ফন্ট সাইজ:
থিম:
এসেছি তোকে নিয়ে ফিরবো বলে

২য় পর্ব

লেখক: Israt Jahan probah

এসেছি তোকে নিয়ে ফিরবো বলে

ইসরাত জাহান প্রভা

⚠️অনুমতি ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ⚠️

.২

নীলাদ্রি দীর্ঘকায় শরীরের ছায়া নীলের ওপর পড়তেই ওর হৃৎস্পন্দন যেন ট্রেনের ইঞ্জিনের মতো ধুকপুক করতে শুরু করল। করিডোর দিয়ে যাওয়ার সময় নীল বিড়বিড় করে বলছিল, "এসেছি তোকে নিয়ে ফিরবো বলে... কথা টা আমার জন্য কেন উল্টে গেল জানি না! এই প্রফেসর তো আমাকে যমের দুয়ারে নিয়ে ফিরবে বলে মনে হচ্ছে!"

অফিস রুমে ঢুকেই নীলাদ্রি নিজের আরামদায়ক চেয়ারটায় হেলান দিয়ে বসল। ঘরটা বেশ বড়, কিন্তু এক কোণায় অনেকগুলো পুরোনো ফাইল আর বই ধুলোবালি মেখে পড়ে আছে। নীলাদ্রি একবার হাতের ঘড়ি দেখল, তারপর টেবিলের ওপর রাখা একটা ডাস্টার নীলের দিকে বাড়িয়ে দিল।

নীল ভ্রু কুঁচকে তাকাল। "এটা দিয়ে কী হবে?"

নীলাদ্রি গম্ভীর গলায় বলল, "দেখতেই পাচ্ছেন এই কোণাটা কত নোংরা হয়ে আছে। অনেকদিন হলো এই রুমটা ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না। আজ যেহেতু আপনি আমার সময় নষ্ট করেছেন, তাই এর প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে এই পুরো রুমের ধুলাবালি আপনি ক্লিন করবেন। যান, শুরু করুন।"

নীলের তো আকাশ থেকে পড়ার দশা! সে চোখ কপালে তুলে বলল, "হোয়াট! কেন? আমাকে দিয়ে কেন ক্লিন করাবেন? আপনার কাছে কি কোনো পিয়ন বা ক্লিনার নেই? আমি একজন স্টুডেন্ট, আমি কেন এসব ঝাড়ামোছা করতে যাব? কক্ষনো না!"

নীলাদ্রি চেয়ার ছেড়ে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালো। তার লম্বা ছায়াটা নীলের ওপর পড়তেই নীল একটু কেঁপে উঠল। নীলাদ্রি এক পা এক পা করে এগোচ্ছে, আর নীল ভয়ে ভয়ে পিছাতে শুরু করল। নীল ভাবছে, 'ওমা গো! এই বেডা এখন আমার দিকে এইভাবে এগোচ্ছে কেন খোদা? ওনি কি আমাকে মারবে নাকি?'

নীল পিছাতে পিছাতে একসময় দেয়ালের সাথে একদম চেপে গেল। পালানোর আর কোনো পথ নেই। সে ভয়ে চোখ দুটো খিঁচে বন্ধ করে ফেলল। হার্টবিট তখন ২০০০ স্পিডে চলছে। হঠাৎ সে অনুভব করল নীলাদ্রি একদম তার কানের কাছে মুখটা নামিয়ে এনেছে। তার গলার গম্ভীর এবং শীতল স্বরে নীল শিউরে উঠল।

"চুপচাপ যেটা করতে বলেছি করুন মিস নীলিমা। আমার কথার অবাধ্য হওয়া মানে নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনা। নাকি চান আপনার অ্যাটেনডেন্স আমি জিরো করে দিই?"

নীল চোখ খুলে দেখল নীলাদ্রির সেই বাদামী চোখ দুটো একদম তার চোখের ওপর স্থির হয়ে আছে। এত কাছ থেকে লোকটাকে অসহ্য রকমের হ্যান্ডসাম লাগছে, আবার একই সাথে রাগী। নীল বিড়বিড় করে বলল, "খবিশ! জল্লাদ একটা!"

"কিছু বললেন?" নীলাদ্রি ভ্রু নাচালো।

"না না! বলছি যে... ডাস্টাটা দিন, করছি!" নীল একপ্রকার ছোঁ মেরে ডাস্টাটা নিয়ে কাজের দিকে পা বাড়ালো।

অন্যদিকে, নীলের বাসায় তখন অন্যরকম ব্যস্ততা। ছোট ভাই নীড় সোফায় বসে পা দোলাচ্ছে আর চিপস চিবোচ্ছে। রান্নাঘর থেকে মা চিৎকার করে বলছেন, "নীড়, নীল কি ফিরেছে? মেয়েটা যে কোথায় যায় এত দেরি করে!"

নীড় মুখ বাঁকিয়ে বলল, "আরে আম্মু, তোমার মেয়ে নিশ্চয়ই কোথাও কারো সাথে ঝগড়া বাধিয়ে বসে আছে। যে মেজাজ ওর! কালকে তো পুরা ভিজে বাসায় ফিরল। আজকেও দেখবে কোনো অঘটন ঘটিয়ে আসবে।"

নীলের বাবা সোহেল সাহেব পত্রিকা পড়তে পড়তে বললেন, "নীল একটু চঞ্চল ঠিকই, কিন্তু ও বুদ্ধিমতী। তবে ওর রাগটা একটু কমানো দরকার।"

নীড় মনে মনে হাসল। সে জানে তার আপু এখন নিশ্চয়ই ভার্সিটিতে কোনো না কোনো কিছু অঘটন তো করছেই,,,

অফিস রুমে নীল তখন মনের সুখে নীলাদ্রিকে গালি দিচ্ছে আর ফাইল ঝাড়ছে। "মনে মনে ভাবছে— ব্যাটা তালের গাছ! আমাকে দিয়ে ধুলো পরিষ্কার করায়? দাঁড়া, তোর চায়ে যদি কোনোদিন সুযোগ পাই নুন মিশিয়ে দেব!"

নীলাদ্রি ল্যাপটপে কাজ করতে করতে আড়চোখে নীলকে দেখছিল। মেয়েটার জেদ আছে, আবার সারল্যও আছে। কালকের সেই বৃষ্টির রাতের নীল আর আজকের এই ডাস্টার হাতে রাগী নীল—দুটো রূপই নীলাদ্রিকে ভেতরে ভেতরে এক অদ্ভুত প্রশান্তি দিচ্ছে। যদিও মুখে সে কঠোর ভাব ধরে রেখেছে।

হঠাৎ নীল একটা পুরোনো বড় ফাইলে টান দিতেই ওপর থেকে একরাশ ধুলো ওর নাকে এসে পড়ল।

"আচ্ছউউউ!"

নীল সজোরে হাঁচি দিতেই নীলাদ্রি তাকিয়ে দেখল নীলের নাকটা লাল হয়ে গেছে। নীল রাগী চোখে নীলাদ্রির দিকে তাকিয়ে বলল, "খুশি তো আপনি? এবার কি আমি বাসায় যেতে পারি?"

নীলাদ্রি উঠে এসে একটা টিস্যু বক্স নীলের দিকে এগিয়ে দিল। তারপর শান্ত গলায় বলল, "আজকের মতো ছুটি। তবে কাল থেকে ক্লাসে যেন এক মিনিটও দেরি না হয়। আর হ্যাঁ— 'এসেছি তোকে নিয়ে ফিরবো বলে' গানটা গাওয়ার শখ থাকলে ভালো করে সুর দিয়ে গাইবেন, বিড়বিড় করে নয়।"

নীল থতমত খেয়ে গেল। সে কি সব শুনে ফেলেছে? ইশ! অপমানে নীল আর এক মুহূর্ত সেখানে দাঁড়াল না। ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে ঝড়ের গতিতে রুম থেকে বেরিয়ে গেল।

নীলাদ্রি জানলার পাশে গিয়ে দাঁড়াল। নিচে দেখল নীল গটগট করে হেঁটে গেটের দিকে যাচ্ছে। ওর ঠোঁটের কোণে এবার সত্যিকারের একটা মায়াবী হাসি ফুটে উঠল। সে বিড়বিড় করে বলল—

"আসলেই তোকে নিতে এসেছি নীল। তবে ফেরার পথটা এত সহজ হবে না।"

নীল দ্রুত পা চালিয়ে মেইন গেটের দিকে এগিয়ে গেল। বাসের জন্য অপেক্ষা না করে একটা রিকশা নিয়ে ও যখন বাসার সামনে পৌঁছাল, তখন আকাশের গর্জন আরও বেড়ে গিয়েছে। দ্রুত লিফট দিয়ে ওপরে উঠে ও নিজের রুমে ঢুকল। সারাদিনের ক্লান্তি আর গুমোট আবহাওয়ায় ওর শরীরটা বেশ ছেড়ে দিয়েছিল। তাই দেরি না করে ও দ্রুত ফ্রেশ হয়ে নিল।

হালকা নীল রঙের আরামদায়ক একটা পোশাক পরে ও বিছানায় গা এলিয়ে দিতেই কখন যে গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল, তা ও নিজেও টের পায়নি।

ঘণ্টাখানেক পর জানালার কাঁচে বৃষ্টির তীব্র শব্দে নীলের ঘুম ভেঙে গেল। ও চোখ মেলে দেখল ঘরটা অন্ধকার হয়ে আছে, আর বাইরে ঝুম বৃষ্টি নামছে। ও আলসেমি কাটিয়ে উঠে ধীরপায়ে বারান্দার দরজাটা খুলল। সাথে সাথেই একঝাঁক বৃষ্টির ছিটে ওর মুখটা ভিজিয়ে দিল।

বৃষ্টির ঝাপটায় বারান্দার গাছগুলো পাগলের মতো দুলছে আর সেই ঠাণ্ডা হাওয়া নীলের চুলে বিলি কেটে দিচ্ছে। ও রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল। বৃষ্টির এই সোঁদা গন্ধ আর ঝিরঝিরে বাতাস ওর মনটা এক নিমেষেই ভালো করে দিল। ঠিক সেই মুহূর্তে ওর ফোনটা বেজে উঠল— বান্ধবী নিপা আর আল্পনা কল দিয়েছে।

ফোন রিসিভ করতেই ওপাশে নিপার চিৎকার, "কিরে নীল, নিচে আয়! আমরা তোর বাসার নিচে একদম ভিজে একাকার!" নীল অবাক হয়ে নিচে গিয়ে ওদের ওপরে নিয়ে এল। আল্পনা আর নিপা দুজনেই বৃষ্টির জলে ভিজে একদম কাকভেজা হয়ে গিয়েছে। নীল ওদের তোয়ালে আর পোশাক দিয়ে ফ্রেশ হওয়ার ব্যবস্থা করে দিল। এরপর তিন বান্ধবী মিলে ড্রয়িংরুমে আড্ডা বসাল। নীল নিজ হাতে গরম ধোঁয়া ওঠা চা আর মুড়ি মাখা তৈরি করেছে। বৃষ্টির শব্দে ওদের গল্প আর হাসি যেন আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠল। নিপা ওর ফোন বের করে বৃষ্টির ভিডিও করতে ব্যস্ত, আর আল্পনা নীলের সাথে খুনসুটি করছে। তিন বান্ধবীর এই জমাট আড্ডায় বাইরের বৃষ্টির বেগ যেন ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

আড্ডার এক ফাঁকে নীলের বড় ভাই আদিল অফিস থেকে ফিরল। আদিল সচরাচর বেশ গম্ভীর এবং রাশভারী স্বভাবের মানুষ। ও ড্রয়িংরুমে ঢুকেই দেখল সবাই হাসাহাসি করছে। নীল বা নিপা কেউ কিছুই খেয়াল করেনি, কিন্তু আদিল যখন দেখল আল্পনা হাসিমুখে কথা বলছে, তখন ওর মনের ভেতর এক অদ্ভুত ভালোলাগা কাজ করতে শুরু করল। বৃষ্টির দিনে ভেজা চুলের আল্পনাকে দেখে আদিলের হৃদস্পন্দন যেন এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল। ও মুখে কোনো হাসি প্রকাশ করল না, কিংবা কাউকেই কিছু বুঝতে দিল না, কিন্তু ওর ভেতরে এক অন্যরকম শিহরণ খেলে গেল। আদিল কোনো কথা না বাড়িয়ে গম্ভীরভাবেই নিজের রুমে চলে গেল, কিন্তু ওর মনে মনে আল্পনার সেই স্নিগ্ধ চেহারাটা বারবার ভেসে উঠতে লাগল

বাইরে বৃষ্টির বেগ এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে নিপা আর আল্পনার পক্ষে নিজের বাসায় ফেরা একদম অসম্ভব হয়ে পড়ল। নীল ওদের জোরাজুরি করে রেখেই দিল।

রাতে তিন বান্ধবী মিলে অনেক রাত পর্যন্ত আড্ডা দিল, মুভি দেখল আর জানালার পাশে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনল। পরদিন সকালে যখন ঘুম ভাঙল, তখনো চারপাশটা একটু মেঘলা আর ভেজা ভেজা। ওরা তিনজন তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নিল ভার্সিটিতে যাওয়ার জন্য।

ঠিক সেই সময় আদিল ওর রুম থেকে বেরিয়ে এল। অফিসের জন্য ও তৈরি হয়ে নিয়েছে, পরনে ফর্মাল শার্ট আর ট্রাউজার। আদিলকে দেখে নীল বলল, "ভাইয়া, আমরা বের হচ্ছি।" আদিল চাবির গোছাটা হাতে নিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, "চল, আমিই তোদের নামিয়ে দিয়ে আসি। তোদের নামিয়ে আমি অফিসে চলে যাব।"

গাড়িতে ওঠার সময় আল্পনা প্রথমবার খুব কাছ থেকে আদিলকে লক্ষ্য করল। ও মনে মনে ভাবল, "ছেলেটা তো বেশ সুন্দর! লম্বায় অন্তত ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি তো হবেই। গলার আওয়াজটাও কী গম্ভীর!" আদিল গাড়ি চালাচ্ছে, আর আয়নায় মাঝে মাঝে পেছনের সিটে বসা মেয়েদের দেখছে। ভার্সিটির গেটে নামিয়ে দেওয়ার পর আল্পনা আর নিপা যখন নামছে, আদিল এক পলক আল্পনার দিকে তাকিয়ে নিল। সেই চাহনিতে খুব সূক্ষ্ম একটা মুগ্ধতা ছিল। তারপর ও গাড়ি চালিয়ে অফিসের দিকে চলে গেল।

ভার্সিটিতে পা দিয়েই নীল মুখ ঝামটা দিয়ে বলল, "ধুর বাল! আজকে কোনো কাজই করব না। ওই খচ্চর টিচারের ক্লাস করার কোনো ইচ্ছাই আমার নেই।" নিপা আর আল্পনাও সায় দিল। ওরা তিনজনে মিলে সোজা চলে গেল ক্যান্টিনে। ক্যান্টিনের এক কোণে বসে যখন ওরা আড্ডা দিচ্ছিল আর হাসাহাসি করছিল, তখন একটা ছেলে সাহস করে নীলের টেবিলের সামনে এসে দাঁড়াল। হাতে একটা গোলাপ আর চোখেমুখে নার্ভাস হাসি। ছেলেটি সবার সামনেই নীলকে প্রপোজ করে বসল।

ঠিক সেই মুহূর্তেই পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন নীলাদ্রি স্যার এইসব দেখে তো মেজাজ তার গরম হয়ে যায় তাঁর ক্লাসের কথা মনে করেই নীলা একটু আগে গালি দিয়েছিল। স্যার ক্যান্টিনের এই দৃশ্য দেখে একবারে তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠলেন। তিনি ধীর পায়ে টেবিলের সামনে গিয়ে রাগী গলায় কিড়মিড় করে বললেন, "এটা কি কোনো প্রেমের জায়গা? এখানে স্টুডেন্টরা পড়াশোনা করতে আসে। তোমরা যদি এইসব নোংরামি করতে চাও, তবে বাইরে গিয়ে করো। স্টুপিড কোথাকার!"

স্যারের বকুনি খেয়ে ছেলেটি তো ভয়ে পাংশু হয়ে গেল, কিন্তু নীলের মাথায় যেন রক্ত চড়ে গেল। এমনিতেই সকাল থেকে মুডটা একটু অন্যরকম ছিল, তার ওপর বিনা দোষে স্যারের কাছে এইসব বিশ্রী কথা শুনে ওর মেজাজ চরম গরম হয়ে গেল। স্যার গজগজ করতে করতে চলে যেতেই নীল বসা থেকে এক ঝটকায় উঠে দাঁড়াল।

নীল ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছেলেটির কলার চেপে ধরল। "তোর জন্য আজকে আমি এতগুলো কথা শুনলাম?" বলেই ও ছেলেটিকে মারতে শুরু করল। নিপা আর আল্পনা তো হাবার মতো তাকিয়ে আছে। নীল ছেলেটিকে মাটিতে ফেলে ওর পিঠের ওপর নিজের হাঁটু দিয়ে সজোরে ঠেস দিয়ে চেপে ধরল।

নীল দাঁতে দাঁত চেপে কিড়মিড় করে বলতে লাগল, "তোর কি আর কোনো জায়গা ছিল না হারামি? আমার কাছেই কেন আইলি? তোর এই নাটকবাজির জন্য আজকে আমি স্যারের কাছে স্টুপিড শুনলাম! দাড়া, তোরে আজ আমি উচিত শিক্ষা দিচ্ছি।"

নীল ছেলেটিকে রীতিমতো রাম কেলানি দিতে শুরু করল। ছেলেটি বাঁচার জন্য আকুতি মিনতি করছে, কিন্তু নীলের রাগের কাছে সব বৃথা। ভার্সিটির অন্য ছাত্ররা জটলা পাকিয়ে দেখছে নীলের এই রুদ্রমূর্তি। নিপা ফিসফিস করে আল্পনাকে বলল, "আজকে তো ছেলেটার হাড়গোড় একটাও আস্ত থাকবে না মনে হচ্ছে!"

নীল যেন থামতেই চাইছে না। ওর একটাই কথা— যার জন্য ও অপমানিত হয়েছে, তাকে ও ছেড়ে দেবে না। ক্যান্টিনের সেই শান্ত আড্ডা মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়ে যায়,,,

আর এইদিকে এমন ভাবে পেটাতে দেখে তো একজোড়া চোখ যেন বিস্ময় এ দৃষ্টিতে তাকিয়েই থাকে,,,,

চলবে,,,

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন