যাচ্ছে। কলও দিয়েছে। যদি আজ ভালোই ভালোই বাড়িতে যেতে পারে তাহলে অধরার জেদ চুলায় পোড়াবে। এতো জেদ আসে কই থেকে সেটাও বের করবে।
সন্ধ্যা ৭ টা। অধরা পড়তে বসেছে। কিন্তু পড়ায় একটুও মন নেই। রুদ্রকে দেখতে ইচ্ছে করছে, কথা বলতে ইচ্ছে করছে। সামনে বই বের করেছে ঠিকই কিন্তু ভিতরে ভিতরে রুদ্রর জন্য গুমরে গুমরে মরছে। ওর ভাবনার মাঝেই রুদ্র রুমে ঢুকে ঠাস করে দরজা লাগিয়ে দিলো। এতটাই শব্দ ছিলো যে অধরা ছিটকে উঠে পেছনে ফিরে তাকিয়ে দাঁড়ায়।
রুদ্র সোজা এগিয়ে এসে অধরার সামনে দাড়ালো। রুদ্র এসেছে বলে অধরা মনে মনে খুশি কিন্তু উপরে উপরে গম্ভীর ভাবটা ধরে রাখলো। অবশ্য বাবার গুনগুলো ওর মাঝে ভরপুর। রুদ্র আশেপাশে তাকিয়ে বলল,
“তোর ফোন কই?”
অধরা ফোনটা দেখিয়ে বলল,
“আমার কাছেই। কেনো?”
রুদ্র দাঁত চেপে বলল,
“তোর কাছে তাহলে দেখছিস না মেসেজ দিয়েছি? কতবার কল দিচ্ছি তাও চোখে পড়ছে না?”
অধরা রুদ্রর মন বুঝতে থমথমে কণ্ঠে বলল,
“আমি তো তেমন কেউ নই আপনার তাহলে কেনো এতো উদ্বিগ্ন হয়ে আছেন?”
রুদ্র অধরার মুখপানে তাকিয়ে তপ্ত শ্বাস ফেলে কিছু সেকেন্ড দাঁড়িয়ে রইলো। এরপরে হেঁচকা টান দিয়ে অধরাকে বুকে জড়ালো। বুকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে শক্ত করে ধরে রইলো অধরাকে। বিষয়টা এতো তাড়াতাড়িই হয়ে গিয়েছে যে অধরা হু-হা কিচ্ছু বলছে না। নিরেট বেধে রইলো ও। রুদ্রর বুকের অস্থিরতা স্পষ্ট শুনতে পেলো। সাথে টের পেলো রুদ্রর কতটা কাছে ও। মুহূর্তেই অধরা কেমন কেঁপে উঠল। ওর বুকের ঢুকপুকানি বেড়েই চলল। রুদ্র আরও কিছুক্ষন জড়িয়ে ধরে রেখে ছেড়ে দিয়ে শক্ত গলায় বলল,
“বুকের ভিতরে যে অস্থিরতা হয়েছে শুনতে পেয়েছিস? সব তোর জন্য, তোর সাথে কথা বলার জন্য, তোকে একবার দেখার জন্য। এই রুদ্র নেওয়াজ বুকে হাত দিয়ে বলছে আজ পর্যন্ত সে কোনো মেয়ের জন্য এতটা পাগল হয়নি, যতটা তোর জন্য হয়েছে। আমার জীবনের প্রথম ভালোলাগা, ভালোবাসা তু্ই আর এর শেষও তু্ই।”
পরপর রুদ্র অধরার হাতটা ধরে বলল,
“চলে আমার সাথে!”
“কোথায়?”
“তোর প্রশ্নের উত্তর দিতে।”
“মানে?”
রুদ্র শক্ত গলায় বলল,
“১০ মিনিটে রেডি হ। আর এর বাইরে কোনো কথা শুনতে চাই না মানে কানেও যেনো না আসে।”
অধরা মাথা নাড়িয়ে বলল,
“ঠিক আছে, হচ্ছি।”
চলবে....