পর্ব - ১৫*
রাত ৯টা।
_রোজের_ মন ভালো নেই। তাই _রাইফাকে_ নিয়ে বের হলো।
_রাইফা:_ হাঁটতে হাঁটতে, *"দোস্ত, আরিয়ান ভাই কি তোকে সত্যি থাপ্পড় মারলো?"*
_রোজ:_ চোখ মুছে, *"বাদ দে আরিয়ানের কথা।"*
হঠাৎ _রাইফা_ থেমে গেলো।
_রাইফা:_ *"দোস্ত দেখ তো ওই ছেলেটা আরিয়ান ভাই না?"*
_রোজ:_ তাকিয়ে, *"কোনটা?"*
_রাইফা:_ *"ওই যে, হেলেদুলে হাঁটতেছে। হাঁটার স্টাইল ভালো না।"*
_রোজ_ ভালো করে দেখলো। _আরিয়ান_।
আশপাশ দিয়ে গাড়ি যাচ্ছে। ওর কোনো হুঁশ নাই। যেকোনো সময় এক্সিডেন্ট হবে।
_রাইফা:_ ভয়ে, *"রোজ এক্সিডেন্ট করতে পারে!"*
*
_রোজ_ আর কিছু ভাবলো না। দৌড় দিলো।
গিয়ে _আরিয়ানের_ শার্টের কলার ধরে টান দিয়ে সাইডে নিয়ে আসলো।
এসেই ঠাসস করে একটা থাপ্পড়।
_আরিয়ান:_ থমকে গিয়ে, *"কি হলো?"*
সামনে _রোজ_।
_রোজ:_ রাগে কাঁপতেছে, *"পাগল হয়ে গেছেন? এখনি তো এক্সিডেন্ট করতেন!"*
_আরিয়ান:_ তেতো হেসে, *"তাতে তোমার কি? যাও রায়হানের কাছে।"*
কথাটা শুনে _রোজের_ কলিজায় লাগলো।
আবার ঠাসস করে দ্বিতীয় থাপ্পড়। তারপর কান্না।
_রোজ:_ *"আমি তাকে জড়িয়ে ধরিনি। সে হঠাৎ করে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরছে। আর আপনি না বুঝে আমাকে মারলেন?"*
*
_আরিয়ান_ থমকে গেলো। এইবার বুঝতে পারলো ও কত বড় ভুল করছে।
নিজে _রোজের_ গালে হাত দিলো।
_আরিয়ান:_ _রোজকে_ জড়িয়ে ধরে, *"সরি সরি জান। আমি সত্যিই বুঝি নাই। বিশ্বাস কর।"*
_রোজ:_ ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো, *"আজকের পর থেকে আপনি আর আমার সাথে কথা বলবেন না।"*
_আরিয়ান:_ _রোজের_ হাত ধরতে চাইলো, *"সরি সত্যিই বুঝি নাই কলিজা।"*
_রোজ_ আর দাঁড়ালো না। _রাইফার_ হাত ধরে চলে গেলো।
পিছনে _আরিয়ান_ দাঁড়িয়ে রইলো। রাস্তার লাইটের আলোয় ওর চোখে পানি।
*
_রাইফা:_ _রোজের_ হাত শক্ত করে ধরে, *"ঠিক করছিস।"*
_রোজ:_ কান্না চেপে, *"আমি আর পারতেছি না রাইফা।"*
বাসায় গিয়ে _রোজ_ দরজা লাগিয়ে দিলো।
আজ আর কান্না আসলো না। শুধু বুকের ভিতর ফাঁকা ফাঁকা লাগতেছে।
**
*চলতেছে..