ফন্ট সাইজ:
থিম:
পরিণীতা

২৪তম পর্ব

লেখক: তানজিনা ইসলাম স্রোতিস্বিনী

#পরিণীতা_২

#পর্ব:২৪

#তানজিনা ইসলাম

বালিশের উপর থুঁতনি ঠেকিয়ে, বিছানার উপর আধশোয়া হয়ে বসে আছে প্রাণেশা। হাতে ফোন ধরা, সেখানে দৃশ্যমান প্রত্যুষের মেসেজ।প্রাণেশা ভেবেছিলো প্রত্যুষ আরো কিছু লিখবে, কারণ টাইপিং উঠেছিলো।বাট প্রাণেশাকে আশাহত করে দিয়ে প্রত্যুষ আর কোনো মেসেজ সেন্ড করেনি।মন খারাপ করে বালিশের উপর মাথা এলিয়ে দিলো প্রাণেশা।তক্ষুনি ঝঙ্কার তুলে ফোন টা বেজে উঠলো।তড়িঘড়ি করে ফোনটা হাতে নিলো প্রাণেশা, ভাবলো বোধহয় প্রত্যুষ কল দিয়েছে।তবে উচ্ছ্বাসের নাম্বার দেখে অবাকই হলো বটে! এতো রাতে ছেলেটা কী ভেবে ফোন দিলো ভেবে পেলো না প্রাণেশা।পরক্ষণেই ফোনটা নামিয়ে রাখলো হাত থেকে।রিসিভ করবে না ও! কিছুতেই করবে না!ছেলেটা ওর মেসেজ সিন করে রেখে দিয়েছে,ইগো হার্ট করেছে প্রাণেশার। তারউপর এতোদিন গায়েব ছিলো।

ফোন বাজতে বাজতে কেটে যায়।মুখ বাকালো প্রাণেশা। ফের রিংটোন বাজতেই কল রিসিভ করলো ও।কন্ঠ কিছুটা গম্ভীর করে বললো

-"বলুন, কেনো ফোন দিয়েছেন!"

-"একটু নিচে নামুন তো!"

ঝটকা খেলো প্রাণেশা।হুড়মুড় করে উঠে বসে, ভ্রু কুঁচকে তাকালো ফোনের স্ক্রিনের দিকে।পরক্ষণেই বিহ্বল স্বরে বললো

-"নিচে কেন নামবো?"

-"আমি আপনার বাসার নিচে দাঁড়িয়ে আছি প্রাণেশা।একটু কষ্ট করে নিচে নামুন।"

-"পাগল নাকি! এই ঠান্ডার ভেতর নিচে নামবো?এই সময়ে আপনি আমার বাসার নিচে কী করছেন!" তড়িঘড়ি করে বললো প্রাণেশা।

-"উফ! এতো কথা বলছেন কেন! নামতে বলছি তার নিশ্চয়ই কারণ আছে।ঠান্ডায় জমে যাচ্ছি আমি।এতো দুর থেকে এসেছি আপনার জন্য। আর আপনি কী-না একটু নিচে নামতে পারবেন না।"

-"উচ্ছ্বাস। বোঝার চেষ্টা করুন, এতো রাতে কী করে নামবো আমি!যা বলার ফোনে বলুন।কেও দেখে ফেললে সমস্যা হয়ে যাবে।এমনিতে আমাকে নিয়ে গ্রামে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা রটে।"

-"বেশি সময় লাগবে না প্রাণেশা।প্লিজ, এই কথাটা রাখুন।"

বলেই ফোন কাটলো উচ্ছ্বাস। দোটানায় পরলো প্রাণেশা।এতো রাতে নিচে যেতে মন সাই দিলো না ওর।রাতে দেরি করে ফিরলেও সেটা আলাদা ব্যাপার।কিন্তু একটা ছেলের ডাকে রাত একটায় বাড়ির বাইরে বেরোনো উচিত মনে হলো না ওর।

কিছুক্ষণ পায়চারি করলো প্রাণেশা।উচ্ছ্বাসের জন্য খারাপ লাগলো ওর।বেচারা এই ঠান্ডার মধ্যে বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। প্রাণেশা ধাতস্থ করলো নিজেকে।উচ্ছ্বাস কে বিশ্বাস করে ও।একটু গিয়ে মাত্র দেখা করে আসলে কী-বা ক্ষতি হয়ে যাবে!গায়ে একটা উলের উষ্ণ কাপড় জড়িয়ে কক্ষ ছেড়ে বের হলো ও।পুরো বাড়ি অন্ধকার। পা টিপে টিপে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে নিজের মা-বাবার কক্ষে উঁকি দিলো প্রাণেশা। কক্ষের দরজা বন্ধ, তার মানে ঘুমিয়ে পরেছে দু'জনে। বুকে থুতু ছেটালো প্রাণেশা।পা টিপে টিপে এসে সদরদরজার সামনে দাঁড়ালো। শব্দহীন সদরদরজা খোলার চেষ্টা করলো।তবে খুলতে গিয়ে খট করে শব্দ হয়, প্রাণেশার বুক ধ্বক করে উঠে। আশেপাশে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে তাকালো ও। যাক! কেও জেগে যায়নি।

আবারও মনে সাহস সঞ্চার করে বাড়ির বাইরে বেরোলো ও।আজ ভাগ্যক্রমে দারোয়ান আসেনি।মনে মনে খুশি হলো প্রাণেশা।গেইট খুলে বের হতেই দেখলো রাস্তার অপর পাশে উচ্ছ্বাস দাঁড়িয়ে আছে, গাড়ির সাথে হেলান দিয়ে।প্রাণেশা দেখতেই সোজা হয়ে দাঁড়ালো ও।হাসিমুখে হাত নাড়ালো।প্রাণেশা এগিয়ে যায় ওর দিকে।তড়িঘড়ি করে বলে

-"এই রাত-বিরেতে কী ভিমরতি হয়েছে আপনার?"

উচ্ছ্বাস ঠোঁটের হাসি বিস্তৃত করে।কোমল স্বরে আওড়ায়

-"হ্যাপি বার্থডে প্রাণেশা।"

অবাকের চোখে প্রাণেশার মুখ হা হয়ে যায়।বিহ্বল পলক ঝাপটে, বিভ্রান্ত স্বরে আওড়ায়

-"আপনি কী করে জানলেন, আজ আমার বার্থডে?"

-"ফেসবুক জানালো!"

বলেই আবার হাসলো ও।পরক্ষণেই আশেপাশে তাকিয়ে বললো

-"বেশি সমস্যায় ফেলে দিলাম আপনাকে?"

-"আপনি আপনি করে বলছেন যে?"

-"আপনার সাথে আমার তেমন কোনো সম্পর্ক নেই যার প্রেক্ষিতে তুমি করে বলবো!"

হা করে চেয়ে থাকলো প্রাণেশা। উচ্ছ্বাস ওর অবাক দৃষ্টি অগ্রাহ্য করে, কারের ডোর খুলে কেক নিয়ে আসলো।প্রাণেশার সামনে দাঁড়িয়ে ক্যান্ডেল রাখলো কেকের উপর।লাইটার দিয়ে ক্যান্ডেল জ্বালাতে গিয়ে প্রথম দফায় কুয়াশার আবরণ আর ঠান্ডা বাতাসে আগুন নিভে যায়। দ্বিতীয় দফায় প্রাণেশা নিজে হাত বাড়িয়ে দিয়ে ক্যান্ডেলের পাশ ঢাকলো।মুচকি হাসলো উচ্ছ্বাস।প্রাণেশা ফু দিয়ে আগুন নেভায়।উচ্ছ্বাস কেক কেটে খাইয়ে দিলো ওঁকে।

প্রাণেশা খেলো, তবে ভদ্রতার খাতিরে উচ্ছ্বাস কে খাইয়ে দিলো না। উচ্ছ্বাস মনে করে না কিছু এতে, নিজে পিস কেটে নিজেই খায়।প্রাণেশা হাসি আটকালো। মিটিমিটি হেঁসে বললো

-"এতো রাতে কেক কোথায় পেলেন?"

-"আমার একজন পরিচিত আঙ্কেলের বেকারি আছে।বেচারা ঘুমাচ্ছিলো!ঘুম থেকে উঠিয়ে দোকান খুলিয়ে কেক নিয়ে এসেছি!"

-"উপপস! এতো কেয়ার!" দাঁত দেখালো প্রাণেশা।

উচ্ছ্বাস অবাক হলো প্রাণেশার এসব আচরণ দেখে।এমনভাবে বিহেভ করছে ও যেন ওরা রিলেশনে আছে।

উচ্ছ্বাস কিছু বলতে গিয়েও বললো না।

-"এত রাতে একসাথে কী করছো তোমরা?"

ঘোর নিস্তব্ধতার মাঝে কারো শক্ত কন্ঠ ভেসে আসতেই চমকে তাকালো উচ্ছ্বাস। প্রত্যুষকে দেখতেই বিস্ফোরিত দৃষ্টি তাক করলো ওর দিকে। বাঁকা হাসে প্রাণেশা।ব্যাস! প্রত্যুষের আসারই অপেক্ষায় ছিলো এতোক্ষণ ও।বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সময় মানবটিকে দেখেই তো ওর এখানে আসার এতো এক্সাইটমেন্ট জেগেছিলো।ইদানীং প্রত্যুষকে কষ্ট পেতে দেখলে ওর পৈশাচিক আনন্দ হচ্ছে।

গাঁ ছাড়া ভাব নিয়ে দাঁড়ালো প্রাণেশা।যেন প্রত্যুষ দেখে ফেলায় ওর কোনো যায় আসেনি।বড় বড় পা ফেলে এগিয়ে এলো প্রত্যুষ।প্রাণেশা এক পলক তাকালো প্রত্যুষের দিকে।গায়ে একটা টিশার্ট পরণে ওর, কোনো উষ্ণ কাপড় নেই।আশ্চর্য! ছেলেটার কী ঠান্ডা লাগছে না, যেখানে ও সোয়েটার পরেও ঠান্ডায় কাঁপছে। পরক্ষণেই মুখ ফেরালো প্রাণেশা।প্রত্যুষ অধিকতর ঠান্ডা স্বরে বললো

-"এতো নির্লজ্জ কেন তুই প্রাণেশা? রাত বিরেতে একটা স্বল্পপরিচিত ছেলের সাথে বাইরে দেখা করতে চলে এলি?"

ঠোঁট কামড়ে পিচঢালা রাস্তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করলো প্রাণেশা।এমন একটা ভাব যেন কারো কথা শুনতেই পায়নি ও।উচ্ছ্বাস এক্সকিউজ দেওয়ার চেষ্টা করলো। তবে প্রত্যুষ আঙুল উচিয়ে থামিয়ে দেয় ওঁকে। চিবিয়ে চিবিয়ে বলে

-" কোনো কথা না! আপনাকে কী বলেছিলাম আমি ভদ্র ফ্যামিলির ছেলেরা রাত বিরেতে মেয়েদের সাথে দেখা করে না।ও না-হয় অভদ্র।শিক্ষা দীক্ষার লেশ মাত্র নেই।বাট আপনার তরফ থেকে এমন বাচ্চামো আশা করিনি।"

বিহ্বল পলক ঝাপটালো উচ্ছ্বাস। কন্ঠ ফুঁড়ে কোনো শব্দ বের করতে পারলো না ও।প্রত্যুষ রাগী দৃষ্টি নিবদ্ধ করলো প্রাণেশার দিকে।তপ্তস্বরে বললো

-"তোকে কিছু বলতেও রুচিতে বাঁধছে আমার! ছি! মেনে নিলাম পার্সোনাল কারো সাথে বার্থডে সেলিব্রেট করবি, তাই বলে এভাবে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে! লজ্জা শরম সব চলে গেছে তোর! তুই কেন বুঝছিস না প্রাণ, কেন এমন বাচ্চামো করছিস! ফ্যামিলির সম্মান নিয়ে কোনো মাথা ব্যাথা নেই তোর!"

-"আমার ব্যাপারে তোমাকে না ভাবলেও চলবে প্রত্যুষ ভাই!"

প্রত্যুষ নাক ফুলিয়ে, অসম্ভব দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো।ঠোঁট বাকিয়ে নির্লজ্জের হাসি দিলো প্রাণেশা।প্রত্যুষ শুকনো স্বরে বললো

-"ও বললো আর নেমে গেলি! এই নিস্তব্ধতায়!তোকে মেরে ফেললেও তো কেও খবর পাবে না। এই দুনিয়ায় তো নিজের প্রিয় জনের ওতো বিশ্বাস নেই।ওর এক কথায় নেমে গেলি! এতোটা বিশ্বাস করিস ওঁকে, প্রাণ!"

-"হ্যাঁ, করি বিশ্বাস। আমি জানি ওর সান্নিধ্যে আমার কোনো ক্ষতি হবে না।তুমি মানুষের বিশ্বাস ভেঙে দাও মানে এই না, সবাই এমন করবে।উচ্ছ্বাস বিশ্বাসের যোগ্য। আই ট্রাস্ট হিম, আমি ওর কাছে নিজেকে নিরাপদ ফিল করি!"

হতভম্ব হয়ে তাকালো উচ্ছ্বাস। প্রাণেশার প্রতিটি কথা হৃদয়ে হামলে পরলো ওর। এটা কী ও সত্যিই মন থেকে বলছে, না প্রত্যুষকে শোনানোর জন্য! অনুভূতিহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো প্রত্যুষ।শুষ্ক স্বরে বললো

-"বাড়ি ফিরে যা প্রাণ!"

কন্ঠ কাঁপলো প্রত্যুষের।প্রাণেশা আরেকটু হার্ট করতে চাইলো ওঁকে। ব্যগ্র স্বরে বললো

-"আমার এখনো কথা শেষ হয়নি ওর সাথে!"

-"কথা শুনবি না তুই?"

-"না!"

উচ্ছ্বাস প্রাণেশার দিকে তাকিয়ে থাকলো।দর্শক হিসেবে দু'জন মানুষের নিরব যুদ্ধ দেখছে ও।তবে বেশিক্ষণ দর্শক থাকতে মনে চাইলো না ওর।দুজনের কথায় ব্যাগড়া দিয়ে বললো

-"এমন করছেন কেন প্রত্যুষ! মানছি এই টাইমে দেখা করা ঠিক হয়নি।আমরা জাস্ট কেক কাটছিলাম এতে এতো রিয়েক্ট করার কী আছে! মানছি আপনি ওর বড় ভাই, বাট এতো খবরদারি করতে পারেন না ওর উপর।এটা ওর লাইফ, ওর যেভাবে মন চায় সেভাবে লিড করবে।যার সাথে দেখা করতে মন চায় তার সাথে করবে, আপনি কেন এতো উতলা হচ্ছেন!"

উচ্ছ্বাসের দিকে ছোট ছোট চোখে তাকালো প্রাণেশা।প্রত্যুষ কে বলা এই কথাটা হজম করতে কষ্ট হলো ওর।প্রত্যুষকে কেও কিছু পিঞ্চ মেরে বলবে সেটা সহ্য করতে পারে না প্রাণেশা।বাট ও গালিগালাজ ও করতে পারবে, সেটা সমস্যা না।কিন্তু অন্য কেও ওর সামনে, প্রত্যুষকে কষ্ট দিয়ে কিছু বলবে, এটা বিরাট সমস্যা।

আক্রোশে তাকালো প্রত্যুষ।তীব্র অধিকারবোধে বললো

-"আমি ওর ফ্যামিলি মেম্বার উচ্ছ্বাস! বিষয়টা যখন আমার চোখে পরেছে, তখন অবশ্যই আমি কনসার্ন হবো।আমি ওর লাইফে অধিকার খাটাচ্ছি না।বাট ফ্যামিলির সম্মান দেখা ওটাও আমার দায়িত্ব।ওর এখনো সেই বোধবুদ্ধি হয়নি।এখনো যখন হয়নি আর মনে হয় না হবে।ফালতুমির সকল লিমিট ক্রস করে দিচ্ছে ও। আপনি প্লিজ এসবে নাক গলাবেন না! এটা ওর আর ওর ফ্যামিলির ব্যাপার।"

শ্লেষাত্মক দৃষ্টিতে তাকালো উচ্ছ্বাস। প্রত্যুষ হাত টেনে ধরলো প্রাণেশার।চিবিয়ে চিবিয়ে বললো

-"সোজা কথায় কাজ হবে না তোকে।আজকেই চাচ্চুর সাথে কথা বলবো আমি।বিয়ে দিয়ে বিদায় করলেই এসব ভীমরতি কাটবে তোর!"

হাত টেনে নিয়ে যাবে প্রত্যুষ তার আগেই অন্য হাত খপ করে ধরলো উচ্ছ্বাস।প্রত্যুষ একপলক তাকালো ওর ধরা হাতের দিকে।পরক্ষণেই উচ্ছ্বাসের দিকে তাকিয়ে হুড়মুড়িয়ে বললো

-"ওর হাত ছাড়ুন উচ্ছ্বাস!"

-"আপনি ছেড়ে দিন।এভাবে নিয়ে যেতে পারেন না ওঁকে।সবসময় এমন করেন আপনি! সমস্যা টা কী আপনার?"

-"হাত ছাড়ুন!"

-"ছাড়বো না!"

-"এভাবে হাত টানবেন না উচ্ছ্বাস, ও ব্যাথা পাবে!"

-"আপনি ছেড়ে দিন!"

প্রত্যুষ নিজ তাগিদে শক্ত হাতে প্রাণেশার হাত ছাড়ালো ওর থেকে।তপ্তস্বরে বললো

-"আপনার সাথে অনেক হিসাব বাকি আছে আমার।প্রাণেশার থেকে দুরে থাকবেন আপনি।"

বলেই প্রাণেশাকে ট্রলিব্যাগের মতো টেনে নিয়ে গেলো প্রত্যুষ।উচ্ছ্বাস অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।দৃষ্টি ঝাপ্সা হয় ওর।মেয়েটাকে নিয়ে চলে গেলো ওর থেকে।উচ্ছ্বাস যেতে দিয়েছে তাই নিয়ে চলে যেতে পেরেছে।নয়তো ও যদি হাত আলগা না করতো প্রত্যুষ কখনোই প্রাণেশাকে নিয়ে যেতে পারতো না!

উচ্ছ্বাস ঝাপসা দৃষ্টি রাস্তায় নিবদ্ধ করলো।বিড়বিড় করে বললো

-"প্রাণপাখি, এই দুনিয়ার সব ছেলের সাথে আমি যুদ্ধ করে নেবো, যারা তোমাকে চায়।শুধু ঐ একজন ছাড়া যাকে তুমি চাও।তোমার প্রত্যুষ ভাইয়ার সাথে যুদ্ধ করার ক্ষমতা আমার নেই!

#চলবে

(জ্বর গায়ে লিখেছি পর্বটা।অনেক ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে।

ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করবেন।কালকে গল্প আসবে না!)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২৪তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন