ফন্ট সাইজ:
থিম:
এসেছি তোকে নিয়ে ফিরবো বলে

১ম পর্ব

লেখক: Israt Jahan probah

.১

আকাশের মুখটা আজ বড্ড ভার। দুপুরের তপ্ত রোদকে ছুটি দিয়ে ধূসর মেঘেরা দল বেঁধে আকাশ দখল করে নিয়েছে।

মনে হচ্ছে আকাশটা যেন কোনো গভীর অভিমানে ফেটে পড়বে, আর মুহূর্তেই ঝরঝর করে নামবে বৃষ্টি। ঢাকা শহরের এই এক ঝক্কি—বৃষ্টি নামলে জ্যামের যন্ত্রণায় জীবন ওষ্ঠাগত, আর না নামলে প্যাচপ্যাচে গরম।

ভার্সিটির করিডোর দিয়ে এক জোড়া পা যেন ঝড়ের গতিতে ছুটছে। এই পায়ের মালিকানি যার, সে হলো নীল,,লম্বা চুলগুলো বাতাসের দুলাই ধুলছে পড়নে হলুদ রঙের একটি কুর্তি চেহারায় কোনো সাজ গজ নেই সাদামাটা ভাবেই থাকে কিন্তু এর সাথে লাগতে গেলেই কাম সারছে,, ভার্সিটির শেষ ক্লাসটা শেষ হতেই সে যে দৌড় শুরু করেছে, থামার নাম নেই। করিডোর দিয়ে যাওয়ার সময় এক পলক জানলা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে নীল বিড়বিড় করে উঠল, "খাইছে রে!

আজকে নির্ঘাত খবর আছে। আকাশ যে রূপ ধরছে, একটু পরেই বালতি ঢেলে বৃষ্টি নামবে। আর আমি যদি ভিজা বিড়াল হয়ে বাসায় ফিরি, আম্মু আজকে ঝাঁটা দিয়ে আমার পিঠের চামড়া তুলে ফেলবে!"

নীল দেখতে ঠিক যেন জলরঙে আঁকা কোনো ছবি। টানা টানা বড় দুটো চোখ, যাতে সবসময় একরাশ মায়া আর চঞ্চলতা খেলা করে। গায়ের রঙ দুধে-আলতা না হলেও এক অদ্ভুত স্নিগ্ধ উজ্জ্বলতা আছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো তার কোমর সমান লম্বা কুচকুচে কালো চুলগুলো, যা এখন দৌড়ানোর চোটে বাতাসে এলোমেলো হয়ে উড়ছে।

—নীলিমা জাহান ইতি মধ্যবিত্ত পরিবারের আদরের, আবার কড়া শাসনের মধ্যে বড় হওয়া এক চঞ্চল মেয়ে। সে তার মা-বাবার একমাত্র মেয়ে। তবে একা নয়, তার দুই ভাই আছে। বড় ভাই নীলকে আগলে রাখে পাহাড়ের মতো, আর ছোট ভাইটা ঠিক যেন নীলের ছায়াসঙ্গী—সারাদিন ঝগড়া আর খুনসুটিতেই যাদের সময় কাটে। বাবা-মা আর দুই ভাইকে নিয়ে নীলের এক চিলতে সুখের সংসার। চঞ্চলতা আর জেদ তার স্বভাবে থাকলেও, মনের দিক থেকে সে খুব কোমল। কিন্তু এই এই জেদি মেয়ের দুজন প্রিয় বেস্টু আছে তাদের একজন হচ্ছে আল্পনা আরেকজন নিপা দুইজন হচ্ছে নীল এর জান আর ওইদুইজনের জান হচ্ছে নীল ,,,

নীলের আম্মুর কড়া শাসন ------ভার্সিটি শেষ করে সোজা বাসা। দেরি হলেই শুরু হয় জেরা। আজ এমনিতেই পনেরো মিনিট দেরি হয়ে গেছে। নীল নিজের মনেই ভাবছে, "দৌড়া নীল, দৌড়া! আজ তোর রক্ষা নেই।"

করিডোরের মোড়টা দ্রুত ঘুরতে গিয়েই ঘটল বিপত্তি। সামনে থেকে কেউ একজন আসছিল, কিন্তু নীল তখন আকাশের অবস্থা আর মায়ের ঝাঁটার ভয়ে এতটাই বিভোর ছিল যে সামনে তাকানোর ফুরসত পায়নি।

শক্ত, পাথরের মতো কোনো কিছুর সাথে ধাক্কা খেয়ে নীল ছিটকে পেছনের দিকে পড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু না, একেবারে মাটিতে আছাড় খাওয়ার আগেই সে মরিয়া হয়ে হাত বাড়িয়ে পাশের একটা কনক্রিটের পিলার খপ করে ধরে ফেলল। কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে টাল সামলালো সে। হাঁটুতে একটু চোট লেগেছে বোধহয়, কিন্তু সেদিকে খেয়াল করার চেয়ে নীলের মেজাজ এখন তুঙ্গে।

সামনে তাকিয়ে দেখল একটা দীর্ঘকায় ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটির উচ্চতা প্রায় ছয় ফুট। গায়ের রঙ উজ্জ্বল ফর্সা, যা এই মেঘলা দিনেও যেন ঝকঝক করছে। সুঠাম দেহভঙ্গি বলে দিচ্ছে সে নিজের ফিটনেস নিয়ে কতটা সচেতন। কিন্তু সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো তার চোখ দুটি। তার চোখের মণিগুলো সাধারণ কালো নয়, বরং গাঢ় বাদামী বা হ্যাজেল (Hazel) রঙের, যা গভীর এক রহস্যের আভাস দেয়। ছেলেটির পরনে দামি শার্ট, হাতা কনুই পর্যন্ত গোটানো। চেহারায় আভিজাত্য থাকলেও এক ধরনের কঠোরতা মিশে আছে।

এই ছেলেটিই হলো নীলাদ্রি চৌধুরী। শান্ত স্বভাবের আড়ালে তার ভেতরে এক ভয়ংকর রাগ লুকিয়ে থাকে। খুব একটা কথা সে বলে না, কিন্তু তার তীক্ষ্ণ দৃষ্টির সামনে যে কেউ থমকে যেতে বাধ্য।

নীল অবশ্য এই আভিজাত্য বা সৌন্দর্য দেখার অবস্থায় ছিল না। সে দাঁত কিড়মিড় করে চেঁচিয়ে উঠল—

"কী বে উগান্ডার বিড়াল! চোখে দেখেন না নাকি? চোখ কী হাতে নিয়ে ঘুরেন? আজাইরা অন্ধ কোথাকার! একদম রাস্তার মাঝখানে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছেন কেন?"

নীলাদ্রি ভ্রু কুঁচকে নীলের দিকে তাকালো। তার চোয়াল শক্ত হয়ে এল। এমনভাবে কেউ তাকে কথা শোনাতে পারে, সেটা তার ধারণার বাইরে ছিল। তার রাগটা তখন টগবগ করে মাথায় চড়ছে। সে গম্ভীর গলায় কিছু একটা বলতে চাইল, কিন্তু নীল ততক্ষণে পা চালিয়ে সিঁড়ির দিকে ঝড়ের বেগে এগিয়ে গেছে। পেছনে ফিরে তাকানোর সময় তার নেই। মনে মনে বিড়বিড় করছে, "মানুষ না হাতি! ধাক্কা দিয়ে আবার রাগী চোখে তাকিয়ে আছে।"

নীলাদ্রি কিছুক্ষণ সেই জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার রাগী চোখের মণিগুলো যেন আরও গাঢ় হয়ে উঠেছে। সে শার্টের ধুলো ঝেড়ে লম্বা একটা শ্বাস নিল। তার জরুরি কাজে ভার্সিটির অ্যাডমিন অফিসে যাওয়ার কথা।

অফিস রুমে ঢুকতেই দেখা গেল সেখানে বেশ কয়েকজন প্রবীণ শিক্ষক বসে কথা বলছেন। নীলাদ্রিকে

নীলাদ্রি চৌধুরী। সে তার বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে। অত্যন্ত গম্ভীর, মেধাবী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তবে তার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তার প্রচণ্ড রাগ। অন্যায় বা বেয়াদবি সে একদম সহ্য করতে পারে না। দীর্ঘ সময় পর সে তার বাবার কর্মস্থলে ফিরে এসেছে। তার আবার কোনো বন্ধু বান্ধব পছন্দ না সে একা থাকতেই পছন্দ করে তার বাবা বিসনেন এন্ড নিজের কোম্পানি কাজ সে ব্যাস্ত তবে বাবা কথা রাখতে সে তার বাবার ভার্সিটিতে প্রফেসর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছে ,,,

ভেতরে ঢুকতে দেখেই সোফায় বসে থাকা তার বাবা, যিনি এই ভার্সিটির অত্যন্ত সম্মানিত একজন ব্যক্তিত্ব, দ্রুত উঠে দাঁড়ালেন। নিজের একমাত্র সন্তানকে দেখে তার চোখমুখ গর্বে উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তিনি দ্রুত এগিয়ে এসে নীলাদ্রিকে জড়িয়ে ধরলেন।

উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে তিনি বলে উঠলেন—

"Oh, my son! I am so happy to see you, Baba! How are you?"

অফিস রুমে থাকা অন্য শিক্ষকরা তখন সশ্রদ্ধ হাসিতে মেতে উঠলেন। নীলাদ্রি তার বাবার একমাত্র সন্তান হওয়াতে পুরো পরিবারের ভালোবাসা আর আশা-ভরসা তাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়।

বাইরে তখন ঝমঝম করে বৃষ্টি নেমেছে। ঢাকার পিচঢালা রাস্তা ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধে ভরে উঠেছে। নীল যখন হাঁপাতে হাঁপাতে বাসায় পৌঁছালো, ততক্ষণে তার হলুদ কুর্তির নিচের অংশ আর ওড়না বৃষ্টির ছাঁটে ভিজে একাকার। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে বুক ভরে শ্বাস নিল সে। কলিংবেল চাপতেই ভেতর থেকে ছোট ভাই নীড় দরজা খুলে দিল।

"কিরে আপু, উগান্ডার জঙ্গল থেকে পালিয়ে আসলি নাকি? অবস্থা তো দেখ পুরা ভিজা বিড়াল!" নীড় দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বলল।

নীল রাগী চোখে একবার তাকাল। "চুপ কর একদম! আম্মু কোথায়?"

"আম্মু রান্নাঘরে, তোর জন্য স্পেশাল ঝাড়ু গরম করে রাখছে। পনেরো মিনিট লেট মানে বুঝিস তো? থার্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার!"

নীল কোনোমতে নীড়কে ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ল। ভাগ্য ভালো যে মা তখন নামাজে বসেছিলেন, তাই সে যাত্রায় বকা থেকে বেঁচে গেল। নিজের ঘরে ঢুকে নীল ধপাস করে বিছানায় বসে পড়ল।

তার মনের ভেতর এখনো সেই 'উগান্ডার বিড়াল' ওরফে নীলাদ্রির বাদামী চোখের চাউনিটা ভাসছে। ওমন সুন্দর চোখে অত রাগ কেন মানুষের?

"ধুর! কী ভাবছি এসব। ওই খাম্বার মতো লোকটার কথা ভেবে সময় নষ্ট করে লাভ নেই।" নিজেকে শাসন করে নীল ফ্রেশ হতে চলে গেল।

পরদিন সকালে ভার্সিটির পরিবেশটা একদম অন্যরকম। গতরাতের বৃষ্টির কারণে আকাশ পরিষ্কার, রোদের ঝিলিক ঘাসের ওপর চিকচিক করছে। নীল আর তার দুই প্রাণের সখা—আল্পনা আর নিপা—ক্যান্টিনের এক কোণায় বসে আড্ডা দিচ্ছিল।

"জানিস নিপা, কালকে যে কী এক বিপদে পড়ছিলাম! এক তালের গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে আমার মান-সম্মান সব শেষ!" নীল হাত পা নেড়ে কালকের ঘটনা বর্ণনা করছিল।

আল্পনা চোখ বড় বড় করে বলল, "বলিস কী? ছেলেটা কি হ্যান্ডসাম ছিল?"

নীল মুখ বেঁকিয়ে বলল, "হ্যান্ডসাম দিয়ে কী ধুয়ে খাব? মেজাজটা ছিল চৈত্র মাসের দুপুরের মতো গরম। একদম আঁতেল টাইপ!"

নিপা হাসতে হাসতে বলল, "বাদ দে ওসব। আজকে আমাদের নতুন বিহেভিয়ারাল সায়েন্সের প্রফেসর আসার কথা না? শুনলাম উনি নাকি ভেরি স্ট্রিক্ট।"

নীল তুড়ি মেরে বলল, "আরে ধুর! প্রফেসররা একটু খিটখিটে হয়ই। আমরা আছি না? সব ম্যানেজ করে নেব।"

ক্লাসের সময় হতেই তিনজন হুড়মুড় করে ঢুকে একদম সামনের বেঞ্চে বসল। নীল তখনো হাসাহাসি করছিল নিপার একটা জোকস শুনে। ঠিক তখনই ক্লাসরুমের পিনপতন নীরবতা চিরে ভারি জুতো শব্দ পাওয়া গেল। ঠক, ঠক, ঠক।

ক্লাসের সবাই যেন পাথরের মতো জমে গেল। নীল তখনো নিপার দিকে ফিরে হাসছে, "কিরে, সবাই চুপ হয়ে গেল কেন? ভুত আসলো নাকি?"

"নিশ্চয়ই কোনো ভুতই এসেছে, মিস রেড কুর্তি,,,

গম্ভীর, শীতল এক কণ্ঠস্বর নীলের কানে বিঁধল। কন্ঠটা খুব চেনা! নীলের হাসিমাখা মুখটা মুহূর্তেই ফ্যাকাশে হয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে ঘাড় ঘুরিয়ে সামনে তাকাল।

ব্লাকবোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছে নীল রঙের ব্লেজার পরা সেই দীর্ঘকায় ছেলেটি। যার বাদামী চোখের মণিগুলো এখন নীলের দিকে তীরের মতো বিঁধে আছে। তার হাতে একটা মার্কার, আর ঠোঁটের কোণে এক চিলতে বাঁকা হাসি—যা মোটেও সুখকর নয়।

পুরো ক্লাস স্তব্ধ। নীলাদ্রি চৌধুরী ডেস্কে ফাইলটা রেখে গম্ভীর গলায় বলল, "আই অ্যাম নীলাদ্রি চৌধুরী। আপনাদের নিউ প্রফেসর। আর এই ক্লাসে 'উগান্ডার বিড়াল' দের কোনো জায়গা নেই। বিশেষ করে যারা ক্লাসের শিষ্টাচার বোঝে না।"

নীলের মনে হলো পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। কাল যাকে সে রাস্তার মাঝখানে ঝাড়ি দিয়ে এসেছে, সে-ই আজ তার প্রফেসর! আল্পনা ফিসফিস করে বলল, "দোস্ত, এটা তো সেই তালের গাছ! তুই তো শেষ!"

নীলাদ্রি ডায়েরিটা খুলে নাম ডাকতে শুরু করল। নীলের নাম আসতেই সে স্থির হয়ে তাকাল। "নীলিমা জাহান ইতি? স্ট্যান্ড আপ।"

নীল কাঁপাকাঁপা পায়ে দাঁড়াল। নীলাদ্রি তার সামনে এসে দাঁড়াল। ছয় ফুটের সেই ব্যক্তিত্বের সামনে পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চির নীলকে আরও ছোট দেখাচ্ছিল।

"কালকে তো খুব বড় বড় কথা বলছিলেন। আজকে কেন মুখটা আমসির মতো হয়ে আছে? চোখ কি এখনো হাতে নিয়ে ঘুরছেন?" নীলাদ্রি নিচু স্বরে শুধু নীলের উদ্দেশ্যেই বলল।

নীল দাঁতে দাঁত চেপে নিচের দিকে তাকিয়ে রইল। মনে মনে ভাবল, "আল্লাহ, এই খবিশটা আমার কপালে জুটল শেষে? এখন তো একে কামড়ও দিতে পারছি না!"

নীলাদ্রি পুরো ক্লাসের দিকে তাকিয়ে ঘোষণা করল, "আমার ক্লাসে লেট কামারদের কোনো ক্ষমা নেই। আর যারা বেশি চঞ্চল, তাদের জন্য স্পেশাল পানিশমেন্টের ব্যবস্থা থাকবে। সো, বি কেয়ারফুল।"

পুরো এক ঘণ্টা ক্লাস চলল। নীল এক মুহূর্তের জন্যও মাথা তুলে তাকাতে পারল না। সে অনুভব করছিল, নীলাদ্রির সেই তীক্ষ্ণ বাদামী চোখ দুটো বারবার তার ওপরেই থমকে দাঁড়াচ্ছে। ক্লাসের শেষে সবাই যখন বেরিয়ে যাচ্ছিল, নীলাদ্রি বলে উঠল—

"নীলিমা, আপনি একটু অফিস রুমে আসবেন। আপনার কালকের আচরণের জন্য একটা ফরমাল অ্যাপোলজি লেটার দরকার।"

নীল মনে মনে চিল্লিয়ে উঠল, "মরেছি! এই লোক তো মনে হচ্ছে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ওত পেতে বসে আছে।"

অফিস রুমের করিডোর দিয়ে যাওয়ার সময় নীল পিছনে পিছনে হাঁটছিল আর নীলাদ্রি নীলের সামনে ছিল নীল তখন বিড়বিড় করে বলছিল, " ককি কি যেন একটা গান গেয়ে ছিল কি যেন ধুর বাবা মনেই পড়ছে না হঠাৎ করে মনে পড়ে যায় হ্যাঁ এসেছি তোকে নিয়ে ফিরবো বলে... কথা টা আমার জন্ম কেন উল্টে গেল ,,,এই ডায়লগটা যেন কার ছিল জানি না, কিন্তু এই প্রফেসর তো আমাকে যমের দুয়ারে নিয়ে ফিরবে বলে মনে হচ্ছে!"

"এসেছি তোকে নিয়ে ফিরবো বলে"

ইসরাত জাহান প্রভা

(1k যদি হয় ইনশাআল্লাহ রেগুলার পর্ব দিবো যদি না আসে তাহলে আমি কান্না করে দিবো সোনা মনিরা)

চলবে,,,

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন